ফিচার ডেস্ক

ভ্রমণে গিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনার চোখের ক্ষুধা মেটাতে পারলেও পেটের ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম নয়। সেদিক থেকে ভিয়েতনাম শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য নয়, এর খাবারের জন্যও পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত। প্রাণবন্ত রন্ধনশৈলী, জটিল স্বাদ, তাজা উপকরণ ও আঞ্চলিক বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত এ দেশের রান্না। যা বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বয়ে আনে। সেখান থেকেই শুরু হয় ডেডিকেটেড ফুড ট্যুরের যাত্রা। উত্তরের ব্যস্ত রাজধানী থেকে দক্ষিণের শান্ত ডেল্টা পর্যন্ত এই গাইডসহ অভিজ্ঞতাগুলো সাংস্কৃতিক স্থান দর্শনকে খাঁটি স্থানীয় ভোজনের সঙ্গে মিশ্রিত করে। যার মূল্য তুলনামূলকভাবে কম। ২৯ ডলার থেকে শুরু করে একটু বেশি ৮২ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ভিয়েতনামী খাবারের জনপ্রিয়তা অনস্বীকার্য এবং এই কিউরেটেড ট্যুরগুলো প্রায়ই প্রধান অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে পাওয়া যায়। এ ভ্রমণে দেশের সবচেয়ে মজার রন্ধন ঐতিহ্যগুলোর একটি অভ্যন্তরীণ দৃশ্য দেখতে পারেন পর্যটকেরা।

হ্যানয় স্ট্রিট ফুড ট্যুর
রিয়েল ফুডির সঙ্গে স্মল গ্রুপ হ্যানয় স্ট্রিট ফুড ট্যুর পর্যটকদের কাছে অনেক বেশি জনপ্রিয়। এটি হা ফুড ট্যুরসের মাধ্যমে পরিচালিত। ভ্রমণভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ট্রিপএডভাইজারের মতে, এটি একটি প্রমাণিত জনপ্রিয় ট্যুর। ৩,০০০-এরও বেশি ভ্রমণকারী এই ট্যুর সম্পর্কে ইতিবাচক রিভিউ দিয়েছেন। অনেকে একে ১০০তে ৯৯ বলে সুপারিশ করেছেন। এটি একটি তিন ঘণ্টার হাঁটার ট্যুর, যা ঐতিহাসিক ওল্ড কোয়ার্টার থেকে শুরু হয়। মাত্র ছয়জন অংশগ্রহণকারী নিয়ে একটি ছোট গ্রুপ এই পথচলায় সফরসঙ্গী হন। অতিথিরা প্রাচীন রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো এবং হ্যানয়ের সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে জানার সময় একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা লাভ করেন। এই ট্যুর যে রেস্টুরেন্টে শেষ হয়, সেখানে মেনুটি প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। তবে এতে উত্তরের প্রধান খাবারগুলো সেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকে। অবশ্যই চেখে দেখার মতো পদগুলোর মধ্যে রয়েছে হ্যানয়ের প্রতীকী ফো, যা মূলত নুডলস স্যুপ, সুস্বাদু স্টিকি রাইস ও মিষ্টি গ্লুটিনাস রাইস বল। গাইডরা অতিথিদের এখানে নিয়ে খাবার চাখার সঙ্গে প্রতিটি কামড়ে সাংস্কৃতিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। সকাল ৬টা বা বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এই ট্যুর দিনের বেলা ঘুরে দেখার জন্য একটি চমৎকার শুরু হতে পারে।

হৈ আন ইভনিং ওয়াকিং ফুড ট্যুর
‘হৈ আন’-এর আকর্ষণ তার প্রাচীন স্থাপত্য থেকে শুরু করে তার স্বতন্ত্র কেন্দ্রীয় ভিয়েতনামী রান্না পর্যন্ত বিস্তৃত। যা এখানকার ইভনিং ওয়াকিং ফুড ট্যুরে পুরোপুরি প্রদর্শিত হয়। এটি একটি চার ঘণ্টার সংবেদনশীল যাত্রা, যা ইউনেসকো তালিকাভুক্ত প্রাচীন শহরের মধ্য দিয়ে চলে। এটি চলে সন্ধ্যা ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। এ সময়টাতে শহরটি তার বিখ্যাত রঙিন লণ্ঠন দিয়ে আলোকিত হয়। খাবারের বাইরেও ট্যুরটিতে প্রাণবন্ত নাইট মার্কেট পরিদর্শন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নৈশভোজ অন্তর্ভুক্ত থাকে। অতিথিরা শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারগুলো উপভোগ করেন। যার মধ্যে রয়েছে কাও লাউ, যা ঘন ও মাংস ভরা নুডলস, হৈ আন বান মি এবং আঞ্চলিক কোয়াং স্টাইল নুডলস। সন্ধ্যাটি হোয়াই নদীতে একটি শান্তিপূর্ণ নৌকা ভ্রমণের সঙ্গে শেষ হয়। সেখানে ভেসে বেড়ানোর সঙ্গে থাকে স্থানীয় গল্প বলার আয়োজন। পর্যালোচকেরা ‘বান মি কুইন’ স্যান্ডউইচের জন্য থামার ও ঐতিহ্যগতভাবে প্রাচীন বা লে ওয়েলের পানি ব্যবহার করে কাও লাউ নুডলস তৈরি করার বিষয়ে শিখতে পারেন। ট্যুরটি মজার ঐতিহ্যবাহী গেমসের মাধ্যমে শেষ হয়, যা রাতের আয়োজনে একটি কৌতুকপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্পর্শ যোগ করে।

দুই চাকায় উপকূলীয় রান্নার স্বাদ উপভোগ
উদ্যমী ভোজনরসিকদের জন্য ডা নাং ফুড ট্যুর বাই মোটরবাইক হলো একটি নিখুঁত রন্ধনসম্পর্কিত অভিজ্ঞতা। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৫টায় শুরু হওয়া এই পাঁচ ঘণ্টার ট্যুরে অতিথিরা একটি মোটরবাইকের পেছনে বসে শহরের ব্যাকস্ট্রিট ধরে ছয়টি ভিন্ন টেস্টিং লোকেশনে ভ্রমণ করেন। পরিবহনের মাধ্যমটি হলো ভিয়েতনামের শহুরে জীবনের একটি নিমগ্ন অভিজ্ঞতা। গাইডদের সঙ্গে কথা বললে অনেক তথ্য জানতে পারা যায়। যাঁরা এই ট্যুরে অংশগ্রহণ করেন, তাঁরা ডা নাংয়ের আইকনিক স্ট্রিট ফুডগুলো উপভোগ করেন, যার মধ্যে রয়েছে সুস্বাদু ও মচমচে বান সেও প্যানকেক এবং সুগন্ধি গ্রিলড মিট রোল ও নেম লুই। ট্যুরটি একটি স্থানীয় রেস্তোরাঁয় মূল খাবারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। সপ্তাহান্তে আসা অতিথিদের জন্য একটি অতিরিক্ত আকর্ষণ হলো, দর্শনীয় ড্রাগন ব্রিজ ফায়ার শো দেখার সম্ভাবনা। পর্যালোচকেরা ধারাবাহিকভাবে নিরাপদ ড্রাইভিং ও খাবারের স্টপগুলোর সুষম বৈচিত্র্যের প্রশংসা করেন। ট্যুরটি আটজন অতিথির মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং একটি নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করে।
আরও কিছু বিকল্প
মেকং ডেল্টা অঞ্চলের ক্যান থোতে ফ্লোটিং মার্কেট বা ভাসমান বাজার ভ্রমণ করা যেতে পারে। সেখানে গেলে স্থানীয় গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে মিশে যাওয়া ফুড ট্যুর উপভোগ করতে পারেন। এখানে তাজা ফল ও স্থানীয় মাছের পদের স্বাদ নিতে পারবেন। লং ফুড ট্যুর প্যাকেজগুলোও উপভোগ করতে পারেন। আপনি যদি একাধিক শহর ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করেন, তবে হ্যানয় থেকে হো চি মিন সিটি পর্যন্ত ১২-১৩ দিনের প্যাকেজ ট্যুর পাওয়া যায়। সেখানে রান্না শেখা ও খাবারের স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতাকে একত্র করে ট্যুর প্ল্যান করা হয়।
সূত্র: ইভিএন এক্সপ্রেস

ভ্রমণে গিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনার চোখের ক্ষুধা মেটাতে পারলেও পেটের ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম নয়। সেদিক থেকে ভিয়েতনাম শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য নয়, এর খাবারের জন্যও পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত। প্রাণবন্ত রন্ধনশৈলী, জটিল স্বাদ, তাজা উপকরণ ও আঞ্চলিক বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত এ দেশের রান্না। যা বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বয়ে আনে। সেখান থেকেই শুরু হয় ডেডিকেটেড ফুড ট্যুরের যাত্রা। উত্তরের ব্যস্ত রাজধানী থেকে দক্ষিণের শান্ত ডেল্টা পর্যন্ত এই গাইডসহ অভিজ্ঞতাগুলো সাংস্কৃতিক স্থান দর্শনকে খাঁটি স্থানীয় ভোজনের সঙ্গে মিশ্রিত করে। যার মূল্য তুলনামূলকভাবে কম। ২৯ ডলার থেকে শুরু করে একটু বেশি ৮২ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ভিয়েতনামী খাবারের জনপ্রিয়তা অনস্বীকার্য এবং এই কিউরেটেড ট্যুরগুলো প্রায়ই প্রধান অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে পাওয়া যায়। এ ভ্রমণে দেশের সবচেয়ে মজার রন্ধন ঐতিহ্যগুলোর একটি অভ্যন্তরীণ দৃশ্য দেখতে পারেন পর্যটকেরা।

হ্যানয় স্ট্রিট ফুড ট্যুর
রিয়েল ফুডির সঙ্গে স্মল গ্রুপ হ্যানয় স্ট্রিট ফুড ট্যুর পর্যটকদের কাছে অনেক বেশি জনপ্রিয়। এটি হা ফুড ট্যুরসের মাধ্যমে পরিচালিত। ভ্রমণভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ট্রিপএডভাইজারের মতে, এটি একটি প্রমাণিত জনপ্রিয় ট্যুর। ৩,০০০-এরও বেশি ভ্রমণকারী এই ট্যুর সম্পর্কে ইতিবাচক রিভিউ দিয়েছেন। অনেকে একে ১০০তে ৯৯ বলে সুপারিশ করেছেন। এটি একটি তিন ঘণ্টার হাঁটার ট্যুর, যা ঐতিহাসিক ওল্ড কোয়ার্টার থেকে শুরু হয়। মাত্র ছয়জন অংশগ্রহণকারী নিয়ে একটি ছোট গ্রুপ এই পথচলায় সফরসঙ্গী হন। অতিথিরা প্রাচীন রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো এবং হ্যানয়ের সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে জানার সময় একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা লাভ করেন। এই ট্যুর যে রেস্টুরেন্টে শেষ হয়, সেখানে মেনুটি প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। তবে এতে উত্তরের প্রধান খাবারগুলো সেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকে। অবশ্যই চেখে দেখার মতো পদগুলোর মধ্যে রয়েছে হ্যানয়ের প্রতীকী ফো, যা মূলত নুডলস স্যুপ, সুস্বাদু স্টিকি রাইস ও মিষ্টি গ্লুটিনাস রাইস বল। গাইডরা অতিথিদের এখানে নিয়ে খাবার চাখার সঙ্গে প্রতিটি কামড়ে সাংস্কৃতিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। সকাল ৬টা বা বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এই ট্যুর দিনের বেলা ঘুরে দেখার জন্য একটি চমৎকার শুরু হতে পারে।

হৈ আন ইভনিং ওয়াকিং ফুড ট্যুর
‘হৈ আন’-এর আকর্ষণ তার প্রাচীন স্থাপত্য থেকে শুরু করে তার স্বতন্ত্র কেন্দ্রীয় ভিয়েতনামী রান্না পর্যন্ত বিস্তৃত। যা এখানকার ইভনিং ওয়াকিং ফুড ট্যুরে পুরোপুরি প্রদর্শিত হয়। এটি একটি চার ঘণ্টার সংবেদনশীল যাত্রা, যা ইউনেসকো তালিকাভুক্ত প্রাচীন শহরের মধ্য দিয়ে চলে। এটি চলে সন্ধ্যা ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। এ সময়টাতে শহরটি তার বিখ্যাত রঙিন লণ্ঠন দিয়ে আলোকিত হয়। খাবারের বাইরেও ট্যুরটিতে প্রাণবন্ত নাইট মার্কেট পরিদর্শন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নৈশভোজ অন্তর্ভুক্ত থাকে। অতিথিরা শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারগুলো উপভোগ করেন। যার মধ্যে রয়েছে কাও লাউ, যা ঘন ও মাংস ভরা নুডলস, হৈ আন বান মি এবং আঞ্চলিক কোয়াং স্টাইল নুডলস। সন্ধ্যাটি হোয়াই নদীতে একটি শান্তিপূর্ণ নৌকা ভ্রমণের সঙ্গে শেষ হয়। সেখানে ভেসে বেড়ানোর সঙ্গে থাকে স্থানীয় গল্প বলার আয়োজন। পর্যালোচকেরা ‘বান মি কুইন’ স্যান্ডউইচের জন্য থামার ও ঐতিহ্যগতভাবে প্রাচীন বা লে ওয়েলের পানি ব্যবহার করে কাও লাউ নুডলস তৈরি করার বিষয়ে শিখতে পারেন। ট্যুরটি মজার ঐতিহ্যবাহী গেমসের মাধ্যমে শেষ হয়, যা রাতের আয়োজনে একটি কৌতুকপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্পর্শ যোগ করে।

দুই চাকায় উপকূলীয় রান্নার স্বাদ উপভোগ
উদ্যমী ভোজনরসিকদের জন্য ডা নাং ফুড ট্যুর বাই মোটরবাইক হলো একটি নিখুঁত রন্ধনসম্পর্কিত অভিজ্ঞতা। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৫টায় শুরু হওয়া এই পাঁচ ঘণ্টার ট্যুরে অতিথিরা একটি মোটরবাইকের পেছনে বসে শহরের ব্যাকস্ট্রিট ধরে ছয়টি ভিন্ন টেস্টিং লোকেশনে ভ্রমণ করেন। পরিবহনের মাধ্যমটি হলো ভিয়েতনামের শহুরে জীবনের একটি নিমগ্ন অভিজ্ঞতা। গাইডদের সঙ্গে কথা বললে অনেক তথ্য জানতে পারা যায়। যাঁরা এই ট্যুরে অংশগ্রহণ করেন, তাঁরা ডা নাংয়ের আইকনিক স্ট্রিট ফুডগুলো উপভোগ করেন, যার মধ্যে রয়েছে সুস্বাদু ও মচমচে বান সেও প্যানকেক এবং সুগন্ধি গ্রিলড মিট রোল ও নেম লুই। ট্যুরটি একটি স্থানীয় রেস্তোরাঁয় মূল খাবারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। সপ্তাহান্তে আসা অতিথিদের জন্য একটি অতিরিক্ত আকর্ষণ হলো, দর্শনীয় ড্রাগন ব্রিজ ফায়ার শো দেখার সম্ভাবনা। পর্যালোচকেরা ধারাবাহিকভাবে নিরাপদ ড্রাইভিং ও খাবারের স্টপগুলোর সুষম বৈচিত্র্যের প্রশংসা করেন। ট্যুরটি আটজন অতিথির মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং একটি নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করে।
আরও কিছু বিকল্প
মেকং ডেল্টা অঞ্চলের ক্যান থোতে ফ্লোটিং মার্কেট বা ভাসমান বাজার ভ্রমণ করা যেতে পারে। সেখানে গেলে স্থানীয় গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে মিশে যাওয়া ফুড ট্যুর উপভোগ করতে পারেন। এখানে তাজা ফল ও স্থানীয় মাছের পদের স্বাদ নিতে পারবেন। লং ফুড ট্যুর প্যাকেজগুলোও উপভোগ করতে পারেন। আপনি যদি একাধিক শহর ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করেন, তবে হ্যানয় থেকে হো চি মিন সিটি পর্যন্ত ১২-১৩ দিনের প্যাকেজ ট্যুর পাওয়া যায়। সেখানে রান্না শেখা ও খাবারের স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতাকে একত্র করে ট্যুর প্ল্যান করা হয়।
সূত্র: ইভিএন এক্সপ্রেস

২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
৪ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
৬ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের রূপ দেখে মুগ্ধ হলেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের ২১ ব্যাচের সি সেকশনের নেপালি শিক্ষার্থীরা। অনুষদ আয়োজিত এই দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে তাঁরা অনেক খুশি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর!
১১ ঘণ্টা আগে