নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক দিনে আরও ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৩০ দিনের মধ্যে এটিই দৈনিক সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর ৩৬ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত এক দিনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১২ হাজার ১৮৩ জন।
আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
যেখানে গতকাল ২১ জনের মৃত্যু এবং ১০ হাজার ৩৭৮ জন রোগী শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সর্বশেষ ৯ অক্টোবর এক দিনে ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়। সে হিসাবে তিন মাস ২০ দিনের মধ্যে দৈনিক সর্বোচ্চ মৃত্যু ছিল এদিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৩৬৩ জন। আর মোট রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩৩২ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১৬৭ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৫ জন করোনা রোগী।
গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআর, জিন এক্সপার্ট ও র্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে ৮৬৫টি সক্রিয় ল্যাবে ৪৩ হাজার ৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যেখানে গতকাল শনাক্তের হার জানানো হয় ৩১ দশমিক ১০ শতাংশ। এর আগের দিন ৪৬ হাজার ২৬৮টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এটিই দেশে এযাবত দৈনিক আক্রান্ত শনাক্তের সর্বোচ্চ হার।
দেশে মোট ১ কোটি ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৩২৪টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্তের কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক দিনে আরও ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৩০ দিনের মধ্যে এটিই দৈনিক সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর ৩৬ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত এক দিনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১২ হাজার ১৮৩ জন।
আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
যেখানে গতকাল ২১ জনের মৃত্যু এবং ১০ হাজার ৩৭৮ জন রোগী শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সর্বশেষ ৯ অক্টোবর এক দিনে ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়। সে হিসাবে তিন মাস ২০ দিনের মধ্যে দৈনিক সর্বোচ্চ মৃত্যু ছিল এদিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৩৬৩ জন। আর মোট রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩৩২ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১৬৭ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৫ জন করোনা রোগী।
গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআর, জিন এক্সপার্ট ও র্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে ৮৬৫টি সক্রিয় ল্যাবে ৪৩ হাজার ৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যেখানে গতকাল শনাক্তের হার জানানো হয় ৩১ দশমিক ১০ শতাংশ। এর আগের দিন ৪৬ হাজার ২৬৮টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এটিই দেশে এযাবত দৈনিক আক্রান্ত শনাক্তের সর্বোচ্চ হার।
দেশে মোট ১ কোটি ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৩২৪টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্তের কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

গণভোট নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘যাঁরা গণভোট নিয়ে সমালোচনা করছেন, তাঁদের জানার পরিধি কম। কারণ, পৃথিবীর যে সমস্ত দেশে গণভোট হয়েছে, সেখানে সরকার গণভোটে হ্যাঁ অথবা না-এর পক্ষ নিয়ে থাকে। যেহেতু এই সরকার সংস্কারের পক্ষে, তাই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে কথা বলছে।
৪ মিনিট আগে
হিজরি সালের রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে আল্লাহর প্রিয় হাবিব নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহ রব্বুল আলামিনের দিদার লাভ করেছিলেন। মহান আল্লাহর মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে তিনি দুনিয়াতে ফিরে এসেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান গত শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্ডার সেক্রেটারি (রাজনৈতিক বিষয়ক) অ্যালিসন হুকার এবং সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক...
৫ ঘণ্টা আগে
বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
১২ ঘণ্টা আগে