সম্প্রতি ইন্টারনেটে যে ‘নো মেকআপ’ লুক নিয়ে এত মাতামাতি হচ্ছে, তারও কিন্তু একটা কারণ আছে। এমন এক মৌসুম চলছে, যখন সকালবেলা ভারী ফাউন্ডেশন মেখে বের হলে তা দুপুরের খাবারের আগেই গলে যায় এবং গরমে ম্যাট মেকআপ ত্বকে ফেলে ক্লান্তির ছাপ। আর তখন আড়ম্বরহীন সৌন্দর্য হঠাৎ করেই যেন অনেক বেশি অর্থবহ হয়ে ওঠে। এই মুহূর্তে কৃতি স্যাননের চেয়ে ভালো এই ব্যাপারটা কেউ অনুভব করছে বলে মনে হয় না।
‘ককটেল ২’ নিয়ে তো তুমুল আলোচনা চলছেই। পাশাপাশি সিনেমার পোস্টার এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃতি স্যাননের সাম্প্রতিক উপস্থিতিতে সৌন্দর্যের একই ধারা দেখা গেছে। তাতে আছে উজ্জ্বল ত্বক, হালকা রক্তিম গাল, ব্রাশ করা ভ্রু এবং গ্লসি ঠোঁট! তিনি যে মেকআপ করে বের হয়েছেন, তা যেন বোঝাই যাচ্ছে না।
এই ‘নো মেকআপ লুক’-এর ভালো দিকটি হলো, এর জন্য ফাউন্ডেশনের একাধিক স্তর বা জটিল কনট্যুরিং কৌশলের প্রয়োজন হয় না। পরিবর্তে, এটি ত্বকের এমন টেক্সচারের দিকে মনোযোগ দেয়, যা দেখতে স্বাভাবিক লাগে।
কেন কৃতি স্যাননের মেকআপ গরম আবহাওয়ার জন্য একদম উপযুক্ত, বছরের পর বছর ধরে সৌন্দর্যচর্চায় আধিপত্য বিস্তার করা আলট্রা-ম্যাট ট্রেন্ডের বিপরীতে, কৃতি স্যাননের বর্তমান নো মেকআপ লুক শৈলীটি ভ্যাপসা গরমে সতেজ ও কোমল দেখাতে সহায়তা করে।

‘নো মেকআপ’ লুক করার সময় মানুষ বড় যে ভুলটি করে তা হলো অতিরিক্ত পরিমাণে প্রসাধন ব্যবহার করা। অতিরিক্ত কভারেজ ত্বকের স্বতঃস্ফূর্ত ভাব নষ্ট করে দেয়। তাই ভারী ফাউন্ডেশন ব্যবহার না করে, স্কিন টিন্ট বা যেখানে সত্যিই প্রয়োজন সেখানে সামান্য কনসিলার দিয়ে মেকআপকে হালকা রাখতে হবে। ‘নো-মেকআপ’ লুকের মূল উদ্দেশ্য ত্বক পুরোপুরি ঢেকে ফেলা নয়, বরং এর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা।

গরমের সময় মেকআপ এবং অতিরিক্ত পাউডার খুব কমই একসঙ্গে ভালো কাজ করে। অতিরিক্ত পাউডার ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচার নষ্ট করে দেয়। এই ধরনের লুকের জন্য ক্রিম ফর্মুলা ভালো কাজ করে, কারণ এগুলো ত্বকের সঙ্গে আরও স্বাভাবিকভাবে মিশে যায়। ক্রিম ত্বকে সহজে মিশে গিয়ে একটি সতেজ এবং শিশিরসিক্ত ভাব তৈরি করে, যা গরমের দিনে দারুণ কাজ করে। এ কারণে কৃতি স্যাননের মেকআপ খুব কম অতিরিক্ত ম্যাট বা ভারী দেখায়। ত্বক স্বাভাবিকভাবে আলো প্রতিফলিত করে, বিশেষ করে গালের চারপাশে এবং মুখের উঁচু জায়গাগুলোতে।
কৃতি স্যাননের সাম্প্রতিক মেকআপ লুকগুলোর অন্যতম লক্ষণীয় একটি দিক হলো, তাঁর মুখটি কোমলভাবে শেপ করা। এতে একটি সুস্পষ্ট আকার বোঝা যায়, কিন্তু কোনো কিছুই তীক্ষ্ণ বা অতিরিক্ত মনে হয় না। হালকা কনট্যুরিংয়ের ক্ষেত্রে নাটকীয় আকার দেওয়ার চেয়ে ব্লেন্ড করার ওপর বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত। একটি ন্যাচারাল মেকআপ লুক পেতে হলে, যত্ন সহকারে প্রয়োগ এবং ব্লেন্ড করার ওপর জোর দেওয়া উচিত। ব্লাশের জন্য, পিচ বা রোজ রঙের হালকা শেড বেছে নিন এবং আপনার চিকবোনে বা গালের উঁচু অংশে লাগান। এই হালকা প্রয়োগ স্পষ্ট কনট্যুর লাইন ছাড়াই একটি ডাইমেনশন তৈরি করে, যা গরমের দিনগুলোয় মুখ আরও সতেজ দেখায়।
একটি নো মেকআপ লুক ব্যর্থ হওয়ার কারণ হলো অতিরিক্ত নাটকীয় ভ্রু ও চোখের পাপড়ি। ভ্রু ওপরের দিকে আঁচড়ে এবং চুলের মতো হালকা আঁচড় দিয়ে ফাঁকা জায়গাগুলো আলতোভাবে আইব্রো দিয়ে ভরাট করে দিতে হবে। মাসকারার ক্ষেত্রে, ভারী ধরনের প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলা উচিত এবং এর পরিবর্তে লম্বা করার ফর্মুলা বেছে নেওয়া নিন। এই হালকা আই মেকআপ পদ্ধতিটিই কৃতি স্যানন ইদানীং নিয়মিত ব্যবহার করছেন। এতে চোখের পাপড়িগুলো সুস্পষ্ট, কিন্তু স্বাভাবিক দেখায় এবং ভ্রুগুলো আঁকা মনে না হয়েও পরিপাটি থাকে।
নো মেকআপ লুকে ঠোঁটের সাজ যেন মুখের বাকি অংশের চেয়ে বেশি প্রাধান্য না পায়। গাঢ় করে আঁকা ম্যাট লিপস্টিকের চেয়ে সতেজ ও আর্দ্র ঠোঁট অনেক বেশি ভালো দেখায়।
সূত্র: প্যাক কসমেটিকস ও অন্যান্য

খেলা চলছে দূর পরবাসে; উত্তর আমেরিকার তিন দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর মেক্সিকোতে। মাঠের লড়াই যখন জমজমাট, গ্যালারিতে যখন উল্লাসের গর্জন, আমাদের এদিকের ঘড়িতে তখন হয়তো রাত ২টা কিংবা ভোর ৪টা! ফুটবল আর নির্ঘুম রাত তাই আমাদের অঞ্চলে চিরকালের আপন ভাই।
১ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানা শুধু সোনার খনি, কোকো উৎপাদন কিংবা সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্যই পরিচিত নয়; দেশটি তার বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্যও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ঘানার খাদ্যসংস্কৃতি গড়ে উঠেছে স্থানীয় কৃষি, উপকূলীয় মাছ শিকার, ঐতিহ্যবাহী মসলা এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর রান্নার প্রভাবের সমন্বয়ে।
৫ ঘণ্টা আগে
আপনি কি কোনো ক্রিয়েটিভ পেশায় রয়েছেন? মানে বলতে চাইছি, সপ্তাহে এক দিন কি ক্যাজুয়াল লুকে হাজির হওয়ার অভ্যাস রয়েছে? তাহলে এই লেখা আপনার জন্যই। যতই ক্যাজুয়াল হোক, অফিসের সঙ্গে মানানসই এমন পোশাকই তো বেছে নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে ভালো সমাধান হতে পারে ডেনিম ম্যাক্সি স্কার্ট।
৭ ঘণ্টা আগে
ফুটবল ঘিরে মানুষের আবেগ কতটা গভীর হতে পারে, এর উত্তর জানতে হলে যেতে হবে আর্জেন্টিনার এক অভিনব প্রতিষ্ঠানে। নাম মারাদোনিয়ান চার্চ বা ইগলেসিয়া মারাদোনিয়ানা, যেখানে দেবতা মারাদোনা, ধর্ম ফুটবল। এটি এমন এক সাংস্কৃতিক ও প্রতীকী আন্দোলন, যেখানে কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো মারাদোনা শুধু এক মহান...
১১ ঘণ্টা আগে