বাসস, ঢাকা

গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং উন্নয়নের মতো মৌলিক প্রশ্নে দল, মত, শ্রেণি ও পেশানির্বিশেষে আপামর জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। একাদশ জাতীয় সংসদের এ বছরের প্রথম অধিবেশনে আজ রোববার সংসদে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস এবং তাদের সকল প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু জাতীয় সংসদ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনস্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।
রাষ্ট্রপ্রধান লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত গৌরবোজ্জ্বল মহান স্বাধীনতা সমুন্নত রেখে দেশ থেকে সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়তেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি এ মহান জাতীয় সংসদে যথাযথ ও কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সব সাংসদের প্রতি আহ্বান জানান।
আবদুল হামিদ বলেন, নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী, সুন্দর ও উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেওয়া সবার পবিত্র কর্তব্য।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রতিবছরের প্রথম অধিবেশনে সরকারের বিগত দিনের সাফল্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন। সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী এ ভাষণে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করে এর ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংসদনেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সরকারি ও বিরোধী দলের সাংসদেরা উপস্থিত ছিলেন। বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত অন্যান্য অধিবেশনের মতো চলতি অধিবেশনও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ২০২১ সাল ছিল বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশের জন্য এক অবিস্মরণীয় বছর। এ বছরই জাতি উদ্যাপন করেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর নীতির কারণে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, যা উন্নয়নের পূর্বশর্ত। দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে সম্প্রীতিসহকারে স্ব-স্ব ধর্ম চর্চা করতে পারে, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের জন্য একটি অনন্য উদাহরণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে আজ বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর আজীবন লালিত স্বপ্ন সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
নতুন নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানসহ বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানির প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্ববাজারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন প্রশিক্ষণ কারিকুলাম প্রস্তুত, বিদ্যমান কারিকুলাম যুগোপযোগীকরণ এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে সার্টিফায়েড দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।
বিগত দেড় দশকে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি সব সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করার তাগিদ দেন। তিনি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন শতভাগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংক্রমণের কারণে বিগত দুই বছর জনসাধারণের জীবন-জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়। করোনার কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ঝুঁকি বৃদ্ধির পাশাপাশি বেসরকারি খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সাহসী, দূরদর্শী নেতৃত্ব, অনুপ্রেরণা ও সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত করোনা এবং এর অভিঘাত সফলভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছে। তবে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন যাতে বাংলাদেশে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে, সে জন্য সরকারকে সতর্কতা অবলম্বনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগাতে হলে জনমিতির সুবিধা পুরোপুরি ব্যবহার করতে হবে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, এ জন্য দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে।

গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং উন্নয়নের মতো মৌলিক প্রশ্নে দল, মত, শ্রেণি ও পেশানির্বিশেষে আপামর জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। একাদশ জাতীয় সংসদের এ বছরের প্রথম অধিবেশনে আজ রোববার সংসদে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস এবং তাদের সকল প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু জাতীয় সংসদ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনস্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।
রাষ্ট্রপ্রধান লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত গৌরবোজ্জ্বল মহান স্বাধীনতা সমুন্নত রেখে দেশ থেকে সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়তেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি এ মহান জাতীয় সংসদে যথাযথ ও কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সব সাংসদের প্রতি আহ্বান জানান।
আবদুল হামিদ বলেন, নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী, সুন্দর ও উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেওয়া সবার পবিত্র কর্তব্য।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রতিবছরের প্রথম অধিবেশনে সরকারের বিগত দিনের সাফল্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন। সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী এ ভাষণে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করে এর ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংসদনেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সরকারি ও বিরোধী দলের সাংসদেরা উপস্থিত ছিলেন। বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত অন্যান্য অধিবেশনের মতো চলতি অধিবেশনও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ২০২১ সাল ছিল বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশের জন্য এক অবিস্মরণীয় বছর। এ বছরই জাতি উদ্যাপন করেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর নীতির কারণে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, যা উন্নয়নের পূর্বশর্ত। দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে সম্প্রীতিসহকারে স্ব-স্ব ধর্ম চর্চা করতে পারে, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের জন্য একটি অনন্য উদাহরণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে আজ বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর আজীবন লালিত স্বপ্ন সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
নতুন নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানসহ বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানির প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্ববাজারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন প্রশিক্ষণ কারিকুলাম প্রস্তুত, বিদ্যমান কারিকুলাম যুগোপযোগীকরণ এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে সার্টিফায়েড দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।
বিগত দেড় দশকে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি সব সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করার তাগিদ দেন। তিনি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন শতভাগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংক্রমণের কারণে বিগত দুই বছর জনসাধারণের জীবন-জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়। করোনার কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ঝুঁকি বৃদ্ধির পাশাপাশি বেসরকারি খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সাহসী, দূরদর্শী নেতৃত্ব, অনুপ্রেরণা ও সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত করোনা এবং এর অভিঘাত সফলভাবে মোকাবিলা করে যাচ্ছে। তবে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন যাতে বাংলাদেশে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে, সে জন্য সরকারকে সতর্কতা অবলম্বনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগাতে হলে জনমিতির সুবিধা পুরোপুরি ব্যবহার করতে হবে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, এ জন্য দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২৯ মিনিট আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৩ ঘণ্টা আগে