সারা সপ্তাহ অফিস করে ছুটির দিনে রান্নাঘরে বেশি সময় কাটাতে মন চাইছে না? ইচ্ছাকেই না হয় এবার গুরুত্ব দিলেন। ছুটির দিনে গরম ভাতের সঙ্গে হালকা একটা তরকারি হলেই যথেষ্ট। রেঁধে ফেলুন দেশি কই মাছ। কীভাবে রাঁধবেন তাই বলে দিচ্ছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
উপকরণ
দেশি কই মাছ ৬টি, আলু ২টি, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, আদা ও রসুন বাটা এক চা-চামচ, হলুদ, মরিচ ও ধনে গুঁড়া এক চা-চামচ করে, জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ পাঁচ-ছয়টি, ধনেপাতাকুচি দুই টেবিল চামচ, লেবুর রস এক চা-চামচ এবং সয়াবিন তেল ৪ টেবিল চামচ।
প্রণালি
লবণ, হলুদ ও লেবুর রস মেখে মাছ আধা ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে লালচে করে ভেজে তুলে নিন। এই তেলে মোটা কুচি করা আলু, লবণ ও হলুদ মেখে বাদামি করে ভেজে নিন। কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে আদা ও রসুন বাটা, হলুদ, মরিচ ও ধনে গুঁড়া, লবণ এবং সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। এরপর আলু দিয়ে আবার কষিয়ে পরিমাণমতো ঝোলের পানি দিন। ফুটে উঠলে ভাজা মাছ দিয়ে ঢেকে দিন পাঁচ-সাত মিনিটের জন্য। পরে কাঁচা মরিচ, ধনেপাতাকুচি ও জিরা গুঁড়া দিয়ে নেড়েচেড়ে দুই-তিন মিনিট রান্না করে লবণ চেখে নামিয়ে নিন।

বিজ্ঞান বলছে, পাখির গান বা ‘ডন কোরাস’ কেবল শোনার জন্য মনোরম, তা নয়—এটি আমাদের মস্তিষ্কের জন্য এক অনন্য মহৌষধ। ভোরের পাখির মিষ্টি সুর আমাদের মন থেকে দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। যখন মানুষ পাখির ডাক শোনে বা পাখি দেখে, তখন তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি কয়েক...
১ ঘণ্টা আগে
একসময় ছিল যখন পাড়ার মোড়ের আড্ডায় কিংবা চায়ের কাপে ঝড় তোলার মূল রসদ ছিল বই। কোনো এক নতুন রহস্য উপন্যাসের রোমাঞ্চ অথবা দস্তয়েভস্কি-রবীন্দ্রনাথের কোনো জটিল দর্শন নিয়ে আলোচনা চলে যেত তুঙ্গে। কে কোন বই পড়ল, কার কোন চরিত্রের প্রতি মায়া জন্মাল সেসব আলোচনা না থাকলে যেন আড্ডাটাই জমত না।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া ভ্রমণে গিয়ে অনেক পর্যটকই খুঁজছিল শান্ত, নিরিবিলি এক উষ্ণ ঝরনা। অনলাইনে পড়েছিল, বনঘেরা ওয়েল্ডবরো এলাকায় আছে ‘ওয়েল্ডবরো হট স্প্রিংস’, যা নাকি হাইকিংপ্রেমীদের প্রিয় জায়গা। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তারা জানল, এমন কোনো উষ্ণ ঝরনা আদৌ নেই।
২ ঘণ্টা আগে
লেনি নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ও মনোরম রামেলটন শহরের ফুটবল ক্লাব ‘সুইলি রোভার্স’ ১৯৬০-এর দশকে বড় দুটি শিরোপা জেতে। তখন বিজয় উদ্যাপনে ট্রফির ভেতর মদ ঢেলে সবাই মিলে পান করার রীতি ছিল। কিন্তু ম্যাকডেইড পরিবারের সদস্যরা চেয়েছিলেন খেলোয়াড়রা যেন মদ না খেয়েও উদ্যাপন করতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে