
প্রতিবছরের মতো এবারও রোজা শুরু হওয়ার আগে কয়েকজন গর্ভবতী জানতে এলেন, গর্ভাবস্থায় রোজা রাখা যাবে কি না। রোজা শুরুর পর অনেকে আসছেন রোজা রাখার কারণে সৃষ্ট কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে।
গর্ভবতী নারী রোজা রাখতে পারবেন কি
মুসলমানদের জন্য রোজা অবশ্যপালনীয় ধর্মীয় একটি বিধান। গর্ভবতী শারীরিক অসুস্থতা বোধ না করলে রোজা রাখতে পারেন। তবে গর্ভকালীন বা প্রসবের পরপরই রোজা রাখার ব্যাপারে কিছু শিথিলতা রয়েছে। রোজা রাখার ক্ষেত্রে খাদ্য, বিশ্রাম ইত্যাদি বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
গর্ভের প্রথম তিন মাস একটি বিশেষ হরমোনের প্রভাবে সাধারণত নারীর ক্ষুধামান্দ্য বা খাবারে অরুচি, বমি বমি ভাব ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত বমির কারণে শরীরে পানিস্বল্পতা বা লবণজাতীয় পদার্থ কমে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে। তাই গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে রোজা রাখতে হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় মাসে গর্ভস্থ শিশুর ওজন ক্রমাগত বাড়ে। এ জন্য মাকে সঠিক পরিমাণে খাবার খেতে হয়। সাধারণত গর্ভবতীর সুস্থতার সঙ্গে গর্ভের শিশুর সুস্থতা ওতপ্রোত জড়িত।
রোজায় গর্ভবতীর করণীয়
লেখক: অধ্যাপক এবং স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ, বিভাগীয় প্রধান, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
৩ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
৪ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
৪ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৪ ঘণ্টা আগে