বর্তমান ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিত্ব প্রকাশের জায়গা হয়ে উঠেছে ফেসবুক। আপনার অনুভূতি, মুড বা স্টাইল—সবকিছু এখন তুলে ধরা যায় ফেসবুকের ডিজিটাল অবতার বা অ্যাভাটারের মাধ্যমে।
অ্যাভাটার হলো আপনার ভার্চুয়াল রূপ। অ্যাভাটারে চুলের স্টাইল, পোশাক, ত্বকের রং, মুখের গঠন এমনকি চশমা পর্যন্ত পছন্দমতো কাস্টমাইজ করা যায়।
আর একবার অ্যাভাটার তৈরি হলে সেটি স্টিকার হিসেবে মেসেঞ্জারের চ্যাটে ও কমেন্ট বক্সে ব্যবহার করা যায়। এমনকি ফেসবুকের প্রোফাইল ছবি হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যাবে।
ফেসবুকে অ্যাভাটার তৈরি করবেন যেভাবে
১. স্মার্টফোন থেকে ফেসবুক চালু করুন।
২. ডান দিকে ওপরের কোনায় থাকা মেনু বাটনে (তিনটি অনুভূমিক লাইন) চাপ দিন। এটি আইফোনে নিচের ডান পাশে থাকবে।
৩. এরপর ‘সি মোর’ বাটনে ট্যাপ করুন।
৪. এখন ‘অ্যাভাটারস’ বাটনে ট্যাপ করুন।
৫. এবার নিজের সেলফির মাধ্যমে অ্যাভাটার তৈরির জন্য ‘ক্রিয়েট ফ্রম সেলফি’ বাটনে ট্যাপ করুন। আর ম্যানুয়ালি বা নিজেই চেহারার কাঠামো বানাতে ‘ক্রিয়েট ম্যানুয়ালি’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৬. এখন ত্বকের রং নির্বাচন করুন এবং নেক্সট বাটনে ট্যাপ করুন।
৭. নির্দেশনা অনুযায়ী চুলের স্টাইল, মুখের গঠন ও শরীরের ধরন নির্বাচন করুন।
৮. পছন্দমতো অ্যাভাটার তৈরি করে ‘সেভ অ্যান্ড কনটিনিউ’ অপশনে ট্যাপ করুন।
এভাবে ফেসবুকে নিজের অ্যাভাটার তৈরি হয়ে যাবে। তবে আপনি চাইলে আরও নিজের মতো করে সাজাতে পারেন। মেনুগুলোতে সোয়াইপ করে জুতা, প্যান্টসহ আরও অনেক কিছু বেছে নিন, তারপর ‘সেভ’ বাটনে ট্যাপ করুন।
ফেসবুকে পুরোনো অ্যাভাটার মুছে ফেলে নতুন অ্যাভাটার তৈরি করা যায়।
অ্যাভাটার মুছে ফেলবেন যেভাবে
১. অ্যাভাটার মুছে ফেলার জন্য ফেসবুকের মেনু অপশন ট্যাপ করে সি মোর নির্বাচন করতে হবে।
২, এরপর অ্যাভাটারস অপশন নির্বাচন করতে হবে।
৩. অ্যাভাটার প্রোফাইল ছবির পাশে ওপরের ডান দিকে থাকা পেনসিল আইকনে ট্যাপ করতে হবে।
৪. এবার পরবর্তী পেজে থাকা তিন ডট আইকনে ট্যাপ করে ‘ডিলিট অ্যাভাটর’ বাটনে ট্যাপ করতে হবে। ফলে একটি পপআপ বার্তা দেখা যাবে।
৫. বার্তায় থাকা ডিলিট অপশনে ট্যাপ করলে অ্যাভাটার মুছে যাবে।

ঈদের টানা ছুটি কাটিয়ে এবার কাজকর্মে ফেরার পালা। একই সঙ্গে ঈদের খাওয়াদাওয়ার ফলে খানিক ভারী হয়ে যাওয়া শরীরকে আগের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ও বটে। উৎসবে বেশি খাওয়া হবে, তা নিয়ে অপরাধবোধে না ভুগে বরং ধীরেসুস্থে স্বাস্থ্যকর জীবনে ফেরার চেষ্টা করুন।
১১ ঘণ্টা আগে
একদিকে সূর্যের তেজ, অন্যদিকে পড়ার চাপ—দুটোই চলছে। গরমে সন্তানকে সুস্থ রাখতে বাড়তি যত্ন নিতে হবে। এই গরমে শিশুদের যেমন পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার জন্য বোঝাতে হবে, তেমনি ডায়েট এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনও করে তুলতে হবে আবহাওয়া উপযোগী।
১২ ঘণ্টা আগে
কোরবানির ঈদ শেষ। মাংস কাটাকাটি, মসলা তৈরি, রান্না, পরিবেশন, পরিচ্ছন্নতার ব্যাপক চাপ আর গরম—এই সবকিছু মিলিয়ে ত্বকের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে নিশ্চয়। এবার নজর দিন নির্জীব হয়ে যাওয়া ত্বকের দিকে।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রচণ্ড গরমে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে। তাই বারবার মুখ ধুতে হচ্ছে। ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের পর ত্বক আরও ঘামছে বলে মনে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে মসৃণতা হারাচ্ছে। কোনো সহজ সমাধান আছে কি?
১৪ ঘণ্টা আগে