নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঈদের সময় মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের পর এবার সব ধরনের নৌযান ও লঞ্চে মোটরসাইকেল পরিবহন নিষিদ্ধ হলো। পবিত্র ঈদুল আজহার আগের পাঁচ দিন ও পরের পাঁচ দিন এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। আজ বুধবার সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে তারা।
বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, ঈদের আগে পাঁচ দিন ও পরের পাঁচ দিন নৌযান ও লঞ্চে মোটরসাইকেল বহন নিষিদ্ধ।
বিআইডব্লিউটিএর জনসংযোগ শাখার উপপরিচালক মোবারক হোসেন মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকে থেকেই সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয়েছে। ঈদের পরের পাঁচ দিন পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে। অর্থাৎ আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত কোন নৌযান ও লঞ্চে মোটরসাইকেল বহন করা যাবে না। তবে ফেরিতে মোটরসাইকেল পারাপার করা যাবে। আগামী ১৬ তারিখ থেকে আবার লঞ্চ ও নৌযানে মোটরসাইকেল বহন করা যাবে।’
এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, ঈদুল আজহার আগের তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের তিন দিন সারা দেশের মহাসড়কে যৌক্তিক কারণ ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো যাবে না। তবে ‘যৌক্তিক ও অনিবার্য প্রয়োজনে’ পুলিশের অনুমতি নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো যাবে।
গত রোববার মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। আসন্ন ঈদে অনেক বাইকার নিজের মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি যেতে চান। এ অবস্থায় মহাসড়কের পর নৌযান ও লঞ্চে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ হওয়ায় অসন্তোষ দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে।
মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের পর গত মঙ্গলবার এর প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাইকারদের একটি অংশ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সেখানে তারা অভিযোগ তোলে, বাসমালিকদের আয় কমে যাওয়ার শঙ্কার কারণেই মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে এসব নতুন সিদ্ধান্ত আসছে।

ঈদের সময় মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের পর এবার সব ধরনের নৌযান ও লঞ্চে মোটরসাইকেল পরিবহন নিষিদ্ধ হলো। পবিত্র ঈদুল আজহার আগের পাঁচ দিন ও পরের পাঁচ দিন এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। আজ বুধবার সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে তারা।
বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, ঈদের আগে পাঁচ দিন ও পরের পাঁচ দিন নৌযান ও লঞ্চে মোটরসাইকেল বহন নিষিদ্ধ।
বিআইডব্লিউটিএর জনসংযোগ শাখার উপপরিচালক মোবারক হোসেন মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকে থেকেই সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয়েছে। ঈদের পরের পাঁচ দিন পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে। অর্থাৎ আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত কোন নৌযান ও লঞ্চে মোটরসাইকেল বহন করা যাবে না। তবে ফেরিতে মোটরসাইকেল পারাপার করা যাবে। আগামী ১৬ তারিখ থেকে আবার লঞ্চ ও নৌযানে মোটরসাইকেল বহন করা যাবে।’
এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, ঈদুল আজহার আগের তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের তিন দিন সারা দেশের মহাসড়কে যৌক্তিক কারণ ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো যাবে না। তবে ‘যৌক্তিক ও অনিবার্য প্রয়োজনে’ পুলিশের অনুমতি নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো যাবে।
গত রোববার মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। আসন্ন ঈদে অনেক বাইকার নিজের মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি যেতে চান। এ অবস্থায় মহাসড়কের পর নৌযান ও লঞ্চে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ হওয়ায় অসন্তোষ দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে।
মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের পর গত মঙ্গলবার এর প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাইকারদের একটি অংশ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সেখানে তারা অভিযোগ তোলে, বাসমালিকদের আয় কমে যাওয়ার শঙ্কার কারণেই মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে এসব নতুন সিদ্ধান্ত আসছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এস. এম. রাশেদুল হাসান।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শেষ দিনের আপিল শুনানি চলছে। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি শুরু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আজ রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো। দলগুলোর এই অভিযোগের কাঠগড়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল ইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে