ছুটির দিনে খিচুড়ি খেতে মন চাইছে? রোজকার মতো রান্না না করে এবার রাঁধুন পাঁচমিশালি ডালের খিচুড়ি। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
উপকরণ
পোলাওয়ের চাল ৫০০ গ্রাম, মসুর ডাল, ভাজা মুগ ডাল, খেসারি ডাল, অ্যাংকর ও বুটের ডাল ৫০ গ্রাম করে, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৬ থেকে ৭টি, সরিষার তেল আধা কাপ, আদা ও রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, এলাচি, দারুচিনি, তেজপাতা ২ থেকে ৩টি এবং পানি পরিমাণমতো।

প্রণালি
মসুর ডাল বাদে সব ডাল ধুয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করে রাখুন। এবার মসুর ডাল ও পোলাওয়ের চাল একসঙ্গে ধুয়ে হাঁড়িতে নিন। সেই হাঁড়িতে ডাল সেদ্ধ, পেঁয়াজকুচি, আদা-রসুনবাটা, এলাচি, দারুচিনি, তেজপাতা লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। তারপর চুলায় ঢাকনাসহ রান্না করুন। চাল ফুটে এলে চুলার তাপ কমিয়ে নেড়েচেড়ে কাঁচা মরিচ ফালি, ঘি দিয়ে দমে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রান্না করলেই তৈরি হয়ে যাবে পাঁচমিশালি ডালের খিচুড়ি। পরিবেশন করুন ইলিশ ও বেগুন ভাজা আর সালাদ দিয়ে।

বসন্ত আসতে আর বেশি দেরি নেই। প্রকৃতি যেমন প্রস্তুতি নিচ্ছে বসন্তকে বরণ করার জন্য, তেমনি নিশ্চয়ই আপনিও মনে মনে ভাবছেন, কী করে ঘরের সাজেও বসন্তকে স্বাগত জানানো যায়। গতানুগতিক সব নিয়ম উপেক্ষা করে এবার না হয় নিজের মনের মতো রঙে সাজিয়ে ফেলুন পুরো বাসা। বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, আরামদায়ক আসবাব ও নিজের
৪৩ মিনিট আগে
প্রতিদিন সকালে টিকটকে ‘দুয়ং থুই লিনহ’-এর ইনবক্সে শত শত ম্যাসেজ আসে। কেউ পোশাক কিনতে চান, কেউ আবার সরাসরি দেখা করার অনুরোধ করেন। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ জানেন না, লিনহ কোনো বাস্তব মানুষ নয়; সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি একটি ভার্চুয়াল চরিত্র। এই ভার্চুয়াল মডেলের মালিক ২৩ বছর বয়সী কুয়াং ডং।
৩ ঘণ্টা আগে
একজন মেধাবী সন্তানের অভিভাবক হওয়া গর্বের বিষয়। কিন্তু একই সঙ্গে তা এক অলিখিত চাপের কারণও বটে। আমাদের সমাজ মনে করে, যে শিশু পড়াশোনায় ভালো, তার আর কোনো জীবনদক্ষতার প্রয়োজন নেই। ‘ও তো ক্লাসে ফার্স্ট হচ্ছে, ওর আবার রান্নাবান্না বা বাজার করার দরকার কী?’ এমন কথা আমাদের প্রায়ই শুনতে হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার মেজাজটা যেন একদম ‘চিনি ছাড়া লিকার চা’। চট করে মাথা গরম করবেন না। অফিসে বসের ঝাড়ি খেয়ে যদি সহকর্মীর ওপর ঝাল মেটান, তবে কপালে বড়ই দুঃখ আছে। আর্থিক দিক দিয়ে আজ আপনি বেশ দয়ালু হতে পারেন, কিন্তু মনে রাখবেন—পকেট গড়ের মাঠ হলে কেউ আপনাকে উদ্ধার করবে না। গরুকে পালংশাক খাওয়ানোর পরামর্শ আছে, পারলে
৫ ঘণ্টা আগে