
এবার ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। গত নভেম্বরে ১১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। ছাঁটাই ছাড়াও নতুন করে নিয়োগও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেটা। ছাঁটাইয়ের ঘোষণার পর বেড়েছে মেটার স্টক।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ ঘোষণা করেন, ‘আমাদের কর্মীর সংখ্যা ১০ হাজার কমাতে যাচ্ছি। এ ছাড়া, নতুন করে ৫ হাজার জনের নিয়োগ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ কম অগ্রাধিকারের প্রকল্পগুলো বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেটা। পাশাপাশি কাঠামোতে উন্নতির ওপর জোর দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
কর্মীদের উদ্দেশে জাকারবার্গ বলেন, ‘এটি কঠিন, তবে এটা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যাঁরা আমাদের সাফল্যের অংশ ছিলেন, সেই সব প্রতিভাবান সহকর্মীকে বিদায় জানাতে হচ্ছে। এমন খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থা আরও কয়েক বছর থাকবে—এমনটা ধরে নিয়েই আমাদের প্রস্তুত হতে হবে।’
মেটায় ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে প্রি-মার্কেট ওপেনিংয়ে মেটার শেয়ারমূল্য প্রাথমিকভাবে বেড়েছে ৬ শতাংশ।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘আমেরিকার প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর গভীর সংকটময় অবস্থার কারণেই মেটায় ছাঁটাই থামছে না। তার ওপর মেটার খারাপ ফলাফল এ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।’ রিপোর্ট বলছে, বিজ্ঞাপন বাবদ মেটার আয় কমেছে। গত নভেম্বরে ১১ হাজার কর্মী ছাঁটাই ঘোষণা করেছিল মেটা। ২০০৪ সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠার ১৮ বছরের ইতিহাসে এত বড় ছাঁটাই কখনো হয়নি প্রতিষ্ঠানটিতে।
সাম্প্রতিক সময়ে টেক জায়ান্টগুলো নতুন প্রযুক্তির বদলে বেশি শিরোনাম হয়েছে কর্মী ছাঁটাইয়ের খবরে। গত বছর ৭০ হাজারেরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করেছে গুগল, আমাজন, মাইক্রোসফট, মেটার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। মহামারির সময় বিপুলসংখ্যক কর্মী নিয়োগ করলেও সম্প্রতি গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ১২ হাজার, আমাজন ১৮ হাজার, টুইটার ৪ হাজার ও মাইক্রোসফট ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে।
দ্য ভার্জের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেসলা, নেটফ্লিক্স, রবিন হুড, স্ন্যাপ, কয়েনবেস, স্পটিফাইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও কর্মী ছাঁটাইয়ের খাতায় নাম লিখিয়েছে। তবে টেক জায়ান্টদের তুলনায় সেই সংখ্যা বেশ কম। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, টেক জায়ান্টগুলোতে এত ছাঁটাইয়ের কোনো নির্দিষ্ট কারণ দেখানো হয়নি।

পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো কথাই নেই। এই সময়গুলোতে পাহাড় তার রূপের ডালি মেলে ধরে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ। এবার আমাদের অভিযান ছিল রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনা। দলে ছিলাম ছয়জন।
১ ঘণ্টা আগে
ভোর চারটায় অ্যালার্ম। কানের তালা ফাটানো সেই শব্দে ঘুম ভাঙল আপনার। তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে দৌড়াতে হলো পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখতে। এরপর লম্বা সারিতে দাঁড়িয়ে বিখ্যাত সেই ল্যান্ডমার্কের সামনে একটা ছবি তোলা। সবই দেখতে ঠিক হুবহু ইন্টারনেটে দেখা বাকি হাজারটা ছবির মতোই।
২ ঘণ্টা আগে
আমি ভ্রমণ করছি সেই ছোটবেলা থেকে। ভ্রমণ করতে আমার বেজায় ভালো লাগে; অনেকটা ‘পাগলা ভাত খাবি? হাত ধোবো কোথায়!’ টাইপ। আমার স্বামী, বিয়ের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বক্তব্য দিতে যান। তাঁর পেপার রেডি করার আগেই আমার সুটকেস গোছানো হয়ে যায়। তো, এমন সব ভ্রমণে আনন্দের সঙ্গে নানা রকম সমস্যারও সম্মুখীন হতে হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
সকাল ও বিকেল দুবেলা সৈকতে সময় কাটাতে পারেন। শিশুদের নিয়ে সকালের দিকে সাগরের পানিতে নামা ভালো। বিকেলটা সৈকতে বসে বা হেঁটে বেড়ান। বেড়ানোর আগে আবহাওয়ার সতর্কসংকেত জেনে নিন। লাবণী, কলাতলী ও সুগন্ধা বিচ ভ্রমণ করতে পারেন। হঠাৎ বৃষ্টিতে শিশু যেন ভিজে না যায় তাই সঙ্গে ছাতা রাখুন।
৪ ঘণ্টা আগে