Ajker Patrika

মোবাইল হ্যাক, ভয়েস ক্লোন ও স্বাক্ষর জাল নিয়ে সংসদ সদস্যদের চিফ হুইপের সতর্কতা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০২
মোবাইল হ্যাক, ভয়েস ক্লোন ও স্বাক্ষর জাল নিয়ে সংসদ সদস্যদের চিফ হুইপের সতর্কতা
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ফাইল ছবি

জাতীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) মোবাইল ফোন (সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ) হ্যাক, ভয়েস ক্লোন ও স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার ঘটনায় সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ বিষয়ে এমপিদের সচেতন থাকার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসি কাজ শুরু করেছে বলে জানান চিফ হুইপ।

চিফ হুইপ বলেন, ‘পত্রিকায় এসেছে, মোবাইল ফোনে... আমি কালকে এখানে পেয়েছি, আমাকে তিনজন সংসদ সদস্য বলেছেন, জরুরি ভিত্তিতে ৫০ হাজার টাকা পাঠান, ৩০ হাজার টাকা পাঠান, আবার ২৫ হাজার টাকা পাঠান। তিনটা নম্বর থেকেই এসেছে। যাদের নম্বর থেকে এসেছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, কল করেছিলাম, কিন্তু ধরেনি। মানে মোবাইল (নম্বর) হ্যাক হয়েছে।’

এমপিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নূরুল ইসলাম বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট সচেতন হওয়া জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি আপনারা জানলে, সারা বাংলা জানবে বলে মনে করি। টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ জানুক। ভয়েস ক্লোন করে এবং কাগজপত্র নিয়ে কাজটা করছে, কিছু কিছু মানুষ স্বাক্ষর জাল করে একটি কাগজ হাজির করছে, সেটাও সমস্যা হয়েছে। বিরোধী দলের অনেক সদস্যদের হয়েছে, সরকার দলের সদস্যদেরও হয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে এমপিদের সচেতন হওয়ার অনুরোধ করেছেন চিফ হুইপ।

এ সময় চিফ হুইপের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ‘বিষয়টি যখন ওঠালেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব কার? রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে কিছু বলবেন না? ক্লোন হয় বা যা-ই হয় না হয়, সেটাতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে যাদের হচ্ছে, তারা তো সেটার জন্য দায়ী না। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের, নির্বাহী বিভাগ বা রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে বলার থাকলে বলেন।’

তখন চিফ হুইপ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে গতকালই (বুধবার) কথা হয়েছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা বিটিআরসি শুরু করেছে; যাতে এ সমস্যার সমাধান করতে পারি।’

এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘সব লবিতে ফেস রিডিং ডিভাইস রয়েছে। যেখানে ফেস রিডিং করা হয় না, সেখানে ১২০-২২ জন হয়। আমাকে সংসদ থেকে অবহিত করা হয়েছে, যাতে সব সংসদ সদস্য ফেস রিডিং করে সংসদকক্ষে ঢোকেন। আজকে যেন যাওয়ার সময় সব সদস্য ফেস রিডিং করে যান।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত