ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

ইলেকট্রিক হিটারের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে, বিশেষ করে তীব্র শীতের অঞ্চলগুলোয়। কিন্তু সমস্যা হলো, সব ইলেকট্রিক হিটার এক রকম নয়। কোনোটি খুব দ্রুত গরম হবে ঠিক; কিন্তু বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যাবে। কোনোটি আবার ধীরে গরম হয়, তবে দীর্ঘ সময় আরামদায়ক তাপ ধরে রাখে। বিদ্যুতের দাম যখন চড়া, তখন ভুল হিটার কিনলে মাস শেষে বিল দেখে চমকে উঠতেই পারেন।
কেমন হিটার নেওয়া উচিত
একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা দরকার। আধুনিক প্রায় সব ইলেকট্রিক হিটারই ব্যবহার করা বিদ্যুতের ৯৯ শতাংশ থেকে শতভাগ তাপে রূপান্তর করতে পারে। অর্থাৎ কাগজ-কলমে সবই প্রায় সমানভাবে দক্ষ। কিন্তু শুধু বিদ্যুৎ থেকে তাপ তৈরি শেষ কথা নয়। যে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে:
এসবই আসল বিষয়। এ জায়গা থেকেই শুরু হয় বিভিন্ন ধরনের হিটারের তুলনা।
ইলেকট্রিক হিটারের প্রধান ধরন
সিরামিক হিটার
সিরামিক হিটার খুব দ্রুত গরম হয়। এর ভেতরে থাকা সিরামিক উপাদান নিজে থেকেই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আকারে ছোট, ব্যবহার সহজ এবং ছোট ঘরের জন্য বেশ কার্যকর। অনেক সময় ছোট ফ্যানের মাধ্যমে গরম বাতাস ছড়িয়ে দেয়।
ভালো দিক: দ্রুত গরম, কম জায়গায় কার্যকর
খারাপ দিক: বড় ঘরের জন্য যথেষ্ট নয়

ফ্যান হিটার
সবচেয়ে পরিচিত হিটার। ধাতব কয়েলের ওপর বাতাস দিয়ে ঘর গরম করে। খুব দ্রুত তাপ দেয়, তাই বাথরুম বা অল্প সময়ের ব্যবহারে জনপ্রিয়।
ভালো দিক: দ্রুত গরম
খারাপ দিক: শব্দ হয়, বন্ধ করলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা হয়ে যায়।
অয়েল-ফিলড রেডিয়েটর
দেখতে অনেকটা পুরোনো দিনের রেডিয়েটরের মতো। ভেতরে থাকা তেল-বিদ্যুৎ দিয়ে গরম হয় এবং ধীরে ধীরে তাপ ছড়ায়। বড় সুবিধা, এটি নিঃশব্দে কাজ করে এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাপ ধরে রাখে। এমনকি বন্ধ করার পরও কিছুক্ষণ গরম থাকে।
ভালো দিক: আরামদায়ক, স্থির তাপ, শব্দ নেই
খারাপ দিক: গরম হতে ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে।

ইনফ্রারেড হিটার
এই হিটার সূর্যের মতো কাজ করে। বাতাস গরম না করে সরাসরি মানুষ বা বস্তুকে গরম করে। সামনে দাঁড়ালেই তাপ অনুভব করা যায়।
ভালো দিক: তাৎক্ষণিক তাপ, নির্দিষ্ট জায়গা গরম করতে সাশ্রয়ী
খারাপ দিক: পুরো ঘর সমানভাবে গরম হয় না
কনভেক্টর হিটার
পাতলা প্যানেলের মতো দেখতে। বাতাস গরম করে তা ওপরে উঠতে দেয়। শব্দহীন ও দেখতে পরিপাটি হওয়ায় শোয়ার ঘরে ব্যবহার হয় বেশি।
ভালো দিক: নীরব, হালকা
খারাপ দিক: ফাঁকা বা বাতাস ঢোকে এমন ঘরে তেমন কাজ করে না।

কোন পরিস্থিতিতে কোন হিটার উপযোগী
এক কথায় বললে, ‘সবচেয়ে’ কার্যকর হিটার বলে কিছু নেই। আপনার জন্য উপযোগী হিটার কোনটি, সেটিই মূল বিষয়।
অল্প সময়ের জন্য দ্রুত গরম দরকার—ফ্যান বা সিরামিক হিটার
বড় ঘরে অল্প মানুষের জন্য—ইনফ্রারেড হিটার। এটি শুধু কাজের জায়গা গরম করবে
দীর্ঘ সময় আরামদায়ক তাপের জন্য— অয়েল ফিলড রেডিয়েটর
হিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘরের আকারও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, প্রতি ১ বর্গমিটারের জন্য প্রায় ১০০ ওয়াট শক্তি দরকার। তবে ঘরের ইনসুলেশন আর বাতাস ঢোকার পরিমাণের ওপর এটি কম-বেশি হতে পারে।
খরচের হিসাব
১ হাজার ৫০০ ওয়াটের ফ্যান হিটার প্রতি ঘণ্টায় ভালো বিদ্যুৎ খরচ করে। ৭০০ ওয়াটের সিরামিক হিটার খরচ কম, কিন্তু ঘর বড় হলে দীর্ঘ সময় চালাতে হয়। ফলে কম ওয়াটের হিটার মানেই সব সময় সাশ্রয়ী নয়।
টাইমার ও স্মার্ট কন্ট্রোল থাকলে খরচ অনেক কমানো যায়। নির্দিষ্ট সময়ের আগে ঘর গরম করা, দরকার না হলে নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাওয়া—এ সুবিধাগুলো খরচ বাঁচাতে কাজে দেয়।
সূত্র: টেক রাডার

ইলেকট্রিক হিটারের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে, বিশেষ করে তীব্র শীতের অঞ্চলগুলোয়। কিন্তু সমস্যা হলো, সব ইলেকট্রিক হিটার এক রকম নয়। কোনোটি খুব দ্রুত গরম হবে ঠিক; কিন্তু বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যাবে। কোনোটি আবার ধীরে গরম হয়, তবে দীর্ঘ সময় আরামদায়ক তাপ ধরে রাখে। বিদ্যুতের দাম যখন চড়া, তখন ভুল হিটার কিনলে মাস শেষে বিল দেখে চমকে উঠতেই পারেন।
কেমন হিটার নেওয়া উচিত
একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা দরকার। আধুনিক প্রায় সব ইলেকট্রিক হিটারই ব্যবহার করা বিদ্যুতের ৯৯ শতাংশ থেকে শতভাগ তাপে রূপান্তর করতে পারে। অর্থাৎ কাগজ-কলমে সবই প্রায় সমানভাবে দক্ষ। কিন্তু শুধু বিদ্যুৎ থেকে তাপ তৈরি শেষ কথা নয়। যে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে:
এসবই আসল বিষয়। এ জায়গা থেকেই শুরু হয় বিভিন্ন ধরনের হিটারের তুলনা।
ইলেকট্রিক হিটারের প্রধান ধরন
সিরামিক হিটার
সিরামিক হিটার খুব দ্রুত গরম হয়। এর ভেতরে থাকা সিরামিক উপাদান নিজে থেকেই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আকারে ছোট, ব্যবহার সহজ এবং ছোট ঘরের জন্য বেশ কার্যকর। অনেক সময় ছোট ফ্যানের মাধ্যমে গরম বাতাস ছড়িয়ে দেয়।
ভালো দিক: দ্রুত গরম, কম জায়গায় কার্যকর
খারাপ দিক: বড় ঘরের জন্য যথেষ্ট নয়

ফ্যান হিটার
সবচেয়ে পরিচিত হিটার। ধাতব কয়েলের ওপর বাতাস দিয়ে ঘর গরম করে। খুব দ্রুত তাপ দেয়, তাই বাথরুম বা অল্প সময়ের ব্যবহারে জনপ্রিয়।
ভালো দিক: দ্রুত গরম
খারাপ দিক: শব্দ হয়, বন্ধ করলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা হয়ে যায়।
অয়েল-ফিলড রেডিয়েটর
দেখতে অনেকটা পুরোনো দিনের রেডিয়েটরের মতো। ভেতরে থাকা তেল-বিদ্যুৎ দিয়ে গরম হয় এবং ধীরে ধীরে তাপ ছড়ায়। বড় সুবিধা, এটি নিঃশব্দে কাজ করে এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাপ ধরে রাখে। এমনকি বন্ধ করার পরও কিছুক্ষণ গরম থাকে।
ভালো দিক: আরামদায়ক, স্থির তাপ, শব্দ নেই
খারাপ দিক: গরম হতে ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে।

ইনফ্রারেড হিটার
এই হিটার সূর্যের মতো কাজ করে। বাতাস গরম না করে সরাসরি মানুষ বা বস্তুকে গরম করে। সামনে দাঁড়ালেই তাপ অনুভব করা যায়।
ভালো দিক: তাৎক্ষণিক তাপ, নির্দিষ্ট জায়গা গরম করতে সাশ্রয়ী
খারাপ দিক: পুরো ঘর সমানভাবে গরম হয় না
কনভেক্টর হিটার
পাতলা প্যানেলের মতো দেখতে। বাতাস গরম করে তা ওপরে উঠতে দেয়। শব্দহীন ও দেখতে পরিপাটি হওয়ায় শোয়ার ঘরে ব্যবহার হয় বেশি।
ভালো দিক: নীরব, হালকা
খারাপ দিক: ফাঁকা বা বাতাস ঢোকে এমন ঘরে তেমন কাজ করে না।

কোন পরিস্থিতিতে কোন হিটার উপযোগী
এক কথায় বললে, ‘সবচেয়ে’ কার্যকর হিটার বলে কিছু নেই। আপনার জন্য উপযোগী হিটার কোনটি, সেটিই মূল বিষয়।
অল্প সময়ের জন্য দ্রুত গরম দরকার—ফ্যান বা সিরামিক হিটার
বড় ঘরে অল্প মানুষের জন্য—ইনফ্রারেড হিটার। এটি শুধু কাজের জায়গা গরম করবে
দীর্ঘ সময় আরামদায়ক তাপের জন্য— অয়েল ফিলড রেডিয়েটর
হিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘরের আকারও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, প্রতি ১ বর্গমিটারের জন্য প্রায় ১০০ ওয়াট শক্তি দরকার। তবে ঘরের ইনসুলেশন আর বাতাস ঢোকার পরিমাণের ওপর এটি কম-বেশি হতে পারে।
খরচের হিসাব
১ হাজার ৫০০ ওয়াটের ফ্যান হিটার প্রতি ঘণ্টায় ভালো বিদ্যুৎ খরচ করে। ৭০০ ওয়াটের সিরামিক হিটার খরচ কম, কিন্তু ঘর বড় হলে দীর্ঘ সময় চালাতে হয়। ফলে কম ওয়াটের হিটার মানেই সব সময় সাশ্রয়ী নয়।
টাইমার ও স্মার্ট কন্ট্রোল থাকলে খরচ অনেক কমানো যায়। নির্দিষ্ট সময়ের আগে ঘর গরম করা, দরকার না হলে নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাওয়া—এ সুবিধাগুলো খরচ বাঁচাতে কাজে দেয়।
সূত্র: টেক রাডার

চীনের একটি স্কুলে সকাল শুরু হয় পরিচিত এক দৃশ্য দিয়ে। স্কুল গেটের সামনে সাদা গ্লাভস আর ট্রাফিক জ্যাকেট পরা একজন মানুষ হাতের ইশারায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং শিশুদের রাস্তা পার হতে বলছেন। দূর থেকে দেখলে তাঁকে ট্রাফিক পুলিশ মনে হবে। খুব কম মানুষই জানেন, তিনি আসলে স্কুলটির উপপ্রধান শিক্ষক।
৭ ঘণ্টা আগে
সকালবেলা উঠে চুলা জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, গ্যাস নেই! গ্যাসের দোকানে ফোন করলে মোবাইল ফোনের ওই প্রান্ত থেকে শোনা যাচ্ছে, এ মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে যাঁদের লাইনের গ্যাস, তাঁদের চুলায় সারা দিন আগুন জ্বলছে টিমটিম করে। তাতে নেই তাপ।
৮ ঘণ্টা আগে
অবসরের কথা ভাবলেই একধরনের নিশ্চিন্ত জীবনের ছবি ভেসে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে এ চিত্র ক্রমেই ভিন্ন হয়ে উঠছে। সেখানে অনেক মানুষই অবসর নিতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা, জীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে হয়তো টাকাই ফুরিয়ে যাবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অবসরের পর জীবনটা কেমন হওয়া উচিত? কারও কাছে অবসর মানে সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় অলস দুপুর কাটানো। কারও কাছে পাহাড়ের নির্জনতায় হারানো, আবার কারও কাছে একদম নতুন কোনো সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে পরিচয় করানো। ২০২৬ সালের ‘অ্যানুয়াল গ্লোবাল রিটায়ারমেন্ট ইনডেক্স’ বলছে, আপনার সেই আজন্মলালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ...
১১ ঘণ্টা আগে