
রসুন তেলে লইট্টা মাছ
উপকরণ
লইট্টা মাছ ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, রসুন ৫ কোয়া, কাঁচা মরিচ ৫ থেকে ৬টি, হলুদগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, তেল দেড় টেবিল চামচ, হলুদপাতার কুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি
হাঁড়িতে তেল গরম করে রসুনের কোয়াগুলো দিয়ে একটু নেড়ে পেঁয়াজকুচি, লবণ এবং কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর সামান্য পানি দিয়ে গুঁড়া মসলাগুলো ভালোভাবে কষিয়ে নিন। কষানো হয়ে গেলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন ১৫ মিনিট। সবকিছু ফুটলে লইট্টা মাছ দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। রান্না শেষ হলে হলুদপাতার কুচি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
লেবুপাতায় রুইয়ের ঝোল
উপকরণ
রুই মাছ ৩০০ গ্রাম, লেবুপাতা ৪টি, পেঁয়াজকুচি দেড় টেবিল চামচ, মরিচগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল দেড় টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি
হাঁড়িতে তেল দিয়ে গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে দিন। পেঁয়াজ নরম হলে দুটি লেবুপাতা দিয়ে একটু নেড়ে সামান্য পানি, সব গুঁড়া মসলা ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। এরপর মাছের টুকরাগুলো দিয়ে একটু কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ঢেকে রান্না করুন। রান্না শেষে দুটি লেবুপাতা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
নারকেলি চেওয়া
উপকরণ
চেওয়া মাছ ২৫০ গ্রাম, নারকেলের কুচি ৫০ গ্রাম, মরিচগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, তেল ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি
কড়াইয়ে তেল দিয়ে গরম করুন। তারপর পেঁয়াজকুচি দিয়ে একটু নেড়ে নারকেলের কুচি, লবণ ও সব গুঁড়া মসলা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মসলা কষানো হয়ে গেলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর চেওয়া মাছ দিয়ে মাঝারি আঁচে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঢেকে রান্না করে ধনেপাতাকুচি দিয়ে নামিয়ে নিন।

রসুন তেলে লইট্টা মাছ
উপকরণ
লইট্টা মাছ ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, রসুন ৫ কোয়া, কাঁচা মরিচ ৫ থেকে ৬টি, হলুদগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, তেল দেড় টেবিল চামচ, হলুদপাতার কুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি
হাঁড়িতে তেল গরম করে রসুনের কোয়াগুলো দিয়ে একটু নেড়ে পেঁয়াজকুচি, লবণ এবং কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর সামান্য পানি দিয়ে গুঁড়া মসলাগুলো ভালোভাবে কষিয়ে নিন। কষানো হয়ে গেলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন ১৫ মিনিট। সবকিছু ফুটলে লইট্টা মাছ দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। রান্না শেষ হলে হলুদপাতার কুচি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
লেবুপাতায় রুইয়ের ঝোল
উপকরণ
রুই মাছ ৩০০ গ্রাম, লেবুপাতা ৪টি, পেঁয়াজকুচি দেড় টেবিল চামচ, মরিচগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল দেড় টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি
হাঁড়িতে তেল দিয়ে গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে দিন। পেঁয়াজ নরম হলে দুটি লেবুপাতা দিয়ে একটু নেড়ে সামান্য পানি, সব গুঁড়া মসলা ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। এরপর মাছের টুকরাগুলো দিয়ে একটু কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ঢেকে রান্না করুন। রান্না শেষে দুটি লেবুপাতা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
নারকেলি চেওয়া
উপকরণ
চেওয়া মাছ ২৫০ গ্রাম, নারকেলের কুচি ৫০ গ্রাম, মরিচগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, তেল ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি
কড়াইয়ে তেল দিয়ে গরম করুন। তারপর পেঁয়াজকুচি দিয়ে একটু নেড়ে নারকেলের কুচি, লবণ ও সব গুঁড়া মসলা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মসলা কষানো হয়ে গেলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর চেওয়া মাছ দিয়ে মাঝারি আঁচে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঢেকে রান্না করে ধনেপাতাকুচি দিয়ে নামিয়ে নিন।

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৫ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৭ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
২১ ঘণ্টা আগে