নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইউনিটি অব টিচার্স।
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালে বদলি নীতিমালা প্রণয়ন করলেও এখনো তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত শিক্ষকেরা দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে যদি শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ না করা হয়, তাহলে ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বৃহৎ অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে বাংলাদেশ ইউনিটি অব টিচার্স।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মুখপাত্র এ এইচ বাবলু। তিনি বলেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া অনেক শিক্ষক নিজ বাড়ি থেকে শত শত কিলোমিটার দূরের বিদ্যালয়ে কর্মরত। ২০১৫ সালের নিয়োগ নীতিমালার ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁরা পরবর্তী নিয়োগে আবেদন করে কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। কিন্তু চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই সে ধারা হঠাৎ করে বাতিল করা হয়।
এ এইচ বাবলু অভিযোগ করেন, বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও পারিবারিক সংকটে রয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে বারবার যোগাযোগ করেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি তাঁরা।
সংগঠনের নেতারা জানান, দীর্ঘ আন্দোলন ও দাবি-দাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এনটিআরসিএর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা, ২০২৪ প্রণয়ন করে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নীতিমালা বাস্তবায়ন শুরু হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় ১৫ সেপ্টেম্বর শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
এ এইচ বাবলু বলেন, ‘অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হলেও এখনো শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। আমরা বহুবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে আজ সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হয়েছি।’

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইউনিটি অব টিচার্স।
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালে বদলি নীতিমালা প্রণয়ন করলেও এখনো তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত শিক্ষকেরা দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে যদি শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ না করা হয়, তাহলে ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বৃহৎ অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে বাংলাদেশ ইউনিটি অব টিচার্স।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মুখপাত্র এ এইচ বাবলু। তিনি বলেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া অনেক শিক্ষক নিজ বাড়ি থেকে শত শত কিলোমিটার দূরের বিদ্যালয়ে কর্মরত। ২০১৫ সালের নিয়োগ নীতিমালার ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁরা পরবর্তী নিয়োগে আবেদন করে কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। কিন্তু চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই সে ধারা হঠাৎ করে বাতিল করা হয়।
এ এইচ বাবলু অভিযোগ করেন, বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও পারিবারিক সংকটে রয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে বারবার যোগাযোগ করেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি তাঁরা।
সংগঠনের নেতারা জানান, দীর্ঘ আন্দোলন ও দাবি-দাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এনটিআরসিএর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা, ২০২৪ প্রণয়ন করে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নীতিমালা বাস্তবায়ন শুরু হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় ১৫ সেপ্টেম্বর শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
এ এইচ বাবলু বলেন, ‘অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হলেও এখনো শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। আমরা বহুবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে আজ সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হয়েছি।’

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
৮ ঘণ্টা আগে