
বাড়ির যে মেয়েটি এখন সবচেয়ে আনন্দে রয়েছেন, তাঁর বয়স আঠারো, না কুড়ি? তাহলে এই গল্পটা তাঁর সঙ্গেই জমবে বেশ। পূজার কোন দিন কী পরবে, কেমন সাজবে আর হেয়ারস্টাইল কেমন হবে, তা-ও এরই মধ্য়ে ঠিক করে ফেলেছেন তাঁরা। কোনো উৎসবে এই বয়সী মেয়েরা সেজে উঠলে যেন পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের বুকটা হু হু করে ওঠে; মনে হয়, ছোট্ট মেয়েটি কবে এত বড় হয়ে উঠল! তাঁর ওড়না, স্কার্ট বা শাড়ি সামলানোর ধরন দেখে বড়দের ঠোঁটের কোণে মায়াবী হাসি ভেসে ওঠে। যেহেতু এ বয়সী মেয়েরা শিশুও নয়, আবার পুরোপুরি তরুণীও নয়; ফলে দুর্গাপূজায় তাঁদের পোশাকে একই সঙ্গে আধুনিক ও ঐতিহ্যের মিশেল থাকলে মন্দ হয় না।
টিনএজ থেকে তরুণীদের এখন অন্যতম জনপ্রিয় পোশাক হলো বড় ঘেরের স্কার্টের সঙ্গে আধুনিক কাটের ক্রপ টপ। কিন্তু অনুষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করা জরুরি। স্কার্ট আর টপ যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠানে কিশোরীদের জন্য বেশ আরামদায়ক পোশাক। স্কার্টের সঙ্গে স্কিনি শার্ট বা ক্রপ টপ কিংবা মিডি টপ দিয়ে স্টাইলিং করলে দারুণ লাগবে এ বয়সের মেয়েদের। সঙ্গে অ্যান্টিক জুয়েলারি বেশ মানানসই। এই পোশাক আরামদায়ক হওয়ার একটি বড় কারণ, এতে বড়দের মতো ওড়না সামলানোর ঝামেলা নেই। সিল্ক বা নেটের লেহেঙ্গার সঙ্গে উজ্জ্বল রঙের এমব্রয়ডারি করা ক্রপ টপ এখনকার বড় একটি ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে; বিশেষ করে মিরর ওয়ার্ক বা ফ্লোরাল মোটিফের ডিজাইন এখনকার মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে।
উৎসবের সকালে বা রাতের জাঁকালো নিমন্ত্রণে সারারা ও গারারা স্যুট টিনএজ বা লেট টিনএজের মেয়েদের লুকে একধরনের স্নিগ্ধতা যোগ করে। জর্জেট ও শিফন কাপড়ে তৈরি ঘেরওয়ালা এই পায়জামা ও কামিজগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পান্না সবুজ, মেরুন বা সরষে হলুদ রঙের সারারা স্যুট তরুণীদের উজ্জ্বলতা আরও বাড়িয়ে দেয়। এই পোশাকগুলো খুবই এলিগ্যান্ট হওয়ায় যেকোনো উৎসবে উপযুক্ত।
যাঁরা প্রচলিত সালোয়ার-কামিজের বাইরে ভিন্ন কিছু পরতে চান, তাঁদের জন্য ইন্দো-ওয়েস্টার্ন গাউন সেরা বিকল্প। দেশীয় কাজের সঙ্গে পাশ্চাত্য ধাঁচের এই লং গাউনগুলো দুর্গাপূজায় পরার জন্য সেরা। এ ছাড়া শর্ট কুর্তির সঙ্গে পালাজ্জো বা স্কার্টের কম্বিনেশন এখনকার টিনএজ মেয়েদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। রেডি টু ওয়্যার শাড়িও কিশোরীদের জন্য উৎসবে পরার ক্ষেত্রে পারফেক্ট, যদি সেটা হয় নবমী। তা ছাড়া কামিজ বা কুর্তির সঙ্গে হালকা গয়না পরলেও এলিগ্যান্ট লুক দেবে। সে ক্ষেত্রে দিনের বেলার অনুষ্ঠানে সাদা, ল্যাভেন্ডার ও প্যাস্টেল শেডের মতো হালকা রঙের প্রাধান্য থাকতে হবে। আর রাতে বের হলে গাঢ় রং ভালো লাগবে। বটল গ্রিন, কালো বা ওয়াইন রেডের মতো আকর্ষণীয় রং বেছে নিতে পারে কিশোরী থেকে তরুণী—সবাই।

মার্জিত লুকে উৎসব উদ্যাপনের জন্য আনারকলি স্যুট তরুণীদের চমৎকার পছন্দ। বর্তমানে কড়া রঙের চেয়ে প্যাস্টেল শেড, যেমন পিচ, মিন্ট গ্রিন বা ল্যাভেন্ডার রঙের আনারকলি বেশি জনপ্রিয়। এই পোশাকগুলো টিনএজ মেয়েদের চপলতাকেও খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।
কাপড় ও আরাম: উৎসবে সারা দিন সতেজ থাকতে সুতি, লিনেন বা জর্জেট ভালো পছন্দ হতে পারে। ঢাকার বাইরে রাতে ঠান্ডা লাগলে মখমল বা ভারী সিল্ক জুতসই হবে।
রঙের ব্যবহার: দিনের অনুষ্ঠানের জন্য হালকা প্যাস্টেল রং এবং রাতের জন্য উজ্জ্বল ও গাঢ় রং বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
পরিমিত সাজ: টিনএজ থেকে তরুণী মেয়েদের মেকআপ খুব বেশি ভারী না হওয়াই ভালো। এ ছাড়া পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে ছোট কানের দুল, পাথরের বালা বা স্টাইলিশ হেয়ার ব্যান্ড পরলে সাজটি পূর্ণতা পাবে।
সূত্র: হার জিন্দেগি ও অন্যান্য

আঁচল আর উত্তরীয়র কোনায় যাঁদের গিঁট পড়েছে, একাকী থাকার দিন যাঁদের শেষ হয়েছে গত পূজার পর আর এই পূজার আগেই, যাঁরা একটু একটু করে মানিয়ে নিচ্ছেন দুজনের জীবনে দুজনের উপস্থিতি, তাঁদের জন্য এবারের পূজার উৎসব একেবারে আলাদা।
১০ ঘণ্টা আগে
নিরামিষ আর আমিষ—খাবার মূলত এই দুই ধরনের। কিন্তু সনাতন ধর্মমতে খাবার তিন ধরনের—সাত্ত্বিক, রাজসিক আর তামসিক। মেয়ে যখন বছরান্তে ঘরে ফেরে, তখন এই সব ‘ধরন’ ধরে ধরে খাওয়া হয় না, যায়ও না। ‘মেয়ে ঘরে ফেরে’—দুর্গাপূজায় এই বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
১০ ঘণ্টা আগে
উৎসব মানে আনন্দের রঙে ঘর ভরিয়ে তোলা। বিশেষ করে দুর্গাপূজা বা শারদীয় উৎসবে বাড়ির আঙিনা ও ঘরের মেঝেতে আলপনা না আঁকলে যেন উৎসবের আমেজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে যাঁরা ভাড়া বাড়িতে থাকেন, তাঁদের জন্য টাইলসের মেঝেতে আলপনা আঁকা কিছুটা চিন্তার কারণ হতে পারে।
১১ ঘণ্টা আগে
আলতার রক্তিম ছোঁয়া সাজে এনে দেয় অপরূপ মার্জিত ভাব। তবে ঐতিহ্যবাহী তরল আলতার ছিটকে পড়া বা শুকানোর দীর্ঘ অপেক্ষার ঝামেলা এড়াতে আজকাল বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আলতা পেন।
১২ ঘণ্টা আগে