বাজার ছেয়ে গেছে আমের মধুর সুবাসে। আম দিয়ে মজাদার ডেজার্ট কী হতে পারে, তাই তো ভাবছেন? সহজেই বানিয়ে ফেলুন আমদই। আপনাদের জন্য আমদইয়ের রেসিপি ফুড কলামিস্ট ও রন্ধনশিল্পী ছন্দা ব্যানার্জি।

উপকরণ
ক্রিম মিল্ক হাফ লিটার, চিনি পরিমাণমতো, গুঁড়ো দুধ ৫ টেবিল চামচ, পাকা আম একটা, পানি ঝরানো টক দই ২ টেবিল চামচ।
প্রণালি
প্রথমে দুধটাকে ফুটিয়ে ঘন করে, চিনি মিশিয়ে নিতে হবে। ফোটানো দুধের কিছুটা তুলে নিয়ে তাতে গুঁড়ো দুধ ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর সব দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে ফোটাতে হবে। খুব ভালো করে নাড়তে হবে, যেন ভেতরে সর না থাকে। আমের পাল্প তৈরি করে ছাঁকনিতে ভালো করে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর একটা পাত্রে এই ছেঁকে নেওয়া আমের পাল্প ভালো করে নেড়ে এর ভেতরের পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এই আমের পাল্পের সঙ্গে পানি ঝরানো দুই চামচ টক দই খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। ফোটানো ঘন দুধে আঙুল ভালোভাবে ডুবিয়ে রাখা যায় এ রকম উষ্ণতায় আসার পর টক দই মেশানো আমের পাল্প ওই ঘন দুধের সঙ্গে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। (এ রকম অবস্থায় দুধে কেউ চাইলে হলুদ ফুড কালার ব্যবহার করতে পারেন)। তারপর এটা পছন্দসই পাত্রে ঢেলে এমন কোনো জায়গায় ১০-১২ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে, যেখানে একটুও নাড়াচাড়া হবে না। ১০-১২ ঘণ্টা পর দেখা যাবে দই জমে গেছে। তারপর ফ্রিজে এক ঘণ্টা রেখে পরিবেশন করা যায় আমদই।

পবিত্র রমজান মাস সংযম ও প্রার্থনা আর সামাজিক মিলনমেলার বিশেষ সময়। ইফতারের দাওয়াত কিংবা সেহরির আড্ডায় মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের মুসলিম নারীদের পোশাকে আসে এক সহজাত পরিবর্তন। এ বছর রমজানে ফ্যাশন দুনিয়ায় ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার এক চমৎকার সমন্বয় দেখা যাচ্ছে। এবার শুধু শরীর ঢেকে রাখাই নয়; বরং...
২ ঘণ্টা আগে
একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের অহংকার, আমাদের শোক ও শক্তির মিলনের দিন। দিনটি শুধু ক্যালেন্ডারের পাতায় ঘেরা কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়; বরং এটি প্রত্যেক বাঙালির অস্তিত্ব ও চেতনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দিনটি ঘিরে বাঙালির পোশাকেও থাকে ভিন্ন এক ভাবগাম্ভীর্য। এদিন আমরা শোকাতুর হৃদয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাই।
২০ ঘণ্টা আগে
খেসারির ডাল ১ কাপ, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচের কুচি ২ টেবিল চামচ, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ, মরিচ, ধনে ও জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, বেকিং পাউডার আধা চা-চামচ, গরমমসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ এবং সয়াবিন তেল পরিমাণমতো।
১ দিন আগে
ফাল্গুনের শুষ্ক ও গরম আবহাওয়ায় শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকায় শরীর দ্রুত পানিশূন্য বা ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে এবার। শরীরে পানির অভাব মানে অবসাদ, মাথাব্যথা ও ঝিমুনি ভাব। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত এমন খাদ্যাভ্যাস ও কৌশল মেনে চলা জরুরি, যা আপনাকে সারা দিন...
১ দিন আগে