আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মেষ
দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা সেই কাজটা (যেটা আপনি গত বছর থেকেই ‘কাল করব, কাল করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন) আজ নিজেই আপনাকে লাথি মেরে শুরু করিয়ে দেবে। একে ভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত ভাবুন। তবে সাবধান, এই ‘গতি’ যেন আপনার মানিব্যাগের দিকে না যায়। পরিবারের কেউ আজ জোর করে আপনার পকেট থেকে টাকা বের করার চেষ্টা করবে—হয়তো সেই ফ্যান্সি কফি মেকারটা কেনার জন্য। কর্মক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত প্রশংসা পাবেন, তবে সেই খুশিতে লাফালাফি করতে গিয়ে যেন বসের কফি ফেলে না দেন। পুরোনো প্রেম হঠাৎ ‘হাই’ পাঠাতে পারে। রিপ্লাই দেওয়ার আগে মনে করুন, কেন ব্রেকআপ হয়েছিল।
বৃষ
গ্রহ বলছে, আজ দিনটা নাকি ‘শুভ’। শুভ মানে কী? শুভ মানে, আজ আপনি হিসাব করা ঝুঁকি নিতে পারেন। কিন্তু তাই বলে পুরোনো, শুকনো কেকটা খেতে যাবেন না! বরং অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে নিজের প্রবৃত্তিকে ভরসা করুন। জমি বা ফিক্সড ডিপোজিটে বিনিয়োগের আগে কাগজপত্র তিনবার দেখুন। কারও মিষ্টি কথায় ভুলে টাকা ধার দেবেন না, বিশেষ করে যদি সে বলে, ‘দুই বছরের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে যাবে’। কর্মদক্ষতা আজ আপনাকে দিয়ে অনেক ছোট ছোট কাজ করিয়ে নেবে, যা দেখে বস ভাববেন, ‘এর মাইনেটা কম দেওয়া হচ্ছে না তো?’ প্রেমের ক্ষেত্রে ‘বাস্তববাদী’ হতে হবে। মানে গোলাপ উপহার দেওয়ার চেয়ে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ভরে দিলে পার্টনার বেশি খুশি হবেন।
মিথুন
আজ আপনার সময় মহামূল্যবান। তাই ভুলেও সব গ্রুপ চ্যাটে তক্ষুনি রিপ্লাই দেবেন না। নিজের কাজের চারপাশে সীমানা টানুন—মনে রাখবেন, ‘না’ বলাটা স্বার্থপরতা নয়, সেটা আত্মসম্মান। ব্যাংকের যে কাজটা করতে গিয়ে প্রতিবার আপনি ‘কাল আসছি’ বলে ফিরে আসেন, আজ সেটা অনায়াসে হয়ে যাবে। আর যদি কোনো পুরোনো বন্ধু হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসেজ করে, বুঝে নেবেন সে টাকা ধার চাইতে আসছে না, হয়তো একটা ভালো রেস্টুরেন্টের খোঁজ চাইছে। প্রিয়জনের সঙ্গে সিনেমা দেখার প্ল্যান সফল হতে পারে। অবশ্যই ঘরের সোফায় বসে, বাইরে গেলে খরচ!
কর্কট
যদি মনে হয় আজ কোনো কিছু বহন করা খুব ভারী লাগছে, তবে মনে রাখবেন, সেটা আপনার দায়িত্ব নয়। হৃদয়ের কথা শুনুন—সে বলছে, ‘দায়িত্বগুলো অন্য কারও কাঁধে চাপিয়ে দাও!’ তাই ঘরের কাজ, অফিসের কাজ, প্রতিবেশীর বিড়ালকে দুধ দেওয়া—সবকিছুতে একটু ‘ডেলিগেশন’ করুন। সন্তানের পড়াশোনার জন্য আজ একটু ছোটাছুটি করতে হতে পারে। আসলে তার দামি পেনসিল বক্সটি হারিয়েছে, সেটাই খুঁজে দিতে হবে। আবেগপ্রবণতা আজ অতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে। সামান্য কারণে অভিমান করবেন না, নাহলে প্রিয়জন আপনাকে ‘বাচ্চা’ বলে ডাকতে পারে।
সিংহ
আজ নিজেকে প্রশ্ন করুন: আপনি কি শুধু ব্যস্ত থাকার জন্য কাজ করছেন, নাকি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে? কম কাজে বেশি মানে খুঁজুন। কাজের চাপে আজ সারা দিন খুব বিরক্ত লাগতে পারে, কিন্তু কেউ একজন আপনার সাহস দেখে মুগ্ধ হবে। অভ্যন্তরীণ শক্তি আজ আপনাকে একটি পেন্ডিং প্রজেক্ট শেষ করতে সাহায্য করবে, যা গত তিন মাস ধরে ‘অন্যের দোষ’ বলে ফেলে রেখেছিলেন। ঘরের জন্য আজ কিছু কিনতে পারেন। আশা করি, সেটা অপ্রয়োজনীয় কোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট হবে না! প্রেমের ক্ষেত্রে লোক দেখানো নয়, গভীরতা খুঁজুন। মানে, দামি উপহারের চেয়ে বেশি মনোযোগ দিন তার পছন্দের সিরিয়ালের দিকে।
কন্যা
আজ পারফেকশনিস্ট সত্তাটাকে একটু ছুটি দিন। সবকিছু নিখুঁত না হলেও চলবে। সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ানোর দিন আজ। মানে ওয়ালেট আজ স্বেচ্ছায় ধর্মঘট পালন করবে। বাড়ির জন্য সুন্দর কোনো জিনিস কিনতে পারেন, যা আপনার গোছানো স্বভাবের সঙ্গে মানানসই হবে। আজ বিশ্লেষণী ক্ষমতা তুঙ্গে থাকবে, যা দিয়ে সহকর্মীর ছোট ভুলগুলো ধরতে পারবেন। তবে ভদ্রভাবে ধরবেন, নাহলে সে আপনাকে ‘নকল বস’ ভাবতে পারে। প্রেম পাখি আজ বিয়ের কথা তুলতে পারে। উত্তর দেওয়ার আগে হিসাব করে নিন, এরপর আর সঞ্চয় করতে পারবেন কি না।
তুলা
আজ মনকে হালকা করার জন্য ছোট ছোট কাজ করুন। যে কাজে আনন্দ পান, তাতে মনোযোগ দিন। আজ প্রেমের সম্পর্কে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্যোগ আসতে পারে—হয়তো আপনি তার প্রিয় চকোলেটটা খেয়ে ফেলেছেন। রূপ সচেতনতায় অনেকটা সময় নষ্ট হতে পারে। আয়নার সামনে থেকে বের হয়ে আসুন, আপনি এমনিতেই সুন্দর! কর্মক্ষেত্রে নতুন পথের সন্ধান পাবেন, যা আপনাকে দ্রুত সাফল্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে সেই পথে যেন কোনো ঝগড়াটে প্রতিবেশী না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। প্রিয়জন আজ আপনার প্রতি বড্ড যত্নশীল হয়ে উঠবে। তার মানে সে আপনার কাছ থেকে কিছু একটা চায়।
বৃশ্চিক
আজকের দিনটি আপনার জন্য কিছুটা নিরানন্দ বা কম এনার্জির হতে পারে। স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন, বিশেষ করে পেটের দিকে। তেল-ঝাল আজ আপনার জন্য নয়। কর্মক্ষেত্রে গোপন শত্রুদের থেকে সাবধানে থাকুন। তারা ষড়যন্ত্র করতে পারে, যেমন আপনার ডেস্কে মিষ্টি রেখে আপনাকে ডায়েট ব্রেক করাতে পারে। অপ্রয়োজনীয় ঝগড়া থেকে দূরে থাকুন, নাহলে সেটা সামান্য কথা থেকে বিরাট সমস্যায় পরিণত হতে পারে। ধার দেওয়া অর্থ আদায়ে বেগ পেতে হতে পারে। তাকে আবার ধার চাইতে দেখলে দৌড়ে পালাবেন! প্রেমের ক্ষেত্রে ধৈর্য বজায় রাখুন। তুচ্ছ বিষয়ে ঝগড়া এড়িয়ে চলুন। যদি ঝগড়া হয়, তবে মনে রাখবেন, ‘দুঃখিত’ বলাটা হেরে যাওয়া নয়, বরং আরও বড় ঝগড়া এড়ানো।
ধনু
আজ পেশাগত জীবন অনুকূলে। কাজের প্রতি পুরোপুরি নিবেদিত থাকবেন, ফলে সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে দেরি হতে পারে। স্ত্রী আপনার গার্হস্থ্য সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করবেন। তবে আজ ব্যয়ের দিকে বিশেষ নজর দিন। গৃহস্থালির জিনিস কেনায় অর্থ খরচ হবে। গ্রহ আজ বন্ধুদের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে বিরত থাকতে বলছে। বন্ধুদের সঙ্গে সেই ‘কোটিপতি হওয়ার স্কিম’-এই টাকা ঢালার আগে সাবধানে থাকুন। প্রিয় মানুষটিকে আজ অজুহাতে উপহার দিতে হবে। অজুহাতটা হলো, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ প্রেম পাখিরা আজ বিয়ের আলোচনা শুরু করতে পারে। আলোচনার সময় ভুলেও ভবিষ্যতের আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে মাথা ঘামাতে যাবেন না।
মকর
আজ ব্যবসায় স্ত্রীর সহায়তা পাবেন এবং লাভের পরিমাণও বাড়বে। আপনার সঙ্গে আজ এমন কিছু ঘটবে, যা আপনাকে বিস্মিত করবে (হয়তো বস আপনাকে ছুটি দিয়ে দেবেন!)। অপ্রত্যাশিত কারও আগমনে দিনের সব পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন, গেস্ট মানেই মিষ্টি নিয়ে আসা, গেস্ট মানেই ঘরের কাজ বেড়ে যাওয়া। রাস্তা পারাপারে সচেতন হন—আজ ভাগ্য আপনাকে বিনিয়োগে বিশেষ সুবিধা দেবে, কিন্তু রাস্তা পারাপারে দেবে না। দীর্ঘ দিনের প্রেমের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে পারে। অথবা দূরসম্পর্কের কারও সঙ্গে দেখা হয়ে মনটা উতলা হয়ে যাবে। এই বয়সে ‘প্রজাপতির ডানার মতো মনকে উতলা করা’ মানে কিন্তু গুরুতর বিপদ!
কুম্ভ
আজ দিনটা আজ ম্যাড়ম্যাড়ে বা আবেগময় লাগতে পারে। স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দিন। মন সংবেদনশীল থাকবে, তাই অন্যের কথায় সহজে আঘাত পেতে পারেন। লুকানো বিরোধীরা সমস্যা তৈরি করার চেষ্টা করতে পারে। প্রতিবেশী কারও উপকার করতে গিয়ে ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কা আছে, তাই তার কাছ থেকে দূরে থাকুন। প্রেম পাখিদের আজ ধৈর্য বজায় রাখা দরকার। সামান্য বিষয় নিয়ে তর্ক এড়িয়ে চলুন, নাহলে সম্পর্ক স্ট্রেসে পড়বে। প্রেমিক মন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ পাবে, কিন্তু প্রিয়জনের কাছ থেকে সেই উৎসাহ না পেলে নিজেই নিজেকে উৎসাহিত করুন।
মীন
আজকের দিনটি আত্মবিশ্লেষণের জন্য খুবই ভালো। নিজের পুরোনো ভুলগুলো চিহ্নিত করে উন্নতি করুন। তবে এসব চিন্তাভাবনা বিছানায় শুয়ে শুয়ে করলে হবে না, কাজে নেমে পড়ুন। অংশীদারত্ব সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটে যাবে এবং দাম্পত্য সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরে আসবে। শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মজীবন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আর যদি আপনি অবিবাহিত হন, তবে আপনার উপযুক্ত সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হ্যাঁ, খুঁজে পাবেন, কিন্তু তাকে খুঁজতে হলে ঘর থেকে বের হতে হবে। সঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। তবে টাকা খরচের সময় একটু সাবধান থাকলে ভবিষ্যতে বড় লাভ আসতে পারে। মানে আজ যদি সঙ্গী একটা উপহার চায়, তাকে তার চেয়ে কম দামের কিছু দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করুন।

মেষ
দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা সেই কাজটা (যেটা আপনি গত বছর থেকেই ‘কাল করব, কাল করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন) আজ নিজেই আপনাকে লাথি মেরে শুরু করিয়ে দেবে। একে ভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত ভাবুন। তবে সাবধান, এই ‘গতি’ যেন আপনার মানিব্যাগের দিকে না যায়। পরিবারের কেউ আজ জোর করে আপনার পকেট থেকে টাকা বের করার চেষ্টা করবে—হয়তো সেই ফ্যান্সি কফি মেকারটা কেনার জন্য। কর্মক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত প্রশংসা পাবেন, তবে সেই খুশিতে লাফালাফি করতে গিয়ে যেন বসের কফি ফেলে না দেন। পুরোনো প্রেম হঠাৎ ‘হাই’ পাঠাতে পারে। রিপ্লাই দেওয়ার আগে মনে করুন, কেন ব্রেকআপ হয়েছিল।
বৃষ
গ্রহ বলছে, আজ দিনটা নাকি ‘শুভ’। শুভ মানে কী? শুভ মানে, আজ আপনি হিসাব করা ঝুঁকি নিতে পারেন। কিন্তু তাই বলে পুরোনো, শুকনো কেকটা খেতে যাবেন না! বরং অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে নিজের প্রবৃত্তিকে ভরসা করুন। জমি বা ফিক্সড ডিপোজিটে বিনিয়োগের আগে কাগজপত্র তিনবার দেখুন। কারও মিষ্টি কথায় ভুলে টাকা ধার দেবেন না, বিশেষ করে যদি সে বলে, ‘দুই বছরের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে যাবে’। কর্মদক্ষতা আজ আপনাকে দিয়ে অনেক ছোট ছোট কাজ করিয়ে নেবে, যা দেখে বস ভাববেন, ‘এর মাইনেটা কম দেওয়া হচ্ছে না তো?’ প্রেমের ক্ষেত্রে ‘বাস্তববাদী’ হতে হবে। মানে গোলাপ উপহার দেওয়ার চেয়ে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ভরে দিলে পার্টনার বেশি খুশি হবেন।
মিথুন
আজ আপনার সময় মহামূল্যবান। তাই ভুলেও সব গ্রুপ চ্যাটে তক্ষুনি রিপ্লাই দেবেন না। নিজের কাজের চারপাশে সীমানা টানুন—মনে রাখবেন, ‘না’ বলাটা স্বার্থপরতা নয়, সেটা আত্মসম্মান। ব্যাংকের যে কাজটা করতে গিয়ে প্রতিবার আপনি ‘কাল আসছি’ বলে ফিরে আসেন, আজ সেটা অনায়াসে হয়ে যাবে। আর যদি কোনো পুরোনো বন্ধু হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসেজ করে, বুঝে নেবেন সে টাকা ধার চাইতে আসছে না, হয়তো একটা ভালো রেস্টুরেন্টের খোঁজ চাইছে। প্রিয়জনের সঙ্গে সিনেমা দেখার প্ল্যান সফল হতে পারে। অবশ্যই ঘরের সোফায় বসে, বাইরে গেলে খরচ!
কর্কট
যদি মনে হয় আজ কোনো কিছু বহন করা খুব ভারী লাগছে, তবে মনে রাখবেন, সেটা আপনার দায়িত্ব নয়। হৃদয়ের কথা শুনুন—সে বলছে, ‘দায়িত্বগুলো অন্য কারও কাঁধে চাপিয়ে দাও!’ তাই ঘরের কাজ, অফিসের কাজ, প্রতিবেশীর বিড়ালকে দুধ দেওয়া—সবকিছুতে একটু ‘ডেলিগেশন’ করুন। সন্তানের পড়াশোনার জন্য আজ একটু ছোটাছুটি করতে হতে পারে। আসলে তার দামি পেনসিল বক্সটি হারিয়েছে, সেটাই খুঁজে দিতে হবে। আবেগপ্রবণতা আজ অতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে। সামান্য কারণে অভিমান করবেন না, নাহলে প্রিয়জন আপনাকে ‘বাচ্চা’ বলে ডাকতে পারে।
সিংহ
আজ নিজেকে প্রশ্ন করুন: আপনি কি শুধু ব্যস্ত থাকার জন্য কাজ করছেন, নাকি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে? কম কাজে বেশি মানে খুঁজুন। কাজের চাপে আজ সারা দিন খুব বিরক্ত লাগতে পারে, কিন্তু কেউ একজন আপনার সাহস দেখে মুগ্ধ হবে। অভ্যন্তরীণ শক্তি আজ আপনাকে একটি পেন্ডিং প্রজেক্ট শেষ করতে সাহায্য করবে, যা গত তিন মাস ধরে ‘অন্যের দোষ’ বলে ফেলে রেখেছিলেন। ঘরের জন্য আজ কিছু কিনতে পারেন। আশা করি, সেটা অপ্রয়োজনীয় কোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট হবে না! প্রেমের ক্ষেত্রে লোক দেখানো নয়, গভীরতা খুঁজুন। মানে, দামি উপহারের চেয়ে বেশি মনোযোগ দিন তার পছন্দের সিরিয়ালের দিকে।
কন্যা
আজ পারফেকশনিস্ট সত্তাটাকে একটু ছুটি দিন। সবকিছু নিখুঁত না হলেও চলবে। সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ানোর দিন আজ। মানে ওয়ালেট আজ স্বেচ্ছায় ধর্মঘট পালন করবে। বাড়ির জন্য সুন্দর কোনো জিনিস কিনতে পারেন, যা আপনার গোছানো স্বভাবের সঙ্গে মানানসই হবে। আজ বিশ্লেষণী ক্ষমতা তুঙ্গে থাকবে, যা দিয়ে সহকর্মীর ছোট ভুলগুলো ধরতে পারবেন। তবে ভদ্রভাবে ধরবেন, নাহলে সে আপনাকে ‘নকল বস’ ভাবতে পারে। প্রেম পাখি আজ বিয়ের কথা তুলতে পারে। উত্তর দেওয়ার আগে হিসাব করে নিন, এরপর আর সঞ্চয় করতে পারবেন কি না।
তুলা
আজ মনকে হালকা করার জন্য ছোট ছোট কাজ করুন। যে কাজে আনন্দ পান, তাতে মনোযোগ দিন। আজ প্রেমের সম্পর্কে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্যোগ আসতে পারে—হয়তো আপনি তার প্রিয় চকোলেটটা খেয়ে ফেলেছেন। রূপ সচেতনতায় অনেকটা সময় নষ্ট হতে পারে। আয়নার সামনে থেকে বের হয়ে আসুন, আপনি এমনিতেই সুন্দর! কর্মক্ষেত্রে নতুন পথের সন্ধান পাবেন, যা আপনাকে দ্রুত সাফল্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে সেই পথে যেন কোনো ঝগড়াটে প্রতিবেশী না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। প্রিয়জন আজ আপনার প্রতি বড্ড যত্নশীল হয়ে উঠবে। তার মানে সে আপনার কাছ থেকে কিছু একটা চায়।
বৃশ্চিক
আজকের দিনটি আপনার জন্য কিছুটা নিরানন্দ বা কম এনার্জির হতে পারে। স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন, বিশেষ করে পেটের দিকে। তেল-ঝাল আজ আপনার জন্য নয়। কর্মক্ষেত্রে গোপন শত্রুদের থেকে সাবধানে থাকুন। তারা ষড়যন্ত্র করতে পারে, যেমন আপনার ডেস্কে মিষ্টি রেখে আপনাকে ডায়েট ব্রেক করাতে পারে। অপ্রয়োজনীয় ঝগড়া থেকে দূরে থাকুন, নাহলে সেটা সামান্য কথা থেকে বিরাট সমস্যায় পরিণত হতে পারে। ধার দেওয়া অর্থ আদায়ে বেগ পেতে হতে পারে। তাকে আবার ধার চাইতে দেখলে দৌড়ে পালাবেন! প্রেমের ক্ষেত্রে ধৈর্য বজায় রাখুন। তুচ্ছ বিষয়ে ঝগড়া এড়িয়ে চলুন। যদি ঝগড়া হয়, তবে মনে রাখবেন, ‘দুঃখিত’ বলাটা হেরে যাওয়া নয়, বরং আরও বড় ঝগড়া এড়ানো।
ধনু
আজ পেশাগত জীবন অনুকূলে। কাজের প্রতি পুরোপুরি নিবেদিত থাকবেন, ফলে সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে দেরি হতে পারে। স্ত্রী আপনার গার্হস্থ্য সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করবেন। তবে আজ ব্যয়ের দিকে বিশেষ নজর দিন। গৃহস্থালির জিনিস কেনায় অর্থ খরচ হবে। গ্রহ আজ বন্ধুদের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে বিরত থাকতে বলছে। বন্ধুদের সঙ্গে সেই ‘কোটিপতি হওয়ার স্কিম’-এই টাকা ঢালার আগে সাবধানে থাকুন। প্রিয় মানুষটিকে আজ অজুহাতে উপহার দিতে হবে। অজুহাতটা হলো, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ প্রেম পাখিরা আজ বিয়ের আলোচনা শুরু করতে পারে। আলোচনার সময় ভুলেও ভবিষ্যতের আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে মাথা ঘামাতে যাবেন না।
মকর
আজ ব্যবসায় স্ত্রীর সহায়তা পাবেন এবং লাভের পরিমাণও বাড়বে। আপনার সঙ্গে আজ এমন কিছু ঘটবে, যা আপনাকে বিস্মিত করবে (হয়তো বস আপনাকে ছুটি দিয়ে দেবেন!)। অপ্রত্যাশিত কারও আগমনে দিনের সব পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন, গেস্ট মানেই মিষ্টি নিয়ে আসা, গেস্ট মানেই ঘরের কাজ বেড়ে যাওয়া। রাস্তা পারাপারে সচেতন হন—আজ ভাগ্য আপনাকে বিনিয়োগে বিশেষ সুবিধা দেবে, কিন্তু রাস্তা পারাপারে দেবে না। দীর্ঘ দিনের প্রেমের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে পারে। অথবা দূরসম্পর্কের কারও সঙ্গে দেখা হয়ে মনটা উতলা হয়ে যাবে। এই বয়সে ‘প্রজাপতির ডানার মতো মনকে উতলা করা’ মানে কিন্তু গুরুতর বিপদ!
কুম্ভ
আজ দিনটা আজ ম্যাড়ম্যাড়ে বা আবেগময় লাগতে পারে। স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দিন। মন সংবেদনশীল থাকবে, তাই অন্যের কথায় সহজে আঘাত পেতে পারেন। লুকানো বিরোধীরা সমস্যা তৈরি করার চেষ্টা করতে পারে। প্রতিবেশী কারও উপকার করতে গিয়ে ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কা আছে, তাই তার কাছ থেকে দূরে থাকুন। প্রেম পাখিদের আজ ধৈর্য বজায় রাখা দরকার। সামান্য বিষয় নিয়ে তর্ক এড়িয়ে চলুন, নাহলে সম্পর্ক স্ট্রেসে পড়বে। প্রেমিক মন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ পাবে, কিন্তু প্রিয়জনের কাছ থেকে সেই উৎসাহ না পেলে নিজেই নিজেকে উৎসাহিত করুন।
মীন
আজকের দিনটি আত্মবিশ্লেষণের জন্য খুবই ভালো। নিজের পুরোনো ভুলগুলো চিহ্নিত করে উন্নতি করুন। তবে এসব চিন্তাভাবনা বিছানায় শুয়ে শুয়ে করলে হবে না, কাজে নেমে পড়ুন। অংশীদারত্ব সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটে যাবে এবং দাম্পত্য সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরে আসবে। শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মজীবন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আর যদি আপনি অবিবাহিত হন, তবে আপনার উপযুক্ত সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হ্যাঁ, খুঁজে পাবেন, কিন্তু তাকে খুঁজতে হলে ঘর থেকে বের হতে হবে। সঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। তবে টাকা খরচের সময় একটু সাবধান থাকলে ভবিষ্যতে বড় লাভ আসতে পারে। মানে আজ যদি সঙ্গী একটা উপহার চায়, তাকে তার চেয়ে কম দামের কিছু দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করুন।
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মেষ
দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা সেই কাজটা (যেটা আপনি গত বছর থেকেই ‘কাল করব, কাল করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন) আজ নিজেই আপনাকে লাথি মেরে শুরু করিয়ে দেবে। একে ভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত ভাবুন। তবে সাবধান, এই ‘গতি’ যেন আপনার মানিব্যাগের দিকে না যায়। পরিবারের কেউ আজ জোর করে আপনার পকেট থেকে টাকা বের করার চেষ্টা করবে—হয়তো সেই ফ্যান্সি কফি মেকারটা কেনার জন্য। কর্মক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত প্রশংসা পাবেন, তবে সেই খুশিতে লাফালাফি করতে গিয়ে যেন বসের কফি ফেলে না দেন। পুরোনো প্রেম হঠাৎ ‘হাই’ পাঠাতে পারে। রিপ্লাই দেওয়ার আগে মনে করুন, কেন ব্রেকআপ হয়েছিল।
বৃষ
গ্রহ বলছে, আজ দিনটা নাকি ‘শুভ’। শুভ মানে কী? শুভ মানে, আজ আপনি হিসাব করা ঝুঁকি নিতে পারেন। কিন্তু তাই বলে পুরোনো, শুকনো কেকটা খেতে যাবেন না! বরং অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে নিজের প্রবৃত্তিকে ভরসা করুন। জমি বা ফিক্সড ডিপোজিটে বিনিয়োগের আগে কাগজপত্র তিনবার দেখুন। কারও মিষ্টি কথায় ভুলে টাকা ধার দেবেন না, বিশেষ করে যদি সে বলে, ‘দুই বছরের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে যাবে’। কর্মদক্ষতা আজ আপনাকে দিয়ে অনেক ছোট ছোট কাজ করিয়ে নেবে, যা দেখে বস ভাববেন, ‘এর মাইনেটা কম দেওয়া হচ্ছে না তো?’ প্রেমের ক্ষেত্রে ‘বাস্তববাদী’ হতে হবে। মানে গোলাপ উপহার দেওয়ার চেয়ে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ভরে দিলে পার্টনার বেশি খুশি হবেন।
মিথুন
আজ আপনার সময় মহামূল্যবান। তাই ভুলেও সব গ্রুপ চ্যাটে তক্ষুনি রিপ্লাই দেবেন না। নিজের কাজের চারপাশে সীমানা টানুন—মনে রাখবেন, ‘না’ বলাটা স্বার্থপরতা নয়, সেটা আত্মসম্মান। ব্যাংকের যে কাজটা করতে গিয়ে প্রতিবার আপনি ‘কাল আসছি’ বলে ফিরে আসেন, আজ সেটা অনায়াসে হয়ে যাবে। আর যদি কোনো পুরোনো বন্ধু হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসেজ করে, বুঝে নেবেন সে টাকা ধার চাইতে আসছে না, হয়তো একটা ভালো রেস্টুরেন্টের খোঁজ চাইছে। প্রিয়জনের সঙ্গে সিনেমা দেখার প্ল্যান সফল হতে পারে। অবশ্যই ঘরের সোফায় বসে, বাইরে গেলে খরচ!
কর্কট
যদি মনে হয় আজ কোনো কিছু বহন করা খুব ভারী লাগছে, তবে মনে রাখবেন, সেটা আপনার দায়িত্ব নয়। হৃদয়ের কথা শুনুন—সে বলছে, ‘দায়িত্বগুলো অন্য কারও কাঁধে চাপিয়ে দাও!’ তাই ঘরের কাজ, অফিসের কাজ, প্রতিবেশীর বিড়ালকে দুধ দেওয়া—সবকিছুতে একটু ‘ডেলিগেশন’ করুন। সন্তানের পড়াশোনার জন্য আজ একটু ছোটাছুটি করতে হতে পারে। আসলে তার দামি পেনসিল বক্সটি হারিয়েছে, সেটাই খুঁজে দিতে হবে। আবেগপ্রবণতা আজ অতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে। সামান্য কারণে অভিমান করবেন না, নাহলে প্রিয়জন আপনাকে ‘বাচ্চা’ বলে ডাকতে পারে।
সিংহ
আজ নিজেকে প্রশ্ন করুন: আপনি কি শুধু ব্যস্ত থাকার জন্য কাজ করছেন, নাকি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে? কম কাজে বেশি মানে খুঁজুন। কাজের চাপে আজ সারা দিন খুব বিরক্ত লাগতে পারে, কিন্তু কেউ একজন আপনার সাহস দেখে মুগ্ধ হবে। অভ্যন্তরীণ শক্তি আজ আপনাকে একটি পেন্ডিং প্রজেক্ট শেষ করতে সাহায্য করবে, যা গত তিন মাস ধরে ‘অন্যের দোষ’ বলে ফেলে রেখেছিলেন। ঘরের জন্য আজ কিছু কিনতে পারেন। আশা করি, সেটা অপ্রয়োজনীয় কোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট হবে না! প্রেমের ক্ষেত্রে লোক দেখানো নয়, গভীরতা খুঁজুন। মানে, দামি উপহারের চেয়ে বেশি মনোযোগ দিন তার পছন্দের সিরিয়ালের দিকে।
কন্যা
আজ পারফেকশনিস্ট সত্তাটাকে একটু ছুটি দিন। সবকিছু নিখুঁত না হলেও চলবে। সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ানোর দিন আজ। মানে ওয়ালেট আজ স্বেচ্ছায় ধর্মঘট পালন করবে। বাড়ির জন্য সুন্দর কোনো জিনিস কিনতে পারেন, যা আপনার গোছানো স্বভাবের সঙ্গে মানানসই হবে। আজ বিশ্লেষণী ক্ষমতা তুঙ্গে থাকবে, যা দিয়ে সহকর্মীর ছোট ভুলগুলো ধরতে পারবেন। তবে ভদ্রভাবে ধরবেন, নাহলে সে আপনাকে ‘নকল বস’ ভাবতে পারে। প্রেম পাখি আজ বিয়ের কথা তুলতে পারে। উত্তর দেওয়ার আগে হিসাব করে নিন, এরপর আর সঞ্চয় করতে পারবেন কি না।
তুলা
আজ মনকে হালকা করার জন্য ছোট ছোট কাজ করুন। যে কাজে আনন্দ পান, তাতে মনোযোগ দিন। আজ প্রেমের সম্পর্কে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্যোগ আসতে পারে—হয়তো আপনি তার প্রিয় চকোলেটটা খেয়ে ফেলেছেন। রূপ সচেতনতায় অনেকটা সময় নষ্ট হতে পারে। আয়নার সামনে থেকে বের হয়ে আসুন, আপনি এমনিতেই সুন্দর! কর্মক্ষেত্রে নতুন পথের সন্ধান পাবেন, যা আপনাকে দ্রুত সাফল্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে সেই পথে যেন কোনো ঝগড়াটে প্রতিবেশী না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। প্রিয়জন আজ আপনার প্রতি বড্ড যত্নশীল হয়ে উঠবে। তার মানে সে আপনার কাছ থেকে কিছু একটা চায়।
বৃশ্চিক
আজকের দিনটি আপনার জন্য কিছুটা নিরানন্দ বা কম এনার্জির হতে পারে। স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন, বিশেষ করে পেটের দিকে। তেল-ঝাল আজ আপনার জন্য নয়। কর্মক্ষেত্রে গোপন শত্রুদের থেকে সাবধানে থাকুন। তারা ষড়যন্ত্র করতে পারে, যেমন আপনার ডেস্কে মিষ্টি রেখে আপনাকে ডায়েট ব্রেক করাতে পারে। অপ্রয়োজনীয় ঝগড়া থেকে দূরে থাকুন, নাহলে সেটা সামান্য কথা থেকে বিরাট সমস্যায় পরিণত হতে পারে। ধার দেওয়া অর্থ আদায়ে বেগ পেতে হতে পারে। তাকে আবার ধার চাইতে দেখলে দৌড়ে পালাবেন! প্রেমের ক্ষেত্রে ধৈর্য বজায় রাখুন। তুচ্ছ বিষয়ে ঝগড়া এড়িয়ে চলুন। যদি ঝগড়া হয়, তবে মনে রাখবেন, ‘দুঃখিত’ বলাটা হেরে যাওয়া নয়, বরং আরও বড় ঝগড়া এড়ানো।
ধনু
আজ পেশাগত জীবন অনুকূলে। কাজের প্রতি পুরোপুরি নিবেদিত থাকবেন, ফলে সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে দেরি হতে পারে। স্ত্রী আপনার গার্হস্থ্য সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করবেন। তবে আজ ব্যয়ের দিকে বিশেষ নজর দিন। গৃহস্থালির জিনিস কেনায় অর্থ খরচ হবে। গ্রহ আজ বন্ধুদের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে বিরত থাকতে বলছে। বন্ধুদের সঙ্গে সেই ‘কোটিপতি হওয়ার স্কিম’-এই টাকা ঢালার আগে সাবধানে থাকুন। প্রিয় মানুষটিকে আজ অজুহাতে উপহার দিতে হবে। অজুহাতটা হলো, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ প্রেম পাখিরা আজ বিয়ের আলোচনা শুরু করতে পারে। আলোচনার সময় ভুলেও ভবিষ্যতের আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে মাথা ঘামাতে যাবেন না।
মকর
আজ ব্যবসায় স্ত্রীর সহায়তা পাবেন এবং লাভের পরিমাণও বাড়বে। আপনার সঙ্গে আজ এমন কিছু ঘটবে, যা আপনাকে বিস্মিত করবে (হয়তো বস আপনাকে ছুটি দিয়ে দেবেন!)। অপ্রত্যাশিত কারও আগমনে দিনের সব পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন, গেস্ট মানেই মিষ্টি নিয়ে আসা, গেস্ট মানেই ঘরের কাজ বেড়ে যাওয়া। রাস্তা পারাপারে সচেতন হন—আজ ভাগ্য আপনাকে বিনিয়োগে বিশেষ সুবিধা দেবে, কিন্তু রাস্তা পারাপারে দেবে না। দীর্ঘ দিনের প্রেমের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে পারে। অথবা দূরসম্পর্কের কারও সঙ্গে দেখা হয়ে মনটা উতলা হয়ে যাবে। এই বয়সে ‘প্রজাপতির ডানার মতো মনকে উতলা করা’ মানে কিন্তু গুরুতর বিপদ!
কুম্ভ
আজ দিনটা আজ ম্যাড়ম্যাড়ে বা আবেগময় লাগতে পারে। স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দিন। মন সংবেদনশীল থাকবে, তাই অন্যের কথায় সহজে আঘাত পেতে পারেন। লুকানো বিরোধীরা সমস্যা তৈরি করার চেষ্টা করতে পারে। প্রতিবেশী কারও উপকার করতে গিয়ে ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কা আছে, তাই তার কাছ থেকে দূরে থাকুন। প্রেম পাখিদের আজ ধৈর্য বজায় রাখা দরকার। সামান্য বিষয় নিয়ে তর্ক এড়িয়ে চলুন, নাহলে সম্পর্ক স্ট্রেসে পড়বে। প্রেমিক মন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ পাবে, কিন্তু প্রিয়জনের কাছ থেকে সেই উৎসাহ না পেলে নিজেই নিজেকে উৎসাহিত করুন।
মীন
আজকের দিনটি আত্মবিশ্লেষণের জন্য খুবই ভালো। নিজের পুরোনো ভুলগুলো চিহ্নিত করে উন্নতি করুন। তবে এসব চিন্তাভাবনা বিছানায় শুয়ে শুয়ে করলে হবে না, কাজে নেমে পড়ুন। অংশীদারত্ব সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটে যাবে এবং দাম্পত্য সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরে আসবে। শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মজীবন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আর যদি আপনি অবিবাহিত হন, তবে আপনার উপযুক্ত সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হ্যাঁ, খুঁজে পাবেন, কিন্তু তাকে খুঁজতে হলে ঘর থেকে বের হতে হবে। সঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। তবে টাকা খরচের সময় একটু সাবধান থাকলে ভবিষ্যতে বড় লাভ আসতে পারে। মানে আজ যদি সঙ্গী একটা উপহার চায়, তাকে তার চেয়ে কম দামের কিছু দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করুন।

