রিক্তা রিচি, ঢাকা

ঘোরাঘুরি মানসিক ক্লান্তি দূর করে মন তরতাজা করে তোলে। ঘোরাঘুরির ক্ষেত্রে প্রশ্ন যখন সময়ের, তখন বেছে নিতে পারেন আপনার একেবারে কাছের না-দেখা জায়গাগুলো। খেয়াল করলেই দেখবেন, বহুদূরের দর্শনীয় স্থানগুলো হয়তো আপনার দেখা হয়েছে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে। কিন্তু ঘর থেকে দুই পা ফেললেই যে জায়গাগুলো দেখা যায়, সেগুলোতে যাওয়াই হয়নি। যাঁরা ঢাকায় থাকেন, তাঁরা কম সময় ও অর্থে ঘুরে আসতে পারেন কাছাকাছির জায়গাগুলো কোনো এক সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
গোলাপ গ্রামগোলাপে ঘেরা ছোট্ট একটা গ্রাম। সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাদুল্লাহপুর গ্রামটি গোলাপ গ্রাম নামে পরিচিত। এখানে খেতের মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে মিরিন্ডা জাতের গোলাপ। লাল, হলুদ, সাদা কতশত যে গোলাপ আছে! গোলাপ ছাড়াও রয়েছে জারবেরা, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাসসহ আরও অনেক ধরনের ফুল। গ্রামের আঁকাবাঁকা পথে হাঁটতে হাঁটতে গোলাপের হাতছানি দেখতে মন্দ লাগবে না কারও; বরং চোখ ও মনের প্রশান্তি মেলে। গোলাপের সৌন্দর্য দেখার পাশাপাশি এখান থেকে দরদাম করে কিনতে পারবেন গোলাপসহ পছন্দের ফুল। সাদুল্লাহপুরে ফুল ফুটলেও প্রতি সন্ধ্যায় শ্যামপুর গ্রামে গোলাপের হাট বসে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ফুল ব্যবসায়ীরা এখান থেকে ফুল কেনেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার যেকোনো জায়গা থেকে গোলাপ গ্রামে যেতে হলে প্রথমে মিরপুর ১ নম্বর যেতে হবে। সেখান থেকে রিকশায় দিয়াবাড়ি বটতলা। সেখানে সাদুল্লাহপুর যাওয়ার নৌকা আছে। নৌকায় প্রতিজনের ভাড়া ৪০-৫০ টাকা। রিজার্ভ নিয়েও যেতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা লাগবে। একটি নৌকায় ২০-২৫ জন যাত্রী ধরে। সাদুল্লাহপুর ঘাটে নেমে রিকশা কিংবা হেঁটেও যাওয়া যায় গোলাপের বাগানগুলোতে। নদীপথে গেলে অবশ্যই মাথায় রাখবেন, ছয়টার পর নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তার আগেই ফিরতে হবে।
সড়কপথে যেতে হলে, ঢাকার যেকোনো জায়গা থেকে মিরপুর ১ নম্বর যেতে হবে। সেখান থেকে একটু সামনে মূল সড়কে গিয়ে লোকাল গাড়িতে উঠে বিরুলিয়া ব্রিজ। সেখান থেকে অটোরিকশা দিয়ে সরাসরি সাদুল্লাহপুর যেতে পারবেন।
মেঘনা নদীর পাড়ে জেগে ওঠা ত্রিভুজ আকৃতির চরের নাম মায়াদ্বীপ। এটি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নে। খোলা সবুজ প্রান্তর, নদীর স্বচ্ছ জল ও ঢেউ, মনভোলানো বাতাস–সব মিলিয়ে দারুণ একটা দিন কাটবে। এক অপার্থিব প্রশান্তিতে মন জুড়িয়ে যাবে। যাঁরা প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাঁরা মায়াদ্বীপের জাদুকরি মায়ায় মুগ্ধ হতে যেতেই পারেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার যেকোনো জায়গা থেকে গুলিস্তান যেতে হবে। গুলিস্তান থেকে দোয়েল, স্বদেশ কিংবা বোরাক বাসে সোনারগাঁয়ের মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায় নামতে হবে। সেখান থেকে ব্যাটারিচালিত কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বৈদ্যের বাজার নৌকা ঘাট। সেখান থেকে নৌকা ভাড়া করে সারা দিন ঘুরতে পারবেন। নৌকা ভাড়া করতে এক থেকে দেড় হাজার টাকা লাগবে।
সতর্কতা
মায়াদ্বীপে গেলে বেশ কয়েকজন মিলে যাবেন। আর সারা দিন ঘুরে অবশ্যই সন্ধ্যার আগে ফিরবেন। নয়তো চুরি ও ছিনতাইয়ের ভয় থাকবে।
যেকোনো ছুটির দিনে পরিবারসহ ঘুরে আসতে পারেন সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর থেকে। এই জাদুঘরের অবস্থান সোনারগাঁয়ের পানামনগরে। এখানে প্রাচীন বাংলার লোকশিল্পের বিভিন্ন নিদর্শন দেখা যাবে। এ ছাড়া দেখা যাবে সুলতানদের ব্যবহৃত অস্ত্র, তৈজসপত্র, পোশাক, অলংকার, প্রাচীন মুদ্রা ইত্যাদি। এখানে রয়েছে কারুপল্লি ও বিক্রয়কেন্দ্র। এই বিক্রয়কেন্দ্র থেকে কিনতে পারবেন বাঁশ-বেত-কাঠের বিভিন্ন কারুশিল্প। এ ছাড়া কেনা যাবে জামদানি।
জনপ্রতি ২০ টাকার টিকিট কেটে জাদুঘর দেখতে যেতে হবে। প্রতি শুক্র থেকে বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গুলিস্তান থেকে বাসে করে মোগড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিংবা রিকশা নিয়ে জাদুঘরে যেতে পারবেন। এ ছাড়া গাড়ি নিয়ে সরাসরি যাওয়া যায় সোনারগাঁ জাদুঘরে।
এই বিলের অবস্থান গাজীপুরে। যাঁরা নৌকায় ঘুরতে পছন্দ করেন, তাঁরা সেখানে যেতে পারেন। এই বিলের বিস্তৃতি আট বর্গমাইল। সারা বছর সেখানে পানি থাকলেও, বর্ষাকালে বিলটি যৌবন ফিরে পায়। শাপলার সৌন্দর্য দেখার পাশাপাশি সেখানে দেখতে পাবেন দ্বীপের মতো ভাসমান গ্রাম আর বিস্তৃত জলরাশির সৌন্দর্য। বেলাই বিলে ঘুরতে হবে নৌকায়। ডিঙি নৌকা, ইঞ্জিনচালিত নৌকা দুটোই পাওয়া যায় ঘোরার জন্য।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার যেকোনো স্থান থেকে গাজীপুর বাসস্ট্যান্ডে যেতে হবে। সেখান থেকে রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে কানাইয়া বাজার। কানাইয়া বাজারের ঘাটে বেলাই বিলে সারা দিন ঘোরার জন্য নৌকা থাকে। নৌকায় ওঠার আগে দরদাম করে নেবেন।

ঘোরাঘুরি মানসিক ক্লান্তি দূর করে মন তরতাজা করে তোলে। ঘোরাঘুরির ক্ষেত্রে প্রশ্ন যখন সময়ের, তখন বেছে নিতে পারেন আপনার একেবারে কাছের না-দেখা জায়গাগুলো। খেয়াল করলেই দেখবেন, বহুদূরের দর্শনীয় স্থানগুলো হয়তো আপনার দেখা হয়েছে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে। কিন্তু ঘর থেকে দুই পা ফেললেই যে জায়গাগুলো দেখা যায়, সেগুলোতে যাওয়াই হয়নি। যাঁরা ঢাকায় থাকেন, তাঁরা কম সময় ও অর্থে ঘুরে আসতে পারেন কাছাকাছির জায়গাগুলো কোনো এক সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
গোলাপ গ্রামগোলাপে ঘেরা ছোট্ট একটা গ্রাম। সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাদুল্লাহপুর গ্রামটি গোলাপ গ্রাম নামে পরিচিত। এখানে খেতের মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে মিরিন্ডা জাতের গোলাপ। লাল, হলুদ, সাদা কতশত যে গোলাপ আছে! গোলাপ ছাড়াও রয়েছে জারবেরা, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাসসহ আরও অনেক ধরনের ফুল। গ্রামের আঁকাবাঁকা পথে হাঁটতে হাঁটতে গোলাপের হাতছানি দেখতে মন্দ লাগবে না কারও; বরং চোখ ও মনের প্রশান্তি মেলে। গোলাপের সৌন্দর্য দেখার পাশাপাশি এখান থেকে দরদাম করে কিনতে পারবেন গোলাপসহ পছন্দের ফুল। সাদুল্লাহপুরে ফুল ফুটলেও প্রতি সন্ধ্যায় শ্যামপুর গ্রামে গোলাপের হাট বসে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ফুল ব্যবসায়ীরা এখান থেকে ফুল কেনেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার যেকোনো জায়গা থেকে গোলাপ গ্রামে যেতে হলে প্রথমে মিরপুর ১ নম্বর যেতে হবে। সেখান থেকে রিকশায় দিয়াবাড়ি বটতলা। সেখানে সাদুল্লাহপুর যাওয়ার নৌকা আছে। নৌকায় প্রতিজনের ভাড়া ৪০-৫০ টাকা। রিজার্ভ নিয়েও যেতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা লাগবে। একটি নৌকায় ২০-২৫ জন যাত্রী ধরে। সাদুল্লাহপুর ঘাটে নেমে রিকশা কিংবা হেঁটেও যাওয়া যায় গোলাপের বাগানগুলোতে। নদীপথে গেলে অবশ্যই মাথায় রাখবেন, ছয়টার পর নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তার আগেই ফিরতে হবে।
সড়কপথে যেতে হলে, ঢাকার যেকোনো জায়গা থেকে মিরপুর ১ নম্বর যেতে হবে। সেখান থেকে একটু সামনে মূল সড়কে গিয়ে লোকাল গাড়িতে উঠে বিরুলিয়া ব্রিজ। সেখান থেকে অটোরিকশা দিয়ে সরাসরি সাদুল্লাহপুর যেতে পারবেন।
মেঘনা নদীর পাড়ে জেগে ওঠা ত্রিভুজ আকৃতির চরের নাম মায়াদ্বীপ। এটি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নে। খোলা সবুজ প্রান্তর, নদীর স্বচ্ছ জল ও ঢেউ, মনভোলানো বাতাস–সব মিলিয়ে দারুণ একটা দিন কাটবে। এক অপার্থিব প্রশান্তিতে মন জুড়িয়ে যাবে। যাঁরা প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাঁরা মায়াদ্বীপের জাদুকরি মায়ায় মুগ্ধ হতে যেতেই পারেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার যেকোনো জায়গা থেকে গুলিস্তান যেতে হবে। গুলিস্তান থেকে দোয়েল, স্বদেশ কিংবা বোরাক বাসে সোনারগাঁয়ের মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায় নামতে হবে। সেখান থেকে ব্যাটারিচালিত কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বৈদ্যের বাজার নৌকা ঘাট। সেখান থেকে নৌকা ভাড়া করে সারা দিন ঘুরতে পারবেন। নৌকা ভাড়া করতে এক থেকে দেড় হাজার টাকা লাগবে।
সতর্কতা
মায়াদ্বীপে গেলে বেশ কয়েকজন মিলে যাবেন। আর সারা দিন ঘুরে অবশ্যই সন্ধ্যার আগে ফিরবেন। নয়তো চুরি ও ছিনতাইয়ের ভয় থাকবে।
