নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সারা দেশের যেকোনো স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে আগেই স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে হবে। সড়কে তোরণ নির্মাণ সীমিত রাখতে হবে এবং ওভারহেড তৈরি করা যাবে না। মহান বিজয় দিবস–২০২২ উদ্যাপনের লক্ষ্যে আইন–শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে আরও যেসব সিদ্ধান্ত হয় সেগুলো হলো—রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্য বৃন্দসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সড়ক পথে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে গমন ও প্রত্যাবর্তনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিন্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ নির্বিঘ্নে যেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।
বাংলাদেশের বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কূটনৈতিকবৃন্দ জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাতায়াতে পথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সকল স্থানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হবে। ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদ্যাপন উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং সারা দেশে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হবে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধের লক্ষ্যে অনুষ্ঠানস্থলে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মাস্ক পরিধান করে অনুষ্ঠানে যেতে হবে।
সভায় জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ পুলিশের আইজি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানগণ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সারা দেশের যেকোনো স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে আগেই স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে হবে। সড়কে তোরণ নির্মাণ সীমিত রাখতে হবে এবং ওভারহেড তৈরি করা যাবে না। মহান বিজয় দিবস–২০২২ উদ্যাপনের লক্ষ্যে আইন–শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে আরও যেসব সিদ্ধান্ত হয় সেগুলো হলো—রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্য বৃন্দসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সড়ক পথে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে গমন ও প্রত্যাবর্তনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিন্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ নির্বিঘ্নে যেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।
বাংলাদেশের বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কূটনৈতিকবৃন্দ জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাতায়াতে পথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সকল স্থানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হবে। ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদ্যাপন উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং সারা দেশে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হবে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধের লক্ষ্যে অনুষ্ঠানস্থলে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মাস্ক পরিধান করে অনুষ্ঠানে যেতে হবে।
সভায় জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ পুলিশের আইজি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানগণ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান গত শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্ডার সেক্রেটারি (রাজনৈতিক বিষয়ক) অ্যালিসন হুকার এবং সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক...
২ ঘণ্টা আগে
বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
১০ ঘণ্টা আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
১৪ ঘণ্টা আগে