শীতকাল মানেই পিঠাপুলির দারুণ আয়োজন। বছরের শেষ ছুটি উপভোগে আর নতুন বছর বরণের আয়োজনে থাকতে পারে নানান পিঠা। দাদি-নানিদের হাতের পিঠা মায়েদের হাত ঘুরে তাদের মেয়েদের হাতে উঠে আসতে আসতে বদলে গেছে অনেকভাবে। কেউ সেই বদলে যাওয়া স্বাদ ভালোবাসে, আবার কেউ ভালোবাসে পুরোনো স্বাদ। স্বাদ যেমনই হোক, শীতে থাকতে হবে পিঠা। এমনই বদলে যাওয়া আর চিরাচরিত রেসিপি থাকছে আজকের আয়োজনে।
উপকরণ
আতপ চালের গুঁড়া ২ কাপ, ময়দা ১ কাপ, আলু সেদ্ধ ২টি, চিনি ২ কাপ, দুধ ১ লিটার, ক্রিম ছাড়া বিস্কুট ১ প্যাকেট (ছোট), এলাচি ২টি, ডিম ১টি, লবণ ১ চা-চামচ, পানি ৫ কাপ, সাদা তেল ভাজার জন্য।
প্রণালি
প্রথমে হাঁড়িতে দুধ জাল দিয়ে অর্ধেক করে নিতে হবে। লবণ দিয়ে ওই দুধে চালের গুঁড়া ও ময়দা মিশিয়ে কম আঁচে সেদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে চুলা বন্ধ করে ২০ মিনিট রেখে দিতে হবে।
এরপর বড় প্লেটে সেগুলোর সঙ্গে ডিম, ভেজানো বিস্কুট এবং আলু সেদ্ধ মিশিয়ে ভালো করে মেখে নরম ডো করে নিতে হবে। তারপর মোটা রুটির মতো বানিয়ে চামচ দিয়ে কেটে হাতে ডিজাইন করে নিন। তারপর পিঠাগুলো ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে নিতে হবে। অন্য হাঁড়িতে পানি, চিনি, এলাচি দিয়ে শিরা তৈরি করে নিন। ঠান্ডা হলে পিঠাগুলো শিরায় তিন-চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর পরিবেশন করতে হবে শিরায় ভেজানো পাকন পিঠা।

বিজ্ঞান বলছে, পাখির গান বা ‘ডন কোরাস’ কেবল শোনার জন্য মনোরম, তা নয়—এটি আমাদের মস্তিষ্কের জন্য এক অনন্য মহৌষধ। ভোরের পাখির মিষ্টি সুর আমাদের মন থেকে দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। যখন মানুষ পাখির ডাক শোনে বা পাখি দেখে, তখন তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি কয়েক...
১০ ঘণ্টা আগে
একসময় ছিল যখন পাড়ার মোড়ের আড্ডায় কিংবা চায়ের কাপে ঝড় তোলার মূল রসদ ছিল বই। কোনো এক নতুন রহস্য উপন্যাসের রোমাঞ্চ অথবা দস্তয়েভস্কি-রবীন্দ্রনাথের কোনো জটিল দর্শন নিয়ে আলোচনা চলে যেত তুঙ্গে। কে কোন বই পড়ল, কার কোন চরিত্রের প্রতি মায়া জন্মাল সেসব আলোচনা না থাকলে যেন আড্ডাটাই জমত না।
১১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া ভ্রমণে গিয়ে অনেক পর্যটকই খুঁজছিল শান্ত, নিরিবিলি এক উষ্ণ ঝরনা। অনলাইনে পড়েছিল, বনঘেরা ওয়েল্ডবরো এলাকায় আছে ‘ওয়েল্ডবরো হট স্প্রিংস’, যা নাকি হাইকিংপ্রেমীদের প্রিয় জায়গা। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তারা জানল, এমন কোনো উষ্ণ ঝরনা আদৌ নেই।
১১ ঘণ্টা আগে
লেনি নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ও মনোরম রামেলটন শহরের ফুটবল ক্লাব ‘সুইলি রোভার্স’ ১৯৬০-এর দশকে বড় দুটি শিরোপা জেতে। তখন বিজয় উদ্যাপনে ট্রফির ভেতর মদ ঢেলে সবাই মিলে পান করার রীতি ছিল। কিন্তু ম্যাকডেইড পরিবারের সদস্যরা চেয়েছিলেন খেলোয়াড়রা যেন মদ না খেয়েও উদ্যাপন করতে পারেন।
১১ ঘণ্টা আগে