মিডিল ইস্টার্ন বা পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের হামাস নামের এই খাবারের রেসিপি বেশ সহজ। সব উপকরণ ব্লেন্ড করে নিলেই হয়ে যায়। কিন্তু এর ইতিহাস বেশ প্রাচীন আর জটিল। কেমন জটিল? ইসরায়েল আর লেবানন এই একটি খাবারের ভৌগোলিক সত্ত্ব বা জিআই প্যাটার্ন পেতে উঠে পড়ে লেগেছে। এবার বুঝতেই পারছেন কেন আর কতটা জটিল হামাস নামের এই খাবারের ইতিহাস আর ভূগোল।
জানা যায়, এই খাবারের রয়েছে প্রায় ৪ হাজার বছরের ঐতিহ্য। এটাও জানা যায়, প্লেটো আর সক্রেটিসের লেখায় হামাসের গুণের কথা এসেছে। ১৩ শতকের মিসরীয় একটি রেসিপির বইয়ে ‘হুমুস বি তাহিনা’ নামে লেখা এর প্রাচীন রেসিপি পাওয়া যায়।
উপকরণ
দেড় কাপ সেদ্ধ চিকপি বা কাবুলি ছোলা বা বড় সাদা ছোলা, এক কাপের এক-তৃতীয়াংশ মিহি তাহিনি বা তিলের পেস্ট, দুই টেবিল চামচ একস্ট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, দুই টেবিল চামচ লেবুর রস, একটি বড় কোয়া রসুন, আধা চা-চামচ লবণ, পাঁচ টেবিল চামচ পানি, সাজানোর জন্য এক টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল আর অল্প পাপরিকার গুঁড়ো।
প্রণালি
অল্প অল্প পানি দিয়ে সবকিছু খুব ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। যতটুকু ঘন চান ততটুকু পানি দিন। এবার একটি পাত্রে ঢেলে পাপরিকার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়ে মাঝে একটু গর্ত করে অলিভ ওয়েল দিন। নোনতা বিস্কুট, পিঠা, রুটি বা গরম নান দিয়ে খেতে পারেন।

বাংলাদেশে বসে ছাগল নিয়ে আমরা যতই হাসাহাসি করি না কেন, কেপ ভার্দের বেলায় হিসাবটা একেবারে ঠিক। সেই দ্বীপদেশটিতে আছে প্রতি দুজনের জন্য একটি ছাগল! আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে জেগে থাকা এক টুকরো বিস্ময় রিপাবলিক অব কেপ ভার্দে। অবশ্য দেশটি বিশ্বজুড়ে সংক্ষেপে কেপ ভার্দে নামে পরিচিত। বিশ্ব ফুটবলে দেশটি এখন...
১৩ ঘণ্টা আগে
খিচুড়ি তো অনেক খাওয়া হলো, এই বৃষ্টির দিনে জিবে একটু ভিন্ন স্বাদ আনতে আপনি অনায়াসে তৈরি করে নিতে পারেন মিসরের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। আরবিতে একে বলা হয় ‘শাওরবাত আদস’। যার বাংলা অর্থ ডালের স্যুপ। এটি যেমন পুষ্টিকর, তেমনই তৈরি করাও সহজ। বৃষ্টির অলস সময়ে শরীর ও মন চাঙা করতে এই স্যুপের জুড়ি মেলা...
১৮ ঘণ্টা আগে
মানুষের শিকারের পেছনে ছোটার যে কালপর্ব, নৃবিজ্ঞানীরা মনে করেন, সে সময় পরিষ্কার নীল আকাশ ভালো আবহাওয়া আর খাবারের নিশ্চয়তা নির্দেশ করত। তাই বলা হয়, জীবনধারণের সেই সহজাত প্রবৃত্তি হাজার হাজার বছর পেরিয়ে আজও মানুষের মনে নীল রঙের প্রতি ভালোবাসা ধরে রেখেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
আমরা সবাই সাবান ব্যবহার করি। বেশির ভাগ সাবানে থাকে বিভিন্ন পশুর চর্বি। প্রসাধনী তৈরিতেও প্রচুর চর্বি প্রয়োজন। ফলে বিভিন্ন প্রাণীর চর্বি সংগ্রহ করা হয়। এসব প্রাণীর কোনো কোনোটির চর্বিতে যে কৃমি থাকে, তা বহু বছর জীবিত থাকতে পারে। এই চর্বি গরম করা হলেও কিছু কৃমি সক্রিয় থাকে।
১ দিন আগে