টোকাইয়ের কথা মনে আছে? ওই যে চেক লুঙ্গি পরা আর কাঁধে বিশাল বস্তা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ছেলেটি? তার আশপাশে ঘুরে বেড়ায় কালো কাকেরা। চিনতে পারছ না বুঝি?
মাকে জিজ্ঞেস করো, মা গড়গড় করে সব বলে দেবেন। হ্যাঁ, বাবাও তাঁকে চেনেন।
রং নেই, কেবল কালো কালিতে সেই টোকাই এঁকেছিলেন শিল্পী রফিকুননবী। আমরা সবাই তাঁকে রনবী বলেই চিনি।
কিন্তু খেয়াল করলে দেখবে, রনবী অনেক দিন হলো টোকাই আর কাককে আঁকছেন না। কেন বলো তো? হুট করে কী আঁকা বন্ধ করা যায় বলো?
তোমার কী মনে হয়, রনবীর কাগজ আর কালি ফুরিয়ে গেছে, তাই তিনি আঁকতে পারছেন না? তা তো হওয়ার কথা নয়। মহা বড় শিল্পী বলে কথা, এসব ফুরোলে চলে না। কাকেরাও কিন্তু ব্যাপারটা টের পেয়ে গেছে বটে। রনবী তাদের আর আঁকছেন না। তারা একেবারে নাছোড়বান্দা। নাহ্, এ বড় অন্যায়। রনবীকে কাক আঁকতেই হবে। তাই কাকেরা অবরোধ করল। ঘেরাও হবে রনবীর বাড়ি। কাকেদের অবরোধে বন্দী তিনি। মহা বিপদে পড়ে রনবী কী ভাবছেন?
নাকি খাতা-কলম নিয়ে আঁকতে বসেছেন কাকেদের ছবি। জানতে হলে পড়ে ফেলতে হবে ‘রনবী, কাক ও কাঠঠোকরা’ বইটি। এটি লিখেছেন তুষার আবদুল্লাহ। বইয়ের সুন্দর সব ছবি এঁকেছেন রফিকুননবী নিজেই। এ বইটির দাম ১৫০ টাকা মাত্র। ইকরি মিকরি প্রকাশনী থেকে বের হয়েছে বইটি।

নতুন কোনো সম্পর্কের শুরুতে ভালো লাগা, তীব্র আকর্ষণ অনুভব করা বা সারাক্ষণ সঙ্গীর কথা ভাবা খুবই স্বাভাবিক। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় সম্পর্কের এই অতি মনোযোগের আড়ালে লুকিয়ে থাকা নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতাকে বলা হয়, ‘লাভ বম্বিং’। সম্পর্কের শুরুতে অতিরিক্ত মনোযোগ, সেটি ভালোবাসা, নাকি লাভ বম্বিং জেনে নিন...
৩ ঘণ্টা আগে
আর কিছুদিন পরই কোরবানির ঈদ। সে সময়টায় মাংসের বিভিন্ন পদ রান্নার ব্যাপার রয়েছে বলে এখন অনেকে মাংস রান্নার কথা ভাবছেন না। মাছ, ভাত আর সবজিই চলবে ঈদের আগ পর্যন্ত। বড় মাছ খেতে ইচ্ছে না হলে নারকেল চিংড়িই রেঁধে ফেলুন। রান্না সহজ আবার খেতে সুস্বাদু। আপনাদের জন্য নারকেল চিংড়ির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন...
৫ ঘণ্টা আগে
অর্থ ব্যবস্থাপনা না শেখানোর কারণে উপার্জনের পর অনেকেই বুঝতে পারেন না, কীভাবে সঞ্চয় বা খরচ করা উচিত। তাই বাজেট ও খরচের নিয়ম জেনে সঞ্চয় ও খরচ করতে হবে। এটি আপনার জীবন সহজ করে তুলবে। আর্থিক বিশেষজ্ঞরা কিছু সাধারণ ও কার্যকর নিয়মের কথা বলেন, যেগুলো মেনে চললে পকেটের ওপর চাপ না ফেলে চমৎকারভাবে...
৭ ঘণ্টা আগে
বাড়ি ফেরার পথে পরিচিত কারও সঙ্গে দেখা হলে সাধারণ কুশল বিনিময় তো হয়ই, তারপর? বিদায় নেওয়ার আগে নিশ্চয়ই বলেন, ‘বাড়িতে আসবেন, একসঙ্গে চা খাওয়া যাবে।’ অফিসে কাজের ফাঁকে মাথাটা যখন ঝিম ধরে আসে, তখন পাশের চেয়ারে বসে থাকা সহকর্মীকে নিয়ে পাঁচ মিনিটের চা বিরতিতেই আমরা যাই।
১ দিন আগে