যত্নআত্তি

শখের বশে বাসার বেলকনি বা ছাদে যাঁরা সবজির চাষ করেন, তাঁদের অন্যতম সমস্যা ভাইরাসের আক্রমণ। এটি হলে অনেক সময় পুরো ব্যাপারটা বুঝে ওঠার আগেই গাছ মরে যায়। আবার অনেকে একে ভাবেন ছত্রাকের আক্রমণ। আদতে তা নয়।
গাছে ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর কোনো ওষুধ নেই। ফলে এই সংক্রমণ রোধে আগে থেকে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য গাছের আশপাশে আগাছা থাকলে তা পরিষ্কার করে দিতে হবে। পোকার ওষুধ দিলে সাময়িক সুবিধা পেলেও তা আবার ফিরে আসে। ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার মতো নয়। ফলে একবার একটি গাছের কোথাও সংক্রমণ হলে এরা ধীরে ধীরে পুরো গাছে ছড়িয়ে পড়ে।
গাছে ভাইরাস নিয়ে আসে জাব পোকা, সাদা মাছি, দইয়ের পোকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পোকামাকড়। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে কীটনাশক দিতে হবে।
গাছের প্রজাতি নির্বাচনের সময় ভাইরাস সহনশীল প্রজাতি গাছের চারা বেছে নিতে হবে। পাশের জমি বা বাগানে ভাইরাস সংক্রমণ করলে সতর্কভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।
ভাইরাসে আক্রান্ত গাছ মাটিতে পুঁতে কিংবা পুড়িয়ে ফেলতে হবে। উন্মুক্ত জায়গায় ফেলা যাবে না। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত গাছ কেটে সেই কাঁচি দিয়ে অন্য গাছ কাটা যাবে না।
ভাইরাসে আক্রান্ত হলে গাছের পাতা হলুদ হয়ে পাতা কুঁকড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া পাতা ছাই রঙের
হতে পারে।
কীটনাশক
শুরু থেকে নিমপাতার তৈরি কীটনাশক গাছে স্প্রে করুন। এটি অতিরিক্ত তিতা হওয়ায় পোকা অপছন্দ করে। হোমিও ওষুধ কালমেঘ মাদার এক লিটার পানিতে দুই মিলিলিটার গুলে স্প্রে করতে পারেন। এ ছাড়া এডমেয়ার বা ইমটাফ (ইমিডাক্লোপিড গ্রুপ), একতারা (থায়ামেটাক্সম), উলালা, সলেমান, ডেলিগেট, নাইট্রো, ট্রাপ (জৈব), মুভেন্ট কিংবা সবিক্রন নামের ওষুধগুলোর যেকোনো একটি সাত দিনে একবার স্প্রে করুন। মনে রাখবেন, পরিমিত কীটনাশক ব্যবহার করলে সবজি বিষযুক্ত হয় না।

জমে উঠেছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। পথে-ঘাটে গাড়ি থামিয়ে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখতেও ভুল হচ্ছে না এতটুকু। আর রাত জেগে প্রিয় দলের খেলা দেখার ব্যাপারটি তো আছেই। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। এই উন্মাদনা জার্সি ছাড়িয়ে উঠে এসেছে রোজকার পরিধেয়তেও।
১ ঘণ্টা আগে
আমাদের মুখমণ্ডলের অন্যান্য অংশের ত্বকের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি পাতলা হয় চোখের চারপাশের ত্বক। তাই রোজ যে ক্লিনজার স্ক্রাব বা ময়শ্চারাইজার আমরা মুখে ব্যবহার করি, তা চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য সমান কার্যকর নয়।
২ ঘণ্টা আগে
ভ্যাপসা গরমে যাঁরা রোজ অফিস করছেন বা যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন, তাঁদের সবারই নাজেহাল অবস্থা। কখন বৃষ্টি নামবে, এই ক্ষণ গুনতে গুনতেই চলে এল বর্ষা। তপ্ত রোদ থেকে এবার একটু রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। বর্ষার প্রথম দিনেই আলমারিতে নীল শাড়ির খোঁজ পড়ে।
৩ ঘণ্টা আগে
আষাঢ় মানে বাহারি স্বাদের খিচুড়ির আয়োজন। ঝুম বৃষ্টিতে গরম-গরম সুস্বাদু খিচুড়ি বাঙালির রসনাবিলাসের দারুণ এক উপকরণ। আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন, খিচুড়িপ্রেমীদের জন্য আজ থাকছে মুখরোচক মুগ ডালের খিচুড়ির রেসিপি। সবজি, আচার এবং মাংস কষা দিয়ে খাওয়ার জন্য এই খিচুড়ির রেসিপি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৩ ঘণ্টা আগে