বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

সচিবালয়ের ভেতরে মিছিল, সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করেছে সরকার। যদিও সরকারি কর্মচারীরা দলবদ্ধভাবে আন্দোলনে অংশ নিলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সচিবালয়ের ভেতরে নিরাপত্তা জোরদারের পদক্ষেপ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ের নিরাপত্তাসংক্রান্ত সাতটি নির্দেশনা দিয়ে অফিস আদেশ জারি করেছে।
সেখানে বলা হয়েছে, দেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ভেতরে প্রতিটি ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সচিবালয়ের ভেতরে অবস্থিত প্রতিটি ভবন ও প্রাঙ্গণের সার্বক্ষণিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সচিবালয়ের ভেতরে কোনো ধরনের মিছিল, সমাবেশ বা গণজমায়েত করা যাবে না। সচিবালয়ের ভেতরে অবস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অননুমোদিত কোনো সভা, সমাবেশ বা কোনো পেশাগত সংগঠন ও সমিতির সভা, সম্মেলন ও বৈঠক করা যাবে না।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সচিবালয়ের ভেতরে কোনো ভবন বা প্রাঙ্গণে কোনোরূপ লিফলেট বিতরণ, ব্যানার বা ফেস্টুন ঝোলানো বা স্থাপন করা যাবে না। সন্ধ্যা ৬টার পর সচিবালয়ের ভেতরে জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজনে অবস্থান করতে হলে এবং সাপ্তাহিক ছুটি কিংবা অন্য কোনো ছুটির দিনে সচিবালয়ের ভেতরে দাপ্তরিক প্রয়োজনে অবস্থান করতে হলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নিতে হবে। সচিবালয়ের ভেতরে কর্মরত কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের সচিবালয় প্রবেশ পাস দৃশ্যমান রাখতে হবে। সচিবালয়ে প্রবেশকালে গাড়ি বা ব্যক্তির নিরাপত্তা তল্লাশি দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী নিশ্চিত করবে।
সরকারি কর্মচারীদের একজোট হয়ে আন্দোলনের পথ বন্ধ করতে সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করে গত ২৫ মে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু সরকারি কর্মচারীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের কারণে ওই অধ্যাদেশ সংশোধন করে গত ২৪ জুলাই নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
আগের অধ্যাদেশ সংশোধন করে কয়েকটি শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত কর্মচারীর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা হয়েছে। কাজ বাদ দিয়ে কেউ দলগতভাবে আন্দোলনে অংশ নিলে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের আলোকেই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কেপিআই প্রতিষ্ঠান হিসেবে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই শুধু সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারেন। এর বাইরে যাঁদের অস্থায়ী পাস রয়েছে, তাঁরা সচিবালয়ে ঢুকতে পারেন। এ ছাড়া সপ্তাতে তিন দিন দর্শনার্থী পাস সংগ্রহ করে সচিবালয়ে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

সচিবালয়ের ভেতরে মিছিল, সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করেছে সরকার। যদিও সরকারি কর্মচারীরা দলবদ্ধভাবে আন্দোলনে অংশ নিলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সচিবালয়ের ভেতরে নিরাপত্তা জোরদারের পদক্ষেপ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ের নিরাপত্তাসংক্রান্ত সাতটি নির্দেশনা দিয়ে অফিস আদেশ জারি করেছে।
সেখানে বলা হয়েছে, দেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ভেতরে প্রতিটি ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সচিবালয়ের ভেতরে অবস্থিত প্রতিটি ভবন ও প্রাঙ্গণের সার্বক্ষণিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সচিবালয়ের ভেতরে কোনো ধরনের মিছিল, সমাবেশ বা গণজমায়েত করা যাবে না। সচিবালয়ের ভেতরে অবস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অননুমোদিত কোনো সভা, সমাবেশ বা কোনো পেশাগত সংগঠন ও সমিতির সভা, সম্মেলন ও বৈঠক করা যাবে না।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সচিবালয়ের ভেতরে কোনো ভবন বা প্রাঙ্গণে কোনোরূপ লিফলেট বিতরণ, ব্যানার বা ফেস্টুন ঝোলানো বা স্থাপন করা যাবে না। সন্ধ্যা ৬টার পর সচিবালয়ের ভেতরে জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজনে অবস্থান করতে হলে এবং সাপ্তাহিক ছুটি কিংবা অন্য কোনো ছুটির দিনে সচিবালয়ের ভেতরে দাপ্তরিক প্রয়োজনে অবস্থান করতে হলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নিতে হবে। সচিবালয়ের ভেতরে কর্মরত কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের সচিবালয় প্রবেশ পাস দৃশ্যমান রাখতে হবে। সচিবালয়ে প্রবেশকালে গাড়ি বা ব্যক্তির নিরাপত্তা তল্লাশি দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী নিশ্চিত করবে।
সরকারি কর্মচারীদের একজোট হয়ে আন্দোলনের পথ বন্ধ করতে সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করে গত ২৫ মে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু সরকারি কর্মচারীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের কারণে ওই অধ্যাদেশ সংশোধন করে গত ২৪ জুলাই নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
আগের অধ্যাদেশ সংশোধন করে কয়েকটি শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত কর্মচারীর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা হয়েছে। কাজ বাদ দিয়ে কেউ দলগতভাবে আন্দোলনে অংশ নিলে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের আলোকেই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কেপিআই প্রতিষ্ঠান হিসেবে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই শুধু সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারেন। এর বাইরে যাঁদের অস্থায়ী পাস রয়েছে, তাঁরা সচিবালয়ে ঢুকতে পারেন। এ ছাড়া সপ্তাতে তিন দিন দর্শনার্থী পাস সংগ্রহ করে সচিবালয়ে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আজ উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত ফৌজদারি দায় থেকে আন্দোলনকারীদের অব্যাহতি...
১১ মিনিট আগে
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাংবাদিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আনিসুর রহমান আলমগীর ওরফে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, প্রচারণার অংশ হিসেবে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং গণভোটে অংশগ্রহণের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। এবারের গণভোটে জনগণ রায় দিলে আইনসভায় নাগরিকদের প্রত্যেকটা ভোটের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে সংবিধান সংশোধন এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ায়...
৫ ঘণ্টা আগে