মেষ
দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা সেই কাজটা (যেটা আপনি গত বছর থেকেই ‘কাল করব, কাল করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন) আজ নিজেই আপনাকে লাথি মেরে শুরু করিয়ে দেবে। একে ভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত ভাবুন। তবে সাবধান, এই ‘গতি’ যেন আপনার মানিব্যাগের দিকে না যায়। পরিবারের কেউ আজ জোর করে আপনার পকেট থেকে টাকা বের করার চেষ্টা করবে—হয়তো সেই ফ্যান্সি কফি মেকারটা কেনার জন্য। কর্মক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত প্রশংসা পাবেন, তবে সেই খুশিতে লাফালাফি করতে গিয়ে যেন বসের কফি ফেলে না দেন। পুরোনো প্রেম হঠাৎ ‘হাই’ পাঠাতে পারে। রিপ্লাই দেওয়ার আগে মনে করুন, কেন ব্রেকআপ হয়েছিল।
বৃষ
গ্রহ বলছে, আজ দিনটা নাকি ‘শুভ’। শুভ মানে কী? শুভ মানে, আজ আপনি হিসাব করা ঝুঁকি নিতে পারেন। কিন্তু তাই বলে পুরোনো, শুকনো কেকটা খেতে যাবেন না! বরং অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে নিজের প্রবৃত্তিকে ভরসা করুন। জমি বা ফিক্সড ডিপোজিটে বিনিয়োগের আগে কাগজপত্র তিনবার দেখুন। কারও মিষ্টি কথায় ভুলে টাকা ধার দেবেন না, বিশেষ করে যদি সে বলে, ‘দুই বছরের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে যাবে’। কর্মদক্ষতা আজ আপনাকে দিয়ে অনেক ছোট ছোট কাজ করিয়ে নেবে, যা দেখে বস ভাববেন, ‘এর মাইনেটা কম দেওয়া হচ্ছে না তো?’ প্রেমের ক্ষেত্রে ‘বাস্তববাদী’ হতে হবে। মানে গোলাপ উপহার দেওয়ার চেয়ে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ভরে দিলে পার্টনার বেশি খুশি হবেন।
মিথুন
আজ আপনার সময় মহামূল্যবান। তাই ভুলেও সব গ্রুপ চ্যাটে তক্ষুনি রিপ্লাই দেবেন না। নিজের কাজের চারপাশে সীমানা টানুন—মনে রাখবেন, ‘না’ বলাটা স্বার্থপরতা নয়, সেটা আত্মসম্মান। ব্যাংকের যে কাজটা করতে গিয়ে প্রতিবার আপনি ‘কাল আসছি’ বলে ফিরে আসেন, আজ সেটা অনায়াসে হয়ে যাবে। আর যদি কোনো পুরোনো বন্ধু হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসেজ করে, বুঝে নেবেন সে টাকা ধার চাইতে আসছে না, হয়তো একটা ভালো রেস্টুরেন্টের খোঁজ চাইছে। প্রিয়জনের সঙ্গে সিনেমা দেখার প্ল্যান সফল হতে পারে। অবশ্যই ঘরের সোফায় বসে, বাইরে গেলে খরচ!
কর্কট
যদি মনে হয় আজ কোনো কিছু বহন করা খুব ভারী লাগছে, তবে মনে রাখবেন, সেটা আপনার দায়িত্ব নয়। হৃদয়ের কথা শুনুন—সে বলছে, ‘দায়িত্বগুলো অন্য কারও কাঁধে চাপিয়ে দাও!’ তাই ঘরের কাজ, অফিসের কাজ, প্রতিবেশীর বিড়ালকে দুধ দেওয়া—সবকিছুতে একটু ‘ডেলিগেশন’ করুন। সন্তানের পড়াশোনার জন্য আজ একটু ছোটাছুটি করতে হতে পারে। আসলে তার দামি পেনসিল বক্সটি হারিয়েছে, সেটাই খুঁজে দিতে হবে। আবেগপ্রবণতা আজ অতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে। সামান্য কারণে অভিমান করবেন না, নাহলে প্রিয়জন আপনাকে ‘বাচ্চা’ বলে ডাকতে পারে।
সিংহ
আজ নিজেকে প্রশ্ন করুন: আপনি কি শুধু ব্যস্ত থাকার জন্য কাজ করছেন, নাকি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে? কম কাজে বেশি মানে খুঁজুন। কাজের চাপে আজ সারা দিন খুব বিরক্ত লাগতে পারে, কিন্তু কেউ একজন আপনার সাহস দেখে মুগ্ধ হবে। অভ্যন্তরীণ শক্তি আজ আপনাকে একটি পেন্ডিং প্রজেক্ট শেষ করতে সাহায্য করবে, যা গত তিন মাস ধরে ‘অন্যের দোষ’ বলে ফেলে রেখেছিলেন। ঘরের জন্য আজ কিছু কিনতে পারেন। আশা করি, সেটা অপ্রয়োজনীয় কোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট হবে না! প্রেমের ক্ষেত্রে লোক দেখানো নয়, গভীরতা খুঁজুন। মানে, দামি উপহারের চেয়ে বেশি মনোযোগ দিন তার পছন্দের সিরিয়ালের দিকে।
কন্যা
আজ পারফেকশনিস্ট সত্তাটাকে একটু ছুটি দিন। সবকিছু নিখুঁত না হলেও চলবে। সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ানোর দিন আজ। মানে ওয়ালেট আজ স্বেচ্ছায় ধর্মঘট পালন করবে। বাড়ির জন্য সুন্দর কোনো জিনিস কিনতে পারেন, যা আপনার গোছানো স্বভাবের সঙ্গে মানানসই হবে। আজ বিশ্লেষণী ক্ষমতা তুঙ্গে থাকবে, যা দিয়ে সহকর্মীর ছোট ভুলগুলো ধরতে পারবেন। তবে ভদ্রভাবে ধরবেন, নাহলে সে আপনাকে ‘নকল বস’ ভাবতে পারে। প্রেম পাখি আজ বিয়ের কথা তুলতে পারে। উত্তর দেওয়ার আগে হিসাব করে নিন, এরপর আর সঞ্চয় করতে পারবেন কি না।
তুলা
আজ মনকে হালকা করার জন্য ছোট ছোট কাজ করুন। যে কাজে আনন্দ পান, তাতে মনোযোগ দিন। আজ প্রেমের সম্পর্কে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্যোগ আসতে পারে—হয়তো আপনি তার প্রিয় চকোলেটটা খেয়ে ফেলেছেন। রূপ সচেতনতায় অনেকটা সময় নষ্ট হতে পারে। আয়নার সামনে থেকে বের হয়ে আসুন, আপনি এমনিতেই সুন্দর! কর্মক্ষেত্রে নতুন পথের সন্ধান পাবেন, যা আপনাকে দ্রুত সাফল্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে সেই পথে যেন কোনো ঝগড়াটে প্রতিবেশী না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। প্রিয়জন আজ আপনার প্রতি বড্ড যত্নশীল হয়ে উঠবে। তার মানে সে আপনার কাছ থেকে কিছু একটা চায়।
বৃশ্চিক
আজকের দিনটি আপনার জন্য কিছুটা নিরানন্দ বা কম এনার্জির হতে পারে। স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন, বিশেষ করে পেটের দিকে। তেল-ঝাল আজ আপনার জন্য নয়। কর্মক্ষেত্রে গোপন শত্রুদের থেকে সাবধানে থাকুন। তারা ষড়যন্ত্র করতে পারে, যেমন আপনার ডেস্কে মিষ্টি রেখে আপনাকে ডায়েট ব্রেক করাতে পারে। অপ্রয়োজনীয় ঝগড়া থেকে দূরে থাকুন, নাহলে সেটা সামান্য কথা থেকে বিরাট সমস্যায় পরিণত হতে পারে। ধার দেওয়া অর্থ আদায়ে বেগ পেতে হতে পারে। তাকে আবার ধার চাইতে দেখলে দৌড়ে পালাবেন! প্রেমের ক্ষেত্রে ধৈর্য বজায় রাখুন। তুচ্ছ বিষয়ে ঝগড়া এড়িয়ে চলুন। যদি ঝগড়া হয়, তবে মনে রাখবেন, ‘দুঃখিত’ বলাটা হেরে যাওয়া নয়, বরং আরও বড় ঝগড়া এড়ানো।
ধনু
আজ পেশাগত জীবন অনুকূলে। কাজের প্রতি পুরোপুরি নিবেদিত থাকবেন, ফলে সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে দেরি হতে পারে। স্ত্রী আপনার গার্হস্থ্য সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করবেন। তবে আজ ব্যয়ের দিকে বিশেষ নজর দিন। গৃহস্থালির জিনিস কেনায় অর্থ খরচ হবে। গ্রহ আজ বন্ধুদের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে বিরত থাকতে বলছে। বন্ধুদের সঙ্গে সেই ‘কোটিপতি হওয়ার স্কিম’-এই টাকা ঢালার আগে সাবধানে থাকুন। প্রিয় মানুষটিকে আজ অজুহাতে উপহার দিতে হবে। অজুহাতটা হলো, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ প্রেম পাখিরা আজ বিয়ের আলোচনা শুরু করতে পারে। আলোচনার সময় ভুলেও ভবিষ্যতের আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে মাথা ঘামাতে যাবেন না।
মকর
আজ ব্যবসায় স্ত্রীর সহায়তা পাবেন এবং লাভের পরিমাণও বাড়বে। আপনার সঙ্গে আজ এমন কিছু ঘটবে, যা আপনাকে বিস্মিত করবে (হয়তো বস আপনাকে ছুটি দিয়ে দেবেন!)। অপ্রত্যাশিত কারও আগমনে দিনের সব পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন, গেস্ট মানেই মিষ্টি নিয়ে আসা, গেস্ট মানেই ঘরের কাজ বেড়ে যাওয়া। রাস্তা পারাপারে সচেতন হন—আজ ভাগ্য আপনাকে বিনিয়োগে বিশেষ সুবিধা দেবে, কিন্তু রাস্তা পারাপারে দেবে না। দীর্ঘ দিনের প্রেমের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে পারে। অথবা দূরসম্পর্কের কারও সঙ্গে দেখা হয়ে মনটা উতলা হয়ে যাবে। এই বয়সে ‘প্রজাপতির ডানার মতো মনকে উতলা করা’ মানে কিন্তু গুরুতর বিপদ!
কুম্ভ
আজ দিনটা আজ ম্যাড়ম্যাড়ে বা আবেগময় লাগতে পারে। স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দিন। মন সংবেদনশীল থাকবে, তাই অন্যের কথায় সহজে আঘাত পেতে পারেন। লুকানো বিরোধীরা সমস্যা তৈরি করার চেষ্টা করতে পারে। প্রতিবেশী কারও উপকার করতে গিয়ে ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কা আছে, তাই তার কাছ থেকে দূরে থাকুন। প্রেম পাখিদের আজ ধৈর্য বজায় রাখা দরকার। সামান্য বিষয় নিয়ে তর্ক এড়িয়ে চলুন, নাহলে সম্পর্ক স্ট্রেসে পড়বে। প্রেমিক মন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ পাবে, কিন্তু প্রিয়জনের কাছ থেকে সেই উৎসাহ না পেলে নিজেই নিজেকে উৎসাহিত করুন।
মীন
আজকের দিনটি আত্মবিশ্লেষণের জন্য খুবই ভালো। নিজের পুরোনো ভুলগুলো চিহ্নিত করে উন্নতি করুন। তবে এসব চিন্তাভাবনা বিছানায় শুয়ে শুয়ে করলে হবে না, কাজে নেমে পড়ুন। অংশীদারত্ব সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটে যাবে এবং দাম্পত্য সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরে আসবে। শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মজীবন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আর যদি আপনি অবিবাহিত হন, তবে আপনার উপযুক্ত সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হ্যাঁ, খুঁজে পাবেন, কিন্তু তাকে খুঁজতে হলে ঘর থেকে বের হতে হবে। সঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। তবে টাকা খরচের সময় একটু সাবধান থাকলে ভবিষ্যতে বড় লাভ আসতে পারে। মানে আজ যদি সঙ্গী একটা উপহার চায়, তাকে তার চেয়ে কম দামের কিছু দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করুন।

সুস্থ, সচেতন ও সক্রিয় নগরজীবন গঠনের বিভিন্ন আন্দোলন আছে ঢাকা শহরে। আছে তাদের নিয়মিত ইভেন্ট। এ ইতিহাসে যুক্ত হলো ‘ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে’ ম্যারাথন। এর আয়োজক ছিল ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ট্রায়াথলন ড্রিমার্স। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এটি ছিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম এআইএমএস সার্টিফায়েড ৩০ কিলোমিটার ম্যারাথন।...
১১ ঘণ্টা আগে
আমাদের শরীর ও মন পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আমরা যখন দুশ্চিন্তা করি বা মানসিক চাপে থাকি, তখন শরীরে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়; যা আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং এর ফলে অনেক সময় শরীরে চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার মতো হতে পারে। এই অবস্থাকেই বলে ‘অ্যাংজাইটি ইচিং’ বা উদ্বেগজনিত চুলকানি।...
১৪ ঘণ্টা আগে
বিলাসিতা কেমন হতে পারে? এর উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের চোখ চলে যায় পৃথিবীর সেই সব বিরল উপাদানের দিকে, যেগুলোর মূল্য প্রায় আকাশছোঁয়া। এই উপাদানগুলোর দুর্লভতা এবং অনন্যতাই তাদের করে তুলেছে বিশেষ। যারা জীবনের সেরা জিনিসগুলোর খোঁজ করেন তাদের জন্য এই ধরনের খাবার উপভোগ করতে পারা একটি বিশেষ চাহিদা হতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে
আপনি যদি ২৫ সালের শেষে এসে বারবার ভাবেন, "সময় কোথায় গেল? " তবে জেনে রাখুন, এই অনুভূতি কেবল আপনার একার নয়। সময় মুহূর্তের মধ্যে ফুরিয়ে যায় নদীর স্রোতের মতন। দেখতে দেখতে আমরা আরও একটি বছরের প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ নতুন বছর আমাদের জন্য নতুন করে ঘুরে দেখার আর
২১ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক, ঢাকা

সুস্থ, সচেতন ও সক্রিয় নগরজীবন গঠনের বিভিন্ন আন্দোলন আছে ঢাকা শহরে। আছে তাদের নিয়মিত ইভেন্ট। এ ইতিহাসে যুক্ত হলো ‘ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে’ ম্যারাথন। এর আয়োজক ছিল ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ট্রায়াথলন ড্রিমার্স। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এটি ছিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম এআইএমএস সার্টিফায়েড ৩০ কিলোমিটার ম্যারাথন।
গতকাল ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে নামের এই ম্যারাথনটি। ‘এক শহর, এক দৌড়, এক ইতিহাস’ স্লোগানে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক রোড রেসে অংশ নেন হাজারো দৌড়বিদ। এদের মধ্যে ছিলেন দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞ রানার ও শৌখিন অ্যাথলেটরা।

ঢাকার হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটার থেকে ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে ৩০ কিলোমিটার ক্যাটাগির এ ম্যারাথনের উদ্বোধন করা হয়। এ ছাড়া ১৫ এবং ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার রেসের উদ্বোধন হয় ভোর ৫টা। অংশগ্রহণকারী দৌড়বিদেরা হাতিরঝিলের চারপাশে বিস্তৃত একটি চ্যালেঞ্জিং ও মনোরম ট্র্যাকে তাঁদের দৌড় সম্পন্ন করেন।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এ ইভেন্টে অন্তর্ভুক্ত ছিল চারটি প্রতিযোগিতা ক্যাটাগরি। এগুলো হলো,
৩০ কিলোমিটার ম্যারাথনে ছেলেদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন মামুন আহম্মেদ। দৌড়ের পথ শেষ করতে তিনি সময় নেন ১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। একই ইভেন্টে মেয়েদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন হামিদা আক্তার জেবা। তিনি শেষ করতে সময় নিয়েছে ২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড।
এদিকে ১৫ কিলোমিটার ম্যারাথনে ছেলেদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন পলাশ শেখ। এ পথ শেষ করতে তিনি সময় নেন ৫৩ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড। একই ইভেন্টে মেয়েদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন সাজিয়া হেপ্পি। তিনি দৌড় শেষ করতে সময় নেন ১ ঘণ্টা ২১ মিনিট ৭ সেকেন্ড।

৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার ম্যারাথনে ছেলেদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন মোস্তাক আহমেদ আভিন। দৌড় শেষ করতে তিনি সময় নেন ২৬ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড। একই ইভেন্টে মেয়েদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন সাবরিনা আক্তার স্বর্ণা। তিনি ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দৌড় শেষ করতে সময় নিয়েছেন ৪৩ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড।
এ ছাড়া এক কিলোমিটার ওভারল চ্যাম্পিয়ন হয় সাইফান ওময়ের।
দৌড়বিদদের সুবিধার্থে ইভেন্ট এরিয়ায় স্থাপন করা হয়েছিল মেডিকেল সাপোর্ট সিস্টেম, একাধিক হাইড্রেশন ও কুলিং জোন, লাইভ টাইমিং সুবিধা। ইভেন্ট নিরাপদ করতে ছিল শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ ইভেন্টে কাজ করেন শতাধিক প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিবিড় সহযোগিতায় ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সমন্বিত।

ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে ম্যারাথন রেস ডিরেক্টর মো. আল-আমীন বলেন, ‘ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে শুধু একটি রেস নয়, এটি একটি সুস্থ, সচেতন ও সক্রিয় নগরজীবন গঠনের আন্দোলন। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে, দৌড়ের পাশাপাশি আমরা চাই ঢাকাকে একটি প্রাণবন্ত ও ইতিবাচক শহরে রূপান্তরিত করতে।’
আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন, বিশাল অংশগ্রহণ, পেশাদার ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদ আয়োজন, সব মিলিয়ে ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে আজ বাংলাদেশের দৌড় ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

সুস্থ, সচেতন ও সক্রিয় নগরজীবন গঠনের বিভিন্ন আন্দোলন আছে ঢাকা শহরে। আছে তাদের নিয়মিত ইভেন্ট। এ ইতিহাসে যুক্ত হলো ‘ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে’ ম্যারাথন। এর আয়োজক ছিল ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ট্রায়াথলন ড্রিমার্স। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এটি ছিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম এআইএমএস সার্টিফায়েড ৩০ কিলোমিটার ম্যারাথন।
গতকাল ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে নামের এই ম্যারাথনটি। ‘এক শহর, এক দৌড়, এক ইতিহাস’ স্লোগানে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক রোড রেসে অংশ নেন হাজারো দৌড়বিদ। এদের মধ্যে ছিলেন দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞ রানার ও শৌখিন অ্যাথলেটরা।

ঢাকার হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটার থেকে ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে ৩০ কিলোমিটার ক্যাটাগির এ ম্যারাথনের উদ্বোধন করা হয়। এ ছাড়া ১৫ এবং ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার রেসের উদ্বোধন হয় ভোর ৫টা। অংশগ্রহণকারী দৌড়বিদেরা হাতিরঝিলের চারপাশে বিস্তৃত একটি চ্যালেঞ্জিং ও মনোরম ট্র্যাকে তাঁদের দৌড় সম্পন্ন করেন।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এ ইভেন্টে অন্তর্ভুক্ত ছিল চারটি প্রতিযোগিতা ক্যাটাগরি। এগুলো হলো,
৩০ কিলোমিটার ম্যারাথনে ছেলেদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন মামুন আহম্মেদ। দৌড়ের পথ শেষ করতে তিনি সময় নেন ১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। একই ইভেন্টে মেয়েদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন হামিদা আক্তার জেবা। তিনি শেষ করতে সময় নিয়েছে ২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড।
এদিকে ১৫ কিলোমিটার ম্যারাথনে ছেলেদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন পলাশ শেখ। এ পথ শেষ করতে তিনি সময় নেন ৫৩ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড। একই ইভেন্টে মেয়েদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন সাজিয়া হেপ্পি। তিনি দৌড় শেষ করতে সময় নেন ১ ঘণ্টা ২১ মিনিট ৭ সেকেন্ড।

৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার ম্যারাথনে ছেলেদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন মোস্তাক আহমেদ আভিন। দৌড় শেষ করতে তিনি সময় নেন ২৬ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড। একই ইভেন্টে মেয়েদের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হন সাবরিনা আক্তার স্বর্ণা। তিনি ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দৌড় শেষ করতে সময় নিয়েছেন ৪৩ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড।
এ ছাড়া এক কিলোমিটার ওভারল চ্যাম্পিয়ন হয় সাইফান ওময়ের।
দৌড়বিদদের সুবিধার্থে ইভেন্ট এরিয়ায় স্থাপন করা হয়েছিল মেডিকেল সাপোর্ট সিস্টেম, একাধিক হাইড্রেশন ও কুলিং জোন, লাইভ টাইমিং সুবিধা। ইভেন্ট নিরাপদ করতে ছিল শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ ইভেন্টে কাজ করেন শতাধিক প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিবিড় সহযোগিতায় ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সমন্বিত।

ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে ম্যারাথন রেস ডিরেক্টর মো. আল-আমীন বলেন, ‘ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে শুধু একটি রেস নয়, এটি একটি সুস্থ, সচেতন ও সক্রিয় নগরজীবন গঠনের আন্দোলন। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে, দৌড়ের পাশাপাশি আমরা চাই ঢাকাকে একটি প্রাণবন্ত ও ইতিবাচক শহরে রূপান্তরিত করতে।’
আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন, বিশাল অংশগ্রহণ, পেশাদার ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদ আয়োজন, সব মিলিয়ে ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে আজ বাংলাদেশের দৌড় ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা সেই কাজটা (যেটা আপনি গত বছর থেকেই ‘কাল করব, কাল করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন) আজ নিজেই আপনাকে লাথি মেরে শুরু করিয়ে দেবে। একে ভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত ভাবুন। তবে সাবধান, এই ‘গতি’ যেন আপনার মানিব্যাগের দিকে না যায়।
১৫ নভেম্বর ২০২৫
আমাদের শরীর ও মন পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আমরা যখন দুশ্চিন্তা করি বা মানসিক চাপে থাকি, তখন শরীরে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়; যা আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং এর ফলে অনেক সময় শরীরে চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার মতো হতে পারে। এই অবস্থাকেই বলে ‘অ্যাংজাইটি ইচিং’ বা উদ্বেগজনিত চুলকানি।...
১৪ ঘণ্টা আগে
বিলাসিতা কেমন হতে পারে? এর উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের চোখ চলে যায় পৃথিবীর সেই সব বিরল উপাদানের দিকে, যেগুলোর মূল্য প্রায় আকাশছোঁয়া। এই উপাদানগুলোর দুর্লভতা এবং অনন্যতাই তাদের করে তুলেছে বিশেষ। যারা জীবনের সেরা জিনিসগুলোর খোঁজ করেন তাদের জন্য এই ধরনের খাবার উপভোগ করতে পারা একটি বিশেষ চাহিদা হতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে
আপনি যদি ২৫ সালের শেষে এসে বারবার ভাবেন, "সময় কোথায় গেল? " তবে জেনে রাখুন, এই অনুভূতি কেবল আপনার একার নয়। সময় মুহূর্তের মধ্যে ফুরিয়ে যায় নদীর স্রোতের মতন। দেখতে দেখতে আমরা আরও একটি বছরের প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ নতুন বছর আমাদের জন্য নতুন করে ঘুরে দেখার আর
২১ ঘণ্টা আগেফারিয়া রহমান খান

আমাদের শরীর ও মন পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আমরা যখন দুশ্চিন্তা করি বা মানসিক চাপে থাকি, তখন শরীরে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়; যা আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং এর ফলে অনেক সময় শরীরে চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার মতো হতে পারে। এই অবস্থাকেই বলে ‘অ্যাংজাইটি ইচিং’ বা উদ্বেগজনিত চুলকানি।
অতিরিক্ত উদ্বেগ থেকে হওয়া ‘সোমাটিক সিম্পটম’ বা শারীরিক প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে একটি হলো অ্যাংজাইটি ইচিং বা সাইকোজেনিক চুলকানি। উদ্বিগ্নতার তীব্রতা বেশি হলে করটিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এর কারণে ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি সেরোটোনিন বা ডোপামিনের মতো নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্যহীনতার ফলেও অনেক সময় চুলকানি শুরু হয়। এই সমস্যা সাধারণত মাথার তালু, মুখ বা পিঠের উপরিভাগে বেশি দেখা যায়। তাই মানসিক চাপের কারণ খুঁজে বের করে চিকিৎসকের সহায়তা নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তা ছাড়া মেডিটেশন বা ইয়োগা করা যেতে পারে; পাশাপাশি চুলকানি কমাতে ভালো মানের ময়শ্চরাইজার ব্যবহার করতে হবে, পর্যাপ্ত পানি পান করাসহ অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম পানি দিয়ে গোসল এড়াতে হবে। ডা. তাহরিয়াত আহমেদ শরীফ, সহকারী রেজিস্ট্রার, মেডিসিন বিভাগ, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, ঢাকা
মানসিক চাপের কারণে চুলকানি কেন হয়
উদ্বেগ ও চুলকানি আপাতদৃষ্টে সম্পর্কহীন মনে হলেও এই দুটি একে অপরের সঙ্গে বেশ কিছু বিষয়ে জড়িত। মানসিক চাপের প্রভাবে শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যেগুলোর ফলে চুলকানি হয়। যেমন—
স্ট্রেস হাইভস: মানসিক চাপের কারণে অনেক সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। ফলে শরীরে চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
ঘামাচি বা র্যাশ: উদ্বেগের ফলে ঘাম বেড়ে যায়। ফলে শরীরে ঘামাচি বা র্যাশ দেখা দেয়। এগুলো খুবই চুলকায় এবং ২ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
বিদ্যমান রোগ বাড়িয়ে দেওয়া: যাদের আগে থেকে একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের সমস্যা আছে, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ তাদের এই রোগগুলো আরও বাড়িয়ে দেয়। ফলে চুলকানির মাত্রা বেড়ে যায়।
চুলকানির তীব্রতা বৃদ্ধি: মানসিক চাপ ও উদ্বেগ সামান্য চুলকানির তীব্রতাও বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়, যা রোগীর কাছে অসহনীয় মনে হতে পারে।
অ্যাংজাইটি ইচিং নিয়ন্ত্রণের কিছু উপায়
অ্যাংজাইটি ইচিং নিয়ন্ত্রণ করতে হলে প্রথমে মানসিক চাপের কারণ বের করে তার সমাধান করতে হবে। পাশাপাশি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলে আরাম পাওয়া যেতে পারে। সেগুলো হলো—
কীভাবে অ্যাংজাইটি ইচিং নির্ণয় করা হয়
প্রথমে চিকিৎসক চুলকানির শারীরিক কারণ; যেমন পোকামাকড়ের কামড়, ত্বকের শুষ্কতা, একজিমা বা অ্যালার্জি আছে কি না, তা নির্ণয় করা হয়। তারপর ডায়াবেটিস, অ্যানিমিয়া বা থাইরয়েডের মতো রোগগুলোও খতিয়ে দেখা হয়। সঠিক সিদ্ধান্তে আসার জন্য রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যসহ সম্পূর্ণ রোগের সব তথ্য চিকিৎসককে জানাতে হবে। এর ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক নিশ্চিত হবেন, চুলকানি মানসিক চাপের জন্য হচ্ছে, নাকি অন্য কোনো কারণে। মানসিক চাপের জন্য চুলকানি হচ্ছে নিশ্চিত হলে সেই অনুযায়ী চিকিৎসক উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
কারণ ছাড়া অতিরিক্ত চুলকানি অনেক সময় কোনো অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য সমস্যার কারণেও হতে পারে। মূল কারণ জানা এবং সঠিক চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অ্যাংজাইটি ইচিং যদি আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত করে, ত্বকে সংক্রমণ বা গুরুতর ক্ষতি করে বা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঘরোয়া চিকিৎসায়ও না কমে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। এ ছাড়া চুলকানির সঙ্গে জ্বর, রাতে ঘাম হওয়া বা অস্বাভাবিক হারে ওজন কমার মতো লক্ষণ থাকলেও দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। মনে রাখবেন, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই অ্যাংজাইটি ইচিংয়ের মতো সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য

আমাদের শরীর ও মন পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আমরা যখন দুশ্চিন্তা করি বা মানসিক চাপে থাকি, তখন শরীরে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়; যা আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং এর ফলে অনেক সময় শরীরে চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার মতো হতে পারে। এই অবস্থাকেই বলে ‘অ্যাংজাইটি ইচিং’ বা উদ্বেগজনিত চুলকানি।
অতিরিক্ত উদ্বেগ থেকে হওয়া ‘সোমাটিক সিম্পটম’ বা শারীরিক প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে একটি হলো অ্যাংজাইটি ইচিং বা সাইকোজেনিক চুলকানি। উদ্বিগ্নতার তীব্রতা বেশি হলে করটিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এর কারণে ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি সেরোটোনিন বা ডোপামিনের মতো নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্যহীনতার ফলেও অনেক সময় চুলকানি শুরু হয়। এই সমস্যা সাধারণত মাথার তালু, মুখ বা পিঠের উপরিভাগে বেশি দেখা যায়। তাই মানসিক চাপের কারণ খুঁজে বের করে চিকিৎসকের সহায়তা নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তা ছাড়া মেডিটেশন বা ইয়োগা করা যেতে পারে; পাশাপাশি চুলকানি কমাতে ভালো মানের ময়শ্চরাইজার ব্যবহার করতে হবে, পর্যাপ্ত পানি পান করাসহ অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম পানি দিয়ে গোসল এড়াতে হবে। ডা. তাহরিয়াত আহমেদ শরীফ, সহকারী রেজিস্ট্রার, মেডিসিন বিভাগ, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, ঢাকা
মানসিক চাপের কারণে চুলকানি কেন হয়
উদ্বেগ ও চুলকানি আপাতদৃষ্টে সম্পর্কহীন মনে হলেও এই দুটি একে অপরের সঙ্গে বেশ কিছু বিষয়ে জড়িত। মানসিক চাপের প্রভাবে শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যেগুলোর ফলে চুলকানি হয়। যেমন—
স্ট্রেস হাইভস: মানসিক চাপের কারণে অনেক সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। ফলে শরীরে চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
ঘামাচি বা র্যাশ: উদ্বেগের ফলে ঘাম বেড়ে যায়। ফলে শরীরে ঘামাচি বা র্যাশ দেখা দেয়। এগুলো খুবই চুলকায় এবং ২ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
বিদ্যমান রোগ বাড়িয়ে দেওয়া: যাদের আগে থেকে একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের সমস্যা আছে, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ তাদের এই রোগগুলো আরও বাড়িয়ে দেয়। ফলে চুলকানির মাত্রা বেড়ে যায়।
চুলকানির তীব্রতা বৃদ্ধি: মানসিক চাপ ও উদ্বেগ সামান্য চুলকানির তীব্রতাও বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়, যা রোগীর কাছে অসহনীয় মনে হতে পারে।
অ্যাংজাইটি ইচিং নিয়ন্ত্রণের কিছু উপায়
অ্যাংজাইটি ইচিং নিয়ন্ত্রণ করতে হলে প্রথমে মানসিক চাপের কারণ বের করে তার সমাধান করতে হবে। পাশাপাশি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলে আরাম পাওয়া যেতে পারে। সেগুলো হলো—
কীভাবে অ্যাংজাইটি ইচিং নির্ণয় করা হয়
প্রথমে চিকিৎসক চুলকানির শারীরিক কারণ; যেমন পোকামাকড়ের কামড়, ত্বকের শুষ্কতা, একজিমা বা অ্যালার্জি আছে কি না, তা নির্ণয় করা হয়। তারপর ডায়াবেটিস, অ্যানিমিয়া বা থাইরয়েডের মতো রোগগুলোও খতিয়ে দেখা হয়। সঠিক সিদ্ধান্তে আসার জন্য রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যসহ সম্পূর্ণ রোগের সব তথ্য চিকিৎসককে জানাতে হবে। এর ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক নিশ্চিত হবেন, চুলকানি মানসিক চাপের জন্য হচ্ছে, নাকি অন্য কোনো কারণে। মানসিক চাপের জন্য চুলকানি হচ্ছে নিশ্চিত হলে সেই অনুযায়ী চিকিৎসক উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
কারণ ছাড়া অতিরিক্ত চুলকানি অনেক সময় কোনো অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য সমস্যার কারণেও হতে পারে। মূল কারণ জানা এবং সঠিক চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অ্যাংজাইটি ইচিং যদি আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত করে, ত্বকে সংক্রমণ বা গুরুতর ক্ষতি করে বা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঘরোয়া চিকিৎসায়ও না কমে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। এ ছাড়া চুলকানির সঙ্গে জ্বর, রাতে ঘাম হওয়া বা অস্বাভাবিক হারে ওজন কমার মতো লক্ষণ থাকলেও দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। মনে রাখবেন, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই অ্যাংজাইটি ইচিংয়ের মতো সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা সেই কাজটা (যেটা আপনি গত বছর থেকেই ‘কাল করব, কাল করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন) আজ নিজেই আপনাকে লাথি মেরে শুরু করিয়ে দেবে। একে ভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত ভাবুন। তবে সাবধান, এই ‘গতি’ যেন আপনার মানিব্যাগের দিকে না যায়।
১৫ নভেম্বর ২০২৫
সুস্থ, সচেতন ও সক্রিয় নগরজীবন গঠনের বিভিন্ন আন্দোলন আছে ঢাকা শহরে। আছে তাদের নিয়মিত ইভেন্ট। এ ইতিহাসে যুক্ত হলো ‘ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে’ ম্যারাথন। এর আয়োজক ছিল ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ট্রায়াথলন ড্রিমার্স। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এটি ছিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম এআইএমএস সার্টিফায়েড ৩০ কিলোমিটার ম্যারাথন।...
১১ ঘণ্টা আগে
বিলাসিতা কেমন হতে পারে? এর উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের চোখ চলে যায় পৃথিবীর সেই সব বিরল উপাদানের দিকে, যেগুলোর মূল্য প্রায় আকাশছোঁয়া। এই উপাদানগুলোর দুর্লভতা এবং অনন্যতাই তাদের করে তুলেছে বিশেষ। যারা জীবনের সেরা জিনিসগুলোর খোঁজ করেন তাদের জন্য এই ধরনের খাবার উপভোগ করতে পারা একটি বিশেষ চাহিদা হতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে
আপনি যদি ২৫ সালের শেষে এসে বারবার ভাবেন, "সময় কোথায় গেল? " তবে জেনে রাখুন, এই অনুভূতি কেবল আপনার একার নয়। সময় মুহূর্তের মধ্যে ফুরিয়ে যায় নদীর স্রোতের মতন। দেখতে দেখতে আমরা আরও একটি বছরের প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ নতুন বছর আমাদের জন্য নতুন করে ঘুরে দেখার আর
২১ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক

বিলাসিতা কেমন হতে পারে? এর উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের চোখ চলে যায় পৃথিবীর সেই সব বিরল উপাদানের দিকে, যেগুলোর মূল্য প্রায় আকাশছোঁয়া। এই উপাদানগুলোর দুর্লভতা এবং অনন্যতাই তাদের করে তুলেছে বিশেষ। যারা জীবনের সেরা জিনিসগুলোর খোঁজ করেন তাদের জন্য এই ধরনের খাবার উপভোগ করতে পারা একটি বিশেষ চাহিদা হতে পারে। এই খাবারগুলো কেবল খাদ্য নয় বরং শিল্পের এক একটি অংশ হয়ে উঠেছে। আর তাই এরা তাদের ক্রেতাদের কাছে ক্ষমতা, প্রাচুর্য এবং এক বিশেষ জীবনযাত্রার প্রতীক।
সবচেয়ে দামি খাবারের তালিকায় প্রথমে আসে সেই মাটির নিচের রহস্য। যা সোনার চেয়েও মূল্যবান। ইতালির পিডমন্ট অঞ্চলের স্থানীয় সাদা ট্রাফল এমনই এক ছত্রাক, যা অত্যন্ত দুর্লভ ও ব্যয়বহুল। একবার চীনের ম্যাকাও-এর এক ক্যাসিনো মালিক প্রায় দেড় কেজি ওজনের একটি ট্রাফল ৩,৩০, ০০০ ডলারে কিনেছিলেন। টাকায় হিসাব করলে যার দাম হয় ৪ কোটি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪০০ টাকা। অন্যদিকে, মসলার জগতে রাজা হলো জাফরান। যাকে ডাকা হয় ’লাল সোনা’ নামে। এক কেজি জাফরান তৈরি করতে হাজার হাজার ফুল লাগে। এ জন্য এর দাম পৃথিবীর সবচেয়ে দামি মসলার স্থানে নিয়ে গেছে। ফরাসি দ্বীপ নুয়ারমুতিয়ে-তে জন্মানো লা বোনোটে আলুর ক্ষেত্রেও সেই বিরলতা দেখা যায়। বিশেষ পরিবেশে ও শৈবালের কারণে এদের প্রতি কেজির দাম প্রায় ৬০০ ডলার বা ৭৩,১৭৮ টাকা।
মাংস এবং সামুদ্রিক খাবারের জগতেও রয়েছে মহাযজ্ঞের ছোঁয়া। জাপানের ওয়াগিউ বিফ কেবল সুস্বাদুই নয়, এর পেছনের প্রক্রিয়াটিও রাজকীয়। এই গরুগুলোকে বিশেষ খাবার দেওয়া হয়। এমনকি প্রতিদিন মালিশও করা হয়। যার ফলস্বরূপ এর ১০০ গ্রাম মাংসের দাম প্রায় ৫০ ডলার। অর্থাৎ ৬০৯৯ টাকা। আরও একধাপ এগিয়ে, ২০১৯ সালে জাপানে একটি স্নো ক্র্যাব। যা নিলামে বিক্রি হয়েছিল প্রায় ৪৬,০০০ ডলারে। তবে সামুদ্রিক খাবারের মুকুট হলো অ্যালমাস ক্যাভিয়ার। এই বিরল বেলুগা ক্যাভিয়ার প্রতি কেজি ৩৪,৫০০ ডলারে বিক্রি হয়ে থাকে। যার বাংলাদেশি মূল্য দাঁড়ায় ৪২,০৮৩১০ টাকা। যা সত্যিকারের বিলাসিতার প্রতিচ্ছবি। অন্যদিকে, স্পেনের ঐতিহ্যবাহী ইবেরিকো হ্যাম-এর এক পা বা লেগ ৪,৫০০ ডলারের মতো দামে বিক্রি হওয়ার বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।

রেস্টুরেন্টে গেলে ৮০০ টাকা থাকে শুরু করে ৩০০০ টাকায় পিৎজা পাওয়া যায়। তবে ১২,০০০ ডলার বা ১,৪৬৩, ৭৬০ টাকার পিৎজা কখনো শুনেছেন? আপনি না শুনে থাকলেও পৃথিবীতে তা আছে। পিৎজা নির্মাতা রেনাটো ভায়োলা তৈরি করেছিলেন লিউস XIII পিৎজা। যার উপাদানগুলোর মধ্যে ছিল তিন ধরনের ক্যাভিয়ার। আবার স্কটল্যান্ডের ডোমিনিকো ক্রলা-এর তৈরি পিৎজা রয়্যাল ০০৭ বিকোয় ৪,২০০ ডলারে। যেখানে কগনাক-এ ম্যারিনেট করা লবস্টার ও শ্যাম্পেনে ভেজানো ক্যাভিয়ার ব্যবহার করা হয়েছিল। মেক্সিকোর গ্র্যান্ড ভেলাস রিসোর্টে পাওয়া গ্র্যান্ড ভেলাস লস কাবোস টাকো। যার মূল্য ২৫,০০০ ডলার, যেখানে ছিল কোবে বিফ এবং সোনা-মিশ্রিত টর্টিলা। এমনকি নিউ ইয়র্কের একটি সাধারণ গ্রিলড চিজ স্যান্ডউইচও যখন শ্যাম্পেনে ভেজানো রুটি আর সোনার ফ্লেক্সের সঙ্গে আসে, তখন সেই কুইন্টেসেনশিয়াল গ্রিলড চিজ-এর দাম দাঁড়ায় ২১৪ ডলার।
মিষ্টি এবং পানীয়ের ক্ষেত্রেও বিলাসিতা তার ছাপ ফেলেছে। পেস্ট্রি শেফ জেওং হং-ইয়ংটো এক মাস সময় নিয়ে একটি ক্রিসমাস কেক তৈরি করেছিলেন, যাতে ছিল ২২৩টি হিরা, আর এর দাম ছিল অবিশ্বাস্য ১.৭ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, জাপানি ফলগুলোর মধ্যেও রয়েছে রাজকীয়তা। একটি ডেনসুকে ওয়াটারমেলন নিলামে ৬,১০০ ডলারে বিক্রি হয়েছিল এবং দুটি ইউবারি কিং মেলন ৪৫,০০০ ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। পানীয়ের ক্ষেত্রে, ১৯৫২ সালের বিরল টুলিবার্ডিন হুইস্কির একটি বোতলের দাম ৪১,০০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছিল। তবে প্রকৃতির অদ্ভুত খেয়ালের ফল হলো কপি লুয়াক কফি। সিভেট ক্যাট বা গন্ধগোকুলের হজম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি এই কফি প্রতি কেজি প্রায় ৭০০ ডলারে বিক্রি হয়।
সূত্র: স্টার্স ইনসাইডার

