
এবার বিশ্বের অষ্টম সর্বোচ্চ পর্বত মানাসলু অভিযানে যাচ্ছেন দেশের দুই পর্বতারোহী ডা. বাবর আলী ও তানভীর আহমেদ। ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’ শিরোনামের এই অভিযানের আয়োজনে আছে পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স। ‘মাউন্টেন অব দ্য স্পিরিট’ খ্যাত এই চূড়া আরোহণের চেষ্টা করবেন পর্বতারোহী দুজন। মানাসলু পর্বতের অবস্থান নেপালের মানসিরি হিমাল রেঞ্জে। এর উচ্চতা ২৬ হাজার ৭৮১ ফুট।
আজ সকালে ঢাকার হাজারীবাগের ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির অডিটোরিয়ামে ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাবর ও তানভীরের হাতে তুলে দেওয়া হয় জাতীয় পতাকা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবটির সভাপতি ও অভিযানের ব্যবস্থাপক ফরহান জামান। এতে বক্তব্য রাখেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ‘সামুদা’ এর চিফ বিজনেস অফিসার বিকাশ কান্তি দাস। সামুদা’র পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন মুশফিকুল আজম ও এ কে এম মাহমুদুল হাসান। এই প্রতিষ্ঠান ছাড়াও অভিযানে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দুই পর্বতারোহীর পাশে দাঁড়িয়েছেন গিগাবাইট বাংলাদেশ, সিনো ভেস্ট, ভিজুয়াল নিটওয়ারস লিমিটেড, সিয়েরা রোমিও ইন্টারন্যাশনাল ও চন্দ্রবিন্দু প্রকাশন। দেশের পর্বতারোহণ মহলের পরিচিত মুখ ও পর্বত অনুরাগীরাও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪ সালে একই অভিযানে বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট ও চতুর্থ উচ্চতম পর্বত মাউন্ট লোৎসে আরোহণের পর এ বছরের এপ্রিল মাসে পৃথিবীর দশম সর্বোচ্চ পর্বত অন্নপূর্ণা-১ আরোহণ করেন পর্বতারোহী ও ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. বাবর আলী। মানাসলু বাবরের চতুর্থ আট হাজার মিটার পর্বত অভিযান। অন্যদিকে, ক্লাবের মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী তানভীর ২০২৪ সালের নভেম্বরে আরোহণ করেন হিমালয়ের ম্যাটারহর্ন খ্যাত আমা দাবলাম শিখর। মানাসলু তানভীরের প্রথম আট হাজারি মিটার পর্বত অভিযান। প্রসঙ্গত, পৃথিবীতে আট হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার পর্বত আছে মোট ১৪টি।
সংবাদ সম্মেলনে তানভীর বলেন, ‘গত বছর ৬ হাজার ৮১২ মিটার উচ্চতার আমা দাবলাম অভিযানের পর থেকে আমি একটা আট হাজার মিটার পর্বতে যাওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করছিলাম। আরোহণের মৌসুম ও নিজের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় এই মুহূর্তে মানাসলুকেই আমার কাছে উপযোগী মনে হয়েছে। আমি মুখিয়ে আছি মানাসলুর শৃঙ্গে লাল-সবুজ পতাকা হাতে দাঁড়ানোর জন্য।’

তানভীরের সহ-অভিযাত্রী বাবর বলেন, ‘এভারেস্ট-লোৎসে আরোহণের পর থেকে বিশ্বের ১৪টি আট হাজার মিটার পর্বত আরোহণের ইচ্ছা পোষণ করছি আমি। এ বছরের শুরুতে অন্নপূর্ণা-১ আরোহণের পর মানাসলু অভিযান সে লক্ষ্যের দিকে আরও একটি পদক্ষেপ। ধীরে ধীরে বাকি পর্বতগুলোর চূড়াও ছুঁতে চেষ্টা করব আমি। মানাসলু অভিযানে তানভীর ভাইকে সহ-অভিযাত্রী হিসেবে পাওয়াটা নিঃসন্দেহে দারুণ ব্যাপার। আমাদের দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া দারুণ। আশা করি এই চমৎকার ব্যাপারটাই আমাদের চূড়ার দিকে এগিয়ে দেবে। এত দিন একা আট হাজার মিটার পর্বত অভিযানে যেতাম। এবার আমি আর একা নই, আমরা।’
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর মানাসলু অভিযানের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বেন এই দুই পর্বতারোহী। পর্বতারোহণের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও নানান সরঞ্জাম কেনার কাজ শেষ করে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে বেসিশহরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তাঁরা। দিন কয়েকের ট্রেক শেষে দুই পর্বতারোহী পৌঁছাবেন মানাসলু বেস ক্যাম্পে। মূল অভিযান শুরু হবে সেখান থেকে। বেস ক্যাম্প থেকে ওপরের ক্যাম্পগুলোতে ওঠা নামা করে শরীর অতি উচ্চতা ও নিম্ন তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেবেন এই দুই অভিযাত্রী। মানাসলু অভিযানে সময় লাগবে প্রায় এক মাস। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় কিংবা শেষ সপ্তাহে চূড়ায় আরোহণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন অভিযানের ব্যবস্থাপক ফরহান জামান। অভিযান অপারেটর হিসেবে থাকছে নেপালের স্নোয়ি হরাইজন ট্রেক্স অ্যান্ড এক্সপিডিশন।

সুইডেনে বহু বছর ধরে চলে আসছে একটি মজার রীতি। প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুরের খাবারের পর পরিবারের সবাই প্যানকেক খেয়ে থাকেন। এটি সাধারণত ডেজার্ট হিসেবে পরিবেশন করা হয়। আবার অনেকে বিকেলের হালকা নাশতা হিসেবেও এটি উপভোগ করেন। সুইডেনে প্যানকেক আসলে ‘পানকাকোর’ নামে পরিচিত। এটি দেখতে অনেকটা আমেরিকান প্যানকেক...
৫ ঘণ্টা আগে
নরওয়েতে প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যায় এক অদ্ভুত এবং সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়। পুরো সপ্তাহ স্কুল, কলেজ, অফিসের কাজ করে নরওয়ের শিশু, তরুণ ও প্রবীণেরা অপেক্ষা করেন সপ্তাহের কাঙ্ক্ষিত পারিবারিক মুহূর্তটির জন্য। নরওয়ের এই বিখ্যাত সংস্কৃতির নাম ‘ফ্রেদাগস্তাকো’ বা ‘টাকো ফ্রাইডে’। গত কয়েক দশকে সব রেকর্ড ভেঙে...
৭ ঘণ্টা আগে
গরমের দিনগুলোয় যেকোনো ফরাসি নারীর আলমারি খুললে আপনি ভুলেও দেখবেন না, সেটি পোশাকে উপচে পড়ছে। বরং চোখে পড়বে হাতে গোনা কয়েকটি পোশাক, যা গরমের দিনগুলোয় যেকোনো সময়েই পরার উপযুক্ত। ফরাসিদের গরমকালের ফ্যাশন দর্শন হলো–‘ভালো জিনিস কিনুন, কম পোশাক বেছে নিন এবং সেগুলোই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরুন।’
৯ ঘণ্টা আগে
হাতের স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে এখন আমাদের ঘাড় গুঁজে থাকার অভ্যাস হয়ে গেছে। তবে প্রযুক্তিবিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নেতারা এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ভবিষ্যৎ দেখছেন। তাঁরা এমন এক পৃথিবী গড়তে চান, যেখানে মানুষকে আর সারাক্ষণ ‘কাচের চারকোনা বাক্সে’র দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না।
১১ ঘণ্টা আগে