ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে রূপকথার জন্ম দিয়ে ইউরো ২০২০ জিতে নিয়েছে ইতালি। মাঠের খেলায় তারা যেমন ছিল অন্য রকম এক ফিনিক্স পাখি, ফ্যাশনেও তেমনি ছিল সবার থেকে ভিন্ন। ইউরো ২০২০ উপলক্ষে ইতালিয়ান লাক্সারি ফ্যাশন হাউস আরমানি ইতালি ফুটবল দলের অফিশিয়াল ট্রাভেল স্যুট নকশা করে। জ্যাকেটের কাপড় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ভারতীয় সিনথেটিক ফ্যাব্রিক। হালকা নীল ও সাদার মিশেলে বানানো জ্যাকেট ও কালো রঙের ট্রাউজারের এ স্মার্ট স্যুট নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের–এ কথা বলা বাহুল্য। জ্যাকেটের ছিল দুটি ধরন। খেলোয়াড়দের জন্য ছিল কলার ছাড়া আর কোচ ও কোচিং স্টাফদের জন্য ছিল কলারসহ জ্যাকেট। তবে জ্যাকেট ও ট্রাউজারের রং সবার ছিল একই।
ফ্যাশন ডিজাইনার জর্জিও আরমানি বলেন, ‘স্বতঃস্ফূর্ততা, খেলার উপযোগী ও কমনীয়তাকে একত্র করে ডিজাইন করেছি। এমন একটি স্য়ুট তৈরি করেছি, যা পরতে হালকা। সঙ্গে টিমের গৌরব বয়ে বেড়াবে।’
ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (এফআইজিসি) সভাপতি গ্যাব্রিয়েল গ্র্যাভিনা বলেছেন, ‘তারুণ্য, মার্জিত ও প্রত্যয়–এই তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্যকে একত্র করে এই স্যুট ডিজাইন করার জন্য আরমানির ধন্যবাদ প্রাপ্য।’
ইউরো ২০২০ অনুষ্ঠিত হয় চলতি বছরের ১১ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত। ফাইনালে ইংল্যান্ডকে টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে হারিয়ে বাজিমাত করে ইতালি।
আরমানির নকশা করা ট্রাভেল স্যুট এ বিজয়ের সঙ্গী হয়। খেলা পরবর্তী বিজয় শোভাযাত্রা, রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দেখা করাসহ সব আনুষ্ঠানিকতায় এ জ্যাকেট ও ট্রাউজার ইতালি দলের সঙ্গী ছিল।

বিশ্ব ফুটবল ইতিহাসের পাতা ওল্টালে পেলে, ম্যারাডোনা, লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কিংবা নাজারিও রোনালদোর মতো কিংবদন্তিদের নাম জ্বলজ্বল করে। কেউ বল নিয়ন্ত্রণে জাদুকর, কেউ গোলমুখে খুনে মেজাজের জন্য পরিচিত, আবার কারও শক্তির জায়গা ছিল গতি আর অবিশ্বাস্য ড্রিবলিং।
৯ ঘণ্টা আগে
ফ্যাশন বরাবরই সমাজের দর্পণ। এটিকে সংস্কৃতি, ব্যক্তিত্ব এবং আমাদের আত্মপ্রকাশের পছন্দের উপায়ও বলা চলে। তবে এতকাল ফ্যাশন শিল্প লম্বা, স্লিম ও নিখুঁত ফরসা রংকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সৌন্দর্যের ধারণাকে ধন্য ধন্য করেছে। কিন্তু সময় বদলাচ্ছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
গত কয়েক বছরে পুরো বিশ্বে রূপচর্চার ধরন বদলে গেছে। শুধু ক্লিনজার আর ময়শ্চারাইজারে ঠেকে নেই ত্বকসচেতনেরা। ক্লিনজার থেকে ময়শ্চারাইজারে বা সানস্ক্রিনে এসে ঠেকতে পার হতে হচ্ছে আরও দুই থেকে চার ধাপ।
১৩ ঘণ্টা আগে
শহরে যাঁরা বসবাস করেন, তাঁদের প্রায় সবার অভিযোগ, ঘর যতই ঝাড়ামোছা করা হোক না কেন, ধুলাবালি কমে না। রোজই আসবাবের ওপর পড়ে ধুলাবালুর স্তর। ঘরবাড়ি ধুলাবালিমুক্ত রাখতে যা করা যেতে পারে...
১৪ ঘণ্টা আগে