সালটা ১৯৯৩। মো. জাভেদ হাকিম এবং তাঁর চার বন্ধু মিলে ঠিক করেন, সারা দেশ ঘুরে বেড়াবেন। সে কারণে পাঁচজন মিলে গড়ে তুললেন দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ। মাসের ৪ তারিখ এই ভ্রমণ সংঘের ৩৩ বছর পূর্ণ হলো।
ভ্রমণপিয়াসি পাঁচ বন্ধুর রাঙামাটি ভ্রমণ দিয়ে শুরু হয়েছিল দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের যাত্রা। বর্তমানে এ দলে আছেন তরুণ থেকে শুরু করে ভ্রমণপিয়াসি পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের মানুষ। শুধু ভ্রমণ নয়, সংগঠনটির বিভিন্ন সদস্য আমাদের ভ্রমণসাহিত্যের ভান্ডার সমৃদ্ধ করে চলেছেন। তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করে সে অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের ভ্রমণকারীদের জন্য লিখে চলেছেন সংবাদপত্রসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই সঙ্গে ভ্রমণে উৎসাহিত করে চলেছেন তরুণদের।
দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণের পাশাপাশি দুস্থদের ত্রাণ সহায়তা, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন রকম সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে থাকেন।
দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা মো. জাভেদ হাকিম বলেন, ‘ভ্রমণ মানুষের মন যেমন প্রফুল্ল করে তোলে, তেমনি ঘুরে বেড়ালে অনেক কিছু শেখাও যায়। উপযুক্ত শিক্ষা লাভের জন্য ভ্রমণের বিকল্প নেই।’ তিনি মনে করেন, তরুণদের উচিত সুযোগ পেলেই ভ্রমণে বের হওয়া। প্রকৃতি দেখা ও উপভোগ করা। তবে ভ্রমণে গিয়ে প্রকৃতির ক্ষতি করা যাবে না। আমাদের দেশ সুন্দর রাখতে হবে আমাদেরই।

ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে আমাদের বন্ধুর সংখ্যা হয়তো হাজার ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের সঙ্গে আমাদের হাই-হ্যালো হয়। কেউ অফিসের সহকর্মী, প্রতিবেশী কিংবা পুরোনো সহপাঠী। কিন্তু এই বিশাল তালিকার সবাই কি আসলে আমাদের বন্ধু? জীবনে আসলে কজন বন্ধু প্রয়োজন?
১৮ মিনিট আগে
দিনভর কাজের চাপ, ভবিষ্যতের চিন্তা কিংবা দুশ্চিন্তা নিয়ে রাতে বিছানায় গেলেন। এপাশ-ওপাশ করছেন, কিন্তু ঘুম আসছে না। ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলছে আর আপনার দুশ্চিন্তাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এ গল্প আমাদের অনেকের। আপনি কি জানেন, মানসিক চাপ আর ঘুম একে অপরের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে? একে বলা হয় স্লিপ-স্ট্রেস...
২ ঘণ্টা আগে
উনিশ শতকের শেষের অংশে বাংলা সাহিত্যে পদচারণ করা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পের নায়িকাদের সাজসজ্জা আজও ফ্যাশনসচেতন নারীর কাছে অনুকরণীয়। ‘নষ্টনীড়ে’র চারুলতা, ‘ঘরে-বাইরে’র বিমলা, ‘নৌকাডুবি’র হেমনলিনী বা ‘শেষের কবিতা’র লাবণ্য খোঁপা বেঁধেছে নানান ঢংয়ে। কারও খোঁপার ঘূর্ণনে শোভা পেয়েছে সোনার কাঁটা...
৪ ঘণ্টা আগে
আপনার এনার্জি লেভেল আজ থার্মোমিটার ফাটিয়ে বেরোনোর জোগাড়! কিন্তু মনে রাখবেন, সব জায়গায় এনার্জি দেখালে লোকে আপনাকে হিরো না ভেবে পাগল ভাবতে পারে। বসের সঙ্গে কথা বলার সময় সাবধান, আপনার অতি-উৎসাহে বসের কফির কাপে যেন আপনার প্রজেক্ট ফাইল সাঁতার না কাটে।
৫ ঘণ্টা আগে