বিভাবরী রায়

তারুণ্যের পোশাক ডেনিম। একটা সময় মূলত পুরুষের পোশাক হয়ে থাকলেও এটি ক্রমেই ‘ইউনিসেক্স’ হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ নারী-পুরুষনির্বিশেষে এখন ডেনিমের পোশাক পরে। আর সে জন্যই সম্ভবত ডেনিম দিয়ে তৈরি পোশাকে বৈচিত্র্য এসেছে। এখন প্যান্ট, জ্যাকেট, কটি ও শার্টের বাইরে বানানো হচ্ছে নানা ডিজাইনের স্কার্ট, ড্রেস, ব্লাউজ, জাম্পস্যুট, টপস, এমনকি কামিজ থেকে কুর্তা পর্যন্ত।
ডেনিম ফ্যাব্রিকস এখন অনেক উন্নত ও আরামদায়ক হয়েছে। ফলে সব ঋতুতেই পরার উপযোগী। এ জন্য ডেনিমের পোশাক হয়ে উঠেছে আগের তুলনায় জনপ্রিয়। ক্যাজুয়াল, ফরমাল ও সেমি ফরমাল—তিনটি লুকেই এখন ডেনিমের পোশাক পাওয়া যায়। তাই অফিস, মিটিং, উৎসব, ভ্রমণ—সব জায়গায় এসব পোশাক পরছেন ফ্যাশনপ্রেমীরা। ডেনিম এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়েছে যে ৩০ এপ্রিল দিনটিকে ডেনিম দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সংগ্রহে রাখার মতো পোশাক
ফিউশনের এ সময়ে ডেনিম মানেই নিরীক্ষা। একসময় ডেনিম দিয়ে শুধু প্যান্ট তৈরি করা হলেও এখন শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, হাফপ্যান্ট, জগার, জ্যাকেট, স্যুট এমনকি পাঞ্জাবি, টপস, ব্লাউজ, কুর্তি ও শালও তৈরি করছে ফ্যাশন হাউসগুলো। এর মধ্যে রয়েছে স্লিভলেস, ফুলস্লিভ, শর্টস্লিভ, পাফি স্লিভের পোশাক। লং, মিডি, মিনি, পেনসিল, ঢোলা—প্রায় সব রকমের স্কার্টও পাওয়া যায় ডেনিমের তৈরি। এ ছাড়া পাওয়া যায় টপস ও কুর্তা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডেনিমের রঙেও এসেছে পরিবর্তন। এটি এখন আর শুধু চিরাচরিত নীল রঙে আটকে নেই। হালকা নীল, সাদা, ধূসর, ওশান ব্লু, অলিভ, কালোসহ নানা রঙের ডেনিম পাওয়া যায় এখন।
ডেনিমে তৈরি প্যান্টের কাটিংয়েও রয়েছে বৈচিত্র্য। সেসব কাটের মধ্যে আছে স্ট্রেট কাট, বুট কাট, লেগ কাট, ব্যাগি জিনস, ডিসস্ট্রেস প্যান্ট ইত্যাদি। মেয়েদের পোশাকে এমব্রয়ডারি, স্ক্রিনপ্রিন্ট, ফ্লোলার প্রিন্ট ছাড়াও রয়েছে ক্রুশকাঁটার লেইস ও টাই-ডাইয়ের ব্যবহার। অনেক পোশাকে পুঁতি, চুমকি, ব্লক এবং গামছা ও রঙিন কাপড়ের প্যাচওয়ার্ক দেখা যায়। ট্রেন্ডসেটাররা আবার পুরোনো ডেনিমের পোশাকে নিজেরাই ব্লক, সেলাই ও লেইস বসিয়ে নির্দ্বিধায় গায়ে চড়িয়ে নিচ্ছেন।

যেভাবে স্টাইলিং করতে পারেন
ডেনিমের প্যান্ট
ডেনিমের প্যান্ট মানেই তারুণ্যের প্রতীক। ঢিলেঢালা ব্যাগি ডেনিম প্যান্টের সঙ্গে লুজ ব্লাউজ, ক্রুশকাঁটার টপস, ডেনিমের কুর্তা পরা যেতে পারে। আবার স্ট্রেট কাট ডেনিম প্যান্টের সঙ্গে ক্রপটপ বা হাফ ডেনিম ও হাফ ডেনিম কুর্তা পরতে পারেন। আবার সান্ধ্যকালীন পার্টিতে একটু সাহস করে পরে ফেলতে পারেন স্কিনি ডেনিমের সঙ্গে ডেনিম ব্লাউজ ও শাড়ি। গতানুগতিক স্টাইল অনুসরণ করলে স্ট্রেট কাট, বুট কাট, লেগ কাট, লাইট ফ্লেয়ার প্যান্ট পরা যাবে টি-শার্ট, শার্ট, মিডিয়াম বা লং টপসের সঙ্গে। আর হাই ওয়েস্ট বা ব্যাগি জিনসের সঙ্গে এই গরমে সবচেয়ে ভালো মানাবে ক্রপ টপ।
পাতলা ডেনিমের সালোয়ার-কামিজ
অবাক হওয়ার কিছু নেই। দেশীয় ঘরানার পোশাক তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে ডেনিম। পাতলা ডেনিমে তৈরি হাফ বা লং স্লিভের এই সালোয়ার-কামিজ গরমেও পরা যায়। নেভি ব্লু ডেনিমের সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সরষে হলুদ ওড়না জড়িয়ে অনায়াসে এই গরমে হয়ে উঠতে পারেন অন্যের চোখের আরাম।
টপস ও কুর্তা
ডেনিম টপসের কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। স্লিভলেস, লং স্লিভ, পাফি স্লিভ, কোল্ড শোল্ডার ইত্যাদি ডিজাইনের টপস পরা যায় বিভিন্ন রঙের জিনস, স্কার্ট, নরমাল প্যান্টের সঙ্গে। সাজে বোল্ড স্টেটমেন্ট আনতে চাইলে ডেনিম টপস পরতে পারেন প্রিন্টের পালাজ্জো, হারেম বা ধুতি প্যান্টের সঙ্গে। ডেনিমের ক্রপ টপকে চাইলে শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ হিসেবেও পরতে পারেন। আমাদের দেশে এখন ডেনিমের কুর্তাও পাওয়া যায়। এ ধরনের কুর্তা ক্যাজুয়াল পোশাক হিসেবে বেশ ভালো। স্টাইলিশ লুকের জন্য লেগিংস বা প্যান্টের সঙ্গে অনায়াসে পরতে পারেন ডেনিমের কুর্তা।

স্কার্ট চলছে বেশ
লং, মিডি, মিনি, পেনসিল, ঢোলা—সব আকারের ডেনিম স্কার্ট পাওয়া যায়। রোজ বাইরে পরার জন্য বা ভ্রমণে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসব স্কার্ট খুব উপযোগী। এসব স্কার্টের সঙ্গে পরতে পারেন নানা ডিজাইনের টপস, শার্ট, টি-শার্ট।
অনুষঙ্গ
শুধু পোশাক নয়, ফ্যাশন অনুষঙ্গেও ডেনিমের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ডেনিমের জুতা, বেল্ট ও ব্যাগ দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া এখন অনেক ডিজাইনার নোটবুক বা ল্যাপটপ কভার, স্ক্র্যাঞ্চিস ইত্যাদিতেও ডেনিমের ব্যবহার করছেন। এগুলো এককথায় স্টাইলিশ, পাশাপাশি টেকসইও।
সূত্র: ভোগ ম্যাগাজিন ও গ্ল্যামার

তারুণ্যের পোশাক ডেনিম। একটা সময় মূলত পুরুষের পোশাক হয়ে থাকলেও এটি ক্রমেই ‘ইউনিসেক্স’ হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ নারী-পুরুষনির্বিশেষে এখন ডেনিমের পোশাক পরে। আর সে জন্যই সম্ভবত ডেনিম দিয়ে তৈরি পোশাকে বৈচিত্র্য এসেছে। এখন প্যান্ট, জ্যাকেট, কটি ও শার্টের বাইরে বানানো হচ্ছে নানা ডিজাইনের স্কার্ট, ড্রেস, ব্লাউজ, জাম্পস্যুট, টপস, এমনকি কামিজ থেকে কুর্তা পর্যন্ত।
ডেনিম ফ্যাব্রিকস এখন অনেক উন্নত ও আরামদায়ক হয়েছে। ফলে সব ঋতুতেই পরার উপযোগী। এ জন্য ডেনিমের পোশাক হয়ে উঠেছে আগের তুলনায় জনপ্রিয়। ক্যাজুয়াল, ফরমাল ও সেমি ফরমাল—তিনটি লুকেই এখন ডেনিমের পোশাক পাওয়া যায়। তাই অফিস, মিটিং, উৎসব, ভ্রমণ—সব জায়গায় এসব পোশাক পরছেন ফ্যাশনপ্রেমীরা। ডেনিম এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়েছে যে ৩০ এপ্রিল দিনটিকে ডেনিম দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সংগ্রহে রাখার মতো পোশাক
ফিউশনের এ সময়ে ডেনিম মানেই নিরীক্ষা। একসময় ডেনিম দিয়ে শুধু প্যান্ট তৈরি করা হলেও এখন শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, হাফপ্যান্ট, জগার, জ্যাকেট, স্যুট এমনকি পাঞ্জাবি, টপস, ব্লাউজ, কুর্তি ও শালও তৈরি করছে ফ্যাশন হাউসগুলো। এর মধ্যে রয়েছে স্লিভলেস, ফুলস্লিভ, শর্টস্লিভ, পাফি স্লিভের পোশাক। লং, মিডি, মিনি, পেনসিল, ঢোলা—প্রায় সব রকমের স্কার্টও পাওয়া যায় ডেনিমের তৈরি। এ ছাড়া পাওয়া যায় টপস ও কুর্তা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডেনিমের রঙেও এসেছে পরিবর্তন। এটি এখন আর শুধু চিরাচরিত নীল রঙে আটকে নেই। হালকা নীল, সাদা, ধূসর, ওশান ব্লু, অলিভ, কালোসহ নানা রঙের ডেনিম পাওয়া যায় এখন।
ডেনিমে তৈরি প্যান্টের কাটিংয়েও রয়েছে বৈচিত্র্য। সেসব কাটের মধ্যে আছে স্ট্রেট কাট, বুট কাট, লেগ কাট, ব্যাগি জিনস, ডিসস্ট্রেস প্যান্ট ইত্যাদি। মেয়েদের পোশাকে এমব্রয়ডারি, স্ক্রিনপ্রিন্ট, ফ্লোলার প্রিন্ট ছাড়াও রয়েছে ক্রুশকাঁটার লেইস ও টাই-ডাইয়ের ব্যবহার। অনেক পোশাকে পুঁতি, চুমকি, ব্লক এবং গামছা ও রঙিন কাপড়ের প্যাচওয়ার্ক দেখা যায়। ট্রেন্ডসেটাররা আবার পুরোনো ডেনিমের পোশাকে নিজেরাই ব্লক, সেলাই ও লেইস বসিয়ে নির্দ্বিধায় গায়ে চড়িয়ে নিচ্ছেন।

