দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে উপসচিব মো. কামরুজ্জামানের স্বাক্ষর রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাধারণ ছুটিকালীন সময়ে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীগণ এই ছুটির আওতা বহির্ভূত থাকবে। হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীগণও এই ছুটির আওতা বহির্ভূত থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসসমূহ এই ছুটির আওতা বহির্ভূত থাকবে। ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে এবং আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
এবার দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিনের ছুটি হতে যাচ্ছে। আগামী শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। পরদিন রোববার দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সরকারি ছুটি। ফলে সব মিলিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত টানা চারদিনের ছুটি থাকছে।

‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি-৪ অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী কিংবা তাঁর পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনি এলাকায় বসবাসকারী ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানে কোনোপ্রকার চাঁদা, অনুদান বা উপহার প্রদান করতে বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না।
১১ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় চূড়ান্তভাবে ভোটের লড়াইয়ে নামছেন ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নিবন্ধিত ৫১টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ১ হাজার ৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ২৪৯ জন।
২৪ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, ‘হ্যাঁ’ এর প্রার্থী কে? আমি বলি, হ্যাঁ-এর প্রার্থী আপনি, আমি, আমরা সবাই। কারণ ‘হ্যাঁ’ আমাদের উপহার দেবে, একটি গণতান্ত্রিক-মানবিক বাংলাদেশ। যেটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা।
১ ঘণ্টা আগে
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে