ফিচার ডেস্ক

আমরা জানি, ধূমপান, অলস জীবনযাপন কিংবা অস্বাস্থ্যকর খাবার মানুষের মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু গবেষণা বলছে, আমাদের আরও কিছু সাধারণ ও প্রাত্যহিক অভ্যাস রয়েছে, যা অলক্ষ্যেই আমাদের আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে। উপরন্তু দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট পরিবর্তন; যেমন একটু বেশি হাঁটা, দাঁতের যত্ন নেওয়া কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো আপনার আয়ু বাড়িয়ে দিতে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বেশির ভাগ সময় ঘরে কিংবা বসে থাকা
এনভায়রনমেন্ট প্রোটেকশন এজেন্সির তথ্যমতে, বাইরের বাতাসের চেয়ে ঘরের ভেতরের বাতাস বেশি দূষিত হতে পারে। এ ছাড়া দিনের দীর্ঘ সময় ঘরের ভেতরে থাকলে সূর্যালোকের অভাবে শরীরে ভিটামিন-ডির ঘাটতি তৈরি হয় এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম বাধাগ্রস্ত হয়, যা দীর্ঘ মেয়াদে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়। শুধু তা-ই নয়, টানা বসে থাকা দীর্ঘায়ুর জন্য বড় বাধা। গবেষণায় দেখা গেছে, দৈনিক বসে থাকার সময় কমিয়ে ৩ ঘণ্টার নিচে আনলে আপনার আয়ু ২ বছর পর্যন্ত বাড়তে পারে। একইভাবে, দিনে ২ ঘণ্টার কম টেলিভিশন দেখলে আয়ু আরও ১ দশমিক ৪ বছর বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
ঘুমের অনিয়ম ও মোবাইলে আসক্তি
নিয়মিত ৫ ঘণ্টার কম ঘুমালে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। আবার উল্টো দিকে, যাঁরা নিয়মিত ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমান, তাঁদের ডায়াবেটিস বা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার এবং দ্রুত মারা যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। শুধু তা-ই নয়, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ভুল ভঙ্গিও আপনার শারীরিক ক্ষতির কারণ। সোফায় কুঁজো হয়ে বসে ফোন ব্যবহার করলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্মার্টফোনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং ঘুমের মান কমিয়ে দেয়, যা পরোক্ষভাবে আয়ু কমায়।
লাল মাংস বেশি আর ঝাল কম খাচ্ছেন?
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, লাল বা প্রক্রিয়াজাত মাংস ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কিত। সপ্তাহে তিনবার রান্না করা ১২ থেকে ১৮ আউন্সের বেশি মাংস খাওয়া ঠিক নয়। এতে দেহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। প্রতিদিন রেড মিট বা লাল মাংস খেলে মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ১৩ শতাংশ বেড়ে যায়। প্রসেসড মিট বা প্রক্রিয়াজাত মাংসের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এর বিকল্প হিসেবে মুরগির মাংস বা মাছ খেলে মৃত্যুঝুঁকি যথাক্রমে ১৪ শতাংশ ও ৭ শতাংশ কমানো সম্ভব। তবে এগুলোও খেতে হবে নির্দিষ্ট পরিমাণে। ঝাল খেতে পারেন? যদি না পারেন, তবে খাওয়া শুরু করুন। কারণ, ৫ লাখ মানুষের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ঝাল খাবার খায়, তাদের তুলনায় যারা এক দিন ঝাল খায়, তাদের অকালমৃত্যুর আশঙ্কা বেশি।

দাঁত খোঁচালেও ঘাড় ফোটাবেন না
মুখের সঙ্গে হৃৎপিণ্ডের একটি সম্পর্ক আছে। মুখের স্বাস্থ্য খারাপ হলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে। দাঁত মাজা ও ফ্লস করার মাধ্যমে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। একটি গবেষণামতে, নিয়মিত ফ্লস করার অভ্যাস আয়ু ৬ দশমিক ৪ বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। দাঁত খোঁচাবেন ঠিক আছে, তবে ঘাড় ফোটাবেন না। অনেকে অভ্যাসবশত ঘাড় ফোটান। এতে ধমনি ছিঁড়ে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে, যা থেকে স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। এটি আরামদায়ক মনে হলেও বিপজ্জনক অভ্যাস।
দীর্ঘস্থায়ী অসুখী মনোভাব ও অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা
‘ভাল্লাগে না’ বিষয়টি একটি রোগে পরিণত হয়ে গেছে। এই রোগে ভোগা লোকজন কখনোই ভালো থাকতে পারে না। টানা কয়েক বছর ধরে মানসিকভাবে অসুখী থাকলে উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রেস হরমোন ‘কর্টিসল’ নিঃসরণ বেড়ে যায়। আবার সামাজিক সম্পর্ক না থাকাও একটি বড় ঝুঁকি। গবেষণায় দেখা গেছে, দৃঢ় সামাজিক বন্ধন থাকা ব্যক্তিদের অকালমৃত্যুর ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম। আমরা কথায় কথা বলি, মৃত্যুকে ভয় পাও। মৃত্যুকে ভয় পেলেও এতটাও আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়, যার প্রভাব সরাসরি শরীরেই পড়ে। শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, মৃত্যু নিয়ে সারাক্ষণ তীব্র উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা আপনার আয়ু কমিয়ে দিতে পারে। একে ‘হেলথ অ্যাংজাইটি’ বলা হয়; যা সরাসরি শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে।
ভুল আর্থিক ব্যবস্থাপনা
টাকাপয়সার বিষয়ে অসাবধানতা আপনার জীবনের মূল্যবান বছরগুলো কেড়ে নিতে পারে। সঞ্চয় না থাকা বা দুশ্চিন্তা বৃদ্ধ বয়সে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। জরুরি তহবিল থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক। সারা বিশ্বের এমন অর্থনৈতিক অবস্থার মাঝে যদি ভুল আর্থিক ব্যবস্থাপনার শিকার হন, তাহলে সেখান থেকে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে আপনার জীবনের ওপর।
ট্রাফিক জ্যামে বসে থাকা
দীর্ঘ পথ যাতায়াত শুধু মানসিক নয়, শারীরিক দিকেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি বিশেষ করে নারীদের দীর্ঘায়ুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যাতায়াতে বেশি সময় ব্যয় হলে শারীরিক সক্রিয়তার সময় কমে যায়, যা স্থূলতা ও মেটাবলিক ঝুঁকির কারণ হয়।
সূত্র: হেলথ ডাইজেস্ট, সিবিএস নিউজ, ভেরিওয়েল হেলথ, আমেরিকান জার্নাল অব প্রিভেনশন মেডিসিন

আমরা জানি, ধূমপান, অলস জীবনযাপন কিংবা অস্বাস্থ্যকর খাবার মানুষের মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু গবেষণা বলছে, আমাদের আরও কিছু সাধারণ ও প্রাত্যহিক অভ্যাস রয়েছে, যা অলক্ষ্যেই আমাদের আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে। উপরন্তু দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট পরিবর্তন; যেমন একটু বেশি হাঁটা, দাঁতের যত্ন নেওয়া কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো আপনার আয়ু বাড়িয়ে দিতে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বেশির ভাগ সময় ঘরে কিংবা বসে থাকা
এনভায়রনমেন্ট প্রোটেকশন এজেন্সির তথ্যমতে, বাইরের বাতাসের চেয়ে ঘরের ভেতরের বাতাস বেশি দূষিত হতে পারে। এ ছাড়া দিনের দীর্ঘ সময় ঘরের ভেতরে থাকলে সূর্যালোকের অভাবে শরীরে ভিটামিন-ডির ঘাটতি তৈরি হয় এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম বাধাগ্রস্ত হয়, যা দীর্ঘ মেয়াদে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়। শুধু তা-ই নয়, টানা বসে থাকা দীর্ঘায়ুর জন্য বড় বাধা। গবেষণায় দেখা গেছে, দৈনিক বসে থাকার সময় কমিয়ে ৩ ঘণ্টার নিচে আনলে আপনার আয়ু ২ বছর পর্যন্ত বাড়তে পারে। একইভাবে, দিনে ২ ঘণ্টার কম টেলিভিশন দেখলে আয়ু আরও ১ দশমিক ৪ বছর বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
ঘুমের অনিয়ম ও মোবাইলে আসক্তি
নিয়মিত ৫ ঘণ্টার কম ঘুমালে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। আবার উল্টো দিকে, যাঁরা নিয়মিত ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমান, তাঁদের ডায়াবেটিস বা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার এবং দ্রুত মারা যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। শুধু তা-ই নয়, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ভুল ভঙ্গিও আপনার শারীরিক ক্ষতির কারণ। সোফায় কুঁজো হয়ে বসে ফোন ব্যবহার করলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্মার্টফোনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং ঘুমের মান কমিয়ে দেয়, যা পরোক্ষভাবে আয়ু কমায়।
লাল মাংস বেশি আর ঝাল কম খাচ্ছেন?
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, লাল বা প্রক্রিয়াজাত মাংস ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কিত। সপ্তাহে তিনবার রান্না করা ১২ থেকে ১৮ আউন্সের বেশি মাংস খাওয়া ঠিক নয়। এতে দেহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। প্রতিদিন রেড মিট বা লাল মাংস খেলে মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ১৩ শতাংশ বেড়ে যায়। প্রসেসড মিট বা প্রক্রিয়াজাত মাংসের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এর বিকল্প হিসেবে মুরগির মাংস বা মাছ খেলে মৃত্যুঝুঁকি যথাক্রমে ১৪ শতাংশ ও ৭ শতাংশ কমানো সম্ভব। তবে এগুলোও খেতে হবে নির্দিষ্ট পরিমাণে। ঝাল খেতে পারেন? যদি না পারেন, তবে খাওয়া শুরু করুন। কারণ, ৫ লাখ মানুষের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ঝাল খাবার খায়, তাদের তুলনায় যারা এক দিন ঝাল খায়, তাদের অকালমৃত্যুর আশঙ্কা বেশি।

দাঁত খোঁচালেও ঘাড় ফোটাবেন না
মুখের সঙ্গে হৃৎপিণ্ডের একটি সম্পর্ক আছে। মুখের স্বাস্থ্য খারাপ হলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে। দাঁত মাজা ও ফ্লস করার মাধ্যমে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। একটি গবেষণামতে, নিয়মিত ফ্লস করার অভ্যাস আয়ু ৬ দশমিক ৪ বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। দাঁত খোঁচাবেন ঠিক আছে, তবে ঘাড় ফোটাবেন না। অনেকে অভ্যাসবশত ঘাড় ফোটান। এতে ধমনি ছিঁড়ে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে, যা থেকে স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। এটি আরামদায়ক মনে হলেও বিপজ্জনক অভ্যাস।
দীর্ঘস্থায়ী অসুখী মনোভাব ও অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা
‘ভাল্লাগে না’ বিষয়টি একটি রোগে পরিণত হয়ে গেছে। এই রোগে ভোগা লোকজন কখনোই ভালো থাকতে পারে না। টানা কয়েক বছর ধরে মানসিকভাবে অসুখী থাকলে উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রেস হরমোন ‘কর্টিসল’ নিঃসরণ বেড়ে যায়। আবার সামাজিক সম্পর্ক না থাকাও একটি বড় ঝুঁকি। গবেষণায় দেখা গেছে, দৃঢ় সামাজিক বন্ধন থাকা ব্যক্তিদের অকালমৃত্যুর ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম। আমরা কথায় কথা বলি, মৃত্যুকে ভয় পাও। মৃত্যুকে ভয় পেলেও এতটাও আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়, যার প্রভাব সরাসরি শরীরেই পড়ে। শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, মৃত্যু নিয়ে সারাক্ষণ তীব্র উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা আপনার আয়ু কমিয়ে দিতে পারে। একে ‘হেলথ অ্যাংজাইটি’ বলা হয়; যা সরাসরি শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে।
ভুল আর্থিক ব্যবস্থাপনা
টাকাপয়সার বিষয়ে অসাবধানতা আপনার জীবনের মূল্যবান বছরগুলো কেড়ে নিতে পারে। সঞ্চয় না থাকা বা দুশ্চিন্তা বৃদ্ধ বয়সে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। জরুরি তহবিল থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক। সারা বিশ্বের এমন অর্থনৈতিক অবস্থার মাঝে যদি ভুল আর্থিক ব্যবস্থাপনার শিকার হন, তাহলে সেখান থেকে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে আপনার জীবনের ওপর।
ট্রাফিক জ্যামে বসে থাকা
দীর্ঘ পথ যাতায়াত শুধু মানসিক নয়, শারীরিক দিকেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি বিশেষ করে নারীদের দীর্ঘায়ুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যাতায়াতে বেশি সময় ব্যয় হলে শারীরিক সক্রিয়তার সময় কমে যায়, যা স্থূলতা ও মেটাবলিক ঝুঁকির কারণ হয়।
সূত্র: হেলথ ডাইজেস্ট, সিবিএস নিউজ, ভেরিওয়েল হেলথ, আমেরিকান জার্নাল অব প্রিভেনশন মেডিসিন

একসময় রান্নাঘর শুধু রান্না করার সাধারণ জায়গা ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি বাড়ির সদস্যদের রুচি ও আভিজাত্য প্রকাশের এক অনন্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। রান্নাঘরের সজ্জায় বেশি দৃশ্যমান অংশ হলো ক্যাবিনেট। তাই এর সঠিক রং নির্বাচন জরুরি। সময়ের সঙ্গে রুচিতেও বদল আসে।
১৪ মিনিট আগে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এখনো বিশ্বজুড়ে এইডস একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবমতে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৮৯১ জন এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত। সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় নতুন এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রোজেলা দিয়ে ডাল ও চা তো খেয়েছেন। এবার জ্যাম তৈরি করে খান। আপনাদের জন্য রোজেলার জ্যামের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
১ ঘণ্টা আগে
যাঁদের মুখে সাধারণত ব্রণ দেখা যায় না, তাঁদের অনেকের ত্বকেও বিয়ের পর ব্রণের আগাগোনা চোখে পড়ে। এর মূল কারণ, বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোয় টানা কয়েক দিন ভারী মেকআপ নেওয়া এবং তেলযুক্ত ও মসলাদার খাবার খাওয়া।
২ ঘণ্টা আগে