আফরোজা খানম মুক্তা

বেশ বড় একটা ছুটি কাটালাম সবাই। ঘি আর মসলায় রান্না মাছ-মাংস তো আর কম খাওয়া হয়নি। আমরা তো জানি, ছুটির দিনগুলোতে বাঙালির ডায়েটও ছুটিতে যায়! এই সবকিছু মিলিয়ে এখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকালেই ভাঁজ পড়ছে কপালে।
তবে চিন্তার কারণ নেই। এই আলগা চর্বি ঝরিয়ে ওজনের লাগাম টানতে এবার ক্যালরি ঝরানোর পালা। খুব টাইট ফিট রুটিন মেনে চলার কথা হচ্ছে না। শুধু রোজকার ডায়েটে রাখুন একটি স্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি সালাদ। এতে ক্যালরি দ্রুত ঝরবে, বাড়তি ওজনও কমে যাবে। আপনার জন্য রইল এক হালি স্বাস্থ্যকর সালাদের রেসিপি।
বিফ প্রোটিন সালাদ
উপকরণ
পাতলা করে কাটা বিফ ২৫০ গ্রাম, সয়া সস ২ টেবিল চামচ, লবণ ও সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, শসা কিউব করে কাটা ১টি, গাজর কিউব করে কাটা ২টি, টমেটো কিউব করে কাটা ২টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, ৫-৬টি কাঁচা মরিচের কুচি, ৩-৪টি পেঁয়াজ কিউব করে কাটা।

প্রণালি
প্রথমে গরুর মাংসের টুকরোগুলোকে সয়া সস ও সামান্য লবণ মিশিয়ে ১ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। এবার শসা, গাজর, টমেটো, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ আলাদা করে কেটে রাখুন। ১টি প্যানে তেল দিয়ে মাংসের টুকরোগুলো ভেজে নিন। বাটিতে শসা, টমেটো, লেবুর রস ও লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। ভাজা মাংস দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের কুচি দিয়ে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।
সেদ্ধ ছোলার মিশ্র সালাদ
উপকরণ
ছোলা সেদ্ধ ৫০ গ্রাম, টমেটো ২টি, শসা ২টি, ডিম সেদ্ধ ২টি, বিট লবণ সামান্য, ভাজা মরিচগুঁড়া স্বাদমতো, ধনে ও পুদিনাপাতাকুচি প্রয়োজনমতো, কিউই ফল ১টি, স্ট্রবেরি ৪টি।

প্রণালি
সাদা বা কালো ছোলা পানিতে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। পরে চুলায় সেদ্ধ করে নিন। ডিম সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে রাখুন। পরে ডিম দুই ভাগ করে নিন। খোসাসহ শসা ও টমেটো কিউব করে কেটে রাখুন। এবার বাটিতে শসা, টমেটো, ছোলা ও ডিম সেদ্ধ দিয়ে বিট লবণ, ভাজা মরিচগুঁড়া, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতাকুচি ছড়িয়ে স্ট্রবেরি দিয়ে পরিবেশন করুন।
কাবলি ছোলার রং বাহারি সালাদ
উপকরণ
কাবলি ছোলা সেদ্ধ ১ কাপ, শসা, গাজর ও টমেটো টুকরো আধা কাপ করে, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচের কুচি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, আমচুর পাউডার ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, বিট লবণ ও চিনি আধা চা-চামচ করে, আদাকুচি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি
ছোলা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেদ্ধ করে নিন। একটি বাটিতে ছোলা সেদ্ধ, শসা, গাজর, টমেটোর টুকরো, পেঁয়াজকুচি, কাঁচা মরিচের কুচি, লেবুর রস, আমচুর পাউডার, আদাকুচি, বিট লবণ, চিনিসহ সব উপকরণ দিয়ে একসঙ্গে মাখিয়ে পরিবেশন করুন। পেট ভরবে, ওজনও বাড়বে না।
আমড়া ও গাজরের সালাদ
উপকরণ
আমড়া ৪টি, লেবুর রস ১ চা-চামচ, বিট লবণ আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, শুকনা মরিচ ভাজা ৪ থেকে ৫টি, চিনি ১ টেবিল চামচ, সরিষাবাটা ১ টেবিল চামচ, গাজরকুচি ১টি ও লেবুর পাতা ২টি।

প্রণালি
আমড়া আর গাজর খোসা ফেলে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কুচি করে কেটে নিন। তারপর একটি বাটিতে শুকনা মরিচ ভাজা ও লবণ একসঙ্গে চটকে নিন। পরে বিট লবণ, চিনি, সরিষাবাটা বা কাসুন্দি দিয়ে মাখিয়ে নিয়ে তাতে আমড়া দিয়ে আবারও মাখিয়ে নিন। পরে লেবুপাতা ছিঁড়ে আমড়ার সঙ্গে মাখিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল আমড়ার ঝাল ঝাল মাখা ভর্তা।
ছবি: লেখক

বেশ বড় একটা ছুটি কাটালাম সবাই। ঘি আর মসলায় রান্না মাছ-মাংস তো আর কম খাওয়া হয়নি। আমরা তো জানি, ছুটির দিনগুলোতে বাঙালির ডায়েটও ছুটিতে যায়! এই সবকিছু মিলিয়ে এখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকালেই ভাঁজ পড়ছে কপালে।
তবে চিন্তার কারণ নেই। এই আলগা চর্বি ঝরিয়ে ওজনের লাগাম টানতে এবার ক্যালরি ঝরানোর পালা। খুব টাইট ফিট রুটিন মেনে চলার কথা হচ্ছে না। শুধু রোজকার ডায়েটে রাখুন একটি স্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি সালাদ। এতে ক্যালরি দ্রুত ঝরবে, বাড়তি ওজনও কমে যাবে। আপনার জন্য রইল এক হালি স্বাস্থ্যকর সালাদের রেসিপি।
বিফ প্রোটিন সালাদ
উপকরণ
পাতলা করে কাটা বিফ ২৫০ গ্রাম, সয়া সস ২ টেবিল চামচ, লবণ ও সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, শসা কিউব করে কাটা ১টি, গাজর কিউব করে কাটা ২টি, টমেটো কিউব করে কাটা ২টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, ৫-৬টি কাঁচা মরিচের কুচি, ৩-৪টি পেঁয়াজ কিউব করে কাটা।

প্রণালি
প্রথমে গরুর মাংসের টুকরোগুলোকে সয়া সস ও সামান্য লবণ মিশিয়ে ১ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। এবার শসা, গাজর, টমেটো, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ আলাদা করে কেটে রাখুন। ১টি প্যানে তেল দিয়ে মাংসের টুকরোগুলো ভেজে নিন। বাটিতে শসা, টমেটো, লেবুর রস ও লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। ভাজা মাংস দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের কুচি দিয়ে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।
সেদ্ধ ছোলার মিশ্র সালাদ
উপকরণ
ছোলা সেদ্ধ ৫০ গ্রাম, টমেটো ২টি, শসা ২টি, ডিম সেদ্ধ ২টি, বিট লবণ সামান্য, ভাজা মরিচগুঁড়া স্বাদমতো, ধনে ও পুদিনাপাতাকুচি প্রয়োজনমতো, কিউই ফল ১টি, স্ট্রবেরি ৪টি।

প্রণালি
সাদা বা কালো ছোলা পানিতে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। পরে চুলায় সেদ্ধ করে নিন। ডিম সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে রাখুন। পরে ডিম দুই ভাগ করে নিন। খোসাসহ শসা ও টমেটো কিউব করে কেটে রাখুন। এবার বাটিতে শসা, টমেটো, ছোলা ও ডিম সেদ্ধ দিয়ে বিট লবণ, ভাজা মরিচগুঁড়া, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতাকুচি ছড়িয়ে স্ট্রবেরি দিয়ে পরিবেশন করুন।
কাবলি ছোলার রং বাহারি সালাদ
উপকরণ
কাবলি ছোলা সেদ্ধ ১ কাপ, শসা, গাজর ও টমেটো টুকরো আধা কাপ করে, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচের কুচি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, আমচুর পাউডার ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, বিট লবণ ও চিনি আধা চা-চামচ করে, আদাকুচি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি
ছোলা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেদ্ধ করে নিন। একটি বাটিতে ছোলা সেদ্ধ, শসা, গাজর, টমেটোর টুকরো, পেঁয়াজকুচি, কাঁচা মরিচের কুচি, লেবুর রস, আমচুর পাউডার, আদাকুচি, বিট লবণ, চিনিসহ সব উপকরণ দিয়ে একসঙ্গে মাখিয়ে পরিবেশন করুন। পেট ভরবে, ওজনও বাড়বে না।
আমড়া ও গাজরের সালাদ
উপকরণ
আমড়া ৪টি, লেবুর রস ১ চা-চামচ, বিট লবণ আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, শুকনা মরিচ ভাজা ৪ থেকে ৫টি, চিনি ১ টেবিল চামচ, সরিষাবাটা ১ টেবিল চামচ, গাজরকুচি ১টি ও লেবুর পাতা ২টি।

প্রণালি
আমড়া আর গাজর খোসা ফেলে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কুচি করে কেটে নিন। তারপর একটি বাটিতে শুকনা মরিচ ভাজা ও লবণ একসঙ্গে চটকে নিন। পরে বিট লবণ, চিনি, সরিষাবাটা বা কাসুন্দি দিয়ে মাখিয়ে নিয়ে তাতে আমড়া দিয়ে আবারও মাখিয়ে নিন। পরে লেবুপাতা ছিঁড়ে আমড়ার সঙ্গে মাখিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল আমড়ার ঝাল ঝাল মাখা ভর্তা।
ছবি: লেখক

কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
১ ঘণ্টা আগে
এখন শীতকাল। শীতকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাধারণত বেশি ঘটে। বিভিন্ন জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। রান্নাঘর এর মধ্যে অন্যতম। বাসাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের বড় কারণও এটি। যেকোনোভাবেই হোক, অসাবধানতাবশত এখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
আজ অফিসে এমনভাবে প্রবেশ করবেন যেন আপনিই কোম্পানির মালিক। কিন্তু লাঞ্চের আগেই বস আপনাকে এমন সব ফাইলের পাহাড় দেবে যে সেই ‘সিংহ’ ভাবটা মুহূর্তেই ‘ভেজা বেড়াল’-এ পরিণত হবে। সহকর্মীদের থেকে সাবধান, তারা আপনার টিফিনের ওপর নজর রেখেছে!
২ ঘণ্টা আগেমনমাতানো গন্ধ আর রঙের মিশেলে তৈরি ক্যান্ডি ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দেয় সব সময়। ক্যান্ডির কচকচে প্যাকেট খুললে কখনো গোলাপি আর সাদা তো কখনো লাল, কমলা, হলুদ রঙের ঢেউয়ের নকশা। ছেলেবেলার ক্যান্ডির স্মৃতি যদি পোশাকেও বয়ে বেড়ানো যায়, মন্দ কি!
৩ ঘণ্টা আগে