লাইফস্টাইল ডেস্ক

কোরবানির ঈদে গরুর মাংস রান্না হবে, এটাই স্বাভাবিক। ঐতিহ্যবাহী রান্নার পাশাপাশি রেঁধে ফেলুন চমকজাগানো ভিন্ন স্বাদের নতুন নতুন খাবার। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী ওমাম রায়হান।

জিরা ফোড়নে কলিজা
উপকরণ
গরুর কলিজা ১ কেজি, সয়াবিন তেল ২০০ মিলিলিটার, জিরাবাটা ১০ গ্রাম, দারুচিনি কয়েক টুকরা, এলাচি ৩টি, লবঙ্গ ৭টি, তেজপাতা ২টি, পেঁয়াজকুচি ৩০০ গ্রাম, আদাবাটা ৪০ গ্রাম, রসুনবাটা ৩০ গ্রাম, হলুদগুঁড়া ১০ গ্রাম, ধনেগুঁড়া ১০ গ্রাম, মরিচগুঁড়া ১৫ গ্রাম, রসুন ৬ কোয়া, লবণ স্বাদমতো, আস্ত কাঁচা মরিচ কয়েকটি, ভাজা জিরার গুঁড়া ১০ গ্রাম, মাংসের মসলা ১০ গ্রাম।
প্রণালি
প্রথমে কলিজা বড় টুকরা করে কেটে নিন। গরম পানিতে সামান্য হলুদ দিয়ে ৫ মিনিট সেদ্ধ করুন। এতে কলিজার ভেতরে থাকা ময়লা বেরিয়ে আসবে। বার কয়েক ভালো করে ধুয়ে কলিজার ওপরের পাতলা আবরণ উঠিয়ে নিন। এরপর ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিন।
প্যানে তেল গরম করে জিরা ও গরমমসলা দিয়ে ফোড়ন দিন। ২ মিনিট জ্বাল দেওয়ার পর পেঁয়াজকুচি দিয়ে দিন। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিন। সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে কলিজার টুকরাগুলো দিয়ে দিন। রসুনের কোয়া এবং স্বাদমতো লবণ দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন। ৬-৭ মিনিট নেড়েচেড়ে রান্না করুন। তারপর আধা কাপ পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে এলে ভাজা জিরার গুঁড়া ও আস্ত কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। কম আঁচে ৫ মিনিট ঢেকে রাখুন প্যান বা কড়াই। তেল ভেসে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন কলিজা ভুনা।

পোচড ফিলে বিফ
উপকরণ
হাড় ছাড়া বিফ স্টেক ফিলে ৩৫০ গ্রাম, গোলমরিচ, আদা ও রসুনগুঁড়া আধা চা-চামচ করে, অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস, ভিনেগার ও ব্রাউন সুগার ১ চা-চামচ করে, তেজপাতা ২টি, লেবু স্লাইস ৩ টুকরা, লবঙ্গ ৫টি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি
বিফ ফিলেগুলোর সঙ্গে লেবুর রস, আদা, রসুন ও গোলমরিচের গুঁড়া, লবণ এবং অলিভ অয়েল মাখিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন।
এবার একটি হাঁড়িতে ৫০০ মিলিলিটার পানি নিয়ে তাতে ভিনেগার, লেবুর স্লাইস, লবঙ্গ, তেজপাতা, ব্রাউন সুগার ও লবণ দিয়ে জ্বাল দিন। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে মেরিনেট করা বিফ ফিলে দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর ফিলেগুলো হাঁড়ি থেকে তুলে ছুরির সাহায্যে স্লাইস করে রঙিন সবজির সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার পোচড ফিলে বিফ।

বিফ কোয়াব
উপকরণ
হাড় ছাড়া গরুর বড় পিস করা মাংস ১ কেজি, আদাবাটা ১৫ গ্রাম, রসুনবাটা ১০ গ্রাম, পেঁয়াজবাটা ২৫ গ্রাম, মরিচগুঁড়া ২০ গ্রাম, হলুদগুঁড়া ১০ গ্রাম, মাংসের মসলা ১৫ গ্রাম, লবণ স্বাদমতো, ভাজার জন্য তেল ৩৫০ মিলি।
প্রণালি
সামান্য তেল দিয়ে সব মসলাসহ মাংস ভালোভাবে মাখিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ভালোভাবে নেড়ে রান্না করতে হবে। প্রয়োজনে সামান্য গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ভাজার আগে অবশ্যই সব পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে অল্প অল্প করে মাংস ভেজে নিতে হবে। মাংসের রং গাঢ় বাদামি হয়ে এলে তুলে তেল ঝরিয়ে নিন। তৈরি হলো মজাদার বিফ কোয়াব।

কোরবানির ঈদে গরুর মাংস রান্না হবে, এটাই স্বাভাবিক। ঐতিহ্যবাহী রান্নার পাশাপাশি রেঁধে ফেলুন চমকজাগানো ভিন্ন স্বাদের নতুন নতুন খাবার। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী ওমাম রায়হান।

