বসন্ত আসতে আর বেশি দেরি নেই। প্রকৃতি যেমন প্রস্তুতি নিচ্ছে বসন্তকে বরণ করার জন্য, তেমনি নিশ্চয়ই আপনিও মনে মনে ভাবছেন, কী করে ঘরের সাজেও বসন্তকে স্বাগত জানানো যায়। গতানুগতিক সব নিয়ম উপেক্ষা করে এবার না হয় নিজের মনের মতো রঙে সাজিয়ে ফেলুন পুরো বাসা। বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, আরামদায়ক আসবাব ও নিজের ইচ্ছেমতো যেভাবে খুশি সেভাবে ঘর সাজানোর মাধ্যমে ঘরে একটা ঝলমলে প্রাণবন্ত আবহ তৈরি করা যায়। ঘর সাজানোর কোনো বাঁধাধরা নিয়ম না মেনেও কিছু জিনিস ব্যবহারের মাধ্যমে ঘরের সাজে বসন্তের ছোঁয়া রাখতে পারেন।
বসন্তবরণের জন্য ঘর সাজাতে চাইলে ঘরের মেঝেতে রাখতে পারেন বিভিন্ন নকশার মাদুর বা কার্পেট। টার্কিশ, কাশ্মীরি বা দেশি কার্পেট এমনকি বিভিন্ন রঙের শতরঞ্জিও ব্যবহার করতে পারেন। উজ্জ্বল রঙের রাগস ব্যবহার করলে তা ঘরে একটা প্রাণবন্ত আবহের সৃষ্টি করে। সেই সঙ্গে ঘর দেখতে সুন্দর লাগে। বিভিন্ন নকশার কার্পেট ঘরে শৈল্পিক ছোঁয়া নিয়ে আসে।

ভিন্টেজ আসবাব
এবার না হয় ঝকঝকে-তকতকে নতুন আসবাব এড়িয়ে গেলেন। বিভিন্ন রকম ভিন্টেজ আসবাব দেখতে যেমন নান্দনিক, তেমনই কালের বিভিন্ন ঘটনার সাক্ষীও তারা। তরুণ-তরুণীদের ঘরে এসব আসবাব একটা দারুণ আবহ নিয়ে আসে।
বসন্ত মানেই জাগ্রত প্রকৃতি। তাই এ সময়ে এসে ঘরে বসন্তের ছোঁয়া রাখতে হলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে ঘর সাজাতে পারেন। বাঁশ, বেত ও দড়ির তৈরি জিনিস ব্যবহার করতে পারেন। তা ছাড়া ঘরে প্রচুর গাছ রাখুন। গাছ ঘরের বায়ু পরিষ্কার রাখার সঙ্গে সঙ্গে ঘরকে দেবে সুন্দর, কোমল ও আরামদায়ক আবহ। সাকুলেন্ট, স্নেক প্ল্যান্ট, পাতাবাহারসহ বিভিন্ন ইনডোর প্ল্যান্ট দিয়ে ঘর সাজান। গাছের মাধ্যমে প্রকৃতিকে ঘরের ভেতর, নিজের খুব কাছে রাখা সম্ভব।

ঘর হলো সব নিয়মনীতির ঊর্ধ্বে, যেখানে থাকবে শুধু প্রশান্তি ও আরামের ছোঁয়া। ঘর যেন দেখতে অনেকটা বড় দেখায়, সে জন্য নিচু আসবাব ব্যবহার করুন। ম্যাট্রেস ও থ্রো পিলো দিয়ে ঘর সাজান, যাতে আরাম করে বসা যায়। বিভিন্ন রং ও আকারের পিলো ব্যবহার করুন; এতে ঘর লাগবে প্রাণবন্ত। এ ছাড়া দোলনার ব্যবহারও করতে পারেন।
দেশীয় স্টাইলে ঘর সাজাতে বিভিন্ন রং ব্যবহার করুন। উজ্জ্বল থেকে শুরু করে হালকা রং বেছে নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই, আপনি নিজের পছন্দ অনুযায়ী রং ব্যবহার করুন। যে রং নিজেকে প্রশান্তি দেয়, সেটাই ব্যবহার করুন।

দেশীয় স্টাইলে ঘর সাজাতে প্রচুর পরিমাণে হস্তশিল্প ব্যবহার করুন। দেয়াল সাজানোর উপকরণ, ঘরের পর্দা থেকে বিছানার চাদর সবকিছুতে হস্তশিল্পের ছোঁয়া রাখার চেষ্টা করুন। কুশিকাটার বিভিন্ন জিনিস দিয়েও ঘর সাজাতে পারেন। ফ্যাক্টরি মেড জিনিসের বদলে হস্তশিল্পের জিনিস দিয়ে ঘর সাজিয়ে দেখুন, নান্দনিকতার পার্থক্য নিজেই টের পাবেন।
বসন্ত মানেই সব পুরোনোকে পেছনে ফেলে নতুন করে বাঁচার আকুতি। তাই বাড়িঘর আগে পরিচ্ছন্ন করায় মন দিন। বিছানার চাদর, সোফার কভার, পাপোশ ইত্যাদি বদলে নিন। টেবিলক্লথও বদলাতে হবে। কুশনকভার পারলে এক সেট কিনুন এবার। সোফা, চেয়ার, কাউচ, দেরাজ, টেবিল, দরজার হাতল—পরিষ্কার করা খুব জরুরি। জীবাণুনাশক তরল দিয়ে বা সোফা, চেয়ার পরিষ্কারের স্প্রে ব্যবহার করে সপ্তাহে এক দিন সেগুলো পরিষ্কার করুন। বহু বাড়িতেই ঘরদোর পরিষ্কার নিয়ে ভাবলেও স্নানঘরে নজর পড়ে না। সমপরিমাণ জল এবং ভিনেগার মিশিয়ে, সেই মিশ্রণ দিয়ে কল থেকে বেসিন পরিষ্কার করুন। স্নানঘরে বেকিং সোডা ছড়িয়ে রাখলেও ভ্যাপসা গন্ধ চলে যায়। চেষ্টা করুন স্নানঘরের আনাচকানাচ পরিষ্কার করে জায়গাগুলো শুকনো রাখার।
সূত্র: হাউস বিউটিফুল ও অন্যান্য

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে রাঙামাটিয়া গ্রাম। এখানে ঢুকতেই চোখে পড়ে মাটির ঘরের সারি। তবে এসব ঘর আর দশটি গ্রামের মতো সাদামাটা নয়। কোনো দেয়ালে শিকারি জীবনের দৃশ্য, কোথাও সাঁওতাল তরুণ-তরুণীর নাচ-গান...
৩ ঘণ্টা আগে
ঘুম পৃথিবীর সব মানুষের জীবনের অপরিহার্য অংশ। কিন্তু ঘুমানোর ধরন সব দেশে, সব সংস্কৃতিতে এক নয়। কোনো দেশে শিশুকে শীতের মধ্যেও বাইরে ঘুম পাড়ানো হয়, আবার কোথাও স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় ঘুমালেও ব্যবহার করেন আলাদা কম্বল। দেশ, আবহাওয়া, সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের সঙ্গে বদলে যায় ঘুমের অভ্যাসও।...
৩ ঘণ্টা আগে
সিলেট ভ্রমণের আনন্দ শুরু হয় ট্রেন বা বাসে ওঠার পর থেকে। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে বাস বা ট্রেনের জানালা দিয়ে দেখা দুই পাশের সবুজ চা-বাগান, সারি সারি গাছ, নদী-খাল আর দিগন্তজোড়া সবুজের সমারোহ—সব মিলিয়ে এই যাত্রা হতে পারে স্মরণীয়।
৪ ঘণ্টা আগে
সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে শত ফুট উঁচু থেকে আছড়ে পড়ছে জলরাশি। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে গড়িয়ে নিচে নেমে যাচ্ছে স্বচ্ছ পানির প্রবাহ। চারদিকে উঁচু-নিচু সবুজ পাহাড়, বুনো ঝোপ, নামহীন রঙিন বুনো ফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য মুহূর্তে নিয়ে যাবে কল্পনার রাজ্যে। বলছি খাগড়াছড়ির কথা।
৫ ঘণ্টা আগে