জীবনধারা ডেস্ক

অবিভক্ত ভারতের অন্যতম প্রগতিশীল পরিবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। এই পরিবারের সদস্যরা পোশাক তথা ফ্যাশনে যেমন নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন, খাবারদাবারের বেলায়ও পরীক্ষাটা কম চালাননি। ঠাকুরবাড়ির অনবদ্য রান্না ‘বেগুনের কোরমা’। কীভাবে এই বেগুনের কোরমা রাঁধবেন, তা জানাচ্ছেন ছন্দা ব্যানার্জী।
উপকরণ
তিনটি মাঝারি সাইজের বেগুন বড় টুকরো করে কাটা, টক দই ২০০ গ্রাম, টমেটো কুচি ২টি, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ, লাল লঙ্কা গুঁড়ো ২ চা-চামচ, তেজপাতা ২টি, ছোট এলাচ ৩টি, লবঙ্গ ৪টি, দারচিনি এক ইঞ্চি পরিমাণ একটি, শাহী জিরা এক চা-চামচ, হলুদ এক চা-চামচ, আদা বাটা এক চা-চামচ, জয়ত্রী এক চিমটি, হিং এক চা-চামচের অর্ধেক, ঘি এক টেবিল চামচ, সরষের তেল পরিমাণমতো।
প্রণালি
কড়াইতে বেশ খানিকটা সরষের তেল নিতে হবে। বেগুনের টুকরোগুলোতে একটু হলুদ লবণ মাখিয়ে নিয়ে খুব হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। যতক্ষণ বেগুন ভাজা হচ্ছে, ততক্ষণ একটা বাটিতে একটু পানি নিয়ে হিং গুলে নিন। অন্যদিকে এলাচ, লবঙ্গ আর দারচিনি একটু থেঁতো করে নিন।
এবার কড়াইয়ের গরম তেলে দিন দুটো তেজপাতা আর থেঁতো করা গরম মসলা। যখন সুগন্ধ বেরোবে, তখন এতে ঢেলে দিন আগে থেকে জলে গুলে রাখা হিং। এরপর যখন হিংয়ের সুগন্ধ বেরোবে, তখন দিয়ে দিন বাদবাকি মসলা, আদাবাটা ও টমেটো কুচি। ততক্ষণই কষাবেন, যতক্ষণ না আধার কাঁচা গন্ধ চলে যায়। যখন তেল ছেড়ে দেবে, তখন দিয়ে দিন টক দই।
আবার কষাতে থাকুন যতক্ষণ না দই থেকেও তেল বের হতে থাকে। এরপর চিনি, লবণ ও ঘি—সব ভালো করে মিশিয়ে এরপর দিন ভেজে রাখা বেগুনগুলো। বেগুন ছাড়ার পর খুব হালকা হাতে নাড়বেন, যাতে গলে না যায়। চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে হালকা হাতে কষান। এতে সহজে তেল বের হবে।
ওপর থেকে ছড়িয়ে দিন এক চা চামচ শাহ্ জিরা গুঁড়ো এবং এক চিমটি জয়িত্রী গুঁড়ো। হালকা হাতে সব মসলা ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই তো তৈরি হয়ে গেল বেগুনের কোরমা। এই রান্না সবচেয়ে ভালো লাগে রুটি, লুচি বা পোলাওয়ের সঙ্গে।

অবিভক্ত ভারতের অন্যতম প্রগতিশীল পরিবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। এই পরিবারের সদস্যরা পোশাক তথা ফ্যাশনে যেমন নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন, খাবারদাবারের বেলায়ও পরীক্ষাটা কম চালাননি। ঠাকুরবাড়ির অনবদ্য রান্না ‘বেগুনের কোরমা’। কীভাবে এই বেগুনের কোরমা রাঁধবেন, তা জানাচ্ছেন ছন্দা ব্যানার্জী।
উপকরণ
তিনটি মাঝারি সাইজের বেগুন বড় টুকরো করে কাটা, টক দই ২০০ গ্রাম, টমেটো কুচি ২টি, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ, লাল লঙ্কা গুঁড়ো ২ চা-চামচ, তেজপাতা ২টি, ছোট এলাচ ৩টি, লবঙ্গ ৪টি, দারচিনি এক ইঞ্চি পরিমাণ একটি, শাহী জিরা এক চা-চামচ, হলুদ এক চা-চামচ, আদা বাটা এক চা-চামচ, জয়ত্রী এক চিমটি, হিং এক চা-চামচের অর্ধেক, ঘি এক টেবিল চামচ, সরষের তেল পরিমাণমতো।
প্রণালি
কড়াইতে বেশ খানিকটা সরষের তেল নিতে হবে। বেগুনের টুকরোগুলোতে একটু হলুদ লবণ মাখিয়ে নিয়ে খুব হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। যতক্ষণ বেগুন ভাজা হচ্ছে, ততক্ষণ একটা বাটিতে একটু পানি নিয়ে হিং গুলে নিন। অন্যদিকে এলাচ, লবঙ্গ আর দারচিনি একটু থেঁতো করে নিন।
এবার কড়াইয়ের গরম তেলে দিন দুটো তেজপাতা আর থেঁতো করা গরম মসলা। যখন সুগন্ধ বেরোবে, তখন এতে ঢেলে দিন আগে থেকে জলে গুলে রাখা হিং। এরপর যখন হিংয়ের সুগন্ধ বেরোবে, তখন দিয়ে দিন বাদবাকি মসলা, আদাবাটা ও টমেটো কুচি। ততক্ষণই কষাবেন, যতক্ষণ না আধার কাঁচা গন্ধ চলে যায়। যখন তেল ছেড়ে দেবে, তখন দিয়ে দিন টক দই।
আবার কষাতে থাকুন যতক্ষণ না দই থেকেও তেল বের হতে থাকে। এরপর চিনি, লবণ ও ঘি—সব ভালো করে মিশিয়ে এরপর দিন ভেজে রাখা বেগুনগুলো। বেগুন ছাড়ার পর খুব হালকা হাতে নাড়বেন, যাতে গলে না যায়। চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে হালকা হাতে কষান। এতে সহজে তেল বের হবে।
ওপর থেকে ছড়িয়ে দিন এক চা চামচ শাহ্ জিরা গুঁড়ো এবং এক চিমটি জয়িত্রী গুঁড়ো। হালকা হাতে সব মসলা ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই তো তৈরি হয়ে গেল বেগুনের কোরমা। এই রান্না সবচেয়ে ভালো লাগে রুটি, লুচি বা পোলাওয়ের সঙ্গে।

বাইরের পৃথিবীতে হাসিমুখে থাকা কিংবা অন্যদের হাসানো আমাদের অনেকের কাছে খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু দিন শেষে নিজের আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো মাঝে মাঝে বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সাধারণত পরিবারকে এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় ভাবি, যেখানে আমাদের সব ধরনের আবেগ, রাগ বা বিরক্তি সরাসরি প্রকাশ করে
১০ মিনিট আগে
অনেকে মনে করেন, ভাগ্য হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু বাস্তবে ভাগ্য তৈরি হয় আমাদের অভ্যাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আচরণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমায় কাজ করছিলেন সুতোমু ইয়ামাগুচি। সেদিন ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরিত হয় ঠিক তাঁর সামনেই।
১ ঘণ্টা আগে
শীতে বাড়িতে কোনো না কোনো স্য়ুপ তো তৈরি করছেনই। খাওয়ার সময় একটা জিনিসই মিস করছেন, তা হলো অনথন। ইতস্তত না করে বাড়িতে এবার বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু এই খাবার।
৩ ঘণ্টা আগে
কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
৭ ঘণ্টা আগে