খাবার সুস্বাদু করে তুললেও ত্বক ও শরীরে বেশ কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে চিনি। এটি ক্ষুধাসহ ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। এতে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
চিনি বাদ দেবেন যেভাবে
চিনিজাতীয় খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস; যেমন মিষ্টি, কেক, কুকিজ ইত্যাদি খাওয়া বাদ দিন। এর পরিবর্তে দই বা ঘরে তৈরি এনার্জি বার খাওয়া যেতে পারে। এই স্ন্যাকসগুলো চিনি ছাড়াই ক্রেভিংস মেটাতে পারে।
প্রাকৃতিক মিষ্টিকারক, যেমন স্টেভিয়া, মনক ফ্রুট বা কাঁচা মধু ব্যবহার করে মিষ্টিজাতীয় খাবার তৈরি করতে পারেন। এগুলোতে সাধারণ চিনির তুলনায় কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকে এবং রক্তে শর্করার স্তর বাড়ানোর শঙ্কা কম থাকে।
ফলমূলের রসের পরিবর্তে ফল খান। ফলমূলের রসে অতিরিক্ত চিনি থাকে। তাজা ফল; যেমন বেরি, আপেল বা কমলা প্রাকৃতিক মিষ্টতার পাশাপাশি আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে।
ওটমিল, চিনি ছাড়া গ্রিক দই বা ডিম খেয়ে দিন শুরু করুন। এগুলো পুষ্টিসমৃদ্ধ এবং দীর্ঘ সময় পেটে থাকে।
প্রোটিনসমৃদ্ধ স্ন্যাকস; যেমন পনির বা ডিম রক্তে শর্করার স্তর স্থিতিশীলে সাহায্য করে। এগুলো মিষ্টি খাবারের প্রতি আকর্ষণ কমিয়ে দিতে পারে।

শীত মানেই একটু উষ্ণতার খোঁজ। রান্না ও খাওয়ার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয় না। গরম স্যুপ, খেজুর গুড়ের পায়েস, পিঠা কিংবা এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা শীতের আমেজ তৈরি করে দেয়। ফলে ঋতুবদলের সঙ্গে রান্নাঘরের উপকরণ ও কাজকর্মে আসে বেশ কিছু পরিবর্তন। একটু বেশি সময় ধরে রান্না করা, একসঙ্গে অনেকটা খাবার তৈরি করা কিংবা...
২ ঘণ্টা আগে
যে অঙ্ককে এড়িয়ে চলতে আমরা এত কসরত করি, সেই অঙ্কের শক্তির ওপর নির্ভর করেই কিন্তু গড়ে উঠেছে আধুনিক সভ্যতার প্রযুক্তিগত রাজত্ব। কেউ গণিতকে বলে বিমূর্ত বা জটিল হিসাবের বিজ্ঞান, আবার কারও কাছে এটি স্রেফ সংখ্যা আর সূত্রের গোলকধাঁধা। তবে এই গোলকধাঁধাকে জয় করা শীর্ষ বিজ্ঞানী ও তরুণ শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক...
৫ ঘণ্টা আগে
অক্টোবর মাসকে বিশ্বব্যাপী স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস হিসেবে পালন করা হয়। এই মাসজুড়ে স্তন ক্যানসারের লক্ষণ, প্রতিরোধ, প্রাথমিক অবস্থায় রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্বজুড়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ বছর বিশ্ব স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘প্রতিটি গল্পই অনন্য,
৯ ঘণ্টা আগে
দিনের ক্লান্তি ভুলে পরম শান্তিতে ঘুমানোর জায়গা হলো শোয়ার ঘর। শুধু আরামদায়ক বিছানা থাকলেই যে সব সময় গভীর ঘুম হবে, এমনটি নয়। ঘরের সাজসজ্জা, আলো, বাতাস ও ছোটখাটো অনেক উপাদান ঘুমে গভীর প্রভাব ফেলে।
১০ ঘণ্টা আগে