ঈদ বোনাস

চাকরিজীবীদের জন্য ঈদের বোনাস মানেই বাড়তি আনন্দ আর সাহস। তবে এই আনন্দ অনেক সময় দুশ্চিন্তায় রূপ নেয়, যখন দেখা যায় হাতে আসা টাকাগুলো নিমেষেই ফুরিয়ে গেছে। ঈদে পাওয়া বোনাস মানেই সেটাকে বাড়তি মনে করে সব টাকা খরচ করে ফেলা নয়; বরং এটি আপনার আর্থিক অবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার একটি দারুণ সুযোগ। বোনাসের টাকা প্রয়োজনের তুলনায় কখনো কম, কখনো বা বেশি মনে হতে পারে। কিন্তু একটু সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা থাকলে এই টাকা দিয়ে ঈদের কেনাকাটা সেরেও ভবিষ্যৎ সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মজবুত ভিত্তি গড়া সম্ভব। পরিকল্পিত উপায়ে ব্যয় করতে পারলে কেবল ঈদের আনন্দই বাড়ে না; বরং পরবর্তী মাসগুলোর আর্থিক চাপ থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বোনাসের টাকা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর সহজ কিছু উপায় বেছে নিতে পারেন।
একটি নির্দিষ্ট বাজেট তৈরি করুন
বোনাসের টাকা হাতে পাওয়ার আগেই একটি খসড়া তালিকা তৈরি করুন। মোট কত টাকা পেলেন এবং তা থেকে কত টাকা খরচ করবেন, তা শুরুতেই ভাগ করে নিন। যেমন আপনি যদি ঠিক করেন যে, বোনাসের ২০ শতাংশ টাকায় হাত দেবেন না, তবে সেই টাকা আগেই আলাদা করে ফেলুন। এই জমানো টাকাই সামনের মাসগুলোয় আপনার শক্তি হয়ে উঠতে পারে।
অগ্রাধিকার বুঝে খরচ করুন
বোনাস পেলেই আমরা পরিবার ও আত্মীয়স্বজনকে পোশাক বা উপহার দেওয়ার কথা ভাবি। কিন্তু বুদ্ধিমানের কাজ হলো, আগে বকেয়া বিল, চিকিৎসা বা জরুরি বিষয় মিটিয়ে ফেলা। এরপর ঘরের জন্য জরুরি কোনো আসবাব বা অ্যাপ্লায়েন্স, যা কিনি কিনি করে কেনা হচ্ছে না, সেগুলোর মধ্য়ে একটা কিনে ফেলা। প্রয়োজনীয় খরচগুলো আগে সেরে ফেললে মানসিক চাপ অনেক কমে যায়।
১০-১০-৮০ নিয়ম অনুসরণ করুন
অনেক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেন, বোনাসের ১০ শতাংশ টাকা নিজের শখের পেছনে খরচ করুন, ১০ শতাংশ দান বা সমাজসেবায় ব্যয় করুন এবং বাকি ৮০ শতাংশ টাকা দিয়ে আপনার ঋণ পরিশোধ বা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ নিশ্চিত করুন। এটি আপনাকে অপরাধ বোধ ছাড়াই উৎসবের আনন্দ নিতে সাহায্য করবে।
জরুরি ফান্ড তৈরি করুন
ভবিষ্যতে হঠাৎ অসুস্থতা বা চাকরির কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে যেন বিপদে পড়তে না হয়, সে জন্য একটি ইমারজেন্সি বা জরুরি তহবিল গড়ে তুলুন। বোনাসের সামান্য অংশও যদি প্রতিবার এখানে জমা করেন, তবে বড় বিপদে এটিই হবে আপনার প্রধান ভরসা।
স্লিপ অন ইট নীতি
বোনাস পাওয়ার পর অন্তত ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এতে আপনার তাৎক্ষণিক আবেগ প্রশমিত হবে। আপনি বুঝতে পারবেন, যে জিনিসটি কিনতে চাচ্ছেন সেটি আসলে আপনার কতখানি প্রয়োজন। এরপর সে খাতে টাকা খরচ করুন।
উৎসবের খরচের সীমা রাখুন
ঈদে ঘোরাঘুরি ও অতিথি আপ্যায়নে প্রচুর খরচ হয়। এর জন্য একটি নির্দিষ্ট বাজেট ঠিক করে নিন। সেই বাজেট পার হয়ে গেলে আর কোনো ধরনের খরচ করবেন না বলে দৃঢ় মনোবল রাখুন।
পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করুন
টাকা কীভাবে খরচ হবে, তা একা সিদ্ধান্ত না নিয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে আলোচনা করুন। এতে পরিবারের কার কী প্রয়োজন, তা জানা যায় এবং অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা রোধ করা সহজ হয়। যৌথ সিদ্ধান্তে খরচ করলে সবার মনও ভালো থাকে।
নিজের দক্ষতা বাড়াতে বিনিয়োগ করুন
বোনাসের টাকা দিয়ে নতুন কোনো কোর্স করা বা দক্ষতা বাড়ানোর কথা ভাবতে পারেন। এটি দীর্ঘ মেয়াদে আপনার আয় বাড়াতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া ছোট কোনো ব্যবসায়িক খাতেও এই টাকা বিনিয়োগ করা যেতে পারে।
খরচের হিসাব লিখে রাখুন
প্রতিটি খরচের হিসাব লিখে রাখার অভ্যাস করুন। কোথায় কত টাকা খরচ হলো, তা জানা থাকলে পরবর্তী ঈদের বাজেট করা আপনার জন্য অনেক সহজ হবে এবং বেহিসেবি খরচ করার প্রবণতা কমবে।
সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস, মরগ্যান স্ট্যানলি ও অন্যান্য

কয়েক বছর ধরে সৌন্দর্যবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কোরিয়ান গ্লাস স্কিন। কোরিয়ান ধারা মেনে তাই রূপসচেতনেরা এমনভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া ও মেকআপ করা শুরু করলেন, যাতে ত্বক কোরিয়ানদের মতোই স্বচ্ছ ও চকচকে হয়ে ওঠে। তবে বিউটি ট্রেন্ডে সম্প্রতি লেগেছে নতুন হাওয়া।
৩ ঘণ্টা আগে
ডিজনিল্যান্ড এমন একটি পার্ক, যা সরাসরি নিয়ে যায় শৈশবের রঙিন স্মৃতির ভিড়ে। ডিজনির গল্পগুলোতে ছিল রাজা রানি, কথা বলতে পারা পশু, পাখি, গাছ। একেবারে রঙিন আর আকাঙ্ক্ষিত একটি জীবন। যেখানে কষ্টের পরের সুখটা সবাই উপভোগ করতে পারত। গল্প পড়া শেষ হতো একটা লাইন দিয়ে—অবশেষে তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগল।
৬ ঘণ্টা আগে
পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো কথাই নেই। এই সময়গুলোতে পাহাড় তার রূপের ডালি মেলে ধরে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ। এবার আমাদের অভিযান ছিল রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনা। দলে ছিলাম ছয়জন।
১০ ঘণ্টা আগে
ভোর চারটায় অ্যালার্ম। কানের তালা ফাটানো সেই শব্দে ঘুম ভাঙল আপনার। তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে দৌড়াতে হলো পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখতে। এরপর লম্বা সারিতে দাঁড়িয়ে বিখ্যাত সেই ল্যান্ডমার্কের সামনে একটা ছবি তোলা। সবই দেখতে ঠিক হুবহু ইন্টারনেটে দেখা বাকি হাজারটা ছবির মতোই।
১০ ঘণ্টা আগে