আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বর্তমানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আদান-প্রদানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহৃত হয়। তবে ফোন হারিয়ে গেলে বা অন্য কারণে এসব মূল্যবান কথোপকথন বা গুরুত্বপূর্ণ ডেটা হারিয়ে যেতে পারে। তাই সঠিক সময়ে ব্যাকআপ করে রাখতে হয়। হোয়াটসঅ্যাপের ব্যাকআপ ফিচারের মাধ্যমে সহজেই আপনার সমস্ত চ্যাট, মিডিয়া ফাইল ও ভয়েস মেসেজগুলো নিরাপদে রাখতে পারবেন।
অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন উভয় ডিভাইসে চ্যাট ব্যাকআপের সুযোগ রয়েছে। তবে অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে চ্যাট ব্যাকআপগুলো গুগল ড্রাইভে ও আইফোনের ক্ষেত্রে আইক্লাউডে থাকবে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ রাখবেন যেভাবে:
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ রাখার আগে কিছু বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। সেগুলো হলো—
ওপরের শর্তগুলো নিশ্চিত হলে অ্যান্ড্রয়েডে চ্যাট ব্যাকআপের ক্ষেত্রে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন—
১. অ্যান্ড্রয়েড ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করুন।
২. এখন ওপরের দিকে থাকা ‘তিনটি ডট’ আইকনে ট্যাপ করুন। ফলে একটি মেনু চালু হবে।
৩. মেনু থেকে ‘সেটিংস’ অপশন নির্বাচন করুন।
৪. এখন ‘চ্যাটস’ অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং এতে ট্যাপ করুন।
৫. এবার ‘চ্যাটস ব্যাকআপ’ অপশনে ট্যাপ করুন। ফলে নতুন একটি পেজ চালু হবে।
৬. পেজ থেকে ‘গুগল অ্যাকাউন্ট’ অপশনে ট্যাপ করুন। এখন গুগলের যে অ্যাকাউন্টে চ্যাট ব্যাকআপ রাখতে চান, তার ওপর ট্যাপ করুন।
৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে হোয়াটসঅ্যাপ ডেটা ব্যাকআপ রাখতে চাইলে ফ্রিকোয়েন্সি অপশনে নিচের ‘ডেইলি’ অপশন নির্বাচন করুন। আর আপনার সুবিধামতো সময়ে নিজে চ্যাট ব্যাকআপ করতে চাইলে ‘অনলি হোয়েন আই ট্যাপ ব্যাকআপ’ অপশন নির্বাচন করুন।
৮. এখন ওপরের দিকে থাকা ‘ব্যাকআপ’ অপশনে ট্যাপ করুন।
এখন হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাটগুলো গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ হতে থাকবে। ফাইলের আকার অনুযায়ী ব্যাকআপ নিতে কম বা বেশি সময় লাগতে পারে।
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ইতিহাস ও মিডিয়া আপনার আইক্লাউড অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ব্যাকআপ করতে পারেন। শুরু করার আগে নিশ্চিত করুন যে—
আইফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ব্যাকআপ রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন—
১. আইফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করুন।
২. এখন নিচের দিকে থাকা ‘সেটিংস’ আইকনে ট্যাপ করুন।
৩. এরপর ‘চ্যাট’ অপশন নির্বাচন করুন।
৪. এবার ‘চ্যাট ব্যাকআপ’ অপশন নির্বাচন করুন।
৫. সবশেষে ‘ব্যাকআপ নাউ’ অপশনে ট্যাপ করুন।
এভাবে সংশ্লিষ্ট আইক্লাউড অ্যাকাউন্টে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ব্যাকআপ হবে।

বর্তমানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আদান-প্রদানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহৃত হয়। তবে ফোন হারিয়ে গেলে বা অন্য কারণে এসব মূল্যবান কথোপকথন বা গুরুত্বপূর্ণ ডেটা হারিয়ে যেতে পারে। তাই সঠিক সময়ে ব্যাকআপ করে রাখতে হয়। হোয়াটসঅ্যাপের ব্যাকআপ ফিচারের মাধ্যমে সহজেই আপনার সমস্ত চ্যাট, মিডিয়া ফাইল ও ভয়েস মেসেজগুলো নিরাপদে রাখতে পারবেন।
অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন উভয় ডিভাইসে চ্যাট ব্যাকআপের সুযোগ রয়েছে। তবে অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে চ্যাট ব্যাকআপগুলো গুগল ড্রাইভে ও আইফোনের ক্ষেত্রে আইক্লাউডে থাকবে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ রাখবেন যেভাবে:
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ রাখার আগে কিছু বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। সেগুলো হলো—
ওপরের শর্তগুলো নিশ্চিত হলে অ্যান্ড্রয়েডে চ্যাট ব্যাকআপের ক্ষেত্রে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন—
১. অ্যান্ড্রয়েড ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করুন।
২. এখন ওপরের দিকে থাকা ‘তিনটি ডট’ আইকনে ট্যাপ করুন। ফলে একটি মেনু চালু হবে।
৩. মেনু থেকে ‘সেটিংস’ অপশন নির্বাচন করুন।
৪. এখন ‘চ্যাটস’ অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং এতে ট্যাপ করুন।
৫. এবার ‘চ্যাটস ব্যাকআপ’ অপশনে ট্যাপ করুন। ফলে নতুন একটি পেজ চালু হবে।
৬. পেজ থেকে ‘গুগল অ্যাকাউন্ট’ অপশনে ট্যাপ করুন। এখন গুগলের যে অ্যাকাউন্টে চ্যাট ব্যাকআপ রাখতে চান, তার ওপর ট্যাপ করুন।
৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে হোয়াটসঅ্যাপ ডেটা ব্যাকআপ রাখতে চাইলে ফ্রিকোয়েন্সি অপশনে নিচের ‘ডেইলি’ অপশন নির্বাচন করুন। আর আপনার সুবিধামতো সময়ে নিজে চ্যাট ব্যাকআপ করতে চাইলে ‘অনলি হোয়েন আই ট্যাপ ব্যাকআপ’ অপশন নির্বাচন করুন।
৮. এখন ওপরের দিকে থাকা ‘ব্যাকআপ’ অপশনে ট্যাপ করুন।
এখন হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাটগুলো গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ হতে থাকবে। ফাইলের আকার অনুযায়ী ব্যাকআপ নিতে কম বা বেশি সময় লাগতে পারে।
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ইতিহাস ও মিডিয়া আপনার আইক্লাউড অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ব্যাকআপ করতে পারেন। শুরু করার আগে নিশ্চিত করুন যে—
আইফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ব্যাকআপ রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন—
১. আইফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করুন।
২. এখন নিচের দিকে থাকা ‘সেটিংস’ আইকনে ট্যাপ করুন।
৩. এরপর ‘চ্যাট’ অপশন নির্বাচন করুন।
৪. এবার ‘চ্যাট ব্যাকআপ’ অপশন নির্বাচন করুন।
৫. সবশেষে ‘ব্যাকআপ নাউ’ অপশনে ট্যাপ করুন।
এভাবে সংশ্লিষ্ট আইক্লাউড অ্যাকাউন্টে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ব্যাকআপ হবে।

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
১৩ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
১৪ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ...
১৭ ঘণ্টা আগে