ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বাংলাদেশের করা বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত আদানি গ্রুপকে সিঙ্গাপুরে সালিসে যাওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ বুধবার বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি ঊর্মি রহমানের বেঞ্চ এই নিষেধাজ্ঞা দেন।
ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের ১৩ নভেম্বর রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আব্দুল কাইয়ুম।
রিটে আদানি গ্রুপের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিকে ‘অসম, অন্যায্য ও দেশের স্বার্থপরিপন্থী’ বলে উল্লেখ করা হয়। চুক্তির শর্তগুলো সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সংশোধন করতে বলা হয় রিটে। আর আদানি গ্রুপ রাজি না হলে চুক্তিটি বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়।
ওই রিটের শুনানি শেষে বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে সব চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করতে উচ্চ পর্যায়ের অনুসন্ধান কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে দুই মাসের মধ্যে এই বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। এ ছাড়া আদানি গ্রুপের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চুক্তি কেন পুনর্বিবেচনা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।
আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘এই চুক্তির বিষয়ে একটি তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন আসার আগেই যদি সিঙ্গাপুরে আদানি তাদের পাওনা নিয়ে সালিসি কার্যক্রম শুরু করে, তাহলে ওই তদন্তের গুরুত্ব থাকবে না। এ কারণে আমরা নিষেধাজ্ঞা চেয়েছি। ওই চুক্তিতে অনেক অনিয়ম হয়েছে।’

বাংলাদেশ পুলিশে প্রথমবারের মতো সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে চার হাজার উপপরিদর্শক (এসআই-নিরস্ত্র) পদ পূরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৫০০টি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদ সৃষ্টির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সরকার দুই মাসের জ্বালানি তেলের মজুত থাকার আশ্বাস দিয়েছে। মজুত নিয়ে ভরসার কথা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রথম থেকেই বলা হচ্ছে। কিন্তু মাঠের চিত্রের পরিবর্তন নেই। বরং তা দৃশ্যত দিন দিন কঠিন হচ্ছে। রাজধানীতে বহু মানুষ ভোর থেকে তেলের পাম্পের লাইনে দাঁড়ালেও অধিকাংশ পাম্পে দুপুরের আগে ডিপো থেকে তেল আসছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
২০৩০ সালের মধ্যে শুধু সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ জন্য একটি নীতিমালা এবং বিনিয়োগ সহযোগীকরণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে