
এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। আজ মঙ্গলবার তাঁকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনকে তাঁর অবসরোত্তর ছুটি এবং এ সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে আগামী ১৪ অক্টোবর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো। এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
মো. মাহবুব হোসেন চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে এক বছর তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরও আগে দুই বছর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৮৬ (৮ ম) বিসিএসের (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মাহবুব হোসেন ১৯৮৯ সালের ২০ ডিসেম্বর সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। চাকরি জীবনের বিভিন্ন সময় তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সহকারী/সিনিয়র সহকারী সচিব, উপ-সচিব, যুগ্ম–সচিব এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মাহবুব হোসেন বরিশাল রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ (বর্তমানে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ) থেকে ১৯৭৯ সালে এসএসসি, বরিশাল বিএম কলেজ থেকে ১৯৮১ সালে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ ব্যাচে সমাজ বিজ্ঞানে বিএসএস (সম্মান) এবং ১৯৮৫ ব্যাচে এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন।
চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ লন্ডন থেকে এমবিএ এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন থেকে জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন মাহবুব হোসেন।
বরিশালের মুলাদি উপজেলার পাতারচর গ্রামের মো. মাহবুব হোসেনের জন্ম। তাঁর বাবার মরহুম মো. আবদুল হাকিম খান এবং মা বেগম মেহেরুন্নেছা। মো. মাহবুব হোসেন দুই পুত্রের জনক।

এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। আজ মঙ্গলবার তাঁকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনকে তাঁর অবসরোত্তর ছুটি এবং এ সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে আগামী ১৪ অক্টোবর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো। এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
মো. মাহবুব হোসেন চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে এক বছর তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরও আগে দুই বছর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৮৬ (৮ ম) বিসিএসের (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মাহবুব হোসেন ১৯৮৯ সালের ২০ ডিসেম্বর সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। চাকরি জীবনের বিভিন্ন সময় তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সহকারী/সিনিয়র সহকারী সচিব, উপ-সচিব, যুগ্ম–সচিব এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মাহবুব হোসেন বরিশাল রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ (বর্তমানে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ) থেকে ১৯৭৯ সালে এসএসসি, বরিশাল বিএম কলেজ থেকে ১৯৮১ সালে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ ব্যাচে সমাজ বিজ্ঞানে বিএসএস (সম্মান) এবং ১৯৮৫ ব্যাচে এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন।
চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ লন্ডন থেকে এমবিএ এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন থেকে জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন মাহবুব হোসেন।
বরিশালের মুলাদি উপজেলার পাতারচর গ্রামের মো. মাহবুব হোসেনের জন্ম। তাঁর বাবার মরহুম মো. আবদুল হাকিম খান এবং মা বেগম মেহেরুন্নেছা। মো. মাহবুব হোসেন দুই পুত্রের জনক।

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছান।
১৮ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
৩ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে