
বড়দিন বা ক্রিসমাস মানেই ডাইনিং টেবিলে সাজানো বড়সড় এক টার্কি রোস্ট। কিন্তু উত্তর আমেরিকার আদি নিবাসী এই পাখি কীভাবে ইউরোপীয়দের উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে উঠল, তা বেশ কৌতূহল উদ্দীপক। ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে স্পেনীয় অভিযাত্রীদের মাধ্যমে টার্কি প্রথম ইউরোপে আসে। তার আগে উৎসবের ভোজ বলতে ছিল ময়ূর বা রাজহাঁসের মাংস।
ইংল্যান্ডের রাজা হেনরি অষ্টম প্রথম ব্রিটিশ সম্রাট হিসেবে বড়দিনের ভোজে টার্কি খেয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তবে টার্কিকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেওয়ার মূল কৃতিত্ব ভিক্টোরিয়ান যুগের। রানি ভিক্টোরিয়া যখন তাঁর রাজকীয় ক্রিসমাস ভোজে টার্কি খাওয়া শুরু করেন, তখন থেকেই এটি আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।

রাজকীয় পছন্দের বাইরে সাধারণ মানুষের ঘরে টার্কিকে জনপ্রিয় করার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল লেখক চার্লস ডিকেন্সের। ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘আ ক্রিসমাস ক্যারল’-এ দেখা যায়, একসময়ের কৃপণ ইবেনেজার স্ক্রুজ বড়দিনে ক্র্যাচিট পরিবারকে একটি বিশাল টার্কি উপহার পাঠাচ্ছেন। এই গল্প সাধারণ মানুষের মনে গেঁথে দেয় যে—বড়দিনের আদর্শ খাবার মানেই টার্কি।
কেন টার্কিই সেরা পছন্দ
টার্কি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কিছু ব্যবহারিক কারণও রয়েছে। আকার ও উপযোগিতা—গরু দুধ দেয় আর মুরগি দেয় ডিম; কিন্তু টার্কির অন্য কোনো ব্যবহার নেই। এ ছাড়া একটি বড় টার্কি দিয়ে অনায়াসেই পুরো পরিবারের ভোজ সম্পন্ন করা যায়। অনেকগুলো ছোট পাখি রান্না করার চেয়ে একটি বড় পাখি রান্না করা অনেক বেশি সাশ্রয়ী।
হিমায়িত বা ফ্রোজেন টার্কি—রেফ্রিজারেশন বা ফ্রিজ আবিষ্কারের আগে টাটকা টার্কি কেনা ছিল বেশ ঝক্কির কাজ। কিন্তু ফ্রোজেন টার্কি বাজারে আসার পর মানুষ আগে থেকেই পরিকল্পনা করে এটি কিনতে শুরু করে, যা এর জনপ্রিয়তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

পরদিনের চমৎকার নাশতা—বড়দিনের পরদিন অর্থাৎ ‘বক্সিং ডে’তে টার্কির বেঁচে যাওয়া মাংস (Leftovers) দিয়ে স্যান্ডউইচ, স্টু, কারি বা পাই তৈরি করা যায়। বিশেষ করে, টার্কি কারি এখন অনেক দেশেই বেশ জনপ্রিয়।
যুক্তরাজ্যে টার্কির একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় আজও ক্রিসমাসে টার্কি খাওয়ার রীতি বজায় আছে।
যাঁরা বড় টার্কি রান্না করতে চান না বা ঝামেলা ছাড়াই উৎসবের খাবার উপভোগ করতে চান, তাঁদের জন্যও আজ নানা ধরনের প্রস্তুত টার্কি খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে—যা ক্রিসমাস উদ্যাপনকে আরও সহজ করে তুলেছে। বড়দিনের এই দীর্ঘ ঐতিহ্যের কারণে আজও বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ টার্কি ছাড়া উৎসবের কথা কল্পনাও করতে পারেন না। আপনিও কি এবার বড়দিনের আয়োজনে টার্কি রাখছেন?

ব্যাপারটা টের পাওয়া যাচ্ছে ভালোই। নববর্ষ আসার আগে দীর্ঘ দগ্ধ দিন পার করতে হচ্ছে। দুপুরের রোদে পুড়ে বাড়ি ফিরে প্রাণ যেমন ওষ্ঠাগত, তেমনি ত্বকও নাজেহাল। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে আসার কারণে ত্বকে রোদে পোড়া দাগের পাশাপাশি জ্বালাপোড়া ও র্যাশের মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আপনার আত্মবিশ্বাস আজ ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তৃতার চেয়েও ধারালো। অফিসে বা বাড়িতে আজ এমন ভাব দেখাবেন যেন ‘তেল ক্ষেত্র’ দখল করা আপনার বাঁ হাতের খেল। তবে সাবধান! মঙ্গল গ্রহ আপনার দিকে বাঁকা চোখে তাকাচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বৈশাখ আসার আগে অনেকটাই গরম পড়ে গেছে। ফ্রিজে বরফ ও ঠান্ডা পানি রাখা শুরু করেছেন অনেকে। এ সময় বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ঠান্ডা ঠান্ডা কিছু খেতে মন চায়, তাই না? গরমে খেলে আরাম পাবেন, এমন তিনটি শরবতের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৩ ঘণ্টা আগে
গরম পড়া শুরু হয়েছে। এ সময় চুলে নানা সমস্যা দেখা দেবে। তার মধ্য়ে অন্যতম হলো মাথার ত্বকে খুশকি ও মাথার ত্বক ঘেমে চুলকানি হওয়া। ঘাম জমে মাথায় ছত্রাকের সংক্রমণও হয় এ সময়। পাশাপাশি অনেকের মাথার ত্বকে ব্রণ বা র্যাশও হতে পারে। তাই গরমে চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে