লাইফস্টাইল ডেস্ক

মেইন কোর্স শেষ করার পর হালকা খাবার খাওয়া বা অন্য কিছু করার অভ্যাস আছে অনেকের। কেউ একটু চা পান করেন, কেউ হাঁটতে বের হন। অনেকে আবার একটু ঘুমিয়ে নেন। তবে খাওয়ার পর কিছু খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা স্বাস্থ্যকরই হওয়া চাই।
ইনস্টাগ্রামে অভিনেতা-অভিনেত্রীরা তাঁদের খাদ্যাভ্যাস, মেকআপ টিপস শেয়ার করে থাকেন। সেসব অনেকে ব্যক্তিগত জীবনে চর্চা করেন। ইনস্টাগ্রামে অভিনেতা–অভিনেত্রীরা এসব শেয়ার করে তাঁদের ফ্যানদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করেন। তেমনই একজন অভিনেত্রী নিতু কাপুর। ‘খেল খেল মে’, ‘দেওয়ার’, ‘কাভি কাভি’ ইত্যাদি চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত এই অভিনেত্রী। খাবার ভালোভাবে হজম হওয়ার টিপস সম্প্রতি তিনি শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে। তাঁর এই টোটকা দুপুরের খাবার ভালোভাবে হজমে সহায়তা করে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
লাঞ্চের পর নিতু কাপুর কী খাচ্ছেন এবং কী পান করছেন, সেটি প্রকাশ করেছেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। এক চামচ ঘি আর গুড়ের ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘লাঞ্চের পর ঘি ও গুড় এবং বাড়ির তৈরি হজম চা।’
খাবার খাওয়ার পর হজমে সাহায্য করে ঘি এবং গুড়। নিতু কাপুর এ দুটির মিশ্রণ পান করছেন। কারণ, এটি দারুণ ডিটক্সিফাইং উপাদান হিসেবে কাজ করে। ২০২২ সালে ‘সুগার টেক’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, এই সংমিশ্রণ টক্সিন অপসারণ এবং দেহের অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক। গবেষকেরা খুঁজে পেয়েছেন, খাবারের পর এক চামচ ঘি মেশানো গুড় খাওয়া পাচনতন্ত্রের জন্য উপকারী।
ঘিয়ের উপকারিতা
পাচনতন্ত্রের এনজাইম উৎপাদন করে: ঘি পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের নিঃসরণ উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি খাবারের ভাঙন প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। এটি ফ্যাট-সলিউবল ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে এর হজম ও শোষণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বিউটিরিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ: বিউটিরিক অ্যাসিড হলো চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি পাচনতন্ত্রের কোষগুলোকে পুষ্টি সরবরাহ করে, প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং হজম ভালো করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ঘি বিউটিরিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ।
অ্যান্টি-অ্যাসিডিক: ঘি পেটের ভেতরের স্তরকে আরাম দেয় এবং খাবারের পর অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।
গুড়ের উপকারিতা
পাচনতন্ত্রের এনজাইম সক্রিয় করে: গুড় পাচনতন্ত্রের এনজাইম সক্রিয় করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এটি পিত্তের নিঃসরণ বাড়ায় এবং চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে। গুড় ম্যাগনেশিয়ামসহ অন্যান্য খনিজে পূর্ণ। এসব খনিজের অনেকগুলো পাচনতন্ত্রের পেশি শিথিলে সাহায্য করতে পারে। এতে উপস্থিত আয়রন খাবারের পর অনুভূত হওয়া ক্লান্তি প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

গ্যাস প্রতিরোধক: গুড়ের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্য অন্ত্রগুলোকে পরিষ্কার করে, ব্লোটিং কমায় এবং পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
তবে সবার ক্ষেত্রে এই টোটকা কাজে না-ও আসতে পারতে। এর কিছু কারণ আছে। ঘি কিংবা গুড় আলাদা করে কিংবা একসঙ্গে খেলে অনেকে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্রভাবিত হতে পারেন। তাই এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো জানা থাকলে যে কেউ বুঝতে পারবেন, নিতু কাপুরের টোটকা আপনাদের কাজে লাগবে কি না।
ঘিয়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ঘিতে ঘন ক্যালরি থাকে। অতিরিক্ত পরিমাণে ঘি খেলে ওজন বাড়ে।
অতিরিক্ত ঘি খাওয়া হার্টের রোগীদের লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে।
অতিরিক্ত ঘি খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা হতে পারে। যাদের হজমের সমস্যা দুর্বল, তাদের এ সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

গুড়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
গুড়ে প্রচুর চিনি থাকে। তাই এটি অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বাড়তে পারে; বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীদের গুড় খাওয়া বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
নিয়মিত বেশি পরিমাণে ঘি খেলে যে কারও ওজন বেড়ে যেতে পারে।
এবার নিজের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে নিজেই সিদ্ধান্ত নিন, নিতু কাপুরের টোটকা আপনার জন্য কাজ করবে কি না।
সূত্র: ইনস্টাগ্রাম ও হেলথ শটস

মেইন কোর্স শেষ করার পর হালকা খাবার খাওয়া বা অন্য কিছু করার অভ্যাস আছে অনেকের। কেউ একটু চা পান করেন, কেউ হাঁটতে বের হন। অনেকে আবার একটু ঘুমিয়ে নেন। তবে খাওয়ার পর কিছু খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা স্বাস্থ্যকরই হওয়া চাই।
ইনস্টাগ্রামে অভিনেতা-অভিনেত্রীরা তাঁদের খাদ্যাভ্যাস, মেকআপ টিপস শেয়ার করে থাকেন। সেসব অনেকে ব্যক্তিগত জীবনে চর্চা করেন। ইনস্টাগ্রামে অভিনেতা–অভিনেত্রীরা এসব শেয়ার করে তাঁদের ফ্যানদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করেন। তেমনই একজন অভিনেত্রী নিতু কাপুর। ‘খেল খেল মে’, ‘দেওয়ার’, ‘কাভি কাভি’ ইত্যাদি চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত এই অভিনেত্রী। খাবার ভালোভাবে হজম হওয়ার টিপস সম্প্রতি তিনি শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে। তাঁর এই টোটকা দুপুরের খাবার ভালোভাবে হজমে সহায়তা করে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
লাঞ্চের পর নিতু কাপুর কী খাচ্ছেন এবং কী পান করছেন, সেটি প্রকাশ করেছেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। এক চামচ ঘি আর গুড়ের ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘লাঞ্চের পর ঘি ও গুড় এবং বাড়ির তৈরি হজম চা।’
খাবার খাওয়ার পর হজমে সাহায্য করে ঘি এবং গুড়। নিতু কাপুর এ দুটির মিশ্রণ পান করছেন। কারণ, এটি দারুণ ডিটক্সিফাইং উপাদান হিসেবে কাজ করে। ২০২২ সালে ‘সুগার টেক’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, এই সংমিশ্রণ টক্সিন অপসারণ এবং দেহের অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক। গবেষকেরা খুঁজে পেয়েছেন, খাবারের পর এক চামচ ঘি মেশানো গুড় খাওয়া পাচনতন্ত্রের জন্য উপকারী।
ঘিয়ের উপকারিতা
পাচনতন্ত্রের এনজাইম উৎপাদন করে: ঘি পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের নিঃসরণ উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি খাবারের ভাঙন প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। এটি ফ্যাট-সলিউবল ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে এর হজম ও শোষণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বিউটিরিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ: বিউটিরিক অ্যাসিড হলো চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি পাচনতন্ত্রের কোষগুলোকে পুষ্টি সরবরাহ করে, প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং হজম ভালো করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ঘি বিউটিরিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ।
অ্যান্টি-অ্যাসিডিক: ঘি পেটের ভেতরের স্তরকে আরাম দেয় এবং খাবারের পর অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।
গুড়ের উপকারিতা
পাচনতন্ত্রের এনজাইম সক্রিয় করে: গুড় পাচনতন্ত্রের এনজাইম সক্রিয় করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এটি পিত্তের নিঃসরণ বাড়ায় এবং চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে। গুড় ম্যাগনেশিয়ামসহ অন্যান্য খনিজে পূর্ণ। এসব খনিজের অনেকগুলো পাচনতন্ত্রের পেশি শিথিলে সাহায্য করতে পারে। এতে উপস্থিত আয়রন খাবারের পর অনুভূত হওয়া ক্লান্তি প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

গ্যাস প্রতিরোধক: গুড়ের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্য অন্ত্রগুলোকে পরিষ্কার করে, ব্লোটিং কমায় এবং পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
তবে সবার ক্ষেত্রে এই টোটকা কাজে না-ও আসতে পারতে। এর কিছু কারণ আছে। ঘি কিংবা গুড় আলাদা করে কিংবা একসঙ্গে খেলে অনেকে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্রভাবিত হতে পারেন। তাই এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো জানা থাকলে যে কেউ বুঝতে পারবেন, নিতু কাপুরের টোটকা আপনাদের কাজে লাগবে কি না।
ঘিয়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ঘিতে ঘন ক্যালরি থাকে। অতিরিক্ত পরিমাণে ঘি খেলে ওজন বাড়ে।
অতিরিক্ত ঘি খাওয়া হার্টের রোগীদের লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে।
অতিরিক্ত ঘি খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা হতে পারে। যাদের হজমের সমস্যা দুর্বল, তাদের এ সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

গুড়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
গুড়ে প্রচুর চিনি থাকে। তাই এটি অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বাড়তে পারে; বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীদের গুড় খাওয়া বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
নিয়মিত বেশি পরিমাণে ঘি খেলে যে কারও ওজন বেড়ে যেতে পারে।
এবার নিজের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে নিজেই সিদ্ধান্ত নিন, নিতু কাপুরের টোটকা আপনার জন্য কাজ করবে কি না।
সূত্র: ইনস্টাগ্রাম ও হেলথ শটস

আপনার চুল কি শুষ্ক, কোঁকড়া ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে? তাহলে নারকেল দুধ ব্যবহার করে দেখতে পারে। এটি ভিটামিন, খনিজ ও ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। অ্যালোভেরা, ডিম এবং দইয়ের মতো অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে নিলে নারকেল দুধ আপনার চুলের হারানো স্বাস্থ্য ফিরিয়ে দিতে পারে। এতে চুল হবে রেশমি ও তরতাজা।
৬ ঘণ্টা আগে
জেন-জি প্রজন্মের কাছে অর্থ উপার্জনের সংজ্ঞা বদলে গেছে। তারা এখন আর ৯ টা-৫টার নিয়ম বেঁধে চাকরি করতে চান না; বিশেষ করে এখন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের সুযোগ বাড়ায় এই মনোভাব দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। এই প্রজন্ম মূলত একাডেমিক জীবনের শেষে করোনা মহামারির সময় কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, এই প্রজন্মের প্রথম
৮ ঘণ্টা আগে
এই মৌসুমে আমাদের অনেকের হাতের আঙুলের ডগা, কিউটিকল এবং নখের চারপাশের ত্বক থেকে চামড়া ওঠে। সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে এগুলো নিজে থেকে সেরে যায়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি মৌসুমি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। চামড়া উঠতে উঠতে একেবারে রক্তও বের হয় অনেক সময়। কিন্তু সহজে সারে না।
৯ ঘণ্টা আগে
আমাদের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে রোদে পোড়া বা ‘সানবার্ন’ খুবই পরিচিত সমস্যা। তবে আমরা অনেকে জানি না যে সাধারণ এই রোদে পোড়া দাগ যখন চরমে পৌঁছায়, তখন তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘সান পয়জনিং’ বলা হয়।
১২ ঘণ্টা আগে