তৌফিকুল ইসলাম, ঢাকা

বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত দূরত্ব কমাতে প্রকল্প চূড়ান্ত করতে চলেছে রেলওয়ে। প্রকল্পের কাজের জন্য চলতি মাসেই ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে বগুড়ার দূরত্ব ১১২ কিলোমিটার কমে আসবে। ফলে যাতায়াতের সময়ও কমবে।
২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর একনেকের সভায় বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন পায়। সে সময় প্রকল্পের ব্যয় ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। এই টাকায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাজ করবে নতুন করে কোনো ব্যয় বাড়েনি। তখন ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরা প্রকল্প শেষ করার কথা বলা হয়েছিল।
প্রকল্প সূত্র জানান, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ৮৬ দশমিক ৫১ কিলোমিটার লিংক রেললাইনের আগের একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন আছে। চুক্তি হওয়ার পর পরামর্শক সংস্থা আগের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হালনাগাদ করার পাশাপাশি নকশা ও দরপত্র প্রস্তুত করবে। চুক্তি শুরুর পরে ২০২২ সালের অক্টোবরে এসব কাজ শেষ করার কথা রয়েছে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের। তারপর শুরু হবে মূল রেললাইনের কাজ।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত সরাসরি কোনো রেলপথ নেই। ফলে ট্রেনে করে বগুড়া থেকে ঢাকায় আসতে দীর্ঘ পথ ঘুরতে হয়। ঢাকা থেকে যাওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু ব্রিজ পার হওয়ার পরে, উল্লাপাড়া, পাবনা, ঈশ্বরদী, সান্তাহার হয়ে বগুড়ায় আসতে হয়।
প্রকল্পের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যমান রেললাইনে ঢাকা থেকে বগুড়ার দূরত্ব প্রায় ৩২৪ কিলোমিটার। কিন্তু বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত লিংক রেললাইন হওয়ার পরে এই দূরত্ব ১১২ কিলোমিটার কমবে। বর্তমানে বগুড়া থেকে চারটি জেলা ঘুরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এই সময় অনেক কমে যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার বলেন, ‘এই রেললাইন উত্তরাঞ্চল মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দূরত্ব কমে যাবে এবং কম সময়ে যাত্রীরা ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলে পৌঁছাতে পারবেন। এই রেলপথ হলে রংপুর ও লালমনিরহাটের যাত্রীদের আর সান্তাহার ঘুরে আসতে হবে না, সরাসরি বগুড়া-সিরাজগঞ্জ হয়ে ঢাকায় আসতে পারবে। তা ছাড়া ভবিষ্যতে এই লাইন হয়ে গেলে ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলের মধ্যে ট্রেনের সংখ্যাও বাড়বে।’
এদিকে, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেল লাইনের আওতায় সাতটি নতুন রেল স্টেশন নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান তিনটি স্টেশনকে আধুনিকায়ন করা হবে।

বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত দূরত্ব কমাতে প্রকল্প চূড়ান্ত করতে চলেছে রেলওয়ে। প্রকল্পের কাজের জন্য চলতি মাসেই ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে বগুড়ার দূরত্ব ১১২ কিলোমিটার কমে আসবে। ফলে যাতায়াতের সময়ও কমবে।
২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর একনেকের সভায় বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন পায়। সে সময় প্রকল্পের ব্যয় ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। এই টাকায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাজ করবে নতুন করে কোনো ব্যয় বাড়েনি। তখন ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরা প্রকল্প শেষ করার কথা বলা হয়েছিল।
প্রকল্প সূত্র জানান, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ৮৬ দশমিক ৫১ কিলোমিটার লিংক রেললাইনের আগের একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন আছে। চুক্তি হওয়ার পর পরামর্শক সংস্থা আগের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হালনাগাদ করার পাশাপাশি নকশা ও দরপত্র প্রস্তুত করবে। চুক্তি শুরুর পরে ২০২২ সালের অক্টোবরে এসব কাজ শেষ করার কথা রয়েছে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের। তারপর শুরু হবে মূল রেললাইনের কাজ।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত সরাসরি কোনো রেলপথ নেই। ফলে ট্রেনে করে বগুড়া থেকে ঢাকায় আসতে দীর্ঘ পথ ঘুরতে হয়। ঢাকা থেকে যাওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু ব্রিজ পার হওয়ার পরে, উল্লাপাড়া, পাবনা, ঈশ্বরদী, সান্তাহার হয়ে বগুড়ায় আসতে হয়।
প্রকল্পের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যমান রেললাইনে ঢাকা থেকে বগুড়ার দূরত্ব প্রায় ৩২৪ কিলোমিটার। কিন্তু বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত লিংক রেললাইন হওয়ার পরে এই দূরত্ব ১১২ কিলোমিটার কমবে। বর্তমানে বগুড়া থেকে চারটি জেলা ঘুরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এই সময় অনেক কমে যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার বলেন, ‘এই রেললাইন উত্তরাঞ্চল মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দূরত্ব কমে যাবে এবং কম সময়ে যাত্রীরা ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলে পৌঁছাতে পারবেন। এই রেলপথ হলে রংপুর ও লালমনিরহাটের যাত্রীদের আর সান্তাহার ঘুরে আসতে হবে না, সরাসরি বগুড়া-সিরাজগঞ্জ হয়ে ঢাকায় আসতে পারবে। তা ছাড়া ভবিষ্যতে এই লাইন হয়ে গেলে ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলের মধ্যে ট্রেনের সংখ্যাও বাড়বে।’
এদিকে, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেল লাইনের আওতায় সাতটি নতুন রেল স্টেশন নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান তিনটি স্টেশনকে আধুনিকায়ন করা হবে।

২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
৮ মিনিট আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
১ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি যাতে জামিন, অব্যাহতি বা খালাস না পান, তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
২ ঘণ্টা আগে