পূজার দিন গোনা শুরু হয়ে গেছে। ঢাকের শব্দ, মণ্ডপে আলোকসজ্জা আর নতুন পোশাকের আনন্দের পাশাপাশি পূজার সাজে পূর্ণতা দিতে গয়নার বিকল্প নেই। এবার ষষ্ঠী থেকে দশমী—প্রতিদিনের সাজে ভিন্নতা আনতে এবং আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে গয়নার নির্বাচনে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটাতে পারেন।
উৎসবের দিনগুলোতে চোখধাঁধানো লুক পেতে কেমন গয়না পরা যায় বলুন তো? এশিয়া জুয়েলসের প্রতিষ্ঠাতা ও ডিজাইনার তাসনুভা খান বলেন, ‘দুর্গাপূজা এমন একটি উৎসব যেখানে হালকা থেকে ভারী—সব ধরনের গয়নাই পরা যায়। নেকলেস, চোকার, ঝুমকা, কানের দুল, নথ, চুড়ি, আংটি, ব্রেসলেট, টার্কিশ মালা, রতনচূড়, মুলতানি সেট, রাজওয়াড়ি সেট, পোলকি সেট, কুন্দন সেট—সবই পরার উপযোগী।’
তাসনুভা খান আরও বলেন, ‘যাঁরা স্বর্ণ ও হীরা এড়িয়ে স্টাইলিশ, মার্জিত ও রুচিশীল গয়না পরতে চান, তাঁরা মুক্তা, রুপা, ব্রোঞ্জ, স্টার্লিং সিলভার ৯২৫, মুলতানি, সাদা এডি স্টোনের গয়না বেছে নিতে পারেন।’
অন্যদিকে অনলাইনভিত্তিক গয়নার পেজ বৃত্তর স্বত্বাধিকারী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘পূজায় ক্ল্যাসিক্যাল গয়না পরা যেতেই পারে। পুরোনো নকশার গয়না ঘুরে ফিরে আবার এসেছে। অনেকে মায়ের বা দাদি-নানির পুরোনো গয়নার নকশা দেখিয়েও আমার কাছ থেকে পূজার গয়না কাস্টমাইজ করে নিচ্ছেন। এগুলো একেবারেই সাধারণ ধাতু দিয়ে তৈরি এবং সোনালি-রুপালি রং করা। অথচ দেখতে খুবই মার্জিত।’
পূজায় জমকালো শাড়ির সঙ্গে সোনার হার চিরন্তন আভিজাত্য বহন করে। নতুন বউয়েরা জামদানি বা কাতান শাড়ির সঙ্গে হালকা ডিজাইনের পেয়ার শেপ বা প্লেইন টেক্সচার্ড সোনার নেকলেস বেছে নিতে পারেন। অষ্টমীতে নিজেকে রাজকীয় লুকে সাজাতে কয়েক লহরের বা লেয়ারের মুক্তা কিংবা রঙিন রত্নখচিত হার বেছে নিলেও ক্ষতি নেই।
হালকা গয়নাতেই যাঁরা অভিজাত লুকের কথা ভাবছেন, তাঁরা নবমী বা দশমীর রাতে ট্র্যাডিশনাল পোশাকের সঙ্গে ছোট ডায়মন্ড লকেটের চেইন পরতে পারেন। দারুণ দেখাবে।
একঘেয়েমি কাটাতে শাড়ির পাড় বা ডিজাইনের সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন রকমের রঙিন জেমস্টোন কানের দুল পরতে পারেন। আবার যাঁরা ভারী কানের দুল পরতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন না, তাঁরা জাঁকালো ফ্লোরাল বা নবরত্ন বসানো স্টাড বা টপ ইয়ার রিং বেছে নিন।
অষ্টমীর অঞ্জলি বা আরতির সময় ট্র্যাডিশনাল এথনিক পোশাকের সঙ্গে মানানসই চাঁদবালি সাজে এনে দেয় বিশেষ সৌন্দর্য। উৎসবের আমেজে ক্ল্যাসিক ঝুমকোরও বিকল্প নেই। আধুনিক কাটছাঁটের হীরা বা সোনার ঝুমকো যেকোনো দেশীয় পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যায়।
ময়ূরের পেখম ও নকশা থেকে অনুপ্রাণিত ডায়মন্ড বা সোনার দুল ও আংটি এথনিক সাজে বাড়তি গ্ল্যামার যোগ করে। আবার পূজার অত্যন্ত পবিত্র প্রতীক পদ্মফুল। এর কুঁড়ি বা ফোটা পদ্মের ডিজাইনে তৈরি নেকলেস ও দুল পূজার পরিবেশের সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
অতিরিক্ত সাজগোজ পছন্দ না হলে একটি প্লেইন ২২ ক্যারেট সোনার চেইন একাই যেকোনো ক্যাজুয়াল বা লিনেন পোশাকে আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে পারে।
মুক্তার স্নিগ্ধতা চোখের নিমেষে লুক বদলে দেয়। ডায়মন্ড ও মুক্তার মিশ্রণে তৈরি স্টাড বা হুপ ইয়ার রিং ষষ্ঠীর সকালে বেশ মানানসই হবে।
কুর্তি, ক্যানভাস স্কার্ট বা ডেনিমভিত্তিক ফিউশন সাজের জন্য অক্সিডাইজড সিলভারের গয়না সেরা পছন্দ।
বাংলা বর্ণমালা বা নিজের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে তৈরি কাস্টমাইজড গোল্ড নেকলেস বা জেমস্টোন ব্রেসলেট উৎসবের সাজে এনে দেবে নিজস্বতার বিশেষ ছোঁয়া।

দিনের ক্লান্তি ভুলে পরম শান্তিতে ঘুমানোর জায়গা হলো শোয়ার ঘর। শুধু আরামদায়ক বিছানা থাকলেই যে সব সময় গভীর ঘুম হবে, এমনটি নয়। ঘরের সাজসজ্জা, আলো, বাতাস ও ছোটখাটো অনেক উপাদান ঘুমে গভীর প্রভাব ফেলে।
৩৮ মিনিট আগে
ঘরে ঘরে জ্বর হচ্ছে এখন। সঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম, সর্দি ও অন্যান্য সমস্যা তো রয়েছেই। অসুস্থতার দিনগুলোতে শারীরিকভাবে স্বস্তি পেতে এবং মেজাজ একটু হলেও ভালো রাখতে আরামদায়ক পোশাক খুঁজি আমরা। সঠিক কাপড়, কাটিং ও রঙের পোশাক রোগে আরাম দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
কুমড়াটি তো বটেই, তার শাক আর বীজও খাওয়া যায় বহু উপায়ে সুস্বাদু করে এবং এগুলো ভীষণ পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। দেশের প্রতিটি জেলায় অনায়াসে এই সবজি জন্মে বলে আমাদের কাছে এর কদর একটু কম হলেও এর রয়েছে শত শত রেসিপি। কিন্তু এর পুষ্টিগুণের কথা জানলে অবাকই হতে হয়। কুমড়ায় আলফা-ক্যারোটিন, বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন ও...
১৩ ঘণ্টা আগে
অনেকের ধারণা, রাতে টানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে পারলেই স্বাস্থ্যের যত্ন শেষ। কিন্তু আধুনিক ঘুম গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। ঘুমের মোট সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা ঠিক কোন ধরনের ঘুম পাচ্ছি। বিশেষ করে ঘুমের যে সময়ে আমরা উজ্জ্বল বা বিচিত্র সব স্বপ্ন দেখি, তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় র্যাপিড আই...
১৫ ঘণ্টা আগে