জীবনধারা ডেস্ক

বর্ষাকালে বাইরে বের হলে স্বাভাবিকভাবেই জর্জেট, সিল্ক, হাফ সিল্ক, সিনথেটিক বা লিনেনের তৈরি পোশাক বেশি পরা হয়। এতে বৃষ্টির ছাঁটে ভিজে গেলেও কম সময়ে কাপড় শুকিয়ে যায়। বর্ষায় ঘরের বাইরে পা রাখতে হলে আরও কিছু প্রস্তুতি থাকা চাই। নয়ত আষাঢ়ের বৃষ্টিতেই মাটিতে হয়ে যেতে পারে পুরো দিন।
পানিরোধী মেকআপ
সাতসকালের ক্লাস হোক বা পরিপাটি হয়ে অফিসে যাওয়া, একটু প্রসাধন ছাড়া কি আর বের হওয়া যায়? কিন্তু বর্ষায় প্রসাধনী ব্যবহারে সতর্ক থাকা চাই। বর্ষাকালে মেকআপ যতটা কম নেওয়া যায় ততই ভালো। যদি মেকআপ নিতেই হয় তবে তা হতে হবে পানিরোধী বা ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ। এই মেকআপের কাজই হলো ঘাম, তুমুল বৃষ্টি কিংবা মুখ ভেজালেও মেকআপ গলবে না। মেকআপের পর চেহারায় যে নিখুঁত আবরণ তৈরি হবে, তা নষ্টও হবে না। বাজারে এখন যেসব ফাউন্ডেশন, মাসকারা, কাজল, লিপস্টিক পাওয়া যায়; তার অধিকাংশই ওয়াটারপ্রুফ বা পানিরোধী। এই ওয়াটারপ্রুফ ফাউন্ডেশন তৈলাক্ত ও শুষ্ক উভয় ত্বকের জন্য উপযোগী। এসময় মেকআপের শুরুটা প্রাইমার দিয়ে আর শেষটা হবে সেটিং স্প্রে দিয়ে।
জুতো বাছাইয়ে সতর্কতা
বর্ষাকালে চামড়ার জুতা পরলে তা কাদাপানিতে নষ্ট তো হবেই, পায়ের ত্বকেও দেখা দিতে পারে নানান সমস্যা। যাঁরা সবসময় স্নিকার্স বা অন্যান্য় কেডসধর্মী জুতা ব্যবহার করেন তারাও এসময়টায় এসব জুতা এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের জুতার ভেতরে পানি ঢুকলে পায়ে দুর্গন্ধ হয়। দেখা দিতে পারে চর্মরোগ। এসময় পথে কাদাপানি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ফলে পা খোলা থাকে এমন প্লাস্টিক ও রাবারের স্যান্ডেল পরলে সহজেই পা ও জুতা ধুয়ে ফেলা যায়। সেক্ষেত্রে সামান্য় ফ্ল্যাটহিল জুতা পরলে সুবিধা হবে।
ব্যাগটা বর্ষার উপযোগী তো?
বর্ষাকালে চামড়ার ব্যাগ নিয়ে বাইরে বের না হলেই ভালো। চামড়ার ব্যাগ বৃষ্টিজলে ভিজে একেবারেই অকেজো হয়ে যেতে পারে। তাই কাপড়, রেক্সিন, সিনথেটিক ও প্লাস্টিক ব্যাগেই ভরসা রাখুন। এগুলোর ভিজলেও ক্ষতি নেই। আবার পরিষ্কার রাখাও সহজ।
ছাতা ও রেইনকোট
ছাতা না নিয়ে বৃষ্টি দিনে বাইরে বের হলেই পরতে হবে বিপত্তিতে। তবে ছাতা ফ্যাশনবেল হলেই হবে না, হতে হবে মজবুত যা ঝড়–বৃষ্টি থেকে আপনাকে সুরক্ষিত রাখবে। এখন শপিংমল ছাড়াও অনলাইনে ছাতা কিনতে পাওয়া যায়। যারা স্কুটি বা বাইক চালান তাদের সঙ্গে রেইনকোট অবশ্যই রাখতে হবে। ব্র্যান্ডেড ছাতা আর রেইনকোটের জন্য খোঁজ নিতে পারেন যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা শপিং মল, ইস্টার্ন প্লাজা, ইস্টার্ন মল্লিকা, রাপা প্লাজা, কর্ণফুলী গার্ডেন, গুলশানের ডিসিসি মার্কেট, ঢাকার নিউমার্কেট, ফার্মগেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, মৌচাক, মতিঝিলসহ সব জেলা শহরের ছোট-বড় মার্কেট ও সুপারমার্কেটগুলোয়। এছাড়াও এখন অনলাইনে ছাতা ও রেইনকোট কিনতে পাওয়া যায়।

বর্ষাকালে বাইরে বের হলে স্বাভাবিকভাবেই জর্জেট, সিল্ক, হাফ সিল্ক, সিনথেটিক বা লিনেনের তৈরি পোশাক বেশি পরা হয়। এতে বৃষ্টির ছাঁটে ভিজে গেলেও কম সময়ে কাপড় শুকিয়ে যায়। বর্ষায় ঘরের বাইরে পা রাখতে হলে আরও কিছু প্রস্তুতি থাকা চাই। নয়ত আষাঢ়ের বৃষ্টিতেই মাটিতে হয়ে যেতে পারে পুরো দিন।
পানিরোধী মেকআপ
সাতসকালের ক্লাস হোক বা পরিপাটি হয়ে অফিসে যাওয়া, একটু প্রসাধন ছাড়া কি আর বের হওয়া যায়? কিন্তু বর্ষায় প্রসাধনী ব্যবহারে সতর্ক থাকা চাই। বর্ষাকালে মেকআপ যতটা কম নেওয়া যায় ততই ভালো। যদি মেকআপ নিতেই হয় তবে তা হতে হবে পানিরোধী বা ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ। এই মেকআপের কাজই হলো ঘাম, তুমুল বৃষ্টি কিংবা মুখ ভেজালেও মেকআপ গলবে না। মেকআপের পর চেহারায় যে নিখুঁত আবরণ তৈরি হবে, তা নষ্টও হবে না। বাজারে এখন যেসব ফাউন্ডেশন, মাসকারা, কাজল, লিপস্টিক পাওয়া যায়; তার অধিকাংশই ওয়াটারপ্রুফ বা পানিরোধী। এই ওয়াটারপ্রুফ ফাউন্ডেশন তৈলাক্ত ও শুষ্ক উভয় ত্বকের জন্য উপযোগী। এসময় মেকআপের শুরুটা প্রাইমার দিয়ে আর শেষটা হবে সেটিং স্প্রে দিয়ে।
জুতো বাছাইয়ে সতর্কতা
বর্ষাকালে চামড়ার জুতা পরলে তা কাদাপানিতে নষ্ট তো হবেই, পায়ের ত্বকেও দেখা দিতে পারে নানান সমস্যা। যাঁরা সবসময় স্নিকার্স বা অন্যান্য় কেডসধর্মী জুতা ব্যবহার করেন তারাও এসময়টায় এসব জুতা এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের জুতার ভেতরে পানি ঢুকলে পায়ে দুর্গন্ধ হয়। দেখা দিতে পারে চর্মরোগ। এসময় পথে কাদাপানি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ফলে পা খোলা থাকে এমন প্লাস্টিক ও রাবারের স্যান্ডেল পরলে সহজেই পা ও জুতা ধুয়ে ফেলা যায়। সেক্ষেত্রে সামান্য় ফ্ল্যাটহিল জুতা পরলে সুবিধা হবে।
ব্যাগটা বর্ষার উপযোগী তো?
বর্ষাকালে চামড়ার ব্যাগ নিয়ে বাইরে বের না হলেই ভালো। চামড়ার ব্যাগ বৃষ্টিজলে ভিজে একেবারেই অকেজো হয়ে যেতে পারে। তাই কাপড়, রেক্সিন, সিনথেটিক ও প্লাস্টিক ব্যাগেই ভরসা রাখুন। এগুলোর ভিজলেও ক্ষতি নেই। আবার পরিষ্কার রাখাও সহজ।
ছাতা ও রেইনকোট
ছাতা না নিয়ে বৃষ্টি দিনে বাইরে বের হলেই পরতে হবে বিপত্তিতে। তবে ছাতা ফ্যাশনবেল হলেই হবে না, হতে হবে মজবুত যা ঝড়–বৃষ্টি থেকে আপনাকে সুরক্ষিত রাখবে। এখন শপিংমল ছাড়াও অনলাইনে ছাতা কিনতে পাওয়া যায়। যারা স্কুটি বা বাইক চালান তাদের সঙ্গে রেইনকোট অবশ্যই রাখতে হবে। ব্র্যান্ডেড ছাতা আর রেইনকোটের জন্য খোঁজ নিতে পারেন যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা শপিং মল, ইস্টার্ন প্লাজা, ইস্টার্ন মল্লিকা, রাপা প্লাজা, কর্ণফুলী গার্ডেন, গুলশানের ডিসিসি মার্কেট, ঢাকার নিউমার্কেট, ফার্মগেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, মৌচাক, মতিঝিলসহ সব জেলা শহরের ছোট-বড় মার্কেট ও সুপারমার্কেটগুলোয়। এছাড়াও এখন অনলাইনে ছাতা ও রেইনকোট কিনতে পাওয়া যায়।

আপনার চুল কি শুষ্ক, কোঁকড়া ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে? তাহলে নারকেল দুধ ব্যবহার করে দেখতে পারে। এটি ভিটামিন, খনিজ ও ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। অ্যালোভেরা, ডিম এবং দইয়ের মতো অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে নিলে নারকেল দুধ আপনার চুলের হারানো স্বাস্থ্য ফিরিয়ে দিতে পারে। এতে চুল হবে রেশমি ও তরতাজা।
৭ ঘণ্টা আগে
জেন-জি প্রজন্মের কাছে অর্থ উপার্জনের সংজ্ঞা বদলে গেছে। তারা এখন আর ৯ টা-৫টার নিয়ম বেঁধে চাকরি করতে চান না; বিশেষ করে এখন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের সুযোগ বাড়ায় এই মনোভাব দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। এই প্রজন্ম মূলত একাডেমিক জীবনের শেষে করোনা মহামারির সময় কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, এই প্রজন্মের প্রথম
৯ ঘণ্টা আগে
এই মৌসুমে আমাদের অনেকের হাতের আঙুলের ডগা, কিউটিকল এবং নখের চারপাশের ত্বক থেকে চামড়া ওঠে। সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে এগুলো নিজে থেকে সেরে যায়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি মৌসুমি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। চামড়া উঠতে উঠতে একেবারে রক্তও বের হয় অনেক সময়। কিন্তু সহজে সারে না।
১০ ঘণ্টা আগে
আমাদের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে রোদে পোড়া বা ‘সানবার্ন’ খুবই পরিচিত সমস্যা। তবে আমরা অনেকে জানি না যে সাধারণ এই রোদে পোড়া দাগ যখন চরমে পৌঁছায়, তখন তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘সান পয়জনিং’ বলা হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে