শীত এলে অনেকের মনই ফুরফুরে হয়ে ওঠে। একে তো গরমে ঘেমে-নেয়ে একাকার হওয়ার দিন ফুরোয়, অন্যদিকে রংবেরঙের ফ্যাশনেবল পোশাক পরারও ফুরসত মেলে। তাই শীতের জন্য অনেকে তুলে রাখেন অনেক ধরনের টপস, প্যান্ট, কটি, শর্ট ব্লাউজ। তবে মুশকিলটা হয় যখন খুব শীত পড়ে না, আবার বিকেল হলেই শীত শীত অনুভব হয়। ভোরবেলায় বের হলেও খানিকটা গায়ে কাঁটা দেয়। এই সময়টায় শীতের পোশাক না পরলে ঠান্ডা অনুভূত হয় আবার শীতের শাল, সোয়েটার, কার্ডিগান পরলেও গরম লাগে। তাই হালকা শীতের পোশাক এমন হওয়া উচিত যা গায়ে রাখলে ঠান্ডাও লাগবে না আবার গরমে ঘেমে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকবে না। উপরন্তু ফ্যাশনেবল লুকও পাওয়া যাবে।
শীতের পোশাক কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে কথা হয় ফ্যাশন ডিজাইনার ও যাদুর বাক্সের স্বত্বাধিকারী মেহবুব যাদুর সঙ্গে। তিনি জানান, হালকা শীত শীত আবহাওয়ায় খুব ভারী বা হালকা-পাতলা পোশাক কোনোটাই পরা যায় না। সে ক্ষেত্রে বেছে নেওয়া যেতে পারে ফুল স্লিভ পোশাক। এসব পোশাক শরীর ঢেকে রাখে বলে ঠান্ডা কম অনুভব হয়। আর এখন গরমটা বেশ সহনীয়। তাই চাইলে দিনের বেলাও ফুল স্লিভ পরা যেতে পারে।
সুতির ফুল স্লিভ কটি
এখনকার আবহাওয়া অনুযায়ী উপযুক্ত পোশাক হচ্ছে সুতির কাপড়ে তৈরি বিভিন্ন স্টাইলের কটি। বর্তমানে তরুণদের কাছে ফ্যাশনেবল কটির বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। নানান কাট ও নকশার কটি পাওয়া যায়, যা ফ্যাশনের পাশাপাশি ঠান্ডা থেকেও রক্ষা করে থাকে। শুধু কামিজ, কুর্তি বা টি-শার্টের সঙ্গেই নয়, হালকা শীতে যেকোনো অনুষ্ঠানে নারীরা শাড়ির সঙ্গেও কটি পরতে পারেন।
পঞ্চে এসেছে নতুনত্ব
হালকা শীতে পরার জন্য আরেকটি জনপ্রিয় পোশাক হচ্ছে সুতির পঞ্চ। পাঁচ কোনার এই পোশাক হালকা শীতের জন্য উপযোগী আর ফ্যাশনেবলও বটে। একসময় পঞ্চ শুধু উল দিয়ে তৈরি করা হতো। তাই এটি খুব বেশি শীত না পড়লে পরা যেত না। তবে এখন মোটা সুতি, খাদি, লিনেন, জর্জেট ও বিভিন্ন কাপড়ে তৈরি হয় বলে বারো মাস পরা যায়। এর মধ্যে বৈচিত্র্য নিয়ে আসার জন্য ব্লক, বাটিক, এমব্রয়ডারি কিংবা হাতের কাজ করা হয়ে থাকে।
এ ছাড়া ডলার, চুমকি, পুঁতি ইত্যাদি দিয়ে নকশা করা পঞ্চ যেকোনো পার্টিতেও পরে যাওয়া যায়। এটি সাধারণত লেগিংস কিংবা জিনসের সঙ্গে বেশি পরা হয়ে থাকে।
শাল হুডি ব্লেজার
শীতের পোশাকে যত ধরনের বৈচিত্র্য আসুক না কেন শাল বা চাদরের কদর কোনো দিনই কমবে না। শালের একঘেয়েমি নকশায় নিয়ে আসা হচ্ছে নতুনত্ব। করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিন প্রিন্ট। আরও করা হচ্ছে প্যাচওয়ার্কের চাদর। এ ছাড়া ফুল, লতাপাতা, পাখির এমব্রয়ডারি করা চাদর তো রয়েছেই। হালকা শীতে উষ্ণতা পেতে বেছে নেওয়া যেতে পারে পাতলা গড়নের শাল। তবে এমন শাল বেছে নেওয়া উচিত, যা ব্যাগে বহন করা যায়।
পুরুষের জনপ্রিয় একটি শীত পোশাক হচ্ছে ব্লেজার। এখন সুতির কাপড়ে বিভিন্ন স্টাইলের ব্লেজার তৈরি হচ্ছে। সাদামাটা রঙের বদলে এসব ব্লেজারে থাকছে হট পিংক, লাল, সবুজ, লেমনের মতো মনকাড়া রং। ফরমাল কিংবা ক্যাজুয়াল যেকোনো লুকের জন্যই ব্লেজারের তুলনা নেই। এই হালকা শীতে ব্লেজার পরা যেতে পারে। তা ছাড়া এখন পুরো বছর পরা যায় এমন ব্লেজার তৈরি করা হয়। তবে ব্লেজারের ক্ষেত্রে অবশ্যই ফিটিংসের দিকে নজর রাখতে হবে। কারণ ব্লেজারের ফিটিং ভালো না হলে বেমানান লাগে।
নিট ফেব্রিকস ও সুতির কাপড়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের হুডি পাওয়া যায়। এগুলো ভরা শীতে পরার উপযোগী নয়। তবে হেমন্তের ভোরে অনেকটাই আরাম দেবে আপনাকে।
কোথায় পাবেন
রঙ বাংলাদেশ, বিশ্বরং, কে ক্র্যাফট, অঞ্জনস, যাদুর বাক্স, ইজি, ইয়েলো, ক্যাটসআই ও এক্সট্যাসিতে পাওয়া যাবে হালকা শীতের পোশাক। নন-ব্র্যান্ড শীতের পোশাক ঢাকার বিভিন্ন মার্কেটসহ জেলা শহরগুলোর সুপার মার্কেটেও পাওয়া যায়।

বিজ্ঞান বলছে, পাখির গান বা ‘ডন কোরাস’ কেবল শোনার জন্য মনোরম, তা নয়—এটি আমাদের মস্তিষ্কের জন্য এক অনন্য মহৌষধ। ভোরের পাখির মিষ্টি সুর আমাদের মন থেকে দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। যখন মানুষ পাখির ডাক শোনে বা পাখি দেখে, তখন তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি কয়েক...
১০ ঘণ্টা আগে
একসময় ছিল যখন পাড়ার মোড়ের আড্ডায় কিংবা চায়ের কাপে ঝড় তোলার মূল রসদ ছিল বই। কোনো এক নতুন রহস্য উপন্যাসের রোমাঞ্চ অথবা দস্তয়েভস্কি-রবীন্দ্রনাথের কোনো জটিল দর্শন নিয়ে আলোচনা চলে যেত তুঙ্গে। কে কোন বই পড়ল, কার কোন চরিত্রের প্রতি মায়া জন্মাল সেসব আলোচনা না থাকলে যেন আড্ডাটাই জমত না।
১১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া ভ্রমণে গিয়ে অনেক পর্যটকই খুঁজছিল শান্ত, নিরিবিলি এক উষ্ণ ঝরনা। অনলাইনে পড়েছিল, বনঘেরা ওয়েল্ডবরো এলাকায় আছে ‘ওয়েল্ডবরো হট স্প্রিংস’, যা নাকি হাইকিংপ্রেমীদের প্রিয় জায়গা। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তারা জানল, এমন কোনো উষ্ণ ঝরনা আদৌ নেই।
১১ ঘণ্টা আগে
লেনি নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ও মনোরম রামেলটন শহরের ফুটবল ক্লাব ‘সুইলি রোভার্স’ ১৯৬০-এর দশকে বড় দুটি শিরোপা জেতে। তখন বিজয় উদ্যাপনে ট্রফির ভেতর মদ ঢেলে সবাই মিলে পান করার রীতি ছিল। কিন্তু ম্যাকডেইড পরিবারের সদস্যরা চেয়েছিলেন খেলোয়াড়রা যেন মদ না খেয়েও উদ্যাপন করতে পারেন।
১১ ঘণ্টা আগে