যেভাবে স্টাইলিং করতে পারেন
ডেনিমের প্যান্ট
ডেনিমের প্যান্ট মানেই তারুণ্যের প্রতীক। ঢিলেঢালা ব্যাগি ডেনিম প্যান্টের সঙ্গে লুজ ব্লাউজ, ক্রুশকাঁটার টপস, ডেনিমের কুর্তা পরা যেতে পারে। আবার স্ট্রেট কাট ডেনিম প্যান্টের সঙ্গে ক্রপটপ বা হাফ ডেনিম ও হাফ ডেনিম কুর্তা পরতে পারেন। আবার সান্ধ্যকালীন পার্টিতে একটু সাহস করে পরে ফেলতে পারেন স্কিনি ডেনিমের সঙ্গে ডেনিম ব্লাউজ ও শাড়ি। গতানুগতিক স্টাইল অনুসরণ করলে স্ট্রেট কাট, বুট কাট, লেগ কাট, লাইট ফ্লেয়ার প্যান্ট পরা যাবে টি-শার্ট, শার্ট, মিডিয়াম বা লং টপসের সঙ্গে। আর হাই ওয়েস্ট বা ব্যাগি জিনসের সঙ্গে এই গরমে সবচেয়ে ভালো মানাবে ক্রপ টপ।
পাতলা ডেনিমের সালোয়ার-কামিজ
অবাক হওয়ার কিছু নেই। দেশীয় ঘরানার পোশাক তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে ডেনিম। পাতলা ডেনিমে তৈরি হাফ বা লং স্লিভের এই সালোয়ার-কামিজ গরমেও পরা যায়। নেভি ব্লু ডেনিমের সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সরষে হলুদ ওড়না জড়িয়ে অনায়াসে এই গরমে হয়ে উঠতে পারেন অন্যের চোখের আরাম।
টপস ও কুর্তা
ডেনিম টপসের কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। স্লিভলেস, লং স্লিভ, পাফি স্লিভ, কোল্ড শোল্ডার ইত্যাদি ডিজাইনের টপস পরা যায় বিভিন্ন রঙের জিনস, স্কার্ট, নরমাল প্যান্টের সঙ্গে। সাজে বোল্ড স্টেটমেন্ট আনতে চাইলে ডেনিম টপস পরতে পারেন প্রিন্টের পালাজ্জো, হারেম বা ধুতি প্যান্টের সঙ্গে। ডেনিমের ক্রপ টপকে চাইলে শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ হিসেবেও পরতে পারেন। আমাদের দেশে এখন ডেনিমের কুর্তাও পাওয়া যায়। এ ধরনের কুর্তা ক্যাজুয়াল পোশাক হিসেবে বেশ ভালো। স্টাইলিশ লুকের জন্য লেগিংস বা প্যান্টের সঙ্গে অনায়াসে পরতে পারেন ডেনিমের কুর্তা।

স্কার্ট চলছে বেশ
লং, মিডি, মিনি, পেনসিল, ঢোলা—সব আকারের ডেনিম স্কার্ট পাওয়া যায়। রোজ বাইরে পরার জন্য বা ভ্রমণে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসব স্কার্ট খুব উপযোগী। এসব স্কার্টের সঙ্গে পরতে পারেন নানা ডিজাইনের টপস, শার্ট, টি-শার্ট।
অনুষঙ্গ
শুধু পোশাক নয়, ফ্যাশন অনুষঙ্গেও ডেনিমের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ডেনিমের জুতা, বেল্ট ও ব্যাগ দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া এখন অনেক ডিজাইনার নোটবুক বা ল্যাপটপ কভার, স্ক্র্যাঞ্চিস ইত্যাদিতেও ডেনিমের ব্যবহার করছেন। এগুলো এককথায় স্টাইলিশ, পাশাপাশি টেকসইও।
সূত্র: ভোগ ম্যাগাজিন ও গ্ল্যামার

বাইরের পৃথিবীতে হাসিমুখে থাকা কিংবা অন্যদের হাসানো আমাদের অনেকের কাছে খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু দিন শেষে নিজের আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো মাঝে মাঝে বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সাধারণত পরিবারকে এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় ভাবি, যেখানে আমাদের সব ধরনের আবেগ, রাগ বা বিরক্তি সরাসরি প্রকাশ করে
১৩ ঘণ্টা আগে
অনেকে মনে করেন, ভাগ্য হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু বাস্তবে ভাগ্য তৈরি হয় আমাদের অভ্যাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আচরণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমায় কাজ করছিলেন সুতোমু ইয়ামাগুচি। সেদিন ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরিত হয় ঠিক তাঁর সামনেই।
১৪ ঘণ্টা আগে
শীতে বাড়িতে কোনো না কোনো স্য়ুপ তো তৈরি করছেনই। খাওয়ার সময় একটা জিনিসই মিস করছেন, তা হলো অনথন। ইতস্তত না করে বাড়িতে এবার বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু এই খাবার।
১৬ ঘণ্টা আগে
কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
২০ ঘণ্টা আগে