অসংখ্য দ্বীপের দেশ মালদ্বীপ পৃথিবীর অন্যতম ভ্রমণগন্তব্য। দেশটিতে রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান। যাঁরা সমুদ্র আর নির্মল প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাঁদের কাছে মালদ্বীপ একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য।
মালে: ছোট ছোট প্রায় ১ হাজার ২০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত মালদ্বীপ। পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ দেশটির রাজধানী মালে। প্রায় দেড় কিলোমিটার লম্বা ও এক কিলোমিটার চওড়া এই দ্বীপ বিশ্বের জনবহুল শহরের মধ্যে একটি।
ওয়াটার স্পট: রংবেরঙের ভবন ও পুরোনো আমলের মসজিদ দেখা যায় এখানে। যাঁরা সমুদ্রের সৌন্দর্য নিবিড়ভাবে উপভোগ করতে চান, তাঁদের জন্য মালদ্বীপের ওয়াটার স্পট প্রথম আকর্ষণের জায়গা। এখানে কিছুক্ষণ খেলাধুলা করলে মন দ্রুত ভালো হয়ে যাবে এবং হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে অনেকটাই দূরে থাকা যাবে।
মাফুশি দ্বীপ: মাফুশি দ্বীপে না গেলে একজন পর্যটকের মালদ্বীপ ভ্রমণ অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে। ডাইভিং ও স্নোরকেলিংয়ের জন্য আকর্ষণীয় এই দ্বীপ। এখানে ছোট ছোট হাঙর, কচ্ছপ, মন্টা ও ক্রান্তীয় মাছ দেখা যাবে।
বানানা রিফ: ইংরেজিতে বানানা রিফ নামে পরিচিত কলাবর্ম মালদ্বীপের অন্যতম আকর্ষণীয় আরেকটি দ্বীপ। প্রবালের সৃষ্ট এই কলাবর্ম মালদ্বীপের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন।
কৃত্রিম সৈকত: শুধু প্রাকৃতিক নয়, মালদ্বীপে আছে কৃত্রিম সৈকত। পর্যটকেরা মালে গিয়ে প্রাকৃতিক সৈকতের পাশাপাশি দেখতে পাবেন পৃথিবীর একমাত্র মানুষের তৈরি সৈকতটি।

বাড়ি ফেরার পথে পরিচিত কারও সঙ্গে দেখা হলে সাধারণ কুশল বিনিময় তো হয়ই, তারপর? বিদায় নেওয়ার আগে নিশ্চয়ই বলেন, ‘বাড়িতে আসবেন, একসঙ্গে চা খাওয়া যাবে।’ অফিসে কাজের ফাঁকে মাথাটা যখন ঝিম ধরে আসে, তখন পাশের চেয়ারে বসে থাকা সহকর্মীকে নিয়ে পাঁচ মিনিটের চা বিরতিতেই আমরা যাই।
৮ ঘণ্টা আগে
ভাবুন তো, যাঁর নিজের পাত্রই শূন্য, তিনি সেখান থেকে অন্যদের পাত্র কী করে পানিতে পূর্ণ করবেন? তাই অন্যকে ভালো রাখার প্রথম শর্ত হচ্ছে—নিজেকে ভালো রাখা। সে জন্য ‘মি টাইম’ বের করাটা জরুরি। অর্থাৎ, নিজের মতো সময় কাটানোর অবকাশ পেতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
মানসিক শান্তির অন্যতম উপায় হয়ে উঠেছে ভ্রমণ। কিন্তু সাধ থাকলেও অনেক সময় সাধ্যের কারণে ভ্রমণপিয়াসি মানুষদের ঘরেই বন্দী থাকতে হয়। অনেকে ভাবেন, লটারি না জিতলে দুনিয়া ঘুরে দেখা সম্ভব নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ভ্রমণের জন্য লটারির টিকিটের চেয়ে বেশি প্রয়োজন সঠিক কৌশল। কম খরচে বিশ্বভ্রমণের সেরা উপায়গুলো...
১২ ঘণ্টা আগে
হামোম তনু বাবু। অনেকে তাঁকে চেনেন মণিপুরি জাদুঘরের রূপকার হিসেবে। নিজ সম্প্রদায়ের ইতিহাস গতিশীল রাখার জন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ছনগাঁও গ্রামে তিনি তিলে তিলে তৈরি করেছেন এই সংরক্ষণশালা বা জাদুঘর। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরের নাম চাউবা মেমোরিয়াল মণিপুরি ইন্টেলেকচুয়াল...
১৩ ঘণ্টা আগে