দুর্নীতি-অসদাচরণ
অর্চি হক, ঢাকা

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব আমজাদ হোসেনকে দুর্নীতি-অসদাচরণের অভিযোগে চাকরি থেকে স্থায়ী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে সূত্র জানিয়েছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১১ আগস্ট আমজাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। সূত্র বলেছে, অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অসদাচরণের ১৪টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটির সত্যতা পেয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে চাকরি থেকে স্থায়ী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ২৫ আগস্ট বিটিআরসির কমিশন সভায়।
অভিযোগ অস্বীকার করে আমজাদ হোসেন বলেছেন, ভিত্তিহীন প্রতিবেদন করা হয়েছে। বরখাস্তের চিঠি হাতে পেলে পদক্ষেপ নেবেন।
সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমজাদ হোসেনের নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে শতকোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। তাঁর স্ত্রী আফসানা আহমেদ এবং আত্মীয়স্বজনের নামে ঢাকা শহরে ১০টি ফ্ল্যাট ও ৫০ শতাংশ জমি রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও চারটি অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে কমিটি। এর মধ্যে রয়েছে ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৭১৮ টাকার বিল-ভাউচার না দিয়ে তছরুপ, এক ব্যক্তির বন্ধ কিছু করপোরেট সিম সচলের আশ্বাস দিয়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ, নিবন্ধনহীন শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানকে টেলিকমিউনিকেশন ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস সেবার অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের রাজস্বের ক্ষতিসাধন এবং কর্মচারীদের নিপীড়ন ও নিষ্পেষণ। ২৫ আগস্ট বিটিআরসির কমিশন সভার কার্যবিবরণীতে এসব উল্লেখ রয়েছে।
কমিশন সভার কার্যবিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, কমিশনের প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালক মো. আমজাদ হোসেনের (সাময়িক বরখাস্ত) বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণ এবং বিধি ৩(ঘ) অনুযায়ী দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার বিধি ৪(৩)(ঘ) ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (কর্মচারী) চাকরি প্রবিধানমালা, ২০২২-এর বিধি ৪৯(১)(খ)(উ) অনুযায়ী তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তসূচক গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো।
জানতে চাইলে আমজাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একটি ভিত্তিহীন প্রতিবেদন করা হয়েছে। আমার কোথায়, কী সম্পদ আছে, তার তালিকা আমি চেয়েছিলাম, তারা দিতে পারেনি। গত বছর “মব” তৈরি করে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। আর এখন ভিত্তিহীন তদন্ত প্রতিবেদনের নামে পূর্ণাঙ্গ বরখাস্ত করা হলো। আমি চিঠি হাতে পেলে পদক্ষেপ নেব।’
তদন্তের বিষয়ে জানতে কমিটির আহ্বায়ক বিটিআরসির মহাপরিচালক (এসএম) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাতে অপারগতা জানান।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব আমজাদ হোসেনকে দুর্নীতি-অসদাচরণের অভিযোগে চাকরি থেকে স্থায়ী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে সূত্র জানিয়েছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১১ আগস্ট আমজাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। সূত্র বলেছে, অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অসদাচরণের ১৪টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটির সত্যতা পেয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে চাকরি থেকে স্থায়ী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ২৫ আগস্ট বিটিআরসির কমিশন সভায়।
অভিযোগ অস্বীকার করে আমজাদ হোসেন বলেছেন, ভিত্তিহীন প্রতিবেদন করা হয়েছে। বরখাস্তের চিঠি হাতে পেলে পদক্ষেপ নেবেন।
সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমজাদ হোসেনের নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে শতকোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। তাঁর স্ত্রী আফসানা আহমেদ এবং আত্মীয়স্বজনের নামে ঢাকা শহরে ১০টি ফ্ল্যাট ও ৫০ শতাংশ জমি রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও চারটি অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে কমিটি। এর মধ্যে রয়েছে ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৭১৮ টাকার বিল-ভাউচার না দিয়ে তছরুপ, এক ব্যক্তির বন্ধ কিছু করপোরেট সিম সচলের আশ্বাস দিয়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ, নিবন্ধনহীন শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানকে টেলিকমিউনিকেশন ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস সেবার অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের রাজস্বের ক্ষতিসাধন এবং কর্মচারীদের নিপীড়ন ও নিষ্পেষণ। ২৫ আগস্ট বিটিআরসির কমিশন সভার কার্যবিবরণীতে এসব উল্লেখ রয়েছে।
কমিশন সভার কার্যবিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, কমিশনের প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালক মো. আমজাদ হোসেনের (সাময়িক বরখাস্ত) বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণ এবং বিধি ৩(ঘ) অনুযায়ী দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার বিধি ৪(৩)(ঘ) ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (কর্মচারী) চাকরি প্রবিধানমালা, ২০২২-এর বিধি ৪৯(১)(খ)(উ) অনুযায়ী তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তসূচক গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো।
জানতে চাইলে আমজাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একটি ভিত্তিহীন প্রতিবেদন করা হয়েছে। আমার কোথায়, কী সম্পদ আছে, তার তালিকা আমি চেয়েছিলাম, তারা দিতে পারেনি। গত বছর “মব” তৈরি করে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। আর এখন ভিত্তিহীন তদন্ত প্রতিবেদনের নামে পূর্ণাঙ্গ বরখাস্ত করা হলো। আমি চিঠি হাতে পেলে পদক্ষেপ নেব।’
তদন্তের বিষয়ে জানতে কমিটির আহ্বায়ক বিটিআরসির মহাপরিচালক (এসএম) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাতে অপারগতা জানান।

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
৩ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৪ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৬ ঘণ্টা আগে