যেকোনো ছুটির দিনে পরিবারসহ ঘুরে আসতে পারেন সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর থেকে। এই জাদুঘরের অবস্থান সোনারগাঁয়ের পানামনগরে। এখানে প্রাচীন বাংলার লোকশিল্পের বিভিন্ন নিদর্শন দেখা যাবে। এ ছাড়া দেখা যাবে সুলতানদের ব্যবহৃত অস্ত্র, তৈজসপত্র, পোশাক, অলংকার, প্রাচীন মুদ্রা ইত্যাদি। এখানে রয়েছে কারুপল্লি ও বিক্রয়কেন্দ্র। এই বিক্রয়কেন্দ্র থেকে কিনতে পারবেন বাঁশ-বেত-কাঠের বিভিন্ন কারুশিল্প। এ ছাড়া কেনা যাবে জামদানি।
জনপ্রতি ২০ টাকার টিকিট কেটে জাদুঘর দেখতে যেতে হবে। প্রতি শুক্র থেকে বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গুলিস্তান থেকে বাসে করে মোগড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিংবা রিকশা নিয়ে জাদুঘরে যেতে পারবেন। এ ছাড়া গাড়ি নিয়ে সরাসরি যাওয়া যায় সোনারগাঁ জাদুঘরে।
এই বিলের অবস্থান গাজীপুরে। যাঁরা নৌকায় ঘুরতে পছন্দ করেন, তাঁরা সেখানে যেতে পারেন। এই বিলের বিস্তৃতি আট বর্গমাইল। সারা বছর সেখানে পানি থাকলেও, বর্ষাকালে বিলটি যৌবন ফিরে পায়। শাপলার সৌন্দর্য দেখার পাশাপাশি সেখানে দেখতে পাবেন দ্বীপের মতো ভাসমান গ্রাম আর বিস্তৃত জলরাশির সৌন্দর্য। বেলাই বিলে ঘুরতে হবে নৌকায়। ডিঙি নৌকা, ইঞ্জিনচালিত নৌকা দুটোই পাওয়া যায় ঘোরার জন্য।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার যেকোনো স্থান থেকে গাজীপুর বাসস্ট্যান্ডে যেতে হবে। সেখান থেকে রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে কানাইয়া বাজার। কানাইয়া বাজারের ঘাটে বেলাই বিলে সারা দিন ঘোরার জন্য নৌকা থাকে। নৌকায় ওঠার আগে দরদাম করে নেবেন।

বাইরের পৃথিবীতে হাসিমুখে থাকা কিংবা অন্যদের হাসানো আমাদের অনেকের কাছে খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু দিন শেষে নিজের আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো মাঝে মাঝে বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সাধারণত পরিবারকে এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় ভাবি, যেখানে আমাদের সব ধরনের আবেগ, রাগ বা বিরক্তি সরাসরি প্রকাশ করে
৩ ঘণ্টা আগে
অনেকে মনে করেন, ভাগ্য হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু বাস্তবে ভাগ্য তৈরি হয় আমাদের অভ্যাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আচরণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমায় কাজ করছিলেন সুতোমু ইয়ামাগুচি। সেদিন ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরিত হয় ঠিক তাঁর সামনেই।
৪ ঘণ্টা আগে
শীতে বাড়িতে কোনো না কোনো স্য়ুপ তো তৈরি করছেনই। খাওয়ার সময় একটা জিনিসই মিস করছেন, তা হলো অনথন। ইতস্তত না করে বাড়িতে এবার বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু এই খাবার।
৬ ঘণ্টা আগে
কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
১০ ঘণ্টা আগে