
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অনলাইন মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হলো হোয়াটসঅ্যাপ। এই অ্যাপ ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষার দিক থেকে খ্যাত। হোয়াটসঅ্যাপে আগে থেকেই সংরক্ষিত আছে অসংখ্য মজার স্টিকার। এত দিন শুধু তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহার করে এই স্টিকারগুলো কাস্টমাইজড করা যেত। এখন সেই সুবিধা নিয়ে আসছে হোয়াটসঅ্যাপও।
অ্যান্ড্রয়েড পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ এই সুযোগ নিয়ে এসেছে সম্প্রতি। তবে তা মোবাইল অ্যাপে পাওয়া যাবে না। পাওয়া যাবে ওয়েবে। এখন থেকে এর ওয়েব প্ল্যাটফর্মে একজন ব্যবহারকারী স্টোরেজে সংরক্ষিত ছবি থেকে নিজস্ব স্টিকার তৈরি করতে পারবেন।
অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ বলছে, হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবে একজন ব্যবহারকারী যখন টেক্সটের পাশে স্টিকার সিলেক্টর নিয়ে আসবেন, তখন সম্প্রতি ব্যবহার করা স্টিকারগুলোর জন্য ‘ক্রিয়েট’ অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করলে হোয়াটসঅ্যাপ সিস্টেম ফাইল থেকে যেকোনো ইমেজ নির্বাচনের জন্য একটি টেক্সট দেখাবে। ইমেজ নির্বাচনের পর অ্যাপের নিজস্ব ইমেজ এডিটরের মাধ্যমে সহজেই তা নিজের মতো করে অদলবদল করা যাবে। এমনকি তাতে কোনো টেক্সট, ইমোজি বা অন্যান্য স্টিকার সহজেই যোগ করা যাবে।
বলে রাখা ভালো, কাস্টমাইজড করা স্টিকার আপাতত মোবাইলে ব্যবহার করা যাবে না। শুধু ডেস্কটপে ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবে এই সুযোগ মিলবে। তবে খুব শিগগিরই মোবাইলেও এ সুযোগ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।

কয়েক বছর ধরে সৌন্দর্যবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কোরিয়ান গ্লাস স্কিন। কোরিয়ান ধারা মেনে তাই রূপসচেতনেরা এমনভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া ও মেকআপ করা শুরু করলেন, যাতে ত্বক কোরিয়ানদের মতোই স্বচ্ছ ও চকচকে হয়ে ওঠে। তবে বিউটি ট্রেন্ডে সম্প্রতি লেগেছে নতুন হাওয়া।
৭ ঘণ্টা আগে
ডিজনিল্যান্ড এমন একটি পার্ক, যা সরাসরি নিয়ে যায় শৈশবের রঙিন স্মৃতির ভিড়ে। ডিজনির গল্পগুলোতে ছিল রাজা রানি, কথা বলতে পারা পশু, পাখি, গাছ। একেবারে রঙিন আর আকাঙ্ক্ষিত একটি জীবন। যেখানে কষ্টের পরের সুখটা সবাই উপভোগ করতে পারত। গল্প পড়া শেষ হতো একটা লাইন দিয়ে—অবশেষে তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগল।
১১ ঘণ্টা আগে
পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো কথাই নেই। এই সময়গুলোতে পাহাড় তার রূপের ডালি মেলে ধরে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ। এবার আমাদের অভিযান ছিল রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনা। দলে ছিলাম ছয়জন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ভোর চারটায় অ্যালার্ম। কানের তালা ফাটানো সেই শব্দে ঘুম ভাঙল আপনার। তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে দৌড়াতে হলো পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখতে। এরপর লম্বা সারিতে দাঁড়িয়ে বিখ্যাত সেই ল্যান্ডমার্কের সামনে একটা ছবি তোলা। সবই দেখতে ঠিক হুবহু ইন্টারনেটে দেখা বাকি হাজারটা ছবির মতোই।
১৫ ঘণ্টা আগে