জিরা ফোড়নে কলিজা
উপকরণ
গরুর কলিজা ১ কেজি, সয়াবিন তেল ২০০ মিলিলিটার, জিরাবাটা ১০ গ্রাম, দারুচিনি কয়েক টুকরা, এলাচি ৩টি, লবঙ্গ ৭টি, তেজপাতা ২টি, পেঁয়াজকুচি ৩০০ গ্রাম, আদাবাটা ৪০ গ্রাম, রসুনবাটা ৩০ গ্রাম, হলুদগুঁড়া ১০ গ্রাম, ধনেগুঁড়া ১০ গ্রাম, মরিচগুঁড়া ১৫ গ্রাম, রসুন ৬ কোয়া, লবণ স্বাদমতো, আস্ত কাঁচা মরিচ কয়েকটি, ভাজা জিরার গুঁড়া ১০ গ্রাম, মাংসের মসলা ১০ গ্রাম।
প্রণালি
প্রথমে কলিজা বড় টুকরা করে কেটে নিন। গরম পানিতে সামান্য হলুদ দিয়ে ৫ মিনিট সেদ্ধ করুন। এতে কলিজার ভেতরে থাকা ময়লা বেরিয়ে আসবে। বার কয়েক ভালো করে ধুয়ে কলিজার ওপরের পাতলা আবরণ উঠিয়ে নিন। এরপর ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিন।
প্যানে তেল গরম করে জিরা ও গরমমসলা দিয়ে ফোড়ন দিন। ২ মিনিট জ্বাল দেওয়ার পর পেঁয়াজকুচি দিয়ে দিন। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিন। সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে কলিজার টুকরাগুলো দিয়ে দিন। রসুনের কোয়া এবং স্বাদমতো লবণ দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন। ৬-৭ মিনিট নেড়েচেড়ে রান্না করুন। তারপর আধা কাপ পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে এলে ভাজা জিরার গুঁড়া ও আস্ত কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। কম আঁচে ৫ মিনিট ঢেকে রাখুন প্যান বা কড়াই। তেল ভেসে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন কলিজা ভুনা।

পোচড ফিলে বিফ
উপকরণ
হাড় ছাড়া বিফ স্টেক ফিলে ৩৫০ গ্রাম, গোলমরিচ, আদা ও রসুনগুঁড়া আধা চা-চামচ করে, অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস, ভিনেগার ও ব্রাউন সুগার ১ চা-চামচ করে, তেজপাতা ২টি, লেবু স্লাইস ৩ টুকরা, লবঙ্গ ৫টি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি
বিফ ফিলেগুলোর সঙ্গে লেবুর রস, আদা, রসুন ও গোলমরিচের গুঁড়া, লবণ এবং অলিভ অয়েল মাখিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন।
এবার একটি হাঁড়িতে ৫০০ মিলিলিটার পানি নিয়ে তাতে ভিনেগার, লেবুর স্লাইস, লবঙ্গ, তেজপাতা, ব্রাউন সুগার ও লবণ দিয়ে জ্বাল দিন। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে মেরিনেট করা বিফ ফিলে দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর ফিলেগুলো হাঁড়ি থেকে তুলে ছুরির সাহায্যে স্লাইস করে রঙিন সবজির সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার পোচড ফিলে বিফ।

বিফ কোয়াব
উপকরণ
হাড় ছাড়া গরুর বড় পিস করা মাংস ১ কেজি, আদাবাটা ১৫ গ্রাম, রসুনবাটা ১০ গ্রাম, পেঁয়াজবাটা ২৫ গ্রাম, মরিচগুঁড়া ২০ গ্রাম, হলুদগুঁড়া ১০ গ্রাম, মাংসের মসলা ১৫ গ্রাম, লবণ স্বাদমতো, ভাজার জন্য তেল ৩৫০ মিলি।
প্রণালি
সামান্য তেল দিয়ে সব মসলাসহ মাংস ভালোভাবে মাখিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ভালোভাবে নেড়ে রান্না করতে হবে। প্রয়োজনে সামান্য গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ভাজার আগে অবশ্যই সব পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে অল্প অল্প করে মাংস ভেজে নিতে হবে। মাংসের রং গাঢ় বাদামি হয়ে এলে তুলে তেল ঝরিয়ে নিন। তৈরি হলো মজাদার বিফ কোয়াব।

শীতের রুক্ষ ও শীতল হাওয়া ত্বকের জন্য যন্ত্রণাদায়ক। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁদের জন্য এ সময়টি বেশি কষ্টের। আর্দ্রতার অভাবে ত্বক নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে, চামড়া উঠে যায় এবং ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যার প্রধান সমাধান হলো ত্বকের সঠিক আর্দ্রতা বজায় রাখা। সে জন্য পর্যাপ্ত পানি পানের পাশাপাশি...
১৯ মিনিট আগে
আজ আপনার মেজাজ খিটখিটে হতে পারে। কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অর্ধাঙ্গিনী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে পরামর্শ করুন, নয়তো বাড়িতে যুদ্ধ বাধতে পারে। আর্থিক যোগ ভালো, কিন্তু টাকাটা নিজের পকেটে রাখাই হবে আসল চ্যালেঞ্জ।
২ ঘণ্টা আগে
সয়াবিন কেবল উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি শক্তিশালী উৎসই নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য এক অনন্য সুপার ফুড। হাজার বছর ধরে এশিয়ান ডায়েটে এর আধিপত্য থাকলেও বর্তমানে এর পুষ্টিগুণ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ওজনে লাগাম টানা থেকে শুরু করে হাড়ের সুরক্ষা, সব ক্ষেত্রেই সয়াবিন সব সমস্যার এক দারুণ সমাধান। ওজন কমানোর...
২ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দারুণ খবর। ভ্রমণে গিয়ে নিরাপত্তার কথা ভাবলে এখন সবার আগে যে নামটি আসবে, তা হলো সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। বিশ্বখ্যাত ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ‘বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ট্রাভেল প্রোটেকশন’-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ দেশের মর্যাদা পেয়েছে জাপান। কঠোর আইন এবং অতি
২০ ঘণ্টা আগে