
ফেসবুক রিল্স বা ইনস্টাগ্রামের সুবাদে প্রিয় বলিউড তারকার নিত্যদিনের নানা আপডেট পেয়ে যান ভক্তরা। তাঁদের স্কিনকেয়ার রুটিন বরবারই পাঠক ও ভক্তদের আগ্রহের বিষয়। শীর্ষস্থানীয় বলিউড নায়িকারা নিয়মিত কীভাবে নিজেদের ত্বকের যত্ন নেন, তা নিয়েই এই আয়োজন।
কারিনা কাপুর
ইনস্টাগ্রাম ফলো করলেই বোঝা যায় শরীরচর্চার ব্যাপারে ভীষণ পরিশ্রমী বেবো। শরীরচর্চার ফলে তাঁর শরীর থেকে টক্সিন সহজেই বেরিয়ে যায়, তাই তাঁর ত্বকে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা সব সময়ই থাকে। তবে এর বাইরে ত্বকে তিনি চন্দনের প্যাক মাখতে ভালোবাসেন। চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ভিটামিন ই অয়েল ও এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে থকথকে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগান। এই প্যাক তাঁর ত্বককে দাগমুক্ত ও সুন্দর রাখে।
তারা সুতারিয়া
বি-টাউনে বলতে গেলে নতুন মুখ তারা সুতারিয়া। কিন্তু বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে জেল্লা ছড়ান লাস্যময়ী এই তারকা। তাঁর রূপের রহস্য কী? ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপাদানেই ভরসা রাখেন হালের এই নায়িকা। বেসন, টকদই, হলুদ ও মধুর মিশ্রণ নিয়মিত ত্বকে মাখেন। আধা শুকনো হয়ে গেলে ম্যাসাজ করে স্নান করে নেন। বাড়তি কোনো ঝামেলা নেই, আবার ত্বকও থাকে টানটান।
ক্যাটরিনা কাইফ
ক্যাটরিনার কাচের মতো স্বচ্ছ ত্বকের রহস্য জানতে চাইবে না এমন ভক্তের সংখ্যা নেই বললেই চলে। কী এমন মাখেন, যাতে তাঁর ত্বক এমন ঝকঝকে তকতকে থাকে? এর উত্তরে ক্যাটরিনা বলেন–‘ত্বকের যত্নে ব্যাংক লুটের মতো কোনো খরচাই করার প্রয়োজন নেই। ঘুম থেকে উঠে বরফজলে কয়েকবার মুখ ডুবিয়ে নিলেই যথেষ্ট।’ একটা বাটিতে পানি নিয়ে তাতে বেশ কিছু বরফের টুকরো ছেড়ে দিন। এবার চার-পাঁচবার এই পানিতে মুখ ডুবিয়ে তুলে টিস্য়ু দিয়ে মুখ মুছে নিন। এই পদ্ধতিতে যত্ন নিলে মুখের ফোলাভাব কমে ও ত্বক উজ্জ্বল হয়।
দীপিকা পাড়ুকোন
বাজিরাও মাস্তানি বরাবরই নো মেকআপ লুকে আত্মবিশ্বাসী। বাদামি রঙা মসৃণ ত্বকের যত্নে তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সিটিএম পদ্ধতি। মানে ক্লিনজিং, টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিংয়ের ওপরে ত্বকের জন্য ভালো আর কোনো দাওয়াই নেই তার কাছে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই পদ্ধতিতে তো ত্বকের যত্ন নেনই, পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করেন, যাতে ত্বক হাইড্রেটেড থাকে।
জাহ্নবী কাপুর
ত্বকের যত্নে মা শ্রীদেবীর কাছ থেকে শেখা টোটকাই যথেষ্ট জাহ্নবী কাপুরের কাছে। সকালের নাশতার পর বেঁচে যাওয়া ফলমূলই মুখে মেখে নেন। কারণ খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকের গভীরে ভিটামিন পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
ঐশ্বরিয়া রাই
বিশ্বসুন্দরী তাঁর ত্বকের উজ্জ্বলতার জন্য নিয়মিত বেসন ব্যবহার করেন। স্নানে সাবানের পরিবর্তে ব্যবহার করেন বেসন, হলুদ ও দুধের মিশ্রণ। এই প্যাক তাঁর ত্বকের ময়লা কাটাতে সাহায্য় করে এবং ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগায়।
সারা আলী খান
সারা আলী খান ত্বকের মরা কোষ ঝরাতে নিয়মিত স্ক্র্যাব করেন। স্ক্র্যাব করার ফলে ত্বকের উপরিভাগের ময়লা ও মরা কোষ ঝরে যায় এবং রোমকূপের গোড়ায় পর্যাপ্ত পুষ্টি পৌঁছাতে পারে। স্ক্র্যাবিংয়ের জন্য তিনি আমন্ডের গুঁড়ো ব্যবহার করেন। এই প্রাকৃতিক স্ক্র্যাব তাঁর ত্বককে কোমল রাখতে সাহায্য করে।
কিয়ারা আদভানি
কিয়ারা আদভানির নরম ও কোমল ত্বকের রহস্য টমেটো। ত্বকের রোদে পোড়া দাগ, কালচে ছোপ ছোপ দাগ দূর করতে এবং ত্বকের জেল্লা বাড়াতে নিয়মিত টমেটো বাটা ব্যবহার করেন।
শিল্পা শেঠি
শিল্পা শেঠি বিশ্বাস করেন, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে নিয়মিত ওয়ার্কআউট ও যোগব্যায়াম করার বিকল্প নেই। নিজেও কঠোর ফিটনেস রুটিন মেনে চলেন। ত্বকের পুষ্টির জন্য প্রতিদিন ডাবের পানি পান করেন।
অনন্যা পান্ডে
অনন্যা ফেসিয়াল মিস্ট হিসেবে গোলাপজল ব্যবহার করেন। সারা দিনে বেশ কয়েকবারই এই প্রাকৃতিক ফেস মিস্ট ব্যবহার করেন। এতে করে তাঁর ত্বক ঠান্ডা ও দাগমুক্ত থাকে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শীত মানেই একটু উষ্ণতার খোঁজ। রান্না ও খাওয়ার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয় না। গরম স্যুপ, খেজুর গুড়ের পায়েস, পিঠা কিংবা এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা শীতের আমেজ তৈরি করে দেয়। ফলে ঋতুবদলের সঙ্গে রান্নাঘরের উপকরণ ও কাজকর্মে আসে বেশ কিছু পরিবর্তন। একটু বেশি সময় ধরে রান্না করা, একসঙ্গে অনেকটা খাবার তৈরি করা কিংবা...
২৪ মিনিট আগে
যে অঙ্ককে এড়িয়ে চলতে আমরা এত কসরত করি, সেই অঙ্কের শক্তির ওপর নির্ভর করেই কিন্তু গড়ে উঠেছে আধুনিক সভ্যতার প্রযুক্তিগত রাজত্ব। কেউ গণিতকে বলে বিমূর্ত বা জটিল হিসাবের বিজ্ঞান, আবার কারও কাছে এটি স্রেফ সংখ্যা আর সূত্রের গোলকধাঁধা। তবে এই গোলকধাঁধাকে জয় করা শীর্ষ বিজ্ঞানী ও তরুণ শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক...
৪ ঘণ্টা আগে
অক্টোবর মাসকে বিশ্বব্যাপী স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস হিসেবে পালন করা হয়। এই মাসজুড়ে স্তন ক্যানসারের লক্ষণ, প্রতিরোধ, প্রাথমিক অবস্থায় রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্বজুড়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ বছর বিশ্ব স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘প্রতিটি গল্পই অনন্য,
৮ ঘণ্টা আগে
দিনের ক্লান্তি ভুলে পরম শান্তিতে ঘুমানোর জায়গা হলো শোয়ার ঘর। শুধু আরামদায়ক বিছানা থাকলেই যে সব সময় গভীর ঘুম হবে, এমনটি নয়। ঘরের সাজসজ্জা, আলো, বাতাস ও ছোটখাটো অনেক উপাদান ঘুমে গভীর প্রভাব ফেলে।
৯ ঘণ্টা আগে