বিলাসিতা কেমন হতে পারে? এর উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের চোখ চলে যায় পৃথিবীর সেই সব বিরল উপাদানের দিকে, যেগুলোর মূল্য প্রায় আকাশছোঁয়া। এই উপাদানগুলোর দুর্লভতা এবং অনন্যতাই তাদের করে তুলেছে বিশেষ। যারা জীবনের সেরা জিনিসগুলোর খোঁজ করেন তাদের জন্য এই ধরনের খাবার উপভোগ করতে পারা একটি বিশেষ চাহিদা হতে পারে। এই খাবারগুলো কেবল খাদ্য নয় বরং শিল্পের এক একটি অংশ হয়ে উঠেছে। আর তাই এরা তাদের ক্রেতাদের কাছে ক্ষমতা, প্রাচুর্য এবং এক বিশেষ জীবনযাত্রার প্রতীক।
সবচেয়ে দামি খাবারের তালিকায় প্রথমে আসে সেই মাটির নিচের রহস্য। যা সোনার চেয়েও মূল্যবান। ইতালির পিডমন্ট অঞ্চলের স্থানীয় সাদা ট্রাফল এমনই এক ছত্রাক, যা অত্যন্ত দুর্লভ ও ব্যয়বহুল। একবার চীনের ম্যাকাও-এর এক ক্যাসিনো মালিক প্রায় দেড় কেজি ওজনের একটি ট্রাফল ৩,৩০, ০০০ ডলারে কিনেছিলেন। টাকায় হিসাব করলে যার দাম হয় ৪ কোটি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪০০ টাকা। অন্যদিকে, মসলার জগতে রাজা হলো জাফরান। যাকে ডাকা হয় ’লাল সোনা’ নামে। এক কেজি জাফরান তৈরি করতে হাজার হাজার ফুল লাগে। এ জন্য এর দাম পৃথিবীর সবচেয়ে দামি মসলার স্থানে নিয়ে গেছে। ফরাসি দ্বীপ নুয়ারমুতিয়ে-তে জন্মানো লা বোনোটে আলুর ক্ষেত্রেও সেই বিরলতা দেখা যায়। বিশেষ পরিবেশে ও শৈবালের কারণে এদের প্রতি কেজির দাম প্রায় ৬০০ ডলার বা ৭৩,১৭৮ টাকা।
মাংস এবং সামুদ্রিক খাবারের জগতেও রয়েছে মহাযজ্ঞের ছোঁয়া। জাপানের ওয়াগিউ বিফ কেবল সুস্বাদুই নয়, এর পেছনের প্রক্রিয়াটিও রাজকীয়। এই গরুগুলোকে বিশেষ খাবার দেওয়া হয়। এমনকি প্রতিদিন মালিশও করা হয়। যার ফলস্বরূপ এর ১০০ গ্রাম মাংসের দাম প্রায় ৫০ ডলার। অর্থাৎ ৬০৯৯ টাকা। আরও একধাপ এগিয়ে, ২০১৯ সালে জাপানে একটি স্নো ক্র্যাব। যা নিলামে বিক্রি হয়েছিল প্রায় ৪৬,০০০ ডলারে। তবে সামুদ্রিক খাবারের মুকুট হলো অ্যালমাস ক্যাভিয়ার। এই বিরল বেলুগা ক্যাভিয়ার প্রতি কেজি ৩৪,৫০০ ডলারে বিক্রি হয়ে থাকে। যার বাংলাদেশি মূল্য দাঁড়ায় ৪২,০৮৩১০ টাকা। যা সত্যিকারের বিলাসিতার প্রতিচ্ছবি। অন্যদিকে, স্পেনের ঐতিহ্যবাহী ইবেরিকো হ্যাম-এর এক পা বা লেগ ৪,৫০০ ডলারের মতো দামে বিক্রি হওয়ার বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।

রেস্টুরেন্টে গেলে ৮০০ টাকা থাকে শুরু করে ৩০০০ টাকায় পিৎজা পাওয়া যায়। তবে ১২,০০০ ডলার বা ১,৪৬৩, ৭৬০ টাকার পিৎজা কখনো শুনেছেন? আপনি না শুনে থাকলেও পৃথিবীতে তা আছে। পিৎজা নির্মাতা রেনাটো ভায়োলা তৈরি করেছিলেন লিউস XIII পিৎজা। যার উপাদানগুলোর মধ্যে ছিল তিন ধরনের ক্যাভিয়ার। আবার স্কটল্যান্ডের ডোমিনিকো ক্রলা-এর তৈরি পিৎজা রয়্যাল ০০৭ বিকোয় ৪,২০০ ডলারে। যেখানে কগনাক-এ ম্যারিনেট করা লবস্টার ও শ্যাম্পেনে ভেজানো ক্যাভিয়ার ব্যবহার করা হয়েছিল। মেক্সিকোর গ্র্যান্ড ভেলাস রিসোর্টে পাওয়া গ্র্যান্ড ভেলাস লস কাবোস টাকো। যার মূল্য ২৫,০০০ ডলার, যেখানে ছিল কোবে বিফ এবং সোনা-মিশ্রিত টর্টিলা। এমনকি নিউ ইয়র্কের একটি সাধারণ গ্রিলড চিজ স্যান্ডউইচও যখন শ্যাম্পেনে ভেজানো রুটি আর সোনার ফ্লেক্সের সঙ্গে আসে, তখন সেই কুইন্টেসেনশিয়াল গ্রিলড চিজ-এর দাম দাঁড়ায় ২১৪ ডলার।
মিষ্টি এবং পানীয়ের ক্ষেত্রেও বিলাসিতা তার ছাপ ফেলেছে। পেস্ট্রি শেফ জেওং হং-ইয়ংটো এক মাস সময় নিয়ে একটি ক্রিসমাস কেক তৈরি করেছিলেন, যাতে ছিল ২২৩টি হিরা, আর এর দাম ছিল অবিশ্বাস্য ১.৭ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, জাপানি ফলগুলোর মধ্যেও রয়েছে রাজকীয়তা। একটি ডেনসুকে ওয়াটারমেলন নিলামে ৬,১০০ ডলারে বিক্রি হয়েছিল এবং দুটি ইউবারি কিং মেলন ৪৫,০০০ ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। পানীয়ের ক্ষেত্রে, ১৯৫২ সালের বিরল টুলিবার্ডিন হুইস্কির একটি বোতলের দাম ৪১,০০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছিল। তবে প্রকৃতির অদ্ভুত খেয়ালের ফল হলো কপি লুয়াক কফি। সিভেট ক্যাট বা গন্ধগোকুলের হজম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি এই কফি প্রতি কেজি প্রায় ৭০০ ডলারে বিক্রি হয়।
সূত্র: স্টার্স ইনসাইডার

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা সেই কাজটা (যেটা আপনি গত বছর থেকেই ‘কাল করব, কাল করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন) আজ নিজেই আপনাকে লাথি মেরে শুরু করিয়ে দেবে। একে ভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত ভাবুন। তবে সাবধান, এই ‘গতি’ যেন আপনার মানিব্যাগের দিকে না যায়।
১৫ নভেম্বর ২০২৫
সুস্থ, সচেতন ও সক্রিয় নগরজীবন গঠনের বিভিন্ন আন্দোলন আছে ঢাকা শহরে। আছে তাদের নিয়মিত ইভেন্ট। এ ইতিহাসে যুক্ত হলো ‘ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে’ ম্যারাথন। এর আয়োজক ছিল ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ট্রায়াথলন ড্রিমার্স। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এটি ছিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম এআইএমএস সার্টিফায়েড ৩০ কিলোমিটার ম্যারাথন।...
১১ ঘণ্টা আগে
আমাদের শরীর ও মন পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আমরা যখন দুশ্চিন্তা করি বা মানসিক চাপে থাকি, তখন শরীরে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়; যা আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং এর ফলে অনেক সময় শরীরে চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার মতো হতে পারে। এই অবস্থাকেই বলে ‘অ্যাংজাইটি ইচিং’ বা উদ্বেগজনিত চুলকানি।...
১৪ ঘণ্টা আগে
আপনি যদি ২৫ সালের শেষে এসে বারবার ভাবেন, "সময় কোথায় গেল? " তবে জেনে রাখুন, এই অনুভূতি কেবল আপনার একার নয়। সময় মুহূর্তের মধ্যে ফুরিয়ে যায় নদীর স্রোতের মতন। দেখতে দেখতে আমরা আরও একটি বছরের প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ নতুন বছর আমাদের জন্য নতুন করে ঘুরে দেখার আর
২১ ঘণ্টা আগেফিচার ডেস্ক

আপনি যদি ২৫ সালের শেষে এসে বারবার ভাবেন, "সময় কোথায় গেল? " তবে জেনে রাখুন, এই অনুভূতি কেবল আপনার একার নয়। সময় মুহূর্তের মধ্যে ফুরিয়ে যায় নদীর স্রোতের মতন। দেখতে দেখতে আমরা আরও একটি বছরের প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ নতুন বছর আমাদের জন্য নতুন করে ঘুরে দেখার আর অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ নিয়ে আসছে। আর এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে সাহায্য করার জন্য এয়ারবিএনবি প্রকাশ করেছে ২০২৬ সালের জন্য তাদের ভ্রমণ প্রবণতা পূর্বাভাস।
এই হোম-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী বছর ভ্রমণকারীরা তাদের ছুটি থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে চাইবেন। যা হবে অভিজ্ঞতার কেন্দ্রিক। তাদের রিপোর্টে বেশ কয়েকটি মূল বিষয় উঠে এসেছে। যা আপনাকেও বিশ্ব ভ্রমণের ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করতে পারে। এখানে উল্লিখিত পূর্বাভাসগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ২০২৬ সালে ভ্রমণ হবে আরও সংক্ষিপ্ত, প্রকৃতির কাছাকাছি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভরপুর এবং অবশ্যই খাদ্য-কেন্দ্রিক। আপনিও আপনার পরবর্তী ভ্রমণের জন্য এই নতুন ধারাগুলো বিবেচনা করতে পারেন।

জেনও জিদের আলট্রা-শর্ট আন্তর্জাতিক ট্রিপ
২০২৬ সালে ভ্রমণের সংজ্ঞাই পাল্টে দিচ্ছে জেনারেশন জি বা জেন জি। বিশাল, বহু-সপ্তাহব্যাপী ভ্রমণের পরিকল্পনাকে ভুলে যান। জেন জি আমাদের শেখাচ্ছে কীভাবে ৪৮ ঘণ্টা বা তারও কম সময়ে যেকোনো স্থানে উড়ে যাওয়া যায়। এয়ারবিএনবি-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জেন জি রা ’কুইক ট্রিপ’-এর ধারণাটি নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে। দীর্ঘ অবকাশের তুলনায় তাদের ১-২ দিনের আন্তর্জাতিক যাত্রা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। টিকটক-এর ভাইরাল ডে-ট্রিপ ট্রেন্ড দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, এই তরুণ প্রজন্ম সংস্কৃতি-সমৃদ্ধ, উচ্চ-শক্তির অভিজ্ঞতার জন্য মহাদেশ পাড়ি দিচ্ছে। এয়ারবিএনবি বলছে, জেন জি রা কর্মবিরতি সর্বাধিক ভাবে ব্যবহার করার এক নতুন কৌশল দেখাচ্ছে। তারা শান্ত সমুদ্র সৈকতের বদলে বেছে নিচ্ছে সংগীত, নৃত্য, ঐতিহাসিক স্থান এবং খাঁটি খাবারে পূর্ণ প্রাণবন্ত শহুরে অভিজ্ঞতা। এই প্রজন্মের পছন্দের গন্তব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে বুয়েনোস আইরেস (আর্জেন্টিনা), বুসান (দক্ষিণ কোরিয়া), কো সামুই (থাইল্যান্ড), মারাকেশ (মরক্কো), মেক্সিকো সিটি (মেক্সিকো), সান জুয়ান (পুয়ের্তো রিকো) এবং স্টকহোম (সুইডেন)।
প্রকৃতির সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানো
প্রকৃতির সান্নিধ্য লাভ করা ২০২৫ সালেও একটি জনপ্রিয় প্রবণতা ছিল। আর ২০২৬ সালে এটি আরও বেগবান হবে। এয়ারবিএনবি জানিয়েছে যে বিশ্বজুড়ে জাতীয় উদ্যানগুলির প্রতি অনুসন্ধান এবং আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি জাতীয় উদ্যানের কাছাকাছি থাকার জায়গা খোঁজার হার আগামী বছরের জন্য ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গ্রেট স্মোকি মাউন্টেনস, শেনানডোহ এবং গ্র্যান্ড টেটনের মতো মার্কিন পার্কগুলোর শতবর্ষ উদ্যাপনের কারণে সেগুলোর প্রতি আগ্রহ আরও বাড়ছে। বৈশ্বিক গন্তব্যগুলোর মধ্যে স্যামারিয়া জর্জ ন্যাশনাল পার্কের কাছাকাছি গ্রিসের ক্রিট, ভিয়েনা, ইন্ডিয়ার গোয়া এবং ইতালির সার্ডিনিয়ার মতো স্থানগুলো ভ্রমণকারীদের নজরে রয়েছে।

বড় ইভেন্টগুলোর টানে ভিড় জমছে
২০২৬ সালে ভ্রমণকারীরা বড় ধরনের সাংস্কৃতিক, খেলাধুলা এবং সংগীত অনুষ্ঠানগুলোকে ঘিরে তাদের যাত্রা পরিকল্পনা করছেন। এয়ারবিএনবি-এর তথ্য অনুযায়ী, আগামী বছরের জন্য শীর্ষ-অনুসন্ধান করা তারিখ এবং শহরগুলোর ৬৫ শতাংশই প্রধান ইভেন্টগুলোর সঙ্গে মিলে যায়। যেমন ফিফা বিশ্বকাপ, কার্নিভাল বা কোচেলা। ভ্রমণকারীরা এই অভিজ্ঞতাগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, যেন টিকিটই তাদের পাসপোর্টে পরিণত হচ্ছে। কার্নিভালের জন্য রিউ দে জানেরো, কোচেলার জন্য ইন্ডিয়ো, মার্ডি গ্রাস-এর জন্য নিউ অর্লিন্স এবং ২০২৬ অলিম্পিক উইন্টার গেমসের জন্য ইতালির মিলান শীর্ষ অনুসন্ধান তালিকায় রয়েছে।
একক ভ্রমণের পুনরুত্থান
একাকী ভ্রমণ বা সোল ট্রাভেল আবার তার কৃতিত্ব ফিরে পাচ্ছে। স্ব-আবিষ্কারের অনলাইন আলোচনায় উৎসাহিত হয়ে, একক ভ্রমণকারীরা এখন কেবল পুরোনো জায়গায় ফিরে যাচ্ছেন না বরং নতুন হটস্পট আবিষ্কার করছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার ইডিল্ডওয়াইল্ড, ডোমিনিকান রিপাবলিকের লা আলতাগ্রেসিয়া এবং নরওয়ের ট্রোমসো-এর মতো জায়গাগুলোতে অনুসন্ধান তিন অঙ্কের বৃদ্ধি দেখছে। অন্যান্য জনপ্রিয় একক ভ্রমণের গন্তব্যের মধ্যে রয়েছে পর্তুগালের আলগার্ভ অঞ্চল, স্পেনের কোস্টা দেল সল, ফ্লোরিডা কিস এবং স্কটল্যান্ডের ইনভারনেস।
রন্ধনশিল্পের প্রতি আকর্ষণ
২০২৬ সালের জন্য খাবার ও পানীয় সম্পর্কিত ভ্রমণ যেন একেবারে আগুন ঝরাচ্ছে। যেখানে বেকারি ক্লাস এবং ওয়াইন অঞ্চলগুলো শীর্ষে রয়েছে। প্যারিসে ক্রোসঁ তৈরির ক্লাস বা টোকিওতে মোচি বানানো শেখার মতন হাতে-কলমে অভিজ্ঞতার দিকে ভ্রমণকারীরা ঝুঁকছেন। ভাইরাল হওয়া টিকটক ফুড ভিডিওগুলো বিশ্বজুড়ে বেকারি এবং রান্নার ক্লাসের প্রতি আগ্রহ তৈরি করছে। ওয়াইন-প্রেমীরা বেঙ্গালুরু (ভারত), ফিঙ্গার লেকস (নিউ ইয়র্ক), মেলবোর্ন (অস্ট্রেলিয়া)-এর মতো উঠতি ওয়াইন অঞ্চলগুলিতে যাচ্ছেন। বেকারি-হটস্পটগুলোর মধ্যে ইস্তাম্বুল, লিসবন, প্যারিস, তাইপে এবং টোকিও বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
সূত্র: ট্রাভেল+লিজার

আপনি যদি ২৫ সালের শেষে এসে বারবার ভাবেন, "সময় কোথায় গেল? " তবে জেনে রাখুন, এই অনুভূতি কেবল আপনার একার নয়। সময় মুহূর্তের মধ্যে ফুরিয়ে যায় নদীর স্রোতের মতন। দেখতে দেখতে আমরা আরও একটি বছরের প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ নতুন বছর আমাদের জন্য নতুন করে ঘুরে দেখার আর অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ নিয়ে আসছে। আর এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে সাহায্য করার জন্য এয়ারবিএনবি প্রকাশ করেছে ২০২৬ সালের জন্য তাদের ভ্রমণ প্রবণতা পূর্বাভাস।
এই হোম-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী বছর ভ্রমণকারীরা তাদের ছুটি থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে চাইবেন। যা হবে অভিজ্ঞতার কেন্দ্রিক। তাদের রিপোর্টে বেশ কয়েকটি মূল বিষয় উঠে এসেছে। যা আপনাকেও বিশ্ব ভ্রমণের ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করতে পারে। এখানে উল্লিখিত পূর্বাভাসগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ২০২৬ সালে ভ্রমণ হবে আরও সংক্ষিপ্ত, প্রকৃতির কাছাকাছি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভরপুর এবং অবশ্যই খাদ্য-কেন্দ্রিক। আপনিও আপনার পরবর্তী ভ্রমণের জন্য এই নতুন ধারাগুলো বিবেচনা করতে পারেন।

জেনও জিদের আলট্রা-শর্ট আন্তর্জাতিক ট্রিপ
২০২৬ সালে ভ্রমণের সংজ্ঞাই পাল্টে দিচ্ছে জেনারেশন জি বা জেন জি। বিশাল, বহু-সপ্তাহব্যাপী ভ্রমণের পরিকল্পনাকে ভুলে যান। জেন জি আমাদের শেখাচ্ছে কীভাবে ৪৮ ঘণ্টা বা তারও কম সময়ে যেকোনো স্থানে উড়ে যাওয়া যায়। এয়ারবিএনবি-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জেন জি রা ’কুইক ট্রিপ’-এর ধারণাটি নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে। দীর্ঘ অবকাশের তুলনায় তাদের ১-২ দিনের আন্তর্জাতিক যাত্রা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। টিকটক-এর ভাইরাল ডে-ট্রিপ ট্রেন্ড দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, এই তরুণ প্রজন্ম সংস্কৃতি-সমৃদ্ধ, উচ্চ-শক্তির অভিজ্ঞতার জন্য মহাদেশ পাড়ি দিচ্ছে। এয়ারবিএনবি বলছে, জেন জি রা কর্মবিরতি সর্বাধিক ভাবে ব্যবহার করার এক নতুন কৌশল দেখাচ্ছে। তারা শান্ত সমুদ্র সৈকতের বদলে বেছে নিচ্ছে সংগীত, নৃত্য, ঐতিহাসিক স্থান এবং খাঁটি খাবারে পূর্ণ প্রাণবন্ত শহুরে অভিজ্ঞতা। এই প্রজন্মের পছন্দের গন্তব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে বুয়েনোস আইরেস (আর্জেন্টিনা), বুসান (দক্ষিণ কোরিয়া), কো সামুই (থাইল্যান্ড), মারাকেশ (মরক্কো), মেক্সিকো সিটি (মেক্সিকো), সান জুয়ান (পুয়ের্তো রিকো) এবং স্টকহোম (সুইডেন)।
প্রকৃতির সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানো
প্রকৃতির সান্নিধ্য লাভ করা ২০২৫ সালেও একটি জনপ্রিয় প্রবণতা ছিল। আর ২০২৬ সালে এটি আরও বেগবান হবে। এয়ারবিএনবি জানিয়েছে যে বিশ্বজুড়ে জাতীয় উদ্যানগুলির প্রতি অনুসন্ধান এবং আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি জাতীয় উদ্যানের কাছাকাছি থাকার জায়গা খোঁজার হার আগামী বছরের জন্য ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গ্রেট স্মোকি মাউন্টেনস, শেনানডোহ এবং গ্র্যান্ড টেটনের মতো মার্কিন পার্কগুলোর শতবর্ষ উদ্যাপনের কারণে সেগুলোর প্রতি আগ্রহ আরও বাড়ছে। বৈশ্বিক গন্তব্যগুলোর মধ্যে স্যামারিয়া জর্জ ন্যাশনাল পার্কের কাছাকাছি গ্রিসের ক্রিট, ভিয়েনা, ইন্ডিয়ার গোয়া এবং ইতালির সার্ডিনিয়ার মতো স্থানগুলো ভ্রমণকারীদের নজরে রয়েছে।

বড় ইভেন্টগুলোর টানে ভিড় জমছে
২০২৬ সালে ভ্রমণকারীরা বড় ধরনের সাংস্কৃতিক, খেলাধুলা এবং সংগীত অনুষ্ঠানগুলোকে ঘিরে তাদের যাত্রা পরিকল্পনা করছেন। এয়ারবিএনবি-এর তথ্য অনুযায়ী, আগামী বছরের জন্য শীর্ষ-অনুসন্ধান করা তারিখ এবং শহরগুলোর ৬৫ শতাংশই প্রধান ইভেন্টগুলোর সঙ্গে মিলে যায়। যেমন ফিফা বিশ্বকাপ, কার্নিভাল বা কোচেলা। ভ্রমণকারীরা এই অভিজ্ঞতাগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, যেন টিকিটই তাদের পাসপোর্টে পরিণত হচ্ছে। কার্নিভালের জন্য রিউ দে জানেরো, কোচেলার জন্য ইন্ডিয়ো, মার্ডি গ্রাস-এর জন্য নিউ অর্লিন্স এবং ২০২৬ অলিম্পিক উইন্টার গেমসের জন্য ইতালির মিলান শীর্ষ অনুসন্ধান তালিকায় রয়েছে।
একক ভ্রমণের পুনরুত্থান
একাকী ভ্রমণ বা সোল ট্রাভেল আবার তার কৃতিত্ব ফিরে পাচ্ছে। স্ব-আবিষ্কারের অনলাইন আলোচনায় উৎসাহিত হয়ে, একক ভ্রমণকারীরা এখন কেবল পুরোনো জায়গায় ফিরে যাচ্ছেন না বরং নতুন হটস্পট আবিষ্কার করছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার ইডিল্ডওয়াইল্ড, ডোমিনিকান রিপাবলিকের লা আলতাগ্রেসিয়া এবং নরওয়ের ট্রোমসো-এর মতো জায়গাগুলোতে অনুসন্ধান তিন অঙ্কের বৃদ্ধি দেখছে। অন্যান্য জনপ্রিয় একক ভ্রমণের গন্তব্যের মধ্যে রয়েছে পর্তুগালের আলগার্ভ অঞ্চল, স্পেনের কোস্টা দেল সল, ফ্লোরিডা কিস এবং স্কটল্যান্ডের ইনভারনেস।
রন্ধনশিল্পের প্রতি আকর্ষণ
২০২৬ সালের জন্য খাবার ও পানীয় সম্পর্কিত ভ্রমণ যেন একেবারে আগুন ঝরাচ্ছে। যেখানে বেকারি ক্লাস এবং ওয়াইন অঞ্চলগুলো শীর্ষে রয়েছে। প্যারিসে ক্রোসঁ তৈরির ক্লাস বা টোকিওতে মোচি বানানো শেখার মতন হাতে-কলমে অভিজ্ঞতার দিকে ভ্রমণকারীরা ঝুঁকছেন। ভাইরাল হওয়া টিকটক ফুড ভিডিওগুলো বিশ্বজুড়ে বেকারি এবং রান্নার ক্লাসের প্রতি আগ্রহ তৈরি করছে। ওয়াইন-প্রেমীরা বেঙ্গালুরু (ভারত), ফিঙ্গার লেকস (নিউ ইয়র্ক), মেলবোর্ন (অস্ট্রেলিয়া)-এর মতো উঠতি ওয়াইন অঞ্চলগুলিতে যাচ্ছেন। বেকারি-হটস্পটগুলোর মধ্যে ইস্তাম্বুল, লিসবন, প্যারিস, তাইপে এবং টোকিও বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
সূত্র: ট্রাভেল+লিজার

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা সেই কাজটা (যেটা আপনি গত বছর থেকেই ‘কাল করব, কাল করব’ বলে ফেলে রেখেছিলেন) আজ নিজেই আপনাকে লাথি মেরে শুরু করিয়ে দেবে। একে ভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত ভাবুন। তবে সাবধান, এই ‘গতি’ যেন আপনার মানিব্যাগের দিকে না যায়।
১৫ নভেম্বর ২০২৫
সুস্থ, সচেতন ও সক্রিয় নগরজীবন গঠনের বিভিন্ন আন্দোলন আছে ঢাকা শহরে। আছে তাদের নিয়মিত ইভেন্ট। এ ইতিহাসে যুক্ত হলো ‘ঢাকা ড্যাশ ৩০-কে’ ম্যারাথন। এর আয়োজক ছিল ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ট্রায়াথলন ড্রিমার্স। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এটি ছিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম এআইএমএস সার্টিফায়েড ৩০ কিলোমিটার ম্যারাথন।...
১১ ঘণ্টা আগে
আমাদের শরীর ও মন পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আমরা যখন দুশ্চিন্তা করি বা মানসিক চাপে থাকি, তখন শরীরে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়; যা আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং এর ফলে অনেক সময় শরীরে চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার মতো হতে পারে। এই অবস্থাকেই বলে ‘অ্যাংজাইটি ইচিং’ বা উদ্বেগজনিত চুলকানি।...
১৪ ঘণ্টা আগে
বিলাসিতা কেমন হতে পারে? এর উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের চোখ চলে যায় পৃথিবীর সেই সব বিরল উপাদানের দিকে, যেগুলোর মূল্য প্রায় আকাশছোঁয়া। এই উপাদানগুলোর দুর্লভতা এবং অনন্যতাই তাদের করে তুলেছে বিশেষ। যারা জীবনের সেরা জিনিসগুলোর খোঁজ করেন তাদের জন্য এই ধরনের খাবার উপভোগ করতে পারা একটি বিশেষ চাহিদা হতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে