ফিচার ডেস্ক

কাজের জন্য ভ্রমণের ব্যাগ হালকা থাকা জরুরি। এতে এয়ারপোর্টের সিকিউরিটি সহজে পেরোনো যায়। এ ছাড়া মিটিং, খাবার কিংবা ক্লায়েন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ভারী লাগেজ টানার পরিশ্রমও হবে না। আর ব্যাগ হালকা মানে লাগেজ ফি কম হওয়া।
পাঁচটি টিপস অনুসরণ করে আপনার ব্যাগ হালকা রাখতে পারেন।
ছোট লাগেজ ব্যবহার
ছোট ক্যারি অন ব্যাগ সহজে বহনযোগ্য। এটি ঠিকভাবে গোছালে প্রয়োজনীয় সবকিছু রাখা সম্ভব। ব্যক্তিগত ব্যবহারের ছোট জিনিসগুলো আলাদা ব্যাগে রাখুন, যাতে খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।
পোশাক পরিকল্পনা করুন
অতিরিক্ত পোশাক নিলে ব্যাগ ভারী তো হয়ই, প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজে পেতেও সমস্যা হয়। প্রতিটি মিটিং কিংবা কারও সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় অনুযায়ী পোশাক ঠিক করে নিন। তাতে অপ্রয়োজনীয় অনেক কিছু নেওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। যদি কয়েক দিন ধরে অনেকগুলো মিটিং থাকে, তাহলে এমন পোশাক বিবেচনায় রাখুন, যেগুলো একটির সঙ্গে অন্যটি মিলিয়ে পরা যায়। এ জন্য নিরপেক্ষ রং; যেমন কালো, বাদামি বা নেভি ব্লু বেছে নিতে পারেন।
ার্জার আনতে ভুলবেন না
প্রতিটি ডিভাইসের চার্জার ব্যাগে নেওয়ার সময় রাবার ব্যান্ড, হেয়ার টাই বা টুইস্ট টাই ব্যবহার করে গুছিয়ে রাখুন। তাতে সেগুলো এলোমেলো হবে না। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য বড় ভোল্টেজ অ্যাডাপ্টর কেনার আগে নিশ্চিত হোন, সেটি আদৌ দরকার কি না।
সীমিতসংখ্যক জুতা
যতটা সম্ভব কম জুতা নিন। জুতা ওজন বাড়ায় এবং জায়গা বেশি নেয়। ঠাসাঠাসি করে রাখলে সেগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জুতার ভেতরে মোজা গুটিয়ে রাখুন, তাতে জায়গা বেঁচে যাবে।
আগের ভ্রমণ থেকে শিক্ষা নিন
কোন কোন জিনিস ব্যবহার করেন, আর কোনগুলো নয়, সেসব আলাদা করুন। অনেকভাবে পরা যায়, সহজে কুঁচকে যায় না, সহজে প্যাক করা যায় তেমন পোশাক বেছে নিন। এ ছাড়া আগের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা কাজে লাগান।
সূত্র: ডিরেক্ট ট্রাভেল

কাজের জন্য ভ্রমণের ব্যাগ হালকা থাকা জরুরি। এতে এয়ারপোর্টের সিকিউরিটি সহজে পেরোনো যায়। এ ছাড়া মিটিং, খাবার কিংবা ক্লায়েন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ভারী লাগেজ টানার পরিশ্রমও হবে না। আর ব্যাগ হালকা মানে লাগেজ ফি কম হওয়া।
পাঁচটি টিপস অনুসরণ করে আপনার ব্যাগ হালকা রাখতে পারেন।
ছোট লাগেজ ব্যবহার
ছোট ক্যারি অন ব্যাগ সহজে বহনযোগ্য। এটি ঠিকভাবে গোছালে প্রয়োজনীয় সবকিছু রাখা সম্ভব। ব্যক্তিগত ব্যবহারের ছোট জিনিসগুলো আলাদা ব্যাগে রাখুন, যাতে খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।
পোশাক পরিকল্পনা করুন
অতিরিক্ত পোশাক নিলে ব্যাগ ভারী তো হয়ই, প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজে পেতেও সমস্যা হয়। প্রতিটি মিটিং কিংবা কারও সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় অনুযায়ী পোশাক ঠিক করে নিন। তাতে অপ্রয়োজনীয় অনেক কিছু নেওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। যদি কয়েক দিন ধরে অনেকগুলো মিটিং থাকে, তাহলে এমন পোশাক বিবেচনায় রাখুন, যেগুলো একটির সঙ্গে অন্যটি মিলিয়ে পরা যায়। এ জন্য নিরপেক্ষ রং; যেমন কালো, বাদামি বা নেভি ব্লু বেছে নিতে পারেন।
ার্জার আনতে ভুলবেন না
প্রতিটি ডিভাইসের চার্জার ব্যাগে নেওয়ার সময় রাবার ব্যান্ড, হেয়ার টাই বা টুইস্ট টাই ব্যবহার করে গুছিয়ে রাখুন। তাতে সেগুলো এলোমেলো হবে না। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য বড় ভোল্টেজ অ্যাডাপ্টর কেনার আগে নিশ্চিত হোন, সেটি আদৌ দরকার কি না।
সীমিতসংখ্যক জুতা
যতটা সম্ভব কম জুতা নিন। জুতা ওজন বাড়ায় এবং জায়গা বেশি নেয়। ঠাসাঠাসি করে রাখলে সেগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জুতার ভেতরে মোজা গুটিয়ে রাখুন, তাতে জায়গা বেঁচে যাবে।
আগের ভ্রমণ থেকে শিক্ষা নিন
কোন কোন জিনিস ব্যবহার করেন, আর কোনগুলো নয়, সেসব আলাদা করুন। অনেকভাবে পরা যায়, সহজে কুঁচকে যায় না, সহজে প্যাক করা যায় তেমন পোশাক বেছে নিন। এ ছাড়া আগের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা কাজে লাগান।
সূত্র: ডিরেক্ট ট্রাভেল

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৩১ মিনিট আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
৬ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
৮ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১২ ঘণ্